• প্রকাশ : রবিবার ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:০০ পিএম

সিলেট- ছাতক রেল ‘লাইন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হলে পুনর্বাসনে উদ্যোগ নেওয়া হলেও মেয়াদ শেষে কাজের অগ্রগতি সিকিভাগ পেরুতে পারেনি। কাজে ধীরগতির কারণে বর্ধিত মেয়াদেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে শঙ্কিত স্থানীয়রা।


বাংলাদেশ রেলওয়ের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সর্বশেষ স্টেশন সুনামগঞ্জের ছাতক। শিল্পনগর হিসেবে একসময় পরিচিতি ছিল ছাতকের। চুন, চুনাপাথর, পাথর, সিমেন্ট এবং পাল্প এন্ড পেপার মিলের জন্য প্রসিদ্ধ ছিল অঞ্চলটি। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও পণ্য পরিবহনের জন্য ১৯৫৪ সালে স্থাপন করা হয়েছিল সিলেট-ছাতক রেললাইনটি। কিন্তু গত ৬ -৮ বছর ধরে এই লাইনে হুইসেল বাজেনি কোন ট্রেনের।


রেলওয়ে সূত্র জানায়, করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালের মার্চে সিলেট- ছাতক রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর সারা দেশে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হলেও ছাতক রুটে আর ট্রেন চলেনি। এর মধ্যে ২০২২ সালে ভয়াবহ বন্যায় রেললাইনটি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। বন্যার পর রেললাইন মেরামত নিয়ে শুরু হয় গড়িমসি। ইতোপূর্বে সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত রেলমন্ত্রী থাকাকালে ছাতক বাজার থেকে আমবাড়ি হয়ে সুনামগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইন নির্মানের উদ্যোগ নেন এবং কিছু কাজও হয়। 


পরর্পবতীতে তার মন্ত্রত্ব চলে গেলে আল এ কাজ আলোর পথ দেখেনি। আওয়ামীরী সরকারের পরিকল্পনা মন্রত্রী এম এ মান্নান সিলেট গোবিন্দগঞ্জ শান্তিগঞ্জ হয়ে সুনামগঞ্জ হয়ে মোহন গঞ্জ পর্যন্ত রেল লাইন নির্মানের প্রকল্প গ্রহন করেন। তারপর একনেকে হাজার কোটির উপরে টাকা ব্যায়ে প্রকল্পের কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে সরকার পতনের পর তা আলোর মুখ দেখেনি।পর্বর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় সংস্কার কাজ। চলতি বছরের ২৩ আগস্ট প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও রেলওয়ের নথির তথ্য অনুযায়ী কাজ হয়েছে মাত্র ২১ ভাগ। আর সিলেট-ছাতকবাজার সেকশন (মিটারগেজ) পুনর্বাসন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মহিউদ্দিন আরিফের তথ্যমতে এখন পর্যন্ত কাজ শেষ হয়েছে ২৫ শতাংশ।


রেলওয়ে ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সিলেট-ছাতক রুটের ট্রেনে শুধু যাত্রী চলাচল করতেন না। স্থানীয় কৃষি ও শিল্পে এই রেললাইনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছিল। ছাতক থেকে ট্রেনে করে একসময় বালু, পাথর, চুনাপাথর, সিমেন্টসহ কৃষিজপণ্য পরিবহন করা হতো। দেশের একমাত্র কংক্রিট স্লিপার কারখানাটিও ছিল ছাতকে। কিন্তু রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা বাড়তি ভাড়ায় এসব পণ্য গাড়ি দিয়ে পরিবহন করতে হচ্ছে। একসময় ছাতকগামী ট্রেন খাজাঞ্চিগাঁও, সৎপুর ও আফজালাবাদ স্টেশনে যাত্রা বিরতি করতো।


রেলওয়ে সূত্র জানায়, সিলেট-ছাতকবাজার ৩৪ কিলোমিটার রেলপথ পুনর্বাবসে ২১৭ কোটি ৩৪ লাখ ৪ হাজার ৩৬৯ টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের কাজ পায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মীর আখতার হোসেন লিমিটেড (এমএএইচএল)। ২০২৫ সালে শুরু হওয়া প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল চলতি বছরের ২৩ আগস্ট।


এর মধ্যে রেলপথে মাটি ভরাট, কালভার্ট নির্মাণ, সেতু মেরামত, নতুন স্লিপার ও রেললাইন বসানোর কথা ছিল। মাটি ভরাটের জন্য ইতোমধ্যে পুরনো রেললাইন অপসারণের কাজ শেষ হয়েছে। স্টেশনের পাইলিংয়ের কাজও সম্পন্ন হয়েছে। তবে বিভিন্ন স্থানে চলমান সংস্কার কাজে ধীরগতি দেখা গেছে। রেল চলাচল না করায় কোথাও কোথাও রেলপথ হারিয়ে গেছে জঙ্গলে। দেখে বোঝারই উপায় নেই এখানে একসময় রেলপথ ছিল।


এদিকে, রেললাইনটির কাজ সম্পন্ন করতে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধি পেয়েছে প্রকল্পের মেয়াদ। কিন্তু নির্ধারিত মেয়াদে মাত্র ২৫ শতাংশ কাজ শেষ হওয়ায় বর্ধিত মেয়াদেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে আশার আলো দেখছেন না স্থানীয়রা। 


সাধারন লোকজন জানান,সিলেটে বড়বড় প্রকল্প হাতে নেয়া হয়।কিন্তু আশলাতান্ত্রিক প্রতিহিংসা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সচেতনতার অভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায়না। এদিকে রেলের এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন না করে প্রবাসীকল্যান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী  সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত রেল লাইন নির্মানের প্রদক্ষেপ নেন। তাই তিনি রেলের মহাপরিচালককে নিয়ে স্থানও পরদর্শন করেন। সিরেটের লোকজন মনে করন আমলাতান্ত্রিক কো উদ্দেশ্যে এক প্রকর্প বাস্তবায়ন না করে নতুন প্রকর্প সৃস্টি করা এবং কাজ না করা সিলেটবাসীর সাথে প্রতারনা ছাড়া আর কিছু নয়। সিলেটবাসী  আমলাতান্ত্রিক জটিলতা পরিহার করে  এসব প্রকর্প বাস্তবায়নের দাবী জানান।


প্রকল্প পরিচালক মো. মহিউদ্দিন আরিফ মেয়াদ বৃদ্ধির তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বৃষ্টির কারণে রেলপথে মাটি ভরাটের কাজ শেষ করা যায়নি। যে কারণে নির্ধারিত মেয়াদে কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। মাটির কাজ শেষ হলেই রেলপথ বসানোর কাজ শুরু হবে। বর্ধিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:০০ পিএম

দিনাজপুরের বিরল সীমান্তে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ২৪৮ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল (TAPENTADOL) ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার করা এসব নেশাজাতীয় ট্যাবলেটের সিজার মূল্য ৭৪ হাজার ৪০০ টাকা।


আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) দিবাগত রাতে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধীন ধর্মজান বিওপির সদস্যরা বিরল উপজেলার সীমান্তবর্তী কাঠুলিয়াপাড়া এলাকায় চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ২৪৮ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।


বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।


দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান জানান, দেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। সীমান্ত এলাকায় অপরাধ দমনে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। সীমান্তপথে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ এবং এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সমাজকে সুরক্ষিত রাখতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

আর্থিক অনুদান দিলেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ

  • প্রকাশ : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:৫১ পিএম

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহার ইউনিয়নের বিভিন্ন শারদীয় দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদ।


পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং পূজার আয়োজক ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপগুলোর জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।


প্রতিমন্ত্রীর এ পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সদস্য ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।


এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:৩৬ পিএম
  • আপডেট : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:৩৬ পিএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস উপলক্ষে র‌্যালি

  • প্রকাশ : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:৩৬ পিএম

দেশে ১৮ বছর বা তার বেশি প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর প্রায় ৩০ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনো ধরনের মাস্কুলোস্কেলেটাল বা আর্থ্রাইটিসের সমস্যায় ভুগছেন। তাদের মধ্যে নারীদের আক্রান্ত হওয়ার হার তুলনামূলক বেশি। আর্থ্রাইটিস কেবল সামান্য জয়েন্ট ব্যথা বা অস্বস্তির বিষয় নয়; এটি আক্রান্ত রোগীদের প্রায় ২৫ শতাংশের ক্ষেত্রে নানা শারীরিক প্রতিবন্ধকতারও সৃষ্টি করে।


বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সোমবার সকালে চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ক্যাম্পাসে বৈজ্ঞানিক সেমিনারে এসব তথ্য জানানো হয়। এ বছর বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘আসুন স্বপ্ন পূরণ করি’।


সেমিনারে জানানো হয়, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৭১ কোটি মানুষ বিভিন্ন ধরনের আর্থ্রাইটিস ও মাস্কুলোস্কেলেটাল সমস্যায় আক্রান্ত। বাংলাদেশেও আর্থ্রাইটিস আশঙ্কাজনক জনস্বাস্থ্য ও আর্থ-সামাজিক সমস্যায় রূপ নিয়েছে। রোগটির কারণে আক্রান্ত রোগী বছরের কোনো না কোনো সময় সম্পূর্ণ কর্মক্ষমতা হারান। একজন কর্মক্ষম মানুষ যখন কাজ করার ক্ষমতা হারান, তখন কেবল তার আয়ই বন্ধ হয় না, বরং তার ভবিষ্যৎ জীবনের অনেক সুন্দর স্বপ্নও থমকে যায়। এ কারণে রোগীকে নতুন করে নানা শারীরিক জটিলতার সম্মুখীনও হতে হয়।


অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আরমান। বাত ও আর্থ্রাইটিস রোগের আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং ফিজিক্যাল থেরাপির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আর্থ্রাইটিস কেবল বয়স্কদের রোগ নয়, সচেতনতার অভাবে তরুণ সমাজও এতে আক্রান্ত হতে পারে। সময়মতো সঠিক ডায়াগনোসিস ও নিয়মিত ফিজিওথেরাপি পেলে রোগী স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।  


প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবদুর রহিম বলেন, ‘আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত রোগীর শারীরিক অক্ষমতা দূর করে কার্যক্ষম করে তোলাই চিকিৎসকদের মূল লক্ষ্য। আধুনিক চিকিৎসা ও ফিজিক্যাল রিহ্যাবিলিটেশনের মাধ্যমে রোগীরা যেন তাদের দৈনন্দিন জীবনে স্বাবলম্বী হতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে।’  


সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মুসলিম উদ্দিন বলেন, ‘চিকিৎসা শিক্ষার পাশাপাশি জনসচেতনতা সৃষ্টিতে আমাদের মেডিকেল কলেজ কাজ করে যাচ্ছে। আজকের এই বৈজ্ঞানিক সেমিনারের মাধ্যমে তরুণ চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা আর্থ্রাইটিসের আধুনিক চিকিৎসা সংক্রান্ত নতুন জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন, যা ভবিষ্যতে রোগীদের চিকিৎসায় বড় ভূমিকা রাখবে।’


অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন হাসপাতালের ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের প্রধান ডা. শফিউল করিম মো. ইলিয়াস, মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. ফেরদৌস, অর্থোপেডিক্স বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. সাইফুদ্দীন রোকন। সেমিনার সঞ্চালনা করেন মেডিসিন বিভাগের মেডিকেল অফিসার ড. সিদরাতুল মুনতাহা শশী। পরে একটি র‌্যালি বের করা হয়।


সেমিনারে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। আলোচনা শেষে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে চিকিৎসকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন বিশেষজ্ঞরা।

সর্বশেষ সব খবর

প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:৩৮ পিএম

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) চলমান অচলাবস্থা নিরসন এবং শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় চালুর লক্ষ্যে তদন্ত ও পরামর্শক কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বৃত্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে ইউজিসি চেয়ারম্যানকে এ-সংক্রান্ত চিঠি দেওয়া হয়। এতে স্বাক্ষর করেন সহকারী সচিব মো. সুলতান আহমেদ।


চিঠিতে বলা হয়, চুয়েটের বিদ্যমান অচলাবস্থা নিরসন ও শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় চালুর লক্ষ্যে ইউজিসির সদস্য পর্যায়ে একটি তদন্ত ও পরামর্শক কমিটি গঠন করতে হবে। কমিটিকে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সুস্পষ্ট সুপারিশ জরুরিভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর চুয়েটের পাঠানো একটি চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।


শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের সভাপতিত্বে অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪৫তম জরুরি সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপাচার্যসহ ছয়জন সদস্য অংশ নেন। তবে কোনো শিক্ষক সদস্য সভায় যোগ দেননি।


সভায় তিনটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রথম সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ব্যাহত হওয়া ও সম্ভাব্য সেশনজট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবিলম্বে নিয়মিত শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়।


দ্বিতীয় সিদ্ধান্তে ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক পরিবেশ ও পারস্পরিক আস্থা ফিরিয়ে আনতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে সমন্বিত আলোচনা ও মতবিনিময় সভা আয়োজনের কথা বলা হয়। 


তৃতীয় সিদ্ধান্তে অচলাবস্থা নিরসন ও শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় চালুর টেকসই সমাধান খুঁজতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে নিরপেক্ষ ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত ও পরামর্শক কমিটি গঠনের সুপারিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়।


সিন্ডিকেটের তৃতীয় সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউজিসিকে কমিটি গঠন করে সুপারিশ পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। কমিটির পর্যালোচনা ও সুপারিশের ভিত্তিতে চুয়েটের সংকট নিরসন এবং নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম চালুর বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।


উল্লেখ্য, উপাচার্য পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে চুয়েটে দীর্ঘদিন ধরে ক্লাস ও পরীক্ষা ব্যাহত হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন দীর্ঘায়িত হওয়া এবং সেশনজটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:১১ পিএম

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইজারা চুক্তি বাতিল এবং শ্রমিক-কর্মচারীদের চাকরির নিশ্চয়তাসহ মৌলিক দাবি পূরণের লক্ষ্যে ঘোষিত আমরণ অনশন কর্মসূচি স্থগিত করেছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। নৌপরিবহনমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর আজ রোববার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


আগামীকাল সোমবার থেকে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছিল চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। ১২ অক্টোবর বন্দরের ওয়ানস্টপ সার্ভিস ভবনের সামনে গণ-অনশন কর্মসূচি থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।


বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক মো. ইব্রাহিম খোকন আমরণ অনশন কর্মসূচি স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


মো. ইব্রাহিম খোকন বলেন, ‘মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এক বৈঠকে সব হয়তো সমাধান হবে না। সরকার পক্ষ আমাদের আশ্বস্ত করেছেন।’


কর্মসূচি স্থগিতের প্রসঙ্গে মো. ইব্রাহিম খোকন বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ায় সমাধান চাই। তাই আমরণ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।’

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:২৭ এএম

শারদীয় দুর্গোৎসবের অষ্টমী পূজা উপলক্ষে আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।বাজুসের সভাপতি এনামুল হক খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে অষ্টমী পূজার দিন দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চেয়েছে সংগঠনটি।

সর্বশেষ সব খবর