স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের মতো নিজেকেও সিলেটের সন্তান বলে উল্লেখ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যন তারেক রহমান।
বুধবার মধ্যরাতে সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় গিয়ে উপস্থিত নেতাকর্মী ও এলাবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তৃতাকালে তিনি এমনটি বলেন। এ সময় ধানের শীষের পক্ষে ভোটও চান তিনি।
বক্তৃতাকালে তারেক রহমান বলেন, ডা জোবাইদা যেমন আপনাদের সন্তান আমিও আপনাদের সন্তান। আমি এই পরিবারের অংশ হিসেবে, এই পরিবারের সদস্য হিসেবে আমিও এই এলাকার সন্তান।
তিনি বলেন, হযরত শাহজালাল (র.) ও হযরত শাহপরান (র.) এর মাজার জিয়ারত করে এই দক্ষিণ সুরমার মাটি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন উপলক্ষে প্রচারণা শুর করলাম। আমি সবার কাছে দোয়া চাই। যেনো ১২ ফেব্রুয়ারি আমরা জয়যুক্ত হই। যেনো ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড সহ যে ওয়াদাগুলা দিচ্ছি তা বাস্তবায়ন করতে পারি। গত ১৫ বছরের আওয়ামী শাসনামলের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, আমরা দেখেছি গত ১৫ বছর ফ্যাসিবাদের আমলে মানুষের বাক স্বাধীনতা ছিলো না। ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিলা।
এসময় তিনি উপস্থিত জনতাকে প্রশ্ন করেন, ‘আপনারা কি গত ১৫ বছর ভোট দিতে পেরেছিলেন?’ তখন সবাই সমস্বরে না বলে উঠেন। তারেক রহমান বলেন, আমরা তরুণদের ট্রেনিং দিতে চাই, যারা বিদেশে গিয়ে তারা ভালো কাজ পায়। আমরা আবার খাল খনন কর্মসূচী শুরু করতে চাই। শহীদ জিয়া যে খাল খনন শুরু করেছিলেন। খাল খনন হলে এলাকার সবাই উপকৃত হবে।
এই কাজগুলো করতে হলে ধানের শীষকে জয়যুক্ত করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই এলাকার, এই সিলেটের সন্তান হিসেবে আপনাদের কাছে আমার দাবি রয়ে গেলো। কী সেই দাবি, ১২ তারিখ ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে। আর আপনারা দোয়া করবেন, যেনো বিএনপর মানুষের কল্যনে কাজ করতে পারে। মানুষকে যে জবান দিয়েছে তা যেনো রক্ষা করতে পার।নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে বুধবার রাতে সিলেট সফরে আসেন তারেক রহমান। সিলেটে এসে তিনি হযরত শাহজালাল (র.) ও হযরত শাহপরান (র.) এর মাজার জিয়ারত করেন। এরপর মধ্যরাতে দক্ষিণ সুরমার সিলামে শ্বশুর বাড়িতে যান। সেখানে নানা আয়োজনে তাকে বরণ করা হয়।
উল্লেখ্য, ডা. জুবাইদা রহমান সিলেটের দক্ষিণ সুরমার প্রয়াত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলীর মেয়ে। মাহবুব আলী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে নৌবাহিনীর প্রধান ছিলেন এবং হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সরকারের সময়ে মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৪ সালে তারেক রহমানের সঙ্গে জুবাইদা রহমানের বিয়ে হয়।
রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচার চক্রের সদস্যদের সঙ্গে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের যৌথ বাহিনীর গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে সেনাবাহিনীর এক সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় মানবপাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখা ৫৭ জনকে উদ্ধার এবং চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা নুরালীপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ ব্লকসংলগ্ন পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, পাহাড়ি এলাকায় জেলা পুলিশের সঙ্গে যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। এ সময় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলিতে সেনাবাহিনীর এক সদস্য আহত হন। অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার ও কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পক্ষ থেকে জানানো হয়, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে টেকনাফে মানবপাচার চক্রের সদস্যদের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে সেনাবাহিনীর একজন সদস্য আহত হন। অভিযানে তিনজনকে গ্রেপ্তার এবং মানবপাচারের শিকার ৫৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টেকনাফের বিভিন্ন পাহাড়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই শতাধিক মানুষকে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রেখেছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। তাদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালালে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলি শুরু হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কাশেম বলেন, বিকেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে ডাকাত দলের গোলাগুলি হয়। ওই এলাকায় মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে শতাধিক মানুষকে আটকে রাখা হয়েছিল। তাদের উদ্ধার করা হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, লেদার পাহাড়ি এলাকায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। অভিযানকে কেন্দ্র করে পাহাড়সংলগ্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসেরর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। । ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দিনাজপুর জেলা বিএনপির প্রস্তুতি সভা
পিরোজপুর জামায়াতের আমির হলেন আব্দুর রব
দীর্ঘ ৩৫ বছরের নেতৃত্বের অবসান ঘটিয়ে নতুন নেতৃত্বে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পিরোজপুর জেলা শাখা। ২০২৭-২০২৮ সাংগঠনিক সেশনের জন্য জেলা আমির নির্বাচিত হয়েছেন মাওলানা আব্দুর রব। এর আগে তিনি ভারপ্রাপ্ত জেলা আমিরের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯১ সাল থেকে পিরোজপুর জেলা জামায়াতের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন অধ্যক্ষ তাফাজ্জল হোসাইন ফরিদ। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পর শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়ে ভারপ্রাপ্ত আমিরের দায়িত্ব পান মাওলানা আব্দুর রব। এবার রুকনদের ভোটে তিনি পূর্ণাঙ্গ মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হলেন।
গত ৯ অক্টোবর পিরোজপুর শহরের টাউন স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত জেলা রুকন সম্মেলনে নতুন আমির নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার ৬৭২ জন নারী ও পুরুষ রুকন গোপন ব্যালটে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল।
বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠক শেষে নতুন আমিরদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। দলের আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ২০২৭-২০২৮ সেশনের জন্য দেশের ৭৭টি জেলা ও মহানগর শাখার নির্বাচিত আমিরদের নাম ঘোষণা করেন।
দলটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাংগঠনিক রুকনদের প্রত্যক্ষ গোপন ভোটের ভিত্তিতেই এসব শাখার আমির নির্বাচিত হয়েছেন।
ভালুকায় জাতীয় দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকার প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন