• প্রকাশ : রবিবার ৩০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:৫০ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নতুন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান। আজ শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই নিয়োগ দেওয়া হয়।


অফিস আদেশে বলা হয়, পূর্ববর্তী রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মনজুরুল হকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ২৯ আগস্ট তারিখ পূর্বাহ্ন হতে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আজ থেকেই পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমানকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হলো। তিনি বিধি মোতাবেক এই পদের সব সুবিধা প্রাপ্ত হবেন।


গত বছরের ৫ মার্চ ইবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক। তাঁর আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ থেকে অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমানকে দায়িত্ব দেন প্রশাসন।


দায়িত্ব পাওয়ার পর নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান বলেন, “সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ আমার ওপর আস্থা রাখার জন্য। দপ্তরের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের জন্য সকলের দোয়া চাই। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা সবার সেবা দেওয়ার জন্য এই দপ্তর কাজ করবে। যদিও আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে তবে উপাচার্য স্যার ইতিমধ্যে একটি প্রকল্প নিয়েছেন যাতে সংশ্লিষ্ট সকলের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। আশা করি প্রকল্পটি দ্রুতই বাস্তবায়ন হবে। দল-মত নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা কাম্য।”



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ৩০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:৩৭ পিএম

মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ডিবেটিং ক্লাব আয়োজিত ‘Manarat Invitational-Chapter One’-এ বিজয়ী হয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির (JnUDS) দল ‘JnUDS-একাত্তরের গণহত্যা’। ফাইনালে বাংলা কলেজের দলকে ৭-০ ব্যালটে হারিয়ে বিজয়ী শিরোপা অর্জন করে দলটি।


২৯ আগস্ট (শনিবার) মানারাত ইউনিভার্সিটির মেইন ক্যাম্পাস, আশুলিয়ায় অনুষ্ঠিত হয় এ বিতর্ক প্রতিযোগিতা। এতে ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২টি দল অংশগ্রহণ করে।


প্রতিযোগিতার কোয়ার্টার ফাইনালে মানারাতের দল 'MIUDC-প্রত্যাশা'কে পরাজিত করে সেমিফাইনালে ওঠে জেএনইউডিএসের 'একাত্তরের গণহত্যা'। এরপর সেমিফাইনালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের 'JUDO-অমর একুশ' দলকে ৩-২ ব্যালটে পরাজিত করে ফাইনালে জায়গা করে নেয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দলটি।


ফাইনালে 'এই সংসদ মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদান সমর্থন করে না' মোশনের ওপর বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলা কলেজের দলকে ৭-০ ব্যালটে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় 'JnUDS-একাত্তরের গণহত্যা'। চ্যাম্পিয়ন দলকে পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ৩ হাজার টাকা।


চ্যাম্পিয়ন দলের হয়ে বিতর্কে অংশ নেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ১৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী সাদিয়া আফরোজ মীম, ফার্মেসি বিভাগের ২০ ব্যাচের শিক্ষার্থী আবরার তানজীম এবং ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী ওমর ফাহমিদ খান।


চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অনুভূতি জানিয়ে সাদিয়া আফরোজ মীম বলেন, “জেএনইউডিএস হয়ে ট্রফি জেতা সবসময়ই আনন্দের। আবরার ও ফাহমিদ আমার অসাধারণ দুজন টিমমেট। তারা দুজনও অনেক ভালো বিতার্কিক। জেএনইউডিএসে এত ভালো ভালো জুনিয়র বিতার্কিক তৈরি হচ্ছে, সেটা দেখে অর্থ সম্পাদক হিসেবে আমি গর্বিত। জেএনইউডিএসের এই ট্রফির ধারা সবসময় অব্যাহত থাকুক এই আশা করি।”

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ৩০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:৫৪ এএম

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) বিজনেস ক্লাবের ২০২৬–২৭ কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে ৪৮তম ব্যাচের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. নাফিস ফুয়াদ এবং সাধারণ সম্পাদক একই ব্যাচের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট বিভাগের আব্দুল্লাহ আল মারুফ মনোনীত হয়েছে। এছাড়া জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি হিসেবে একই ব্যাচের ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. রাকিবুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে একই ব্যাচের ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী রামিসা হক চৌধুরী দায়িত্ব পেয়েছে। 

‎শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ক্লাবের এক দশকপূর্তি ও কমিটি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে ক্লাবের অ্যালামনাই, নেতৃবৃন্দ ও বর্তমান সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

‎কমিটিতে বিভিন্ন বিভাগভিত্তিক আটজন সহ-সভাপতি মনোনীত হয়েছে। ঘোষিত কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে আছে মো. তাওসীফ ইশরাক, মেহেরিন সুলতানা, হাসানাত তৌহিদুর রহমান, ফারিহা ইয়াসমিন, মো. তানভিরুল ইসলাম, মো. ইয়াজ আহমেদ, মো. মাহদী হাসান চৌধুরী ও মো. রাকিবুল ইসলাম (অতিরিক্ত দায়িত্ব)।

‎নবনির্বাচিত সভাপতি মো. নাফিস ফুয়াদ বলেন, “সভাপতি হিসেবে বুটেক্স বিজনেস ক্লাবের নেতৃত্ব দেওয়া আমার জন্য যেমন আনন্দের, তেমনি এক বিশাল দায়িত্বের। সাধারণ সদস্য থেকে শুরু করে আজ এই জায়গায় পৌঁছানোর পেছনের মূল শক্তিই ছিল ক্লাবের প্রতি ভালোবাসা এবং শেখার অদম্য ইচ্ছা।

‎আমার লক্ষ্য খুব স্পষ্ট , আমাদের নতুন কমিটির মাধ্যমে ক্লাবটিকে শুধু ক্যাম্পাসে নয়, করপোরেট জগতেও এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া। সাধারণ সম্পাদকসহ সব ক্লাব অফিসিয়াল কে সাথে নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার উন্নয়ন ও গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।”

‎সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মারুফ বলেন, “বুটেক্স বিজনেস ক্লাব আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের এক অন্যতম অভিজ্ঞতা। সদ্য ক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বপ্রাপ্তি আমার জন্যে অত্যন্ত গর্বের এবং সম্মানের। এই দায়িত্ব আমার প্রতি রাখা আস্থার প্রতিফলন; একই সাথে একটি বড় দায়িত্বের অঙ্গীকার। ক্লাব থেকে এযাবৎ পাওয়া অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে অর্থবহ কিছু করতে চাই যা ক্লাবের সদস্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ভূমিকা রাখবে৷ আশা করছি সবার সার্বিক সহযোগিতায় এবং অংশগ্রহণে ক্লাবের ভবিষ্যৎ পথচলা আরো সুন্দর হবে।”

সর্বশেষ সব খবর

সভাপতি নজরুল ও সাধারণ সম্পাদক আরাফাত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:৪৫ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীদের সংগঠন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হয়েছে। ২০২৬-২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি পদে জয় পেয়েছেন মো. নজরুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন রাজু আরাফাত।


শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীর ভোটে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।


নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন তাসনোভা হোসেন। যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জোবায়ের আহমেদ, সরকার সাখাওয়াত হোসেন ও আরিফুল ইসলাম। অর্থ সম্পাদক পদে রকি আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মাসুদ রানা এবং দপ্তর সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন আবরার জাহিন।


এছাড়া সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে আমিরুল ইসলাম এবং আন্তর্জাতিক ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে চপল রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।


কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মো. আরমান আলী, আশিকুর রহমান, কাওছার খান, আতিকুজ্জামান আশিক, সাইফুল ইসলাম, এমএম মুজাহিদ উদ্দিন, আবু ছালেহ আতিফ, সৈকত সাহা, ইব্রাহীম খলিল ও মোশফিকুর রহমান ইমন।


সাধারণ সম্পাদক আরাফাত রাজু বলেন, “সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করায় বিভাগের সকল সাবেক শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। এই পদ আমার জন্য সম্মানের পাশাপাশি একটি বড় দায়িত্ব। অ্যালামনাইদের মধ্যে যোগাযোগ ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় করা এবং বিভাগের উন্নয়নে কাজ করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। এ দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করছি।”


সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত সভাপতি হিসেবে বিভাগের সব সাবেক শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। বিভাগের স্বার্থে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে চাই।”


নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃত্ববৃন্দ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিনের সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।


এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. গিয়াস উদ্দিন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আশরাফুল আলমসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:৩০ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) জুন ২০১৫ থেকে মে ২০২৬ পর্যন্ত সময়ে নিয়োগ, পদোন্নয়ন, আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে সংঘটিত বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি ও বৈষম্য যাচাই-বাছাই করতে ৭ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের ৭০তম সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে কমিটিটি গঠন করা হয়েছে।


অফিস আদেশে বলা হয়েছে, জুন ২০১৫ থেকে মে ২০২৬ সালের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ, পদোন্নয়ন, আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে সংঘটিত অনিয়ম, দুর্নীতি ও বৈষম্য যাচাই-বাছাই করে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


গঠিত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে। আর সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার।


কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন-নোবিপ্রবির ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং বিভাগের অধ্যাপক আল-আমিন, নোয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও নোবিপ্রবি রিজেন্ট বোর্ডের একজন সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) একজন উপযুক্ত প্রতিনিধি।


প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নিয়োগ, আর্থিক লেনদেন এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করবে। পরে এসব বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।


কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) তামজিদ হোছাইন চৌধুরী বলেন, “রিজেন্ট বোর্ডের ৭০তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিগত সময়ে ঘটে যাওয়া সার্বিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও বৈষম্যের অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখতে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

সর্বশেষ সব খবর

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গায়ে হলুদ

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:৫৬ পিএম

বন্ধুত্ব থেকে বিশ্বাস, বিশ্বাস থেকে ভালোবাসা, আর সেই ভালোবাসা গড়াল বিয়েতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গন, করিডর আর লাল মাটির সবুজ ক্যাম্পাসকে সাক্ষী রেখে নিজ ক্যাম্পাসে গায়ে হলুদ করে জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রাখছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) অর্থনীতি বিভাগের দুই শিক্ষার্থী।


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ হাসান ও মাকসুদা আক্তার সাথী দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও প্রেমের সম্পর্কের পর পারিবারিক সম্মতিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন। বিয়ের আগের দিন গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ আগষ্ট) ক্যাম্পাসে সহপাঠীদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় তাদের গায়ে হলুদের ব্যতিক্রমী আয়োজন।


বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে যেন নেমে এসেছিল আনন্দের এক টুকরো রাজ্য। হলুদ শাড়ি আর গয়নায় সেজে বসা কনে সাথীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন বান্ধবীরা। অন্যদিকে বর হাসানকে ঘিরে চলে বন্ধুদের উল্লাস। গায়ে হলুদ মেখে দেওয়া, কেক-মিষ্টি-ফল খাইয়ে দেওয়া আর মিষ্টি দুষ্টুমিতে মেতে ওঠে পুরো ব্যাচের বন্ধুরা। 


​কারো কণ্ঠে সুর, কারো পায়ে আনন্দের নাচ, আর ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দী উৎসবের প্রতিটি মুহূর্ত। সব মিলিয়ে কুবি প্রাঙ্গণে রূপ নেয় এক উৎসবের নগরীতে। ক্যাম্পাসের ইট-কাঠ আর চেনা করিডোরগুলো সাক্ষী হয়ে রইল দুই সহপাঠীর এক হওয়ার এই আবেগঘন মুহূর্তের।


সহপাঠীরা জানান, বর-কনে দুজনই তাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তাই জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতেই প্রিয় ক্যাম্পাসে এই ভিন্নধর্মী গায়ে হলুদের আয়োজন করেছেন তারা।


বর-কনের সহপাঠী তাসমিয়া মারজান বলেন, “আমাদের অর্থনীতি ১৬ ব্যাচের দুই প্রিয় ব্যাচমেট হাসান এবং সাথীর জীবনের নতুন অধ্যায়কে স্মরণীয় করে রাখতে আমরা ক্যাম্পাসেই এই হলুদ আয়োজনের উদ্যোগ নিই। পুরো ব্যাচের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি আমাদের কাছে শুধু একটি হলুদ অনুষ্ঠান ছিল না, বরং আমাদের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক বন্ধনের একটি সুন্দর উদযাপন ছিল। কুবি ক্যাম্পাসে এমন ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন করতে পেরে আমরা সত্যিই আনন্দিত। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ হয়ে গেলেও এই দিনটি আমাদের সবার স্মৃতিতে বিশেষ হয়ে থাকবে।”


আরেক সহপাঠী মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, “এই অনুষ্ঠানটা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের একটা অসাধারণ স্মৃতি হয়ে থাকবে। দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় শেষে কর্মজীবনের ব্যস্ততার কারণে বন্ধুবান্ধবসহ বিয়ের মতো অনুষ্ঠানগুলো উপভোগ করার সুযোগ হয়ে ওঠে না। আমার দুই বন্ধু চিরাচরিত নিয়ম ভেঙে বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে এই আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছে। ব্যাচমেট হিসেবে এটা আমাদের অনেক আনন্দিত করছে।”


ক্যাম্পাসে গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান নিয়ে বর মোহাম্মদ হাসান নিজের অনুভূতি জানিয়ে বলেন, 

"ক্যাম্পাস জীবনের শুরু থেকেই আমাদের পরিচয়। শুরুটা হয়েছিল বন্ধুত্ব দিয়ে। হয়তো ভালোবাসার সেই সফরটাই সবচেয়ে সুন্দর, যেখানে বন্ধুত্ব, ভালোবাসা এবং বিয়ে সবকিছুই একজনের সাথেই হয়। আমি নিজেকে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান মনে করি এমন একজন জীবনসঙ্গিনী পেয়ে।


হাসান আরো বলেন, "আমাদের এই যাত্রায় সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা ও ভালোবাসা পেয়েছি আমাদের বন্ধুদের কাছ থেকে। তাই আমি চেয়েছি, আমাদের এই শুভ সূচনাটি আমার বন্ধুদের সঙ্গে নিয়েই উদযাপন করতে। মহান আল্লাহর কাছে আমার প্রার্থনা তিনি যেন আমাদের নতুন সংসারকে তাঁর রহমত, বরকত ও শান্তিতে পূর্ণ করেন।"




সর্বশেষ সব খবর

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:৩৫ পিএম

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) নতুন ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা। রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে তাঁকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. সুলতান আহমেদ স্বাক্ষর করেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুসারে ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁর নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের বয়সসীমা পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত—এর মধ্যে যেটি আগে ঘটে—ততদিন বহাল থাকবে।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, ট্রেজারার হিসেবে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী মাসিক সম্মানী এবং বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। একই সঙ্গে তাঁকে সার্বক্ষণিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

নতুন দায়িত্বে ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, সংবিধি ও বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি উপাচার্য কর্তৃক অর্পিত অন্যান্য দায়িত্বও তাঁকে পালন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে ট্রেজারার হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা বর্তমানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নিয়োগের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।


সর্বশেষ সব খবর