বাংলাদেশ সরকারের লোগো

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, সময় : ১১:০৯ পিএম

যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চায় অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। 


এখন পর্যন্ত সরকারের সিদ্ধান্ত হলো, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। সে ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের শপথ হতে পারে আগামী সোমবার বা মঙ্গলবার। যেদিন সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন, সেদিনই নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নিতে পারেন। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।


বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বা তাঁর মনোনীত ব্যক্তি। তিন দিনের মধ্যে এটি না হলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন।


সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পদত্যাগ করার পর শিরীন শারমিন চৌধুরীকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এখন সিইসিকে দিয়ে শপথ পড়াতে হলে গেজেট প্রকাশের পর তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে। এর বিকল্প কোনো কিছু করা যায় কি না, তা নিয়েও ভাবা হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে যদি কোনো বিকল্প প্রস্তাব আসে, তাহলে এর আগেই সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন। নতুন সরকারও দায়িত্ব নেবে।


ওই সূত্রগুলো জানায়, শুক্রবার (গতকাল) রাতে বা আজ শনিবারের মধ্যে নির্বাচনে বিজয়ীদের গেজেট হবে। ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তুতিমূলক কাজ শেষ করতেও তিন-চার দিন লাগতে পারে। সে ক্ষেত্রে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীনই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন।


গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট গ্রহণ হয়। গতকাল শুক্রবার ২৯৭ আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছে ইসি। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকায় দুটি আসনের ফলাফলের গেজেট এখন জারি করা হচ্ছে না।


নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে বেসরকারিভাবে জয় পেয়েছে। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। তাঁদের শরিকেরা পেয়েছে তিনটি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্য শরিকেরা পেয়েছে ৯টি আসন।


গতকাল বিকেলে ইসি সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, যত দ্রুত সম্ভব গেজেট প্রকাশ করা হবে। সবগুলো আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ফলাফল বিবরণী আসার পর দ্রুত গেজেট প্রকাশের ব্যবস্থা করা হবে। শুক্রবার (গতকাল) সন্ধ্যা নাগাদ এই ফলাফল বিবরণী পাওয়া শুরু হবে। 


তিনি বলেন, ইসি তাড়াতাড়ি গেজেট প্রকাশ করতে চায়। দেরি করার কোনো কারণ নেই।


সংসদ সদস্যদের শপথ নিয়ে কী বলছে সংবিধান


সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যদের শপথ সম্পর্কে বলা আছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন অনুষ্ঠিত সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে এই সংবিধানের অধীন এতদুদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা তদুদ্দেশ্যে অনুরূপ ব্যক্তি কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন ব্যক্তি যে কোন কারণে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনা করিতে ব্যর্থ হইলে বা না করিলে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার উহার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে উক্ত শপথ পাঠ পরিচালনা করিবেন, যেন এই সংবিধানের অধীন তিনিই ইহার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি।’


অন্যদিকে সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে বিভিন্ন পদের শপথ সম্পর্কে বলা আছে। সেখানে বলা হয়েছে, সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন স্পিকার। দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পদত্যাগ করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। 


সংবিধানে বলা আছে, পদত্যাগ করলেও স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার তাঁর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল আছেন বলে গণ্য হবেন। সে হিসেবে শপথ পড়ানোর ভার স্পিকারের।


অন্যদিকে জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিতে বলা আছে, বিদায়ী স্পিকারের বা তাঁর অনুপস্থিতিতে বিদায়ী ডেপুটি স্পিকারের এবং উভয়ের অনুপস্থিতিতে বিদায়ী স্পিকারের মনোনীত ব্যক্তির সামনে সংসদ সদস্যরা নির্ধারিত ফরমে শপথ নেবেন এবং সই করবেন।


হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বিদায়ী ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু এখন কারাগারে। এ ছাড়া বিদায়ী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের কাছে শপথ নেওয়ার বিষয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও নেতিবাচক অবস্থান আছে বলে জানা গেছে। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে কাউকে শপথের দায়িত্ব দিতে হলে সেটা স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর মনোনীত ব্যক্তি হতে হবে। এ ক্ষেত্রে সিইসির মাধ্যমে শপথ পড়ানোর বিকল্পটিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।


আইন বিশ্লেষকেরা বলছেন, এর বাইরেও শপথ–সংক্রান্ত কিছু জটিলতা আছে। কারণ, সংবিধানে বলা আছে, সংবিধানের ১২৩(৩) দফার অধীনে অনুষ্ঠিত সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ীদের শপথের কথা। কিন্তু এবারের জাতীয় নির্বাচন ওই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হয়নি। ১২৩(৩) অনুচ্ছেদে বলা আছে, মেয়াদ অবসানের কারণে সংসদ ভেঙে যাওয়ার ক্ষেত্রে সংসদ ভাঙার আগের ৯০ দিনের মধ্যে এবং অন্য কোনো কারণে সংসদ ভেঙে যাওয়ার ক্ষেত্রে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন করতে হবে।


২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ৬ আগস্ট দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়। এর প্রায় দেড় বছর পর গত বছরের ১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। 


প্রথমে জারি করা ওই তফসিলের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, ‘সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ (সংসদ প্রতিষ্ঠাসংক্রান্ত) এর অধীন সংসদ গঠনের লক্ষ্যে ‘সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদের অধীন সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠান করা প্রয়োজন’।


কিন্তু পরে এই প্রজ্ঞাপন সংশোধন করে ১২৩ অনুচ্ছেদের বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়। সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, ‘যেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের (অতঃপর সংবিধান বলিয়া উল্লিখিত) অনুচ্ছেদ ৬৫ এর অধীন সংসদ গঠন করিবার লক্ষ্যে সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠান করা প্রয়োজন; সেহেতু, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১১ এর দফা (১) অনুসারে, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন, জাতীয় সংসদ গঠন করিবার উদ্দেশ্যে প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকা হইতে একজন সদস্য নির্বাচনের জন্য ভোটারগণকে আহবান জানাইতেছে।’


সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, একটি পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে একধরনের রাজনৈতিক ঐকমত্যের মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন শপথের বিষয়টিও রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে সমাধান করা যেতে পারে।




ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:৫২ পিএম

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে প্রথমবারের মতো সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বঙ্গভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।


বেলা ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাকে স্বাগত জানান। পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিবসহ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।


সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তার যুক্তরাষ্ট্র সফর, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ এবং সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, জাতিসংঘের মহাসচিব ও শীর্ষ কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়গুলো রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের জন্য তাকে অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রপতি। 


ভাষণটিকে ‘দূরদর্শী, দৃঢ়প্রত্যয়ী ও দিকনির্দেশনামূলক’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে।


রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুসংহত করার পাশাপাশি জনস্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করতেও এ সফর অবদান রেখেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।


সাক্ষাৎকালে জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ করতে আসায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি।

দূর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি

নির্বাহী আদেশে বাড়লো একদিন


সরকারি-ছুটি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:৩৫ পিএম

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি বছর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজায় দুদিনের ছুটি নির্ধারিত আছে। পূজার ছুটির পর একদিন অফিস খোলা থাকবে, এরপর আবার দুদিন সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে পূজার ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে কর্মদিবসটিতেও ছুটি ঘোষণা করবে সরকার। 


খোলা থাকা দিনটিতে নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে এবছর টানা পাঁচদিনের ছুটি পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।


২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী আগামী ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে এবং ২১ অক্টোবর (বুধবার) বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি থাকবে।


এরপর ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) অফিস খোলা। পরের দুদিন শুক্র ও শনিবার (২৩ ও ২৪ অক্টোবর) সাপ্তাহিক ছুটি। 


২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী আগামী ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে এবং ২১ অক্টোবর (বুধবার) বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি থাকবে। এরপর ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) অফিস খোলা। পরের দুদিন শুক্র ও শনিবার (২৩ ও ২৪ অক্টোবর) সাপ্তাহিক ছুটি। 


সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:০০ পিএম

বোয়িংয়ের পর এবার ইউরোপীয় উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারক কোম্পানি এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কিনতে যাচ্ছে সরকার। আগামী অক্টোবরেই এ নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।


আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘আমরা এয়ারবাস কিনছি। ১০টি কিনছি। ইনশা আল্লাহ, অক্টোবরে চুক্তি হয়ে যাবে।’


সংবাদ সম্মেলনে বিমানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানি থেকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এ নিয়ে মোট চুক্তি স্বাক্ষর হলো ২৫টি। অনেকের প্রশ্ন এতগুলো বোয়িং এই মুহূর্তে কেন কেনা হলো। চুক্তি স্বাক্ষর করা মানেই কিন্তু এখন নেওয়া নয়। চুক্তি অনুযায়ী প্রথম এয়ারক্রাফটটি আসবে ২০৩১ সালে। এই ২৫টি আসতেও ১১ থেকে ১২ বছর লাগবে। আর এখন কোনো টাকাও দেওয়া লাগছে না। একটা করে এলে তারপরে টাকা।


মন্ত্রী বলেন, আগামী ২৫ থেকে ৩০ বছর পর দেশের এভিয়েশন খাত কোথায় যাবে সেই চিন্তা করেই এই স্বাক্ষরগুলো করা হচ্ছে। 


এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কোত্থেকে কী কিনব, এটা তো ডেফিনেটলি আমাদের নিজস্ব একটা বিষয় থাকে। কোন এয়ারক্রাফটটা কীভাবে আমাদের জন্য সুইটেবল, সেটা চিন্তা করেই কিন্তু আমরা করছি। কারও লেভেল প্লেইং ফিল্ড হলো কি হলো না- সেটা দেখার বিষয় আমাদের নয়।’


মন্ত্রী বলেন, দেশের এভিয়েশন খাতকে শক্তিশালী করা দরকার। ইথিওপিয়ায় বাংলাদেশের চেয়ে জিডিপির হার অনেক কম। কিন্তু তাদের এয়ারলাইনস এখন ১৬৭টি ফ্লিট নিয়ে চলছে। তাদের জিডিপিতে এভিয়েশন থেকে একটা বড় ধরনের কন্ট্রিবিউশন করতে পারছে। সেই হিসাবে বাংলাদেশ খুবই পিছিয়ে।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৩২ পিএম

বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জ্বালানি সংকট সৃষ্টির কারণ এবং সংকটকালীন ও পরবর্তী সময়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা একই থাকার পরও শুধু জ্বালানির মূল্য বাড়িয়ে কীভাবে সংকটের অবসান হয়েছে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।


মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির প্রথম বৈঠকে এ বিষয়ে বিপিসির কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। কমিটির সভাপতি ও সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য ও হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহমেদ অপু, হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, মোছা. তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মো. মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া এবং মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান অংশ নেন।


বৈঠকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন ও এর আওতাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় বিভিন্ন সময়ে পেট্রোলিয়াম পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি ও সমন্বয়ের কারণ, মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার উপায় এবং মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধির ক্ষেত্রে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল পিএলসির ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।


এ ছাড়া দেশের বর্তমান জ্বালানি চাহিদা, জ্বালানি সংরক্ষণের সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠানের প্রস্তুতি সম্পর্কে পরবর্তী বৈঠকে কমিটিকে বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়।


বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়, মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৫২ পিএম

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম উপসর্গে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে নিশ্চিত হাম ও উপসর্গে মোট ১ হাজার ১০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহ ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ৩৩৯ জন। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এক হাজার ২৫৫ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট হাম রোগীর সংখ্যা এক লাখ ৯০ হাজার ৫১৯ জন।


গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৩৯২ জন।


গত ১৫ মার্চ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৬৮ হাজার ৬৫৫ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক লাখ ৬১ হাজার ৭৯৮ জন।


গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট এক হাজার তিনজন মারা গেছেন।


গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৪০ পিএম
  • আপডেট : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৪০ এএম


দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল) এর লোগো

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৪০ পিএম

শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’বই বিক্রি নিয়ে প্রকাশনা সংস্থা দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের (ইউপিএল) বাংলাবাজার বিক্রয়কেন্দ্রে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর জেরে বিক্রয়কেন্দ্রের দুই কর্মীকে তুলে নিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয় বলেও পাওয়া গেছে অভিযোগ। সোমবার  বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ইউপিএল-এর বিক্রয়কেন্দ্রে দুই যুবক ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ কিনতে চাইলে তাদের বইটি দেখানো হয়। এ সময় তারা বইটিকে ‘নিষিদ্ধ’ দাবি করে এটি কেন বিক্রি করা হচ্ছে, তা জানতে চান। একপর্যায়ে তারা সেখানে হট্টগোল শুরু করেন এবং আশপাশের লোকজন জড়ো করেন। পরে বিক্রয়কেন্দ্রের দুই কর্মী আমিনুল ইসলাম ও হুমায়ূন কবীরকে ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।


এ ব্যাপারে সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান বলেন, তুলে নেওয়া দুই কর্মীকে থানায় আনা হয়নি। তাদের ফরিদাবাদ পুলিশ ফাঁড়িতে নেওয়ার পর সেখান থেকেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।


স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে দুই যুবক বাংলাবাজারের বিক্রয়কেন্দ্রে গিয়ে‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটি কিনতে চান। 


বিক্রয়কর্মীরা তাদের বইটি বের করে দিলে ওই দুই যুবক বইটি বিক্রি নিয়ে আপত্তি তুলে বলেন, ‘বইটি নিষিদ্ধ’। এ সময় তারা আশপাশের লোকজন জড়ো করে ওই বিক্রয়কেন্দ্রে তালা ঝুলিয়ে দেন। 


এদিকে প্রকাশনা সংস্থা ইউপিএল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অভিযোগকারীদের জানানো হয়েছে যে, বইটি নিষিদ্ধ নয়। ইউপিএল তার প্রকাশিত প্রতিটি বইকে ধারণ করে। কোনো বইকে নিষিদ্ধ করতে হলে একটা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সবাইকে জানাতে হয়। কিছু আইনি পদক্ষেপ নিতে হয়। এ বইয়ের ক্ষেত্রে তেমন কিছু ঘটেছে বলে ইউপিএল জানে না। সরকার বা আদালতের পক্ষ থেকে তেমন কোনো পদক্ষেপ নিলে ইউপিএল সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছে।