সংসদ অধিবেশনে বিএনপির সংসদ সদস্য মাহবুব উদ্দিন খোকন

  • প্রকাশ : রবিবার ২৮ জুন, ২০২৬, সময় : ৫:২৯ এএম

সরকারকে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য (বিএনপি) এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। আজ রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ আহ্বান জানান তিনি।


মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, ‘টাকা নেই। ব্যাংকগুলো লুট হয়ে গেছে। এত ব্যাংক দরকার কি বাংলাদেশে? এত ব্যাংক দরকার নেই বাংলাদেশে। এমপি হলে তার একটা ব্যাংক লাগবে। এমপি ও নেতা হলেই তার লিজিং কোম্পানি লাগবে। এগুলো বন্ধ করতে হবে। ব্যাংক কমায় ফেলতে হবে। এত ব্যাংকের দরকার নেই। জনগণের টাকা দিয়ে ব্যাংকের ঘাটতি পূরণ করতে হয়। জনগণের আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’


তিনি বলেন, ‘আজ মানুষের ব্যাংকের প্রতি আস্থা কমে গেছে। অনেকে নগদ টাকা ঘরে রাখছেন। আবার যারা টাকা বিদেশে পাচার করতে চেয়েছিলেন, আবার যারা স্বৈরাচার ছিল তারাও অনেক নগদ অর্থ ফেলে চলে গেছেন। ঘরে ঘরে নগদ অর্থ পড়ে আছে, কিন্তু ব্যাংকে জমা হচ্ছে না।’


এ সময় এমপি আরও বলেন, ‘আমি প্রস্তাব করছি, সরকার যদি ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করে দেয়, দুই মাসের মধ্যে টাকা জমা দিয়ে বৈধ করতে পারবে। যদি ট্যাক্স ফাইলে টাকা না থাকে তাহলে ২৫ শতাংশ কর দিয়ে বৈধ করবে। এতে বাজেট ঘাটতি পূরণ হবে, ব্যাংকিং খাতে তারল্য বাড়বে, ব্যাংক শক্তিশালী হবে এবং সেই অর্থ দেশের বিনিয়োগ ও উৎপাদনমুখী খাতে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।’


টাকা পাচার বড় সমস্যা উল্লেখ করে নোয়াখালীর এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে যত টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, আমরা বারবার বলেছি সেই টাকা ফিরিয়ে আনব। কিন্তু বাস্তবে কোনো টাকা ফিরে আসে নাই। আনার সুযোগও নাই। একটি টাকাও ফিরিয়ে আনা যায়নি। কারণ একবার টাকা আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় ঢুকে গেলে তা ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। টাকারও একটি স্বভাব আছে। মানুষ যেখানে নিরাপত্তা অনুভব করে, সেখানেই টাকা রাখে। আমাদের মা-বোনেরা যেমন বাসায় থাকলে স্বর্ণ ও টাকা আলমারিতে রাখেন, কিন্তু বাড়ি ফাঁকা থাকলে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে রাখেন। কারণ সেখানে তারা নিরাপত্তা অনুভব করেন।’


খোকন আরও বলেন, ‘আমাদেরও এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে দেশের মানুষ বিদেশে টাকা না পাঠিয়ে দেশের মধ্যেই বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হয়। শুধু আইন করলেই হবে না, সিস্টেম পরিবর্তন করতে হবে। সিঙ্গাপুর, দুবাই, কানাডা, থাইল্যান্ড—সব দেশেই আইন আছে, কিন্তু তারা এমন একটি আর্থিক পরিবেশ তৈরি করেছে, যেখানে মানুষ স্বেচ্ছায় অর্থ রাখে। আমাদেরও সেই ধরনের সিস্টেম গড়ে তুলতে হবে।’


বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘বাজেট বাস্তবায়নে কতগুলো সমস্যা আছে। প্রথম হলো, বাংলাদেশে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি। কোটি কোটি যুবকদের বেকার রেখে আইনশৃঙ্খলার উন্নতি আশা করি না। আমাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।’


মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, ‘আমাদের এই বাজেট একটি ঘাটতির বাজেট। তবে ঘাটতির বাজেট শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের অনেক দেশেই হয়। বাংলাদেশের অতীতের রেকর্ড দেখলেও দেখা যাবে, প্রায় সব সময়ই ঘাটতির বাজেট হয়েছে। বাজেট মূলত আগামী এক বছরে দেশের উন্নয়নের একটি পরিকল্পনা।’


তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী নেতৃত্বে মাত্র তিন মাসের মধ্যে একটি বিধ্বস্ত অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। লুটপাটের অর্থনীতি থেকে দেশকে উদ্ধার করার মধ্যেই এই বাজেট দেওয়া হয়েছে। এ কারণেই এই বাজেট নিয়ে বড় ধরনের সমালোচনা আমরা দেখছি না।’



সর্বশেষ সব খবর

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:২৬ পিএম

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন জুলাই আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসাসেবা ও শহীদ পরিবারের পুনর্বাসনের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে বলেছেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জুলাই আহতদের চিকিৎসা এবং শহীদ পরিবারদের পুনর্বাসনের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিশ্চিত করা।


তিনি বলেন, দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে যাদের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি, তাদের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করছি। আহত জুলাই যোদ্ধারা যেন অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারেন এবং তাদের জীবনযাত্রার মান সহনীয় পর্যায়ে থাকে, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক ও তৎপর রয়েছি। বুধবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় কমিটি’র সভায় তিনি এ কথা জানান।


তিনি বলেন, আহত জুলাই যোদ্ধারা যেন অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারেন এবং তাদের জীবনযাত্রার মান সহনীয় পর্যায়ে থাকে, সেই বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক ও তৎপর রয়েছি।


সভায় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম এবং সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৪৫-এর সংসদ সদস্য ও জুলাই শহীদ জাবিরের মাতা রোকেয়া বেগম।


 মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, আমাদের সরকার, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার—জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় বাংলাদেশ গড়বে, সেজন্য আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। আর সেই অঙ্গীকার থেকেই আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরকে সক্রিয় করে এর মাধ্যমে আহত জুলাই যোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের জন্য কাজ করব। এই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব কোনো একক দলের নয়, এটি পুরো জাতির। সকল শহিদ পরিবার ও আহতদের পরিচর্যা ও সেবা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।          



অন্যদিকে, তালিকার নির্ভুলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোকপাত করে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম উল্লেখ করেন, জুলাই যোদ্ধাদের এবং শহীদদের তালিকায় যে সকল ভুলত্রুটি বা অভিযোগ আসছে, সেগুলো তদন্ত সাপেক্ষে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে সংশোধন করা হচ্ছে। জুলাই শহীদ ও জুলাই যোদ্ধাদের আবেদনের ভিত্তিতে ডাক্তারি সনদসহ জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হয়। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই অন্তে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের সুপারিশের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় অনুমোদনপূর্বক গেজেটভুক্ত করা হয়। আমাদের লক্ষ্য একটি সম্পূর্ণ নির্ভুল ও স্বচ্ছ তালিকা উপহার দেওয়া, যাতে কোনো অযোগ্য ব্যক্তি এতে সুযোগ না পায় এবং প্রকৃত কোনো জুলাই যোদ্ধা বা শহিদ পরিবার বাদ না পড়েন।             

 ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় কমিটি’র সভা

বিশেষ আমন্ত্রণে সভায় উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৪৫ এর সংসদ সদস্য ও জুলাই শহীদ জাবিরের মাতা রোকেয়া বেগম। এছাড়া সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, অর্থ বিভাগ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ, পরিকল্পনা বিভাগ, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা; সরকার মনোনীত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের একজন প্রতিনিধি এবং জুলাই যোদ্ধাদের একজন প্রতিনিধি।


সভায় জুলাই শহীদ ও জুলাই যোদ্ধাদের প্রকৃত তালিকা এবং তাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে আলোচ্যসূচি অনুযায়ী আলোচনা করা হয় ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:১৫ পিএম
  • আপডেট : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:১৫ এএম


সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:১৫ পিএম

নয়টি মামলায় সর্বোচ্চ আদালত থেকে জামিনের পর অবশেষে কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক। 


আজ বুধবার বিকেল ৪টার দিকে কেরানীগঞ্জ বিশেষ কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন তার কারামুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এছাড়াও সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 


তিনি জানান, গত এক বছরে তাকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হত্যা বা হত্যাচেষ্টা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পরিবর্তন, জালিয়াতির অভিযোগ এবং দুর্নীতির মোট নয়টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর সবগুলোতেই তিনি সর্বোচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন।


জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর বনানী থানায় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা সর্বশেষ এক মামলায় খায়রুল হককে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার ‘নো অর্ডার’ আদেশ দেন চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক।


জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা। ওইদিন রাতেই তাকে যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই ছিলেন।


২০২৬ সালের এপ্রিল ও মে মাসে বিভিন্ন মামলায় সর্বোচ্চ আদালত থেকে তার জামিন বহাল হলেও নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর কারণে এতদিন তিনি কারামুক্ত হতে পারেননি। 


২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন এ বি এম খায়রুল হক। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান।

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৭:৪২ পিএম
  • আপডেট : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৭:৪২ এএম


ঈদে-মিলাদুন্নবী

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৭:৪২ পিএম

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) উপলক্ষে আগামী ২৬ আগস্ট দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি পালন করবে সরকার। গত ১৩ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় জাতীয় কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়। 


ধর্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


আজ বুধবার (১৯ আগস্ট) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দেবেন। সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ভবন ও সশস্ত্র বাহিনীর সব স্থাপনায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।


কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক আইল্যান্ড, লাইটপোস্ট, স্থান ও সড়ক জাতীয় পতাকা, রঙিন পতাকা এবং ‘কালিমা তায়্যিবা’ লেখা ব্যানারে সজ্জিত করা হবে।


বাংলাদেশ সচিবালয় মসজিদসহ দেশের সব মসজিদে দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হবে। একই সঙ্গে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এবং সশস্ত্র বাহিনী নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করবে।


ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ওয়াজ মাহফিল, সেমিনার ও টকশো প্রচারের পাশাপাশি কিরাত, হামদ-নাত, স্বরচিত কবিতা পাঠ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। আরবিতে খুতবা লেখা প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হবে।


এ ছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশন স্মরণিকা বা ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ প্রান্তে মাসব্যাপী ইসলামিক বইমেলারও আয়োজন করা হবে।


দিবসটি উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচারের জন্য বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংবাদপত্রগুলোও বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে।


বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, শিশু একাডেমি, অন্যান্য সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ওয়াকফ প্রশাসকের কার্যালয়, ঢাকা ও জেদ্দা হজ অফিসসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর জীবন ও কর্ম, ইসলামের শান্তি, প্রগতি, সৌহার্দ্য, সহিষ্ণুতা, বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব, মানবাধিকার ও নারীর মর্যাদা বিষয়ে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, হামদ-নাত, কবিতা পাঠ, সাংস্কৃতিক ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে বলা হয়েছে।


শিশুদের জন্য হামদ-নাত, আলোচনা সভা ও রচনা প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি।


এদিকে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দেশের সব সামরিক ও বেসামরিক হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু সদন, আবাসিক শিশু বিকাশ কেন্দ্র ও প্রবীণ নিবাসে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলোতেও যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হবে।


দিবসটি উপলক্ষে শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৫৪ পিএম

সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনির প্যারোলে মুক্তির আবেদন মঞ্জুর করে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তির সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডা. দীপু মনির আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম।


তিনি জানান, আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে দীপু মনির মেয়ে তানি দিপাবলি মায়ের সঙ্গে দেখা করতে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে প্রবেশ করেন। পরে কারাগার থেকে বের হয়ে মায়ের প্যারোলে মুক্তির আবেদন নিয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান। সেখানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রেজাউল করিমের কাছে আবেদনপত্র জমা দেন তিনি।


আইনজীবী গাজী ফয়সাল বলেন, ‘আমরা চার দিনের জন্য প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেছিলাম। তবে কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।’


উল্লেখ্য, ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ মঙ্গলবার রাতে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার মৃত্যুর পর স্বামীর জানাজা ও দাফনে অংশ নিতে ডা. দীপু মনির প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়।


বর্তমানে ডা. দীপু মনি মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে রয়েছেন।

সর্বশেষ সব খবর

প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৪৯ পিএম

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৮টি শিশু। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।


এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮২৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গে এই সময়ে মোট ৯২২টি শিশু মারা গেছে।


এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৮৭টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৩১। এই সময়ে ৭৮৭টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯২৫টি শিশু।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪৫ হাজার ৭১১, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৭৬। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ২৭ হাজার ৭৬ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ২২ হাজার ৮০৫ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।


সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:০২ পিএম
  • আপডেট : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:০২ এএম


  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:০২ পিএম

মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের পর বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মোসা. রাবেয়া খাতুন। তাঁর এমন সিদ্ধান্তে পরিবারের অনেকেই আপত্তি জানিয়েছেন। তাঁদের প্রশ্ন, উচ্চশিক্ষিত একজন নারী কেন বাসচালক হিসেবে পেশা বেছে নেবেন? তবে এসব প্রশ্নকে বাধা হিসেবে না দেখে চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিয়েছেন রাবেয়া।


তাঁর কাছে বাস চালানো কেবল জীবিকার একটি মাধ্যম নয়, বরং প্রচলিত ধারণা ভেঙে নতুন কিছু করার এবং দেশের পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার একটি সুযোগ।


মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসির ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে নারীদের জন্য বিশেষ ‘মহিলা বাস সার্ভিস (পিংক বাস)’-এর উদ্বোধন করা হয়। এর আগে রাবেয়া খাতুনের সঙ্গে কথা বলে তাঁর বাসচালক হওয়ার সিদ্ধান্ত, পরিবারের প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ ভাবনা সম্পর্কে জানা যায়।


পিংক বাস চালক রাবেয়া খাতুন বলেন, ‘এই কাজটাকে আমি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। পরিবার তো আসলে কখনোই এর পক্ষে না। তারা বলছেন, আমি মাস্টার্স পাস। ঢাকা ইউনিভার্সিটির অধীনে তিতুমীর কলেজ থেকে মাস্টার্স পাস করেছি। সেহেতু তাদের ধারণা, বাংলাদেশ আসলে এটা ডিজার্ভ করে না যে একজন মাস্টার্স পাস মেয়ে একজন চালক হিসেবে কাজ করবে।’


তবে রাবেয়া বাসচালক হিসেবে নিজের পরিচয়টাকে অন্যভাবে দেখতে চান। তিনি বলেন, ‘কিন্তু এটাকে চালক না ভেবে যদি আমি নিজেকে পাইলট ভাবি, তাহলে আমার অপরাধটা কী? কোনও অপরাধ নাই। আমি তো এটাই ভেবে কাজ করতে পারি।’


নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি যখন ব্র্যাকে জব করতাম, তখন আমার সামনে, আমার হাত দিয়ে অনেক ভালো ভালো ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার এবং বড় বড় ফ্যামিলির সন্তানরা, যারা ব্র্যাকে ড্রাইভিং শিখে গিয়েছে বা বিআরটিসি ড্রাইভিংয়ের যে প্রশিক্ষণ সেন্টার, সেখানে ড্রাইভিং শিখে বাইরের কান্ট্রিতে তারা পার্টটাইম হিসেবে কাজ করে।’


রাবেয়ার ভাষ্য, বিদেশে গিয়ে অনেকেই ড্রাইভিং করে জীবিকা নির্বাহের পাশাপাশি পড়াশোনার খরচ চালান। বাংলাদেশ থেকে টাকা-পয়সা নিয়ে পড়াশোনা করতে গেছেন, এমন লোক খুবই কম। সেখানে তারা নিজেরাই রোজগার করে চলার চেষ্টা করেন।


রাবেয়া প্রশ্ন রাখে বলেন, ‘তো এটা যদি বহির্বিশ্বে গিয়ে আমরা করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশে এটা কেন করতে পারবো না?’


তার উত্তরও স্পষ্ট। বলেন, ‘আমরাই নতুন করে সৃষ্টি করবো, আমরা আমাদের দেশটাকে চেঞ্জ করার চেষ্টা করবো, যদি নতুন কিছু করা যায়। আমি সেটার লক্ষ্যেই আছি।’


পিংক বাসের আরেক চালক সুপ্রিয়া কুন্ডুর কাছেও এটি নতুন কিছু শেখার সুযোগ। নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সবাই তো ড্রাইভিং করে। দেশের বাইরে যাক বা দেশের মধ্যে থাক, সবাই ড্রাইভিং করে। কিন্তু আমার শেখার ইচ্ছা ছিল। তারপর যখন আমার এখানে জয়েনিং হলো, আমি এখানে আসলাম। এরপর আমাদের বাস সার্ভিসের জন্য ট্রেনিং দেওয়া হলো। তো অনেক ভালো লাগলো যে নতুন একটা জিনিস শিখবো।’


সুপ্রিয়া বলেন, যেকোনও কিছু শেখার প্রতি তার আগ্রহ রয়েছে। পিংক বাসে নারী চালক ও কন্ডাক্টর থাকায় নারীদের জন্য এটি বেশি ভালো হবে বলেও মনে করেন তিনি।


তার মতে, বর্তমানে অনেক ছোট ছোট মেয়েকে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এ কারণে সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে মায়েদের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করে। নির্দিষ্ট রুটে পিংক বাস চললে সন্তানদের নিরাপদে যাতায়াত নিয়ে মায়েরা নিশ্চিন্ত হতে পারবেন।


তিনি বলেন, ‘তারা যদি দেখে যে তাদের রুটের ভেতর তাদের গাড়িটা চলে, তাহলে তারা নিশ্চিন্তে থাকবে যে এই গাড়ি এই টাইমিংয়ে আসে বা এই সময়ে যায়, ওই বাসগুলোতেও উঠছে। তার মানে আমার মেয়েটা সেফলিভাবে বাসায় আসতে পারবে।’


সড়কে চলাচলকারী অন্য যানবাহন চালকদের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখছেন না সুপ্রিয়া। তিনি বলেন, ‘রাস্তায় যারা ড্রাইভার থাকবেন, তারা আমাদের প্রতিযোগী না। তারা আমাদের সহযোগী।’


সিএনজি, রিকশা বা অটোরিকশার চালকদের কথাও উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যাই চালান না কেন, তারা আমাদের কোনও প্রতিযোগী না। তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় তো আমরা নামিনি। আমরা এসেছি মহিলাদের একটা বিশেষ সুবিধা দেওয়ার জন্য।’


আরেক চালক রিমাও পিংক বাসের অংশ হতে পেরে আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। তিনি বলেন, ‘আমি একজন নারী চালক। এই পিঙ্ক বাস যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে, আমি এই পিঙ্ক বাস পরিচালনার একটি অংশ হিসেবে অংশগ্রহণ করতে পেরে খুবই আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত।’


নারীদের পেশা নিয়ে প্রচলিত ধারণার কথাও তুলে ধরেন তিনি। রিমা বলেন, ‘আমরা নারী বলতে খুবই নরম স্বভাবের হয়ে থাকি। আমরা শুধু নারী সেক্টরকে বোঝাই, গার্মেন্টস সেক্টর, বিভিন্ন নরমাল যে আমরা বেসরকারি বা সরকারি খুব ছোট প্রফেশন, আমরা বোঝাই। তো সেখানে আমরা যে এত বড় পিঙ্ক বাস সার্ভিস পরিচালনা করবো, আমি একজন নারী হিসেবে এখানে অংশগ্রহণ করতে পেরে খুবই আনন্দিত।’


প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে রিমা বলেন, ‘আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং মাননীয় কর্মকর্তাদের। আমাদের নারীদের শুধু এখানে কর্মসংস্থান নয়, মহিলা যে যাত্রীদের আমরা নিয়ে যাবো এবং সঠিকভাবে গন্তব্যস্থলে নিয়ে আসবো, এটার আমাদের সাহস প্রদান করার জন্যও ধন্যবাদ।’

বিষয় : পিংক বাস

সর্বশেষ সব খবর