নব-নির্বাচিত সভাপতি গোলাম ইয়াহইয়া চৌধুরী (সুহেল) ও সাধারণ সম্পাদক জোবায়ের বখ্ত জুবের।
সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে গোলাম ইয়াহইয়া চৌধুরী (সুহেল) সভাপতি ও জোবায়ের বখ্ত জুবের সাধারণ সম্পাদক পদে পুনঃ নির্বাচিত হয়েছেন।
গতকাল সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ভোরে এ ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোঃ ছয়ফুল আলম এডভোকেট। এসময় তাকে সহযোগিতা করেন সহকারি নির্বাচন কমিশনার মোঃ এডভোকেট আব্দুল্লাহ আল-হেলাল ও এডভোকেট মোঃ কাওছার জুবায়ের।
গত রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সমিতির ২ নম্বর হলের ২য় ও ৩য় তলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমিতির ১৬৬৫ জন ভোটারের মধ্যে ১৩৩৪ জন ভোটার নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এবারের বার্ষিক নির্বাচনে ২৪টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন ৫৮ জন আইনজীবী প্রার্থী।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, এডভোকেট গোলাম ইয়াহ-ইয়া চৌধুরী (সুহেল) ৫৭৪ ভোট পেয়ে সভাপতি, এডভোকেট পান্না লাল দাশ ৪৩৮ ভোট পেয়ে সিনিয়র সহ সভাপতি, এডভোকেট আব্দুস সোয়েব আহমদ ৫১০ ভোট পেয়ে সহ-সভাপতি, এডভোকেট মোঃ জোবায়ের বখ্ত জুবের ৩৪৮ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক-১ পদে এডভোকেট মো. আব্দুল মুকিত (অপি) ৩১৩ ভোট পেয়ে, এডভোকেট মোঃ হেদায়েত হোসেন তানবীর ৪৮৮ ভোট পেয়ে যুগ্ম সম্পাদক-২ পদে, এডভোকেট মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম ৫৮১ ভোট পেয়ে ক্রীড়া ও সমাজ বিষয়ক সম্পাদক, এডভোকেট দেবব্রত চৌধুরী লিটন ৬৮৯ ভোট,সহ-ক্রীড়া ও সমাজ বিষয়ক সম্পাদক পদে এডভোকেট ঝুমকি পুরকায়স্থ ৬৭৮ ভোট।এছাড়া লাইব্রেরি সম্পাদক পদে এডভোকেট সৈয়দ ফেরদৌস আহমদ ৭২৮ ভোট, প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদে এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ রিপন ৫৯৭ ভোট, এডভোকেট নাজমুল ইসলাম ৫৭৮ ভোট, সহকারী নির্বাচন কমিশনার এডভোকেট সোনিয়া জেরীন চৌধুরী ৬৬২ ভোট, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে এডভোকেট সৈয়দা হেলেন বেগম মহিলা বিষয়ক সহ-সম্পাদক পদে (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), এডভোকেট মোঃ জাহিদুল হক জাবেদ ৯২০ ভোট, এডভোকেট মোঃ ওয়ায়েছ কুরুণী উজ্জ্বল ৬৯৪ ভোট, এডভোকেট জিয়াউল হক মোস্তাক এডভোকেট ৬৭২ ভোট পেয়ে সহ-সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন।এছাড়াও সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যের ৭টি পদে এডভোকেট মোঃ ইরফানুজ্জামান ৮৯৯ ভোট, এডভোকেট মোঃ আতিকুর রহমান ৮৯৫ ভোট, এডভোকেট এ.এস.এম আব্দুল গফুর ৮৭২ ভোট, এডভোকেট মোঃ আনোয়ার হোসেন ৮৬৯ ভোট, এডভোকেট এ.কে.এম. ফখরুল ইসলাম ৮৫৭ ভোট, এডভোকেট মোহাম্মদ জুয়েল ৮৪০ ভোট, এডভোকেট মোঃ ওবায়দুর রহমান ৮২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচার চক্রের সদস্যদের সঙ্গে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের যৌথ বাহিনীর গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে সেনাবাহিনীর এক সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় মানবপাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখা ৫৭ জনকে উদ্ধার এবং চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা নুরালীপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ ব্লকসংলগ্ন পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, পাহাড়ি এলাকায় জেলা পুলিশের সঙ্গে যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। এ সময় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলিতে সেনাবাহিনীর এক সদস্য আহত হন। অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার ও কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পক্ষ থেকে জানানো হয়, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে টেকনাফে মানবপাচার চক্রের সদস্যদের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে সেনাবাহিনীর একজন সদস্য আহত হন। অভিযানে তিনজনকে গ্রেপ্তার এবং মানবপাচারের শিকার ৫৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টেকনাফের বিভিন্ন পাহাড়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই শতাধিক মানুষকে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রেখেছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। তাদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালালে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলি শুরু হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কাশেম বলেন, বিকেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে ডাকাত দলের গোলাগুলি হয়। ওই এলাকায় মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে শতাধিক মানুষকে আটকে রাখা হয়েছিল। তাদের উদ্ধার করা হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, লেদার পাহাড়ি এলাকায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। অভিযানকে কেন্দ্র করে পাহাড়সংলগ্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসেরর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। । ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দিনাজপুর জেলা বিএনপির প্রস্তুতি সভা
পিরোজপুর জামায়াতের আমির হলেন আব্দুর রব
দীর্ঘ ৩৫ বছরের নেতৃত্বের অবসান ঘটিয়ে নতুন নেতৃত্বে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পিরোজপুর জেলা শাখা। ২০২৭-২০২৮ সাংগঠনিক সেশনের জন্য জেলা আমির নির্বাচিত হয়েছেন মাওলানা আব্দুর রব। এর আগে তিনি ভারপ্রাপ্ত জেলা আমিরের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯১ সাল থেকে পিরোজপুর জেলা জামায়াতের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন অধ্যক্ষ তাফাজ্জল হোসাইন ফরিদ। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পর শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়ে ভারপ্রাপ্ত আমিরের দায়িত্ব পান মাওলানা আব্দুর রব। এবার রুকনদের ভোটে তিনি পূর্ণাঙ্গ মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হলেন।
গত ৯ অক্টোবর পিরোজপুর শহরের টাউন স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত জেলা রুকন সম্মেলনে নতুন আমির নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার ৬৭২ জন নারী ও পুরুষ রুকন গোপন ব্যালটে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল।
বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠক শেষে নতুন আমিরদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। দলের আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ২০২৭-২০২৮ সেশনের জন্য দেশের ৭৭টি জেলা ও মহানগর শাখার নির্বাচিত আমিরদের নাম ঘোষণা করেন।
দলটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাংগঠনিক রুকনদের প্রত্যক্ষ গোপন ভোটের ভিত্তিতেই এসব শাখার আমির নির্বাচিত হয়েছেন।
ভালুকায় জাতীয় দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকার প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন