সিলেটের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে বড় সুখবর এসেছে। গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরীর উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে সরকার জানিয়েছে, সিলেট বিভাগের উপজেলাগুলোতে বৈদ্যুতিক বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ক্ষমতাবর্ধনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
রোববার (৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (প্রথম বাজেট) অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এ তথ্য জানান।
সংসদ অধিবেশনে সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ -বিয়ানীবাজার) আসনের এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী জানতে চান, তাঁর নির্বাচনী এলাকার প্রধান বাজারগুলোতে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি কমাতে ভূগর্ভস্থ (আন্ডারগ্রাউন্ড) বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনের কোনো পাইলট প্রকল্প সরকার গ্রহণ করবে কি না।
জবাবে মন্ত্রী বলেন, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতাধীন সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর অন্তর্ভুক্ত গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারে ওভারহেড লাইনের তুলনায় ভূগর্ভস্থ লাইন নির্মাণ ব্যয় প্রায় ১৫ গুণ বেশি। এ কারণে বর্তমানে সরাসরি ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা নেই।
তবে তিনি জানান, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতায় অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন ‘বৈদ্যুতিক বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ক্ষমতাবর্ধন (সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগ)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারসহ সিলেট জেলার সব উপজেলায় প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যমান বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ক্ষমতাবর্ধনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
এদিকে, সংসদে গোলাপগঞ্জ-বিয়ানী বাজারের গ্যাস সংকট নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী। তিনি জানতে চান, গ্যাসসমৃদ্ধ এলাকা হওয়া সত্ত্বেও দুই উপজেলার সিএনজি স্টেশনগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস সংকট বিরাজ করছে। এ সংকট নিরসনে সরকারের কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে কি না।
জবাবে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের ক্রমবর্ধমান ঘাটতির কারণে ২০১৫ সাল থেকে নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ রয়েছে। একই কারণে সিএনজি স্টেশনগুলোতে অনুমোদিত মাসিক লোডের ভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। অন্যদিকে উচ্চমূল্যে আমদানিকৃত এলএনজি যুক্ত করে দেশের সামগ্রিক চাহিদা পূরণ করা হচ্ছে। বর্তমান ঘাটতি কাটিয়ে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারের সিএনজি স্টেশনগুলোর গ্যাস সংকটও দূর হবে।
সংসদে এমপি এমরান আহমদ চৌধুরীর উত্থাপিত এসব প্রশ্নের জবাবে সিলেট অঞ্চলের বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনার বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।
রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচার চক্রের সদস্যদের সঙ্গে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের যৌথ বাহিনীর গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে সেনাবাহিনীর এক সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় মানবপাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখা ৫৭ জনকে উদ্ধার এবং চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা নুরালীপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ ব্লকসংলগ্ন পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, পাহাড়ি এলাকায় জেলা পুলিশের সঙ্গে যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। এ সময় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলিতে সেনাবাহিনীর এক সদস্য আহত হন। অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার ও কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পক্ষ থেকে জানানো হয়, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে টেকনাফে মানবপাচার চক্রের সদস্যদের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে সেনাবাহিনীর একজন সদস্য আহত হন। অভিযানে তিনজনকে গ্রেপ্তার এবং মানবপাচারের শিকার ৫৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টেকনাফের বিভিন্ন পাহাড়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই শতাধিক মানুষকে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রেখেছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। তাদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালালে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলি শুরু হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কাশেম বলেন, বিকেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে ডাকাত দলের গোলাগুলি হয়। ওই এলাকায় মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে শতাধিক মানুষকে আটকে রাখা হয়েছিল। তাদের উদ্ধার করা হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, লেদার পাহাড়ি এলাকায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। অভিযানকে কেন্দ্র করে পাহাড়সংলগ্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসেরর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। । ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দিনাজপুর জেলা বিএনপির প্রস্তুতি সভা
পিরোজপুর জামায়াতের আমির হলেন আব্দুর রব
দীর্ঘ ৩৫ বছরের নেতৃত্বের অবসান ঘটিয়ে নতুন নেতৃত্বে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পিরোজপুর জেলা শাখা। ২০২৭-২০২৮ সাংগঠনিক সেশনের জন্য জেলা আমির নির্বাচিত হয়েছেন মাওলানা আব্দুর রব। এর আগে তিনি ভারপ্রাপ্ত জেলা আমিরের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯১ সাল থেকে পিরোজপুর জেলা জামায়াতের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন অধ্যক্ষ তাফাজ্জল হোসাইন ফরিদ। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পর শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়ে ভারপ্রাপ্ত আমিরের দায়িত্ব পান মাওলানা আব্দুর রব। এবার রুকনদের ভোটে তিনি পূর্ণাঙ্গ মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হলেন।
গত ৯ অক্টোবর পিরোজপুর শহরের টাউন স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত জেলা রুকন সম্মেলনে নতুন আমির নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার ৬৭২ জন নারী ও পুরুষ রুকন গোপন ব্যালটে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল।
বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠক শেষে নতুন আমিরদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। দলের আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ২০২৭-২০২৮ সেশনের জন্য দেশের ৭৭টি জেলা ও মহানগর শাখার নির্বাচিত আমিরদের নাম ঘোষণা করেন।
দলটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাংগঠনিক রুকনদের প্রত্যক্ষ গোপন ভোটের ভিত্তিতেই এসব শাখার আমির নির্বাচিত হয়েছেন।
ভালুকায় জাতীয় দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকার প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন