সিলেট মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী ডক্টর আ ন ম এহছানুল হক মিলন

  • প্রকাশ : বুধবার ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ৬:৪৯ এএম

শিক্ষামন্ত্রী ডক্টর আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, "সিলেট সবসময় ফার্স্ট হয়। তবে শুধু ডলারে আর পাউন্ডে না, পড়ালেখায়ও ফার্স্ট হতে হবে। পাবলিক পরীক্ষায় সিলেটের ফলাফল লন্ডনের ওয়েদারের মত উঠানামা করে। বর্তমানে শিক্ষকরা ফেইলিওর হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীরা কোচিং সেন্টারে যায়। এজন্য সংশ্লিষ্টদের সর্তক থাকতে হবে।" 


আজ বুধবার সকালে সিলেটের জালালাবাদ গ্যাস অডিটরিয়ামে আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে সিলেট শিক্ষা বোর্ড, অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবসহ শিক্ষা সংশ্লিস্টদের সাথে মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী এমনটি বলেন।


তিনি বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন আনবে সরকার। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাখাতে জিডিপি ৫ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। দেশের শিক্ষাখাত উন্নয়নের জন্য যা যা করা দরকার সরকার তা করবে। মতবিনিময় সভায় প্রবাসীকল্যান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীসহ সিলেটের বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


দেশে পরিচালিত ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষা স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি সুসংগঠিত নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় একাধিক ধারার অস্তিত্ব থাকলেও তা কোনো ভাবেই সরকারি নীতিমালার বাইরে থাকতে পারে না।


শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষা থাকবে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিধি-বিধানের বাইরে থাকবে এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জানান, এই খাতকে জবাবদিহির আওতায় আনতে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক দফায় বৈঠক করা হয়েছে এবং একটি কার্যকর রেগুলেটরি বোর্ড গঠনের বিষয়েও আলোচনা চলছে। 


তিনি বলেন, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোতে উচ্চ বেতনে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের ফি আদায় করা হচ্ছে। কিন্তু সেই তুলনায় মান নিয়ন্ত্রণ, কারিকুলামের সামঞ্জস্য এবং শিক্ষার সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। শিক্ষা যদি শুধুমাত্র বিত্তবানদের নাগালের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে, তাহলে সামগ্রিকভাবে জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থায় বৈষম্য তৈরি হবে। 


মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার চায় দেশের প্রতিটি শিশুই মানসম্মত শিক্ষা পাবে সে ইংলিশ মিডিয়াম, বাংলা মাধ্যম বা মাদ্রাসা যেখানেই পড়ুক না কেন। এজন্য একটি সমন্বিত নীতিমালার মাধ্যমে সব ধারার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একটি অভিন্ন কাঠামোর মধ্যে আনা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কারিকুলাম সংস্কার, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ জোরদার, এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার বিস্তার। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে বলে তিনি মনে করেন।


সভায় তিনি সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ও মান নিশ্চিত করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সরকার একা সব করতে পারবে না- শিক্ষক, অভিভাবক ও প্রতিষ্ঠান পরিচালকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক ছয় লেন প্রকল্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জরুরি ভিত্তিতে স্থানান্তর করা হবে বলেও এসময় জানান শিক্ষামন্ত্রী।


এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কেউ জায়গা দিলে উনার নামে স্কুল করে দেবো। বিল্ডিং আমরা করবো। ফেসবুকে তাকে নিয়ে সমালোচনা প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ম্যানেজমেন্ট কমিটি নিয়ে আমাকে তুলোধুনো করা হচ্ছে ফেসবুকে। ভর্তি প্রক্রিয়ায় লটারি বাতিল করার পর আমাকে নিয়ে কত ট্রল হলো। আজকাল আমার কিছু পেলেই হলো ফেসবুকে। সেই নির্বাচনের আগে, ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় আমি আমার এলাকয় গিয়ে বাচ্চাদের বলেছি, ‘তোমাদের জায়মাকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে’। কারণ পুতুলকে যদি প্রধানমন্ত্রী বানিয়ে দেয়! তাই আমি আমার এলাকায় গিয়ে রাজনৈতিকভাবে এই কথা বলছি। তাও নির্বাচনের আগে। এখন এটা নিয়ে আমাকে ট্রল করা হচ্ছে।


এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আগামীদিনের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন এই স্বপ্ন তো আমরা দেখতেই পারি। আমরা স্বপ্ন দেখেছিলাম, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন, সেই স্বপ্ন পুরণ হয়েছে। আল্লাহ কবুল করলে সেও (জায়মা রহমান) প্রধানমন্ত্রী হবে, আমি হয়তো বেঁচে থাকতে দেখে যেতে পারবো। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা নিজের বিশ্ববিদ্যালয় খবর না নিয়ে আমার নামে পোস্ট করেন মন্ত্রী ব্যর্থ। এখন শিক্ষকরা মন্ত্রীদের খাতা দেখা শুরু করে দিয়েছে।


কোচিং সেন্টারকে আইনের আওতায় আনা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষকরা ফেইলিওর হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীরা কোচিং সেন্টারে যায়। শিক্ষকরা ভাল করে পড়ান না বলেই নকল করে। তিনি বলেন, আগের দিনে জেলার স্কুলগুলো ছিল নাম্বার ওয়ান। কারণ ডিসি-এসপিদের ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়া করত।


মতবিনিময় সভায় তিনি উল্লেখ করেন, সিলেট প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় এখানে অর্থনৈতিক সক্ষমতা তুলনামূলক বেশি। কিন্তু সেই আর্থিক শক্তি শিক্ষার মানোন্নয়নে পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না। ফলে একই অঞ্চলের ভেতরেই সুযোগের অসম বণ্টন দেখা যাচ্ছে।


এসময় মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী মন্ত্রী আরিফুর হক চৌধুরী, সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, ডেপুটি কমিশনার সারওয়ার আলম, শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হাসান কয়েস লোদী প্রমুখ।



সর্বশেষ সব খবর

সেলিমা রহমান, আন্দালিব রহমান পার্থ, শহীদুল ইসলাম বাবুল, শামীম কায়সার

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:০৯ পিএম

সরকারের ছয় মাস পূর্তির আগে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদলের সম্ভাবনা আপাতত নেই। তবে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বের চাপ কমানো এবং সরকারের কাজের গতি বাড়াতে সীমিত পরিসরে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ে চারজন নতুন মুখকে মন্ত্রিসভায় যুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তাদের মধ্যে সেলিমা রহমান ও আন্দালিব রহমান পার্থকে মন্ত্রী এবং শহিদুল ইসলাম বাবুল ও শামীম কায়সার লিংকনকে প্রতিমন্ত্রী করার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।


ফলে মন্ত্রিসভায় আপাতত কোনো পরিবর্তন না করে নতুন চারজনকে যুক্ত করা হতে পারে। মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়নের একমাত্র এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর। তিনি যখন চাইবেন তখনই বাস্তবায়িত হবে।


আগামী ১৭ আগস্ট বর্তমান সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হচ্ছে। দিনটিকে সামনে রেখে সরকারের প্রথম ছয় মাসের কর্মকাণ্ড, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা চলছে। তবে এই পর্যালোচনায় মন্ত্রিসভার পরিবর্তন বা বড় ধরনের দপ্তর পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত এখনই নেওয়া হচ্ছে না বলে জানা গেছে। সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে এমন ইঙ্গিতই পাওয়া গেছে।


গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরদিনই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের রূপরেখা তুলে ধরেছিলেন।


জানা গেছে, সরকারের শুরুতে তুলনামূলক বড় পরিসরে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টন করা হলেও কয়েকজন মন্ত্রীকে একাধিক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনা, মহিলা ও শিশু বিষয়ক ও সমাজকল্যাণ, শিল্প-বাণিজ্য-বস্ত্র ও পাট, কৃষি-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, সড়ক-রেল-নৌপরিবহনসহ কয়েকটি ক্ষেত্রে একাধিক দায়িত্ব রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক কাজের চাপ কমানো এবং নীতিনির্ধারণে আরো মনোযোগ দেওয়ার জন্য নতুন মুখ যুক্ত করার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।


মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সেলিমা রহমান এমপি এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে আন্দালিব রহমান পার্থ এমপি মন্ত্রী হিসেবে যুক্ত হতে পারেন।


এ ছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শহিদুল ইসলাম বাবুল এমপি এবং ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শামীম কায়সার লিংকন এমপি যুক্ত হতে পারেন বলে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্ব পালন করছেন। এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া মন্ত্রিসভায় নির্ধারিত উপদেষ্টারা এবং বিশেষ সহকারীরাও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বিশেষ দায়িত্ব পালন করছেন।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:৫৩ পিএম

টানা সংকটের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে। মহেশখালীর সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে আবার গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। শুরুতে প্রায় ১১ কোটি ঘনফুট গ্যাস দেওয়া হচ্ছে। ধাপে ধাপে সরবরাহ বাড়িয়ে আজ মধ্যরাত ২টার মধ্যে তা প্রায় ৫৫ কোটি ঘনফুটে নেওয়ার আশা করছে বলে জানিয়েছে সামিট কর্তৃপক্ষ।


বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে সামিটের সরবরাহ বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের জোগান নেমে গিয়েছিল প্রায় ১৯০ কোটি ঘনফুট। সামিট চালুর পর গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির কথা থাকলেও এক্সিলারেট এনার্জি টার্মিনালটি বিকেলে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মোট গ্যাস সরবরাহ না বেড়ে প্রায় ১৭০ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছে। দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। ফলে শিল্প, বাসাবাড়ি ও অন্যান্য খাতে সংকট তীব্র হয়। বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতে এ খাতে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানো হলেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং অব্যাহত রয়েছে।


আজও লোডশেডিং


ছুটির দিন হলেও আজ শুক্রবারও বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল। পাওয়ার গ্রিডের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাত ১টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৯২৪ মেগাওয়াট। সরবরাহ হয়েছে ১৪ হাজার ২৮০ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি ছিল ১ হাজার ৬৪৪ মেগাওয়াট।


রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘাটতি আরও বেড়েছে। রাত ২টায় চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৭১৯ মেগাওয়াট এবং সরবরাহ ১৩ হাজার ৯১০ মেগাওয়াট। এ সময় ঘাটতি দাঁড়ায় ১ হাজার ৮০৯ মেগাওয়াট। রাত ৩টায় ঘাটতি ছিল ১ হাজার ৭৭৩ মেগাওয়াট এবং ভোর ৪টায় ১ হাজার ৭২৮ মেগাওয়াট। ভোর ৫টায় ঘাটতি আরও বেড়ে হয় ১ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট।


সকালের দিকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়। সকাল ৬টায় ৬০৯ মেগাওয়াট এবং সকাল ৭টায় ৩০৪ মেগাওয়াট ঘাটতি ছিল। সকাল ৮টায় ঘাটতি ১৮৫ মেগাওয়াট এবং ৯টায় ১৬৯ মেগাওয়াটে নেমে আসে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চাহিদা ও সরবরাহ প্রায় সমান ছিল। দুপুর ১টায় ১৪ হাজার ৪৬৬ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হয় ১৪ হাজার ৪১৪ মেগাওয়াট; অর্থাৎ ঘাটতি ছিল ৫২ মেগাওয়াট। দুপুর ২টায় ঘাটতি ছিল মাত্র ২২ মেগাওয়াট।


অর্থাৎ শুক্রবার রাত ও ভোরে উল্লেখযোগ্য লোডশেডিং থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে সামিটের গ্যাস সরবরাহ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের জোগান বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। এতে আগামী দিনগুলোতে লোডশেডিংয়ের চাপও কমতে পারে।


সংকটের শুরু যেভাবে


মহেশখালীতে আমদানি করা এলএনজি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। এর মধ্যে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের সক্ষমতা দিনে ৬০ কোটি ঘনফুট। সামিটের টার্মিনালের স্বাভাবিক সক্ষমতা প্রায় ৫০ কোটি ঘনফুট হলেও শুক্রবার প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ধাপে ধাপে তা প্রায় ৫৫ কোটি ঘনফুট পর্যন্ত সরবরাহে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।


গত ২১ জুলাই অগ্নিদুর্ঘটনার পর এক্সিলারেটের টার্মিনালের একটি বয়লার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে টার্মিনালটির সরবরাহ সক্ষমতা কমে যায়। ফলে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহের ওপর সামিটের নির্ভরতা বেড়ে যায়।


একপর্যায়ে সামিট থেকে দিনে ৫৬ কোটি ঘনফুট পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছিল। পরে সরবরাহ প্রায় ৫০ কোটি ঘনফুটে রাখা হয়। কিন্তু চলতি সপ্তাহের শুরুতে এলএনজি নিয়ে একটি কার্গো বঙ্গোপসাগরে পৌঁছালেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সেটি টার্মিনালের সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হয়নি। ফলে নতুন কার্গো থেকে এলএনজি নেওয়া যায়নি।


টার্মিনালে মজুত থাকা এলএনজি দিয়ে তখন সরবরাহ চালিয়ে যায় সামিট। মজুত দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়া ঠেকাতে সোমবার সন্ধ্যা থেকে সরবরাহ কমানো হয়। মঙ্গলবার তা ২০ কোটি ঘনফুটে নামানো হয়। বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত জাতীয় গ্রিডে দেওয়া হচ্ছিল ১০ কোটি ঘনফুট করে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।


এর ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের মোট সরবরাহ নেমে আসে প্রায় ১৯০ কোটি ঘনফুটে। অথচ বুধবারও সরবরাহ ছিল প্রায় ২০৩ কোটি ঘনফুট। স্বাভাবিক সময়ে দেশে ২৬০ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে এলএনজি থেকে আসে প্রায় ১০৫ কোটি ঘনফুট।


বিদ্যুতে গ্যাস বাড়লেও শিল্পে কমেছে


গ্যাসের মোট সরবরাহ কমে যাওয়ার পরও বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতে এ খাতে গ্যাসের জোগান বাড়ানো হয়েছে। আগে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো দিনে প্রায় ৬৮ কোটি ঘনফুট গ্যাস পেত, এখন দেওয়া হচ্ছে প্রায় ১০০ কোটি ঘনফুট। সার উৎপাদনে যাচ্ছে ১৪ কোটি ঘনফুট। অন্যদিকে শিল্প, বাসাবাড়ি ও অন্যান্য খাতে মিলছে প্রায় ৮৫ কোটি ঘনফুট।


তিন সপ্তাহ আগেও এসব খাতে ১৬০ থেকে ১৬৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হতো। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ধরে রাখার চেষ্টা করা হলেও শিল্প খাতে গ্যাসের সংকট তীব্র হয়েছে। গ্যাস ও বিদ্যুৎসংকটে কারখানাগুলোর উৎপাদন ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ।


সামনে স্বস্তি কতটা


শুক্রবার সন্ধ্যায় সামিট থেকে সরবরাহ শুরু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের ঘাটতি কিছুটা কমবে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, শুরুতে প্রায় ১১ কোটি ঘনফুট দেওয়া হচ্ছে। এরপর ধাপে ধাপে সরবরাহ বাড়িয়ে শনিবার রাত ২টার মধ্যে তা প্রায় ৫৫ কোটি ঘনফুটে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।


তবে সামিটের সরবরাহ বাড়লেই গ্যাস পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে না। এক্সিলারেটের ক্ষতিগ্রস্ত বয়লারটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালুর আগে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। ওই সময়ে টার্মিনাল থেকে টানা ৭২ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখতে হবে।


পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, এক্সিলারেটের টার্মিনালে দুটি বয়লার রয়েছে—প্রতিটির সক্ষমতা দিনে ৩০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে একটি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অক্ষত বয়লারটি থেকে ৬ আগস্ট গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত বয়লারটি চালুর প্রস্তুতি চলছে। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা কবে শুরু হবে, তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।


ফলে সামিট থেকে সরবরাহ বাড়ায় আপাতত গ্যাস ও বিদ্যুৎসংকটে কিছুটা স্বস্তির সম্ভাবনা তৈরি হলেও দুটি এলএনজি টার্মিনালই পূর্ণ সক্ষমতায় না ফেরা পর্যন্ত সার্বিক গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার সুযোগ কম।

সর্বশেষ সব খবর

প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৬:৪০ পিএম

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে হাম-সংক্রান্ত রোগে এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৯৪ জনে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে হাম-সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।


এতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টার মধ্যে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু না হলেও সন্দেহজনক হামে চারজন মারা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৯ জন এবং সন্দেহজনক হাম রোগে ৭৯৫ জনের প্রাণ গেছে।


এছাড়া, নতুন করে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৮৭ জনের। একই সঙ্গে নতুন সন্দেহজনক হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে ৯৭২ জন।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হওয়া সন্দেহজনক হাম রোগী এক লাখ ২২ হাজার ৭৯৪ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এক লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ জন।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৫০ পিএম

সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদমর্যাদার সাত কর্মকর্তাকে সরকারি চাকরি থেকে অবসর দিয়েছে সরকার। সরকারি চাকরি আইন ২০১৮-এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে তাদের অবসর দেওয়া হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।


প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সব সুবিধা পাবেন।


অবসরপ্রাপ্ত সাত কর্মকর্তা হলেন র‍্যাব সদর দপ্তরের সহকারী পুলিশ সুপার নূরে আলম সিদ্দিকী, ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের সহকারী কমিশনার (পেট্রোল) মো. নুরুল মোত্তাকিন, খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার কাজী ওয়াজেদ আলী, পটুয়াখালীর গলাচিপা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সৈয়দুজ্জামান, র‍্যাব-২-এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম কিবরীয়া, ঢাকার আরআরএফের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং সিরাজগঞ্জ জেলার সহকারী পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম।


এ আদেশ জারির পর সংশ্লিষ্ট সাত কর্মকর্তা সরকারি চাকরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত হিসেবে গণ্য হবেন।


এদিকে পৃথক আরেক প্রজ্ঞাপনে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) পুলিশের ৪৯ জন পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অবসর দিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-২ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত নির্ধারিত ৪৯ জন পুলিশ কর্মকর্তা চাকরির ২৫ বছর পূর্ণ করায় সরকারি চাকরি আইন ২০১৮-এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো।


সর্বশেষ সব খবর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:০৯ পিএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি দুই দিনের সফরে ভারত যেতে পারেন। তাঁর এ সফরকে ঘিরে উভয় দেশের মধ্যে প্রস্তুতি চলছে। নয়াদিল্লি ও ঢাকার সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ভােরতের গণমাধ্যম এনডিটিভি। 


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি নয়াদিল্লি সফর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী এই সফর সম্পন্ন হলে এটি হবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর। এটি দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে।


এনডিটিভি জানিয়েছে, এই সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী বাণিজ্য, সংযোগ (কানেকটিভিটি), জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে এই বৈঠকে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। 


দুই দিনের এই সফরটিকে একটি দ্বিপাক্ষিক কর্মসূচি হিসেবে পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সফরের সময়সূচির বিস্তারিত বিষয় এখনও চূড়ান্ত করা হচ্ছে বলে আলোচনা সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। 


এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তারেক রহমানকে নয়াদিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ভারত। নয়াদিল্লি আগামী সেপ্টেম্বরে রাজধানীতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস সম্মেলনের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্যও বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

নাফাখুম

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৫০ পিএম

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে বান্দরবানের দুর্গম ও আকর্ষণীয় একাধিক ভ্রমণ স্থান ও সড়ক সর্বসাধারণ এবং পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এর ফলে পার্বত্য এই জেলার দুর্গম অংশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ আবারো উন্মুক্ত হলো।


জেলা প্রশাসনের এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১১ আগস্ট আয়োজিত জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।


যেখানে আছে থানচি উপজেলার তমাতুঙ্গী থেকে ২৪ কিলোমিটার তিন্দু পর্যন্ত সড়ক এবং তিন্দুমুখ থেকে নাফাকুম পর্যন্ত পর্যটন এলাকা। এ ছাড়া রুমা উপজেলার কেওক্রাডং পর্বত থেকে সুংসুংপাড়া পর্যন্ত এবং রিজুক ঝরনা এলাকাও। তবে এসব এলাকায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছে জেলা প্রশাসন।


তবে দুর্গম এসব এলাকায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে পর্যটকদের সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নির্ধারিত নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিধি-নিষেধ ও নির্দেশনা কড়াকড়িভাবে মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।


দীর্ঘদিন স্থবির থাকার পর জনপ্রিয় এই পর্যটন স্পটগুলো খুলে দেয়ায় স্থানীয় গাইড, নৌকার মাঝি এবং পর্যটন ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পাশাপাশি ভ্রমণপিপাসুদের পদচারণায় স্থানীয় পর্যটননির্ভর অর্থনীতি আবারো চাঙ্গা হবে বলে আশা করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষ সব খবর