• প্রকাশ : শনিবার ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ১২:৩১ পিএম

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আন্তঃহল হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা ২০২৫ আয়োজিত হয়েছে। প্রতিযোগিতায় ছেলেদের বিভাগে ঈসা খাঁ হল এবং মেয়েদের বিভাগে সুলতানা রাজিয়া হল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।


প্রতিযোগিতার ফাইনাল ম্যাচগুলোতে দুই হলই প্রতিপক্ষকে পরাজিত করে শিরোপা নিশ্চিত করে। ছেলেদের বিভাগের ফাইনাল ম্যাচ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগসংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। 


এ ম্যাচে ঈসা খাঁ হল ১৩–১১ ব্যবধানে ফজলুল হক হলকে হারায়। এর আগে গত ১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত মেয়েদের বিভাগের ফাইনাল ম্যাচে সুলতানা রাজিয়া হল তাপসী রাবেয়া হলকে পরাজিত করে।


প্রতিযোগিতা শেষে মেয়েদের বিভাগে সেরা গোলকিপার নির্বাচিত হন সুলতানা রাজিয়া হলের জয়া আক্তার এবং সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পান একই হলের নাইমা নওশীন। ছেলেদের বিভাগে ঈসা খাঁ হলের জহির সেরা গোলকিপার এবং ফজলুল হক হলের মাহিন সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।


সমাপনী অনুষ্ঠানে ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হকের সভাপতিত্বে এবং ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ মো. আসাদুল হক সজলের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দিন ও ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মনির হোসেন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান সরকার, সোনালী দলের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আহমেদ খায়রুল হাসানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী।


ফাইনাল ম্যাচ শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, 'খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।


তিনি আরও জানান, জানুয়ারির শেষ দিকে অথবা ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বাকৃবিতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।'


এসময় বিজয়ী ও রানার্সআপ দলগুলোর হাতে পুরস্কার তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।



সর্বশেষ সব খবর

শাহ বিলিয়া জুলফিকার ও ‘ভাইভা বুস্টার: দ্য ফাইনাল রাউন্ড’

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:১৯ এএম

বাংলাদেশে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোর একটি হলো ভাইভা। জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও আত্মবিশ্বাস, উপস্থাপন ও বাস্তব পরিস্থিতির প্রস্তুতির অভাবে অনেক মেধাবী পরীক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত সাফল্য থেকে পিছিয়ে পড়েন। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে তরুণ লেখক শাহ বিলিয়া জুলফিকারের প্রথম বই ‘ভাইভা বুস্টার: দ্য ফাইনাল রাউন্ড’ প্রকাশিত হয়েছে।

চার বছর ধরে বিভিন্ন বিচারক ও সফল পরীক্ষার্থীর বাস্তব ভাইভা অভিজ্ঞতা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে আসছেন শাহ বিলিয়া জুলফিকার। কালের কণ্ঠ, আজকের পত্রিকা ও কালবেলাসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত এসব অভিজ্ঞতার দীর্ঘ পর্যবেক্ষণ ও তথ্যভিত্তিক কাজের সমন্বয়েই বইটির জন্ম।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থী শাহ বিলিয়া জুলফিকার লেখালেখির বিভিন্ন শাখায় সক্রিয়। কবিতা, ছড়া, কলাম, প্রবন্ধ ও ফিচারসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লেখা জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তিনি কালের কণ্ঠের ‘চাকরি ও সিলেবাসে নেই’ পাতার নিয়মিত লেখক।

ক্লাস সেভেনে স্থানীয় ‘সুসঙ্গ বার্তা’ পত্রিকায় কবিতা প্রকাশের মধ্য দিয়ে তাঁর সাহিত্যযাত্রা শুরু। পরে চাকরি, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস), বার কাউন্সিল প্রস্তুতি ও বাস্তব অভিজ্ঞতাভিত্তিক ফিচার লেখার মাধ্যমে তিনি পাঠকদের কাছে পরিচিতি তৈরি করেন।

প্রকাশকের ভাষ্য, ‘ভাইভা বুস্টার’ শুধু একটি গাইডবই নয়; বরং বাস্তব ভাইভা বোর্ডের অভিজ্ঞতা, সম্ভাব্য প্রশ্ন, প্রস্তুতির কৌশল ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির বিষয়গুলোকে একত্র করা একটি প্রস্তুতি-সহচর। বইটিতে বিজেএস, বার কাউন্সিল, একাডেমিক ও অন্যান্য আইনভিত্তিক ভাইভা পরীক্ষার প্রস্তুতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সাতটি অধ্যায়ে বিভক্ত বইটিতে প্রথমে ভাইভা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা, মানসিক প্রস্তুতি ও করণীয় বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। দ্বিতীয় অধ্যায়ে রয়েছে সফল প্রার্থীদের ভাইভা প্রস্তুতির অভিজ্ঞতা। তৃতীয় অধ্যায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত সিভিল জজদের বাস্তব ভাইভা অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে।

চতুর্থ অধ্যায় বইটির সবচেয়ে বিস্তৃত অংশ। এতে সাধারণ জ্ঞান, বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি, পারিবারিক আইন, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইন, সাংবিধানিক আইন, সম্পত্তি আইন এবং বিভিন্ন ঐচ্ছিক আইন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিজেএস ও বার কাউন্সিলের বিষয়গুলোর পাশাপাশি জুরিসপ্রুডেন্স, টর্ট, ইকুইটি, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক বিষয়ও প্রশ্নোত্তর আকারে উপস্থাপন করা হয়েছে।

পঞ্চম অধ্যায়ে রয়েছে ‘লিগ্যাল টার্মস অ্যান্ড ম্যাক্সিম’। এতে গুরুত্বপূর্ণ ল্যাটিন পরিভাষা ও আইনি নীতিগুলো সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ষষ্ঠ অধ্যায়ে ‘কারেন্ট ল অ্যাফেয়ার্স’ অংশে সাম্প্রতিক আইনগত পরিবর্তন, বিচারিক সিদ্ধান্ত ও সমসাময়িক আইনি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সপ্তম ও শেষ অধ্যায়ে রয়েছে ভাইভায় বহুল জিজ্ঞাসিত সাধারণ প্রশ্ন, যা দ্রুত পুনরাবৃত্তি ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক।

বইটির সঙ্গে প্রায় ৪০ জন সিভিল জজ, অ্যাডভোকেট ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক যুক্ত রয়েছেন বলে জানিয়েছে প্রকাশক। তাঁদের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয় বইটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

বইটির সম্পাদনা করেছেন আইন অঙ্গনের লেখক, শিক্ষক ও বিচারক সাইমন সৈয়দ। তিনি বর্তমানে সুনামগঞ্জে সিভিল জজ হিসেবে কর্মরত। তাঁর আইনচর্চা, লেখালেখি ও পাঠদানের অভিজ্ঞতা বইটির বিষয়বস্তুকে আরও ব্যবহারিক ভিত্তি দিয়েছে।

শাহ বিলিয়া জুলফিকার বলেন, “ভাইভা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেক ভয় ও অনিশ্চয়তা কাজ করে। বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে এমন একটি বই দিতে চেয়েছি, যা শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি ও আত্মবিশ্বাস দুটোই বাড়াতে সাহায্য করবে।”

বইটির সম্পাদক সাইমন সৈয়দ বলেন, “ভাইভা শুধু জ্ঞানের পরীক্ষা নয়, এটি আত্মবিশ্বাস, উপস্থাপন ও প্রাসঙ্গিকভাবে উত্তর দেওয়ারও পরীক্ষা। ‘ভাইভা বুস্টার: দ্য ফাইনাল রাউন্ড’ বইটিতে বাস্তব অভিজ্ঞতা, গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও ব্যবহারিক দিকগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, বইটি বিজেএস, বার কাউন্সিল ও আইনভিত্তিক ভাইভা প্রস্তুতিতে শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।”

তিনি আরও বলেন, “একজন পরীক্ষার্থীর প্রস্তুতি তখনই পূর্ণতা পায়, যখন সে শুধু প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ না করে প্রশ্নের অন্তর্নিহিত বিষয়টি বুঝতে শেখে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তা প্রকাশ করতে পারে। এই বইটি সেই প্রস্তুতির একটি কার্যকর সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।”

বইটি প্রকাশ করেছে লিগ্যাল হোম পাবলিকেশন। প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন শিল্পী মাহমুদুল হাসান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে ভাস্কর্যে এমএফএ ডিগ্রিধারী এবং শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির চারুকলা বিভাগের প্রভাষক ও সহকারী প্রক্টর হিসেবে কর্মরত।

লিগ্যাল হোম পাবলিকেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বইটি ইতোমধ্যে আইন অঙ্গনের পাঠকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে।

সর্বশেষ সব খবর

ফেনী ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের মূল ভবনের নির্মাণকাজ শুরু

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৫০ এএম

সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে অবশেষে ফেনী ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের মূল ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের নোয়াবাদ এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত স্থায়ী ক্যাম্পাসে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে এই নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফেনী ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ (BoT)-এর সম্মানিত সদস্য ও প্রজেক্ট কমিটির কনভেনার আলতাফ হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (অ্যাক্টিং) ড. মাসুদুল হক চৌধুরী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মোহা. মোস্তাফিজুর রহমান, রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক এবং প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. জালাল আহমেদ।


এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ, প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা, শিক্ষক এবং কর্মকর্তাবৃন্দ।


দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের মূল ভবনের নির্মাণকাজ দ্রুততম সময়ে এবং নির্ধারিত গুণগত মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। একইসাথে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।


উল্লেখ্য, ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের নোয়াবাদ এলাকায় ফেনী ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রকল্পের প্রাথমিক কার্যক্রম ২৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে শুরু হয়। পরবর্তীতে ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জমির উন্নয়ন ও অন্যান্য প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু হয়। সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর আজ ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে মূল ভবনের নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে এখানে একটি ৭ তলা বিশিষ্ট আধুনিক ভবন নির্মাণ করা হবে।


নভেম্বর ২০১২-এ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর অনুমোদন লাভের পর ১৫ মে ২০১৩ তারিখে ‘সেন্টার ফর লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ স্লোগানকে সামনে রেখে ফেনী ইউনিভার্সিটি তার একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়টি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।


বর্তমানে ফেনী ইউনিভার্সিটিতে ৩টি অনুষদ, ৮টি বিভাগ, ফেনী ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সেল এবং ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) -এর কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। স্থায়ী ক্যাম্পাসের নতুন এই মূল ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের পরিধি আরও সম্প্রসারিত হবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত হবে।

সর্বশেষ সব খবর

নোবিপ্রবি ছাত্রদল।

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:৩২ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ। একই সঙ্গে শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।


মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের অনুমোদনক্রমে সংগঠনটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো। শিগগিরই উক্ত ইউনিটের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।




কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।


উল্লেখ্য, নোবিপ্রবি ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার বিষয়টি এমন সময়ে এলো, যখন মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহের সময় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগও ওঠে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসের সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।


  নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দু’পক্ষের ব্যাপক সংঘর্ষ, আহত ৫

সর্বশেষ সব খবর

চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করছেন কুবি উপাচার্য

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:১৫ পিএম

শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন, ইন্টার্নশিপ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ‘রাউন্ডটেবিল অন ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া কোলাবোরেশন ইনিশিয়েটিভস’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।


মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসে উপাচার্যের বাসভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।


গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন। এ ছাড়া বৈঠকে ৪২টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।


বৈঠকে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি চাকরিতে কুবি শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ল্যাব সুবিধা বিনিময়েরও প্রতিশ্রুতি দেন তারা। এছাড়া, শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও যুগোপযোগী করতে কারিকুলাম পুনর্বিন্যাসের পাশাপাশি বাস্তবমুখী ও কর্মসংস্থান উপযোগী বিষয় চালুর পরামর্শ দেন তারা।


বৈঠক শেষে ছয়টি প্রতিষ্ঠান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করে। এ ছাড়া আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে এমওইউ স্বাক্ষরে সম্মতি জানায়।


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করিম বলেন, ‘আমাদের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা। আমরা শুরু থেকেই ‘স্টুডেন্ট ফার্স্ট’ নীতিতে কাজ করার কথা বলে আসছি। বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির উৎসাহেই আজকের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজ ৪২টি প্রতিষ্ঠান আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমরা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছি। এসব এমওইউর মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ ও চাকরির সুযোগ তৈরি করা, ফ্যাকাল্টি এক্সচেঞ্জ, পারস্পরিক চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কাজ করা এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের ল্যাব পারস্পরিকভাবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করা।’


তিনি আরও বলেন, ‘আজ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এমওইউ হয়েছে, সামনে আরও হবে। আজ ইউজিসির সদস্য জানিয়েছেন, দুই মাস পর এ উদ্যোগের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে। আমরা কতটুকু করতে পেরেছি, তা দেখা হবে। আমরা অবশ্যই আমাদের মূল লক্ষ্য, অর্থাৎ দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কর্মযোগ্যতা ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে কাজ করে যাব।’



ইউজিসির সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বর্তমান সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়ন। এর অন্যতম অনুষঙ্গ হলো একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে কার্যকর সম্পর্ক তৈরি করা। আমরা আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে যেসব সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হচ্ছে, সেগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হবে এবং এমওইউর উদ্দেশ্যের কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না, তা নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে আমরা যে জব লার্নিং পিরিয়ড নির্ধারণ করেছি, বিশ্ববিদ্যালয় ও একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রির সম্পর্কের মাধ্যমে সেটিও যেন ফলপ্রসূ হয়, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা।’


তিনি বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের আয়োজন এবারই প্রথম। তবে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এটি এ ধরনের ১২তম আয়োজন।’



উল্লেখ্য, ৪২টি প্রতিষ্ঠান বৈঠকে অংশ নিলেও এমওইউ স্বাক্ষর করেছে ছয়টি প্রতিষ্ঠান। স্বাক্ষরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো স্মার্ট সলিউশন, বাংলাদেশ স্মল অ্যান্ড কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিক), ড্যাপকো ভেঞ্চারস লিমিটেড, সুপ্রিম ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, উইডেভস অ্যান্ড উইল্যাব এবং ফ্লোরিনা কসমেটিকস।

সর্বশেষ সব খবর

ঢাকা এসোসিয়েশনের নবীনবরণ

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:৩৮ পিএম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অধ্যয়নরত ঢাকাস্থ শিক্ষার্থীদের আঞ্চলিক সংগঠন ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা অ্যাসোসিয়েশন’-এর উদ্যোগে নবীনবরণ ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কনফারেন্স রুমে এ নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়।


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার এছাড়াও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান ও প্রভাষক মশিউর রহমানসহ ঢাকা অ্যাসোসিয়েশনের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে পরিচিতি ও মতবিনিময়সহ বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।


সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহমুদ সাফিন বলেন, “মিলনমেলার উদ্দেশ্যে আয়োজিত আমাদের এই আয়োজনটি ছিল প্রাক্তন, নবীন এবং বর্তমানে ক্যাম্পাসে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি সুন্দর সেতুবন্ধন তৈরি করার প্রয়াস। সবার সঙ্গে দেখা হওয়া, পরিচিত হওয়া এবং একসঙ্গে কিছু সুন্দর মুহূর্ত কাটানোর লক্ষ্যেই আমরা এই আয়োজন করেছি। সবার আন্তরিক অংশগ্রহণ ও ভালোবাসাই আমাদের আয়োজনকে সফল করেছে। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতেও এমন আরও সুন্দর ও বড় আয়োজনের মাধ্যমে আমরা সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে পথ চলতে চাই।”


সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:৩২ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে দুই গ্রুপের অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সালাম হল এলাকায় এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।


প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান ও সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেনের অনুসারীদের সঙ্গে সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেন শান্তর অনুসারীদের মধ্যে বিরোধকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ ঘটে। অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার সময় সাব্বির হোসেন শান্তর গ্রুপ বহিরাগতদের এনে হলে প্রতিপক্ষ গ্রুপের ওপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি এবং সেক্রেটারির সালাম হলের রুমে ব্যাপক ভাঙচুর চলে। এছাড়াও , নোবিপ্রবির সালাম ও মালেক হলের বিভিন্ন রুম ভাঙচুর করা হয়। 


পরবর্তীতে, সালাম হল প্রাঙ্গণ থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের নেতাকর্মীরা একজোটে সাব্বির গ্রুপের অনুসারীদের ধাওয়া দেয়। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া গড়ায় অডিটোরিয়াম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার প্রাঙ্গণ পর্যন্ত। সেখানে উভয় পক্ষ সংঘর্ষ ও মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ৫ জন আহত হন।


ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রক্টরিয়াল বডি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে। এ নিয়ে তাতক্ষনিক তদন্ত কমিটি গঠন করেন নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।


উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও আহতদের দেখে জানান, আমরা এ নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। আমাদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ,কর্মচারীরা এখানে আছেন। পরিস্থিতি এখন আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। আমরা অতিদ্রুত এ নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করবো। 


উল্লেখ্য, গতকাল গভীর রাতে ছাত্রদলের দু পক্ষের মধ্যে মালেক হল এবং পকেট গেট সংলগ্ন এলাকায় দু পক্ষের সংঘর্ষ হয়। উক্ত সংঘর্ষের জেরে আজ দুপুরে আবার ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে আহত হয় প্রায় ৫ জন।

সর্বশেষ সব খবর