অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

  • প্রকাশ : সোমবার ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, সময় : ১১:৫৭ পিএম

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 


মঙ্গলবার এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতি তার এক মহান অভিভাবককে হারাল। তাঁর মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত।


প্রফেসর ইউনূস বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কেবল একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাঁর অবদান, দীর্ঘ সংগ্রাম এবং তাঁর প্রতি জনগণের আবেগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার চলতি মাসে তাঁকে রাষ্ট্রের অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করে।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর আপসহীন নেতৃত্বের ফলে গণতন্ত্রহীন অবস্থা থেকে জাতি বারবার মুক্ত হয়েছে, মুক্তির অনুপ্রেরণা পেয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। নানা মতপার্থক্য সত্ত্বেও জাতির কল্যাণে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা, গণমুখী নেতৃত্ব এবং দৃঢ় মনোবল সব সময় পথ দেখিয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত রাজনীতিককে হারাল।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি’র চেয়ারপার্সন, যিনি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন।


তিনি বলেন, তাঁর স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালে গৃহবধূ থেকে রাজনীতির মাঠে আসা বেগম খালেদা জিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, স্বৈরশাসক এরশাদের দীর্ঘ ৯ বছরের দুঃশাসনের পতন ঘটাতে মুখ্য ভূমিকা রাখে।


প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার বহু কর্ম ও সিদ্ধান্ত দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে। তিনি মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ও উপবৃত্তি চালু করেন, যা বাংলাদেশের নারী শিক্ষার অগ্রগতির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক জীবনে বেগম খালেদা জিয়া ভীষণভাবে সফল ছিলেন। তিনি কখনো কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনগুলোতে তিনি পাঁচটি পৃথক সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৮ সালে তিনি যে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, সেখানেই তিনি জয়লাভ করেছিলেন।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর অর্থনৈতিক উদারীকরণের মাধ্যমে তিনি দেশের অর্থনীতির একটি মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেন।


তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন সংগ্রাম ও প্রতিরোধের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর আপসহীন ভূমিকা দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামে জাতিকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এসব সাফল্যের কারণেই বেগম খালেদা জিয়া চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলেন। মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় তাঁকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং দীর্ঘদিন কারাবাস করতে হয়েছিল।


বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার ও দলের নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।


জাতির এই অপূরণীয় ক্ষতির দিনে তিনি দেশবাসীকে শান্ত থাকার ও ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন এবং যার যার অবস্থান থেকে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার অনুরোধ করেছেন।




প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৪২ পিএম

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে এক হাজার ২২১ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হিসেবে নতুন করে ১২৮ জন রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।

 

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর)  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত স্বাস্থ্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত দেশজুড়ে হামের সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৯১ হাজার ৭৩১ জনে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৫১০ জন।


২৪ ঘণ্টায় উপসর্গ  পাওয়াদের মধ্যে বেশি ঢাকা বিভাগে ৪৬৬ জন।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:২৩ পিএম

দেশের বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি, দখল ও সন্ত্রাস নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে এবং তা নিয়মিত হালনাগাদ করা হয়। এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদার করা হবে। রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।


একদিন আগে দেশের বিভিন্ন স্থানে জমি ও বাড়ি দখল, হামলা এবং চাঁদাবাজির ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি দেন ৩৮ জন বিশিষ্ট নাগরিক। তারা এসব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।


এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চাঁদাবাজদের তালিকা করা পুলিশের নিয়মিত কাজ। সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী, মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের তথ্য পুলিশের কাছে সংরক্ষিত থাকে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা হালনাগাদ করা হয়।


এর আগেও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার চাঁদাবাজ ও তাদের আশ্রয়দাতাদের তালিকা তৈরি করেছিল, যা নিয়মিত হালনাগাদের কথা পুলিশ আগে থেকেই জানিয়ে আসছে। সালাহউদ্দিন আহমদ স্পষ্ট করেন যে, নতুন করে আলাদা কোনো তালিকা তৈরির বিষয় এটি নয়; অপরাধীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে এবং তা সামনে আরও জোরদার করা হবে।


রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কারও রাজনৈতিক পরিচয় দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। যেকোনো অভিযোগ পেলে পুলিশ তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করছে। এমনকি জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে আসামিদের গ্রেপ্তার ও মামলা দায়ের করছে।


আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে গড়ে ওঠা উদ্বেগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একটি বা দুটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে পুরো দেশের সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা ঠিক হবে না। সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে।


এদিকে মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ এবং পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট, রাজউক বা সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পুলিশের সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল বলে ধারণা করা হলেও তদন্তের পরেই প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


এর আগে শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা প্রস্তুতি তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এ বছর দেশের প্রায় ৩৩ হাজার ৮০০ পূজামণ্ডপ পর্যবেক্ষণে বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। পুলিশ সদর দপ্তরসহ জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে সার্বক্ষণিক ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালানো হবে।


তিনি আরও জানান, পূজামণ্ডপের স্বেচ্ছাসেবকদের নাম ও ফোন নম্বর সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে তাদের পরিচয়পত্রও সরবরাহ করা হবে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে দ্রুত তথ্য পেতে জাতীয় টেলিযোগাযোগ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের একটি অ্যাপ ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া পূজামণ্ডপগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের পাশাপাশি বিকল্প হিসেবে জেনারেটর ও চার্জার লাইট প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পূজামণ্ডপকে বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৬ পিএম

মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে এক আবাসিক গ্রাহকের নামে প্রায় ৫০৭ কোটি টাকার অস্বাভাবিক বিল দেওয়ার ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মহিতুল ইসলামকে। 


বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের নির্দেশনায় আজ বুধবার পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়।


ভুতুড়ে এ বিলের ঘটনা জানাজানির পর দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী। ভুক্তভোগী গ্রাহক মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আলেয়া খাতুনের সঙ্গে মুঠোফোনে তিনি কথা বলেছেন। অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনার জন্য তার কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন।


ওই গ্রাহককে মন্ত্রী জানান, এরই মধ্যে বিলটি সংশোধন করে সঠিক বিল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো সমস্যা হলে সরাসরি কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্যও তিনি গ্রাহককে অনুরোধ করেন।


এ ঘটনায় ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনবান্ধব ও সেবাধর্মী প্রশাসন নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। বিদ্যুৎ সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 


পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মিটার পরিবর্তনের সময় অসাবধানতাবশত মিটারের সিল নম্বরের অঙ্কগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পোস্টিং হয়ে যায়। এর ফলে ওই গ্রাহকের নামে অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।


জানা গেছে, ৮ সেপ্টেম্বর মিটারের বর্তমান রিডিং ছিল ৩৯৫ এবং ৮ আগস্টের পূর্ববর্তী রিডিং ছিল ১৬০। অর্থাৎ এক মাসে গ্রাহক বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন ২৩৫ ইউনিট। এই ২৩৫ ইউনিটের বিপরীতে স্বাভাবিক বিলের পাশাপাশি ডিমান্ড চার্জ হিসেবে দেখানো হয় ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা। এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট এবং ১০ টাকা মিটার ভাড়া যোগ করে মোট বিল দাঁড়ায় ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা।


নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ এর পরিমাণ দাঁড়ানোর কথা ছিল ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা। অথচ ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রকৃত বিল হওয়ার কথা ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ তা দাঁড়ানোর কথা ২ হাজার ৫৬ টাকা। ১০ সেপ্টেম্বর বিলটি ইস্যু করা হয়েছিল। বিল পরিশোধের শেষ তারিখ ছিল মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর)। এতে গ্রাহকের শ্রেণি হিসেবে 'এলটি-এ (আবাসিক)' উল্লেখ করা হয়।


এর আগে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছিলেন, মিটার পরিবর্তনের সময় ভুলবশত মিটারের সিল নম্বরের অঙ্কগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পোস্টিং হওয়ায় অস্বাভাবিক বিলটি তৈরি হয়েছিল। বিলটি দ্রুত সংশোধন করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছিলেন।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:২৫ এএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ, বিভিন্ন কার্যক্রম, বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে বৈঠক এবং নিউইয়র্ক সফরের সার্বিক বিষয় তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টায় তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘করবী হলে’ এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। 


প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইংয়ের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:৫২ পিএম

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে প্রথমবারের মতো সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বঙ্গভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।


বেলা ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাকে স্বাগত জানান। পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিবসহ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।


সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তার যুক্তরাষ্ট্র সফর, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ এবং সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, জাতিসংঘের মহাসচিব ও শীর্ষ কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়গুলো রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের জন্য তাকে অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রপতি। 


ভাষণটিকে ‘দূরদর্শী, দৃঢ়প্রত্যয়ী ও দিকনির্দেশনামূলক’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে।


রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুসংহত করার পাশাপাশি জনস্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করতেও এ সফর অবদান রেখেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।


সাক্ষাৎকালে জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ করতে আসায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি।

দূর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি

নির্বাহী আদেশে বাড়লো একদিন


সরকারি-ছুটি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:৩৫ পিএম

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি বছর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজায় দুদিনের ছুটি নির্ধারিত আছে। পূজার ছুটির পর একদিন অফিস খোলা থাকবে, এরপর আবার দুদিন সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে পূজার ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে কর্মদিবসটিতেও ছুটি ঘোষণা করবে সরকার। 


খোলা থাকা দিনটিতে নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে এবছর টানা পাঁচদিনের ছুটি পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।


২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী আগামী ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে এবং ২১ অক্টোবর (বুধবার) বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি থাকবে।


এরপর ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) অফিস খোলা। পরের দুদিন শুক্র ও শনিবার (২৩ ও ২৪ অক্টোবর) সাপ্তাহিক ছুটি। 


২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী আগামী ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে এবং ২১ অক্টোবর (বুধবার) বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি থাকবে। এরপর ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) অফিস খোলা। পরের দুদিন শুক্র ও শনিবার (২৩ ও ২৪ অক্টোবর) সাপ্তাহিক ছুটি।