‘অ্যাপেক্স’ সিনেমার দৃশ্য

  • প্রকাশ : রবিবার ১৭ মে, ২০২৬, সময় : ৯:৪৮ এএম

এখন সব বড় তারকাকে অবধারিতভাবে নেটফ্লিক্সের ‘কর্তব্য’ পালন করতে হয়। শার্লিজ থেরন সেটা কয়েক বছর ধরেই করেছেন। এসব সিনেমা হয় ঝাঁ–চকচকে, কিন্তু ভেতরে প্রাণ থাকে না। কিছু আশাজাগানিয়া মুহূর্ত থাকলেও ‘অ্যাপেক্স’ তাই মোটাদাগে চলনসই সিনেমা। তবু সারা দুনিয়ার মানুষ দেখছে, গত ২৪ এপ্রিল মুক্তির পর থেকেই এখনো নেটফ্লিক্সের বৈশ্বিক টপ চার্টের শীর্ষে ছিল সারভাইভ্যাল থ্রিলারটি। এখন রয়েছে দুইয়ে। মুক্তির প্রথম ১০ দিনেই হয়েছে ৮ কোটি ভিউ!


আইসল্যান্ডীয় নির্মাতা বালতাসার কোরমাকুরের সিনেমাটি পুরোনো ঢঙের। শুরুর দৃশ্যটাও দুর্দান্ত, যা মনে করিয়ে দেয় ১৯৯৩ সালে মুক্তি পাওয়া আলোচিত সিনেমা ‘ক্লিফহ্যাঙ্গার’কে। নরওয়ের এক সুউচ্চ পাহাড় চূড়া আরোহণে ব্যস্ত সাশা (শালিজ থেরন) ও টমিকে (এরিক বানা)। ভয়ংকর ট্রল ওয়ালের খাড়া পাহাড়ে শীতকালে চড়া সহজ নয়। দিনের শুরুতে তাঁরা তাঁবু থেকে মাথা বের করে চারপাশ দেখেন, আর দর্শক তখন হাঁ করে আবিষ্কার করে—তাঁদের তাঁবু ঝুলছে প্রায় ৯০ ডিগ্রি খাড়া এক পাথুরে পাহাড়ের গায়ে। তাঁদের ছোট্ট আশ্রয়ের নিচে আছে শুধু ভয়ংকর এক অতল খাদ। প্রথম দৃশ্য থেকেই পরিচালক কোরমাকুর ও চিত্রগ্রাহক লরেন্স শের এমন সব মাথা ঘুরিয়ে দেওয়া ড্রোন শট ব্যবহার করেন, যা পুরো ছবিজুড়েই বিপদের অনুভূতিকে তীব্র করে তোলে।


ঝড় ঘনিয়ে এলেও সাশা থামতে চায় না। আঙুল রক্তাক্ত ও ব্যান্ডেজে মোড়া থাকা সত্ত্বেও সে আরও ওপরে উঠতে চায়। কিন্তু বাস্তববাদী টমি দিন শেষ করার পরামর্শ দেয়। সামান্য পা ফসকে যাওয়ার পর শেষ পর্যন্ত সে সাশাকে রাজি করায়। টমি সাশাকে জানায়, এ ধরনের চরম অ্যাডভেঞ্চারে সে নিজের সীমায় পৌঁছে গেছে এবং আর এগোতে চায় না। ফলে পরদিন নিরাপদে নিচে নামার চেষ্টায় ট্র্যাজেডি ঘটলে তা খুব একটা অপ্রত্যাশিত লাগে না।


পাঁচ মাস পর, গল্প চলে আসে অস্ট্রেলিয়ায়। টমিকে হারিয়ে শোকাহত সাশা এখানে এসেছে একা ক্যাম্পিং করতে, নির্জনতা খুঁজতে। কাল্পনিক ওয়ানডারা ন্যাশনাল পার্কে পৌঁছে সে এক পার্ক রেঞ্জারের (অ্যারন পেডারসন) সঙ্গে দেখা করে। তিনি সাশাকে সতর্ক করেন—এত নির্জন জায়গায় একা যাওয়া নিরাপদ নয়। তাঁর অফিসের দেয়ালে ঝোলানো অসংখ্য ‘নিখোঁজ ব্যক্তি’র পোস্টারই সেই আতঙ্কের ইঙ্গিত দেয়।


শুরুতেই সম্ভাব্য হুমকির আভাস পাওয়া যায়। স্থানীয় এক ভয়ংকর ক্যাঙারু শিকারি (ম্যাট হোয়েলান) ও তার মাতাল সঙ্গী (রব কালটন) সাশাকে বারবার বিরক্তি করে। এরপরেই দৃশ্যপটে হাজির হয় তুলনামূলক নিরীহ, সদা হাস্য স্থানীয় যুবক বেন (ট্যারন এগারটন)। পেট্রলপাম্পে সে সাশাকে বলে, সরাসরি রাস্তা না নিয়ে একটু ঘুরপথে যেতে, কারণ দৃশ্যগুলো নাকি অসাধারণ সুন্দর। সে মিথ্যা বলে না, প্রকৃতিই সেখানে ছবির অন্যতম আকর্ষণ।


পরদিন সকালে সাশা নদীতে কায়াকিং করতে নামে। দৃশ্যগুলো ‘দ্য রিভার ওয়াইল্ড’-এর কথা মনে করিয়ে দেয়। পাথর, জলপ্রপাত আর ভয়ংকর স্রোতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় জীবন বাঁচানোর লড়াই। আসল বিপদ শুরু হয় তখনই, যখন সাশার ব্যাগ চুরি হওয়ার পর বেন হাজির হয়ে তাকে নতুন সরঞ্জাম ও সকালের নাশতার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু খুব দ্রুতই বোঝা যায়, তার উদ্দেশ্য ভয়ংকর। কিছুটা সময় পর বোঝা যায়, হাতের ক্রসবো দিয়ে বেন আসলে সাশাকে শিকার করতে চায়! এরপর শুরু হয় শিকারি বেন আর সাশার ইঁদুর-বেড়াল দৌড়।


‘অ্যাপেক্স’-এর গল্প এগোয় চেনা টেমপ্লেট মেনেই। ‘উলফ ক্রিক’, ‘কিলিং গ্রাউন্ড’, ‘ফ্রি সোলো’ থেকে শুরু করে ‘ওয়েক ইন ফ্রাইট’—অনেক সিনেমার সঙ্গেই এটির মিল আছে। কোরমাকুর অস্ট্রেলিয়ার পাহাড়ি প্রকৃতি ও ঘন জঙ্গলকে দারুণভাবে ব্যবহার করেছেন। বিশেষ করে জঙ্গলের মধ্য দিয়ে সাশার প্রাণপণ দৌড়ের দৃশ্যগুলো প্রবল রোমাঞ্চ তৈরি করে।


এগারটন বেন চরিত্রটিকে যথেষ্ট শীতল ও ভয়ংকর করে তুলেছেন। কখনো অদ্ভুত হাস্যরস, কখনো শিশুসুলভ আচরণ—সব মিলিয়ে তার মধ্যে মানসিক বিকারের স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে। যখন সে সাশাকে ধরে নিজের ভয়ংকর আস্তানায় নিয়ে যায়, তখন সাশা ভয়াবহতা বুঝতে শুরু করে। এগারটন দারুণভাবে অস্ট্রেলিয়ার কঠিন উচ্চারণও রপ্ত করেছেন।


তবে এসব মুহূর্তের চেয়ে বেশি উত্তেজনাপূর্ণ হলো—কখন কার হাতে নিয়ন্ত্রণ চলে যাচ্ছে, সেই টানাপোড়েন। এগারটনের উন্মাদ চিৎকার আর ভয়ংকর ক্রোধ ভরা চোখের বিপরীতে থেরনের সংযত দৃঢ়তা ও সহনশীলতা তৈরি করেছে দুর্দান্ত এক দ্বন্দ্ব। সাশা চরিত্রে শালিজ থেরন কোনো অজেয় সুপারহিরো নন বরং সত্যিকারের আতঙ্কিত ও বিধ্বস্ত এক নারী। তাই যখনই সে পরিস্থিতি ঘুরিয়ে দেওয়ার সুযোগ পায়, সেটি দর্শকের জন্য রোমাঞ্চকর হয়ে ওঠে। বিশেষ করে সরু গিরিখাতে আটকে পড়ার পর তার পাহাড়ে ওঠার দক্ষতা আবার কাজে লাগে। পর্দায় যারা শার্লিজকে দেখেছেন, তাঁরা জানেন—সবচেয়ে কঠিন অ্যাকশন চরিত্রও সামলানোর মতো শারীরিক সক্ষমতা তাঁর আছে। এবার তাঁকে ফেলে দেওয়া হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার দুর্গম প্রকৃতির মধ্যে, যেখানে একদিকে প্রকৃতির ভয়ংকর শক্তি, অন্যদিকে এক উন্মাদ সিরিয়াল কিলার—দুইয়ের সঙ্গেই লড়তে হয়। তবে এটিকে তাঁর জন্য খুব কঠিন অভিনয় বলেও মনে হয় না। একেবারে দায়সারা নয়, কিন্তু নিজেকে নতুনভাবে চ্যালেঞ্জও করেননি। বরং মনে হয়, তাঁর বাকি অ্যাকশন ক্যারিয়ারে তিনি হয়তো সব সময়ই ‘ফিউরিওসা’র ছায়া বয়ে বেড়াবেন।


২০২৪ সালে রোমান্টিক ড্রামা ‘টাচ’-এর পর কোরমাকুর আবার ফিরেছেন তাঁর চেনা সারভাইভ্যাল থ্রিলারের জগতে। এখানে তিনি তুলে ধরেছেন এমন এক রোমাঞ্চপিপাসু নারীর গল্প, যার কাছে নিজের সীমা পরীক্ষা করাই যেন জীবনের উদ্দেশ্য, বিশেষ করে যখন সব প্রতিকূলতা তার বিরুদ্ধে দাঁড়ায়। কোরমাকুর তাঁর লোকেশন ব্যবহারে অসাধারণ দক্ষতা দেখিয়েছেন। গল্পের প্রতিটি মোড়, গুহা, নদীর স্রোত আর জলপ্রপাতকে তিনি এমনভাবে কাহিনির সঙ্গে মিশিয়েছেন যে প্রতিটির সম্ভাবনাই পুরোপুরি কাজে লাগানো হয়েছে।


তবে সিনেমাটি কেবল এই সময়ের গল্প বলে, একবারে সহজবোধ্য ভাষায়; চরিত্রের গভীরে যেতে চায় না। ফলে সাশা আর বেনের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার অংশগুলো কখনো কখনো কিছুটা পুনরাবৃত্তিমূলক মনে হতে পারে। সাশার মতো শক্ত মনের একজন চরিত্র সহজে ভয় পাবে না, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এত বুদ্ধিমান একজন মানুষ কেন একেবারে অচেনা কারও পরামর্শে জনবিরল পথে যাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।

গল্প খুব ছকবাঁধা হলেও মাত্র ঘণ্টা দেড়েকের ‘অ্যাপেক্স’ একবার দেখা যেতেই পারে।



সর্বশেষ সব খবর

অভিনয়শিল্পী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:২১ পিএম

অভিনয়শিল্পী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা দীর্ঘদিন ধরে অভিনয়ের পাশাপাশি উন্নয়ন সংস্থায়ও কাজ করছেন। এবার পেশাগত জীবনে নতুন অধ্যায়ে পা রাখলেন এই অভিনয়শিল্পী। ব্র্যাকের সঙ্গে প্রায় দুই দশকের কাজের অভিজ্ঞতা শেষে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্বে যোগ দিয়েছেন তিনি। এক ফেসবুক পোস্টে এমনটাই জানিয়েছেন মিথিলা।


বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে মিথিলা লিখেছেন, আজ থেকে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আর্ভিং ইনস্টিটিউট ফর ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড ট্রান্সলেশনাল রিসার্চ’-এ সহযোগী গবেষণা বিজ্ঞানী (অ্যাসোসিয়েট রিসার্চ সায়েন্টিস্ট) হিসেবে কাজ শুরু করেছেন। সেখানে নিউইয়র্কভিত্তিক ‘আর্লি চাইল্ডহুড অ্যান্ড ফ্যামিলি হাব’ প্রকল্পের নকশা ও মূল্যায়নে নেতৃত্ব দেবেন তিনি।


মিথিলা জানালেন, প্রকল্পটি শিশুর প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশ (ইসিডি), পারিবারিক সম্পৃক্ততা ও কমিউনিটি স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে। জন্মের পর থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের পরিবারকে তাদের বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত করাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। স্থানীয় মানুষের চাহিদার সঙ্গে গবেষণার লক্ষ্যের সমন্বয় এবং তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতে কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার কাজে নিজের বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান মিথিলা।


কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কেও (সিইউএনওয়াই) শিক্ষকতা শুরু করেছেন তিনি। সেখানে ‘অ্যাডজাংক্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর’ হিসেবে ননপ্রফিট ম্যানেজমেন্ট পড়াবেন। বাস্তব জীবনে ননপ্রফিট প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে কাজ করে, সে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেওয়াই হবে তাঁর শিক্ষকতার অন্যতম দিক।


নতুন এই পেশাগত যাত্রা নিয়ে মিথিলা তাঁর দীর্ঘদিনের কর্মস্থল ব্র্যাকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। প্রায় দুই দশক ব্র্যাকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি, এর মধ্যে ১৫ বছর কাজ করেছেন ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের হয়ে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন খাতে। নিজের নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে মিথিলা লিখেছেন, কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নত গবেষণা অবকাঠামো এবং মেধাবী গবেষকদের সঙ্গে কাজের সুযোগ তাঁর কর্ম-অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে আশা করছেন তিনি।


অভিনয়ের পাশাপাশি উন্নয়ন খাত ও শিক্ষাঙ্গনে মিথিলার এই নতুন পথচলায় শুভকামনা জানিয়েছেন তাঁর সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। মিথিলার এমন সাফল্যে তাঁরা নিজেরাও আনন্দিত।

সর্বশেষ সব খবর

স্বরা ভাস্কর। ছবি: ফেসবুক

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৫৬ পিএম

বলিউডে যৌন হয়রানি বা কাস্টিং কাউচ দীর্ঘদিনের গুরুতর সমস্যা। বিষয়টি নিয়ে এর আগে মুখ খুলেছেন বহু তারকা অভিনেত্রী। বিভিন্ন সময়ে একাধিক তাদের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে এনেছেন। এবার নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের এমন এক ঘটনা তুলে ধরলেন অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর।


স্বরার দাবি, বিগ বাজেটের একটি সিনেমায় কাজ করার সময় ওই সিনেমার পরিচালক মাঝরাতে মদ্যপ অবস্থায় তার দরজায় কড়া নেড়েন। এমনকি দরজা খুললে তাকে জড়িয়ে ধরার আবদারও করেন পরিচালক।


স্বরা ভাস্কর। ছবি: ফেসবুক



স্বরা জানান, ‘তনু ওয়েডস মনু’ সিনেমার সাফল্যের পর একটি বড় বাজেটের সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। ওই সিনেমার পরিচালক তাকে নিয়ে একাধিকবার অস্বস্তিকর অবস্থায় ফেলেছেন। সিনেমার দৃশ্যের মহড়ার কথা বলে পরিচালক তাকে একা ডেকে পাঠাতেন। ব্যক্তিগতভাবে তাকে বার্তা পাঠানোর পাশাপাশি কবিতাও পাঠাতেন। একদিন একটি রোমান্টিক দৃশ্যের মহড়ার জন্য তাকে ডেকে পাঠানো হয়।


স্বরা বলেন, “আমি আগে জিজ্ঞেস করি, মহড়ার সময় আর কারা থাকবেন? ওই পরিচালক আমাকে বলেন, ‘তুমি আর আমি, আমরা দুজনে আলোচনা করব।’ আমি বলেছিলাম—না। আপনি অভিনেতা ও ক্যামেরাপারসনকে ডেকেছেন। যদি মহড়া হয়, তাহলে সবার সেটা করা উচিত। আমরা একা কেন মহড়া করব?”


স্বরা ভাস্কর। ছবি: ফেসবুক


এরপরও পরিস্থিতি বদলায়নি। স্বরা জানান, একটি অতিথিকক্ষে গিয়ে তিনি দেখেন, পরিচালক ও সিনেমাটোগ্রাফার সেখানে বসে মদ্যপান করছেন। সেখানে চিত্রনাট্য পড়েন তিনি। এরপর কোনোভাবে পরিস্থিতি সামলে সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন।


তবে ঘটনার শেষ সেখানেই হয়নি। সেদিন মাঝরাতে ওই পরিচালক তার দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল- পরিচালক হয়তো দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়তে পারেন।


স্বরা বলেন, “মাঝরাতে ওই পরিচালক আমার দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করেন। পরিস্থিতি এতটা ভয়ানক হয়ে উঠেছিল যে, আমার মনে হয়েছিল, পরিচালক হয়তো দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়বেন। শেষ পর্যন্ত দরজা খুলতে বাধ্য হই। এরপর মদ্যপ অবস্থায় ওই পরিচালক আজব আবদার করে বসেন। জিজ্ঞেস করেন, ‘আমি কি তোমাকে জড়িয়ে ধরতে পারি?”


স্বরা বলেন, ‘সেদিন আমি ওই পরিচালকের সেই প্রস্তাবে সাড়া দেইনি। বরং তাকে কোনোভাবে বুঝিয়ে দ্রুত বিদায় করেছি। পরে তার সঙ্গে অনেকবার দেখা হয়েছে।’ সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

সর্বশেষ সব খবর

সাদিয়া জাহন প্রভা

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:০০ পিএম

দেশের আলোচিত অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। কালেভদ্রে পর্দায় দেখা গেলেও স্যোশাল মিডিয়ায় নিয়মিতই সরব এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি এক পডকাস্টে নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ ও বেড়ে ওঠার সময়কার নানা অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেছেন প্রভা। জানিয়েছেন, একসময় তার পছন্দ ছিল গরিব ছেলে।


পডকাস্টে নিজের পছন্দের কথা বলতে গিয়ে সাদিয়া জাহান প্রভা বলেন, ‘আমার সব সময় গরিব ছেলে পছন্দ ছিল এক সময়, আমাকে অভাবের কথা বললে, না খেয়ে ছিলাম কষ্টে বড় হয়েছি বাবা ভাই বোনদের এভাবে মানুষ করেছে। মিথ্যা কথা এটা আরও বেশি দুষ্টু হয়। আমি বেশ আল্মাদী ছিলাম, এরকম একটা সময় ছিল প্রপারলি কথা বলতে পারতাম না।


তিনি আরও বলেন, ‘এতো কিউট হয়ে আমতা আমতা করে কথা বলতাম। কথা অর্ধেক বোঝা যেত। প্রত্যেকটি জায়গাতে আমাদের আত্মীয় থেকে শুরু করে, আমার বাবা-মা একটা সময় গিয়ে আমি যখন বড় হচ্ছি আমার বন্ধুদের বাবা-মার অবধি আদর করতো, সেজন্য আমার ম্যাচিউরিটি অনেক পরে এসেছে, স্পষ্ট কথা বলতে শিখেছি অভিনয় করতে এসে।’


এদিকে, অভিনয়ে অনিয়মিত হলেও নতুন সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ততা রয়েছে প্রভার। কিছুদিন আগে নতুন দুটি সিনেমায় যুক্ত হয়েছেন তিনি। এর মধ্যে একটি সাদেক সিদ্দিকীর ‘দেনা পাওনা’। সিনেমাটির অনেকখানি শুটিং ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বাকি অংশের শুটিং এ সপ্তাহে হওয়ার কথা রয়েছে।


এ ছাড়া ‘দুই পয়সার মানুষ’ নামের আরও একটি সিনেমা রয়েছে প্রভার হাতে। দুটি সিনেমাই সরকারি অনুদানে নির্মিত হচ্ছে।

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৪৬ পিএম
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:০৬ পিএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


লালসালু ও চিত্রা নদীর পারে সিনেমার দৃশ্য

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৪৬ পিএম

দেশীয় চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান নির্মাতা তানভীর মোকাম্মেলের কালজয়ী দুটি সিনেমা ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ বাংলাদেশ বিমান দীর্ঘকাল ধরে তাদের ফ্লাইটে প্রদর্শন করে আসছিল। হঠাৎ করেই আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর)  এই নির্মাতা তার ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে জানালেন চলচ্চিত্র দুটি এক অজ্ঞাত কারণে প্রদর্শন করতে অপারগতা প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। 


এ বিষয় নির্মাতার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার সাড়া মেলেনি। ‘লালসালু’ চলচ্চিত্রটি আটটি ক্ষেত্রে এবং ‘চিত্রা নদীর পারে’ সাতটি ক্ষেত্রে জাতীয় পুরষ্কার লাভ করেছিল। তানভীর মোকাম্মেলের এই দুটি কালজয়ী চলচ্চিত্র দেশে-বিদেশে ব্যাপকভাবে সমাদৃত। 


লালসালু চলচ্চিত্রটি ২০০১ সালে মুক্তি পায়। এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একই নামের ধ্রুপদী উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত। এতে অভিনয় করেন রাইসুল ইসলাম আসাদ, মুনিরা ইউসুফ মেমী, চাঁদনী, রওশন জামিল, আমিরুল হক চৌধুরী, চিত্রলেখা গুহ, আলী যাকের, তৌকীর আহমেদ, মৌসুমী, তামান্না ইয়াসমিন, মাসুদ আলী খান, সাইদুর রহমান বয়াতি প্রমুখ। পরিচালকের ‘চিত্রা নদীর পারে’ সিনেমাটি মুক্তি পায় নব্বইয়ের শেষের দিকে। এতে অভিনয় করেনে মমতাজউদ্দীন আহমেদ, আফসানা মিমি, তৌকির আহমেদ, রওশন জামিল, সুমিতা দেবী প্রমুখ।

সর্বশেষ সব খবর

অভিনেত্রী পরীমনি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৫৪ পিএম

জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’-তে চিত্রনায়িকা পরীমনির দেওয়া একটি পুরোনো সাক্ষাৎকার নতুন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছে। পডকাস্টটির সঞ্চালক রুম্মান রশীদ খানের সঙ্গে আলাপকালে নিজের অতীত সম্পর্ক, বিচ্ছেদ ও সাবেক স্বামী শরীফুল রাজকে নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন তিনি।


বিচ্ছেদের প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, রাজকে বিয়ে করা বা জীবনের কোনো সিদ্ধান্তকেই তিনি ‘ভুল’ হিসেবে দেখেন না। তার কাছে জীবনের প্রতিটি ঘটনা একেকটি অভিজ্ঞতা।


পরীমনি জানান, এর আগে অন্য প্রাক্তনদের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার সময়ও অসৌজন্যমূলক পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বা আত্মসম্মানে আঘাত লাগার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রেখেই সেসব সম্পর্কের ইতি টেনেছেন তারা। ফলে পরবর্তী সময়ে কোথাও দেখা হলেও মুখোমুখি হতে অস্বস্তিতে পড়তে হয়নি।


তবে শরীফুল রাজের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন বলে জানান পরীমনি। 


তার ভাষ্য, যার কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি শ্রদ্ধা পাওয়ার কথা ছিল, সেই প্রাক্তনের কাছ থেকেই তিনি সবচেয়ে বেশি অপমানিত হয়েছেন। অথচ তাদের বিচ্ছেদ আরও সুন্দর ও সম্মানজনকভাবে হতে পারত বলে মনে করেন তিনি।


উল্লেখ্য, ২০২১ সালে বিয়ে করেন শরীফুল রাজ ও পরীমনি। ২০২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে আলাদা হয়ে যান তারা। 


বিচ্ছেদের পর ছেলে শাহীম মোহাম্মদ পুণ্যকে একাই লালন-পালন করছিলেন পরীমনি। পরে সাফিরা সুলতানা প্রিয়ম নামে একটি কন্যাসন্তান দত্তক নেন এই অভিনেত্রী।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:২৩ পিএম

শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে করা মামলায় অভিনেত্রী তানজিন তিশার জামিনের মেয়াদ বাড়িয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলাটিতে অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে হাজির হয়ে জামিন বর্ধিত করার আবেদন করেন তানজিন তিশা। শুনানি শেষে আদালত তার জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আদেশ দেন। পরে আসামিপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগ গঠনের শুনানিও পিছিয়ে দেওয়া হয়। তবে নতুন তারিখ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।


সকাল পৌনে ১২টার দিকে আদালতে পৌঁছান তানজিন তিশা। কিছুক্ষণ পর মামলাটির শুনানি শুরু হলে তিনি প্রথমে বেঞ্চের সামনে বসেছিলেন। পরে বাদীপক্ষের আইনজীবী তাকে কাঠগড়ায় দাঁড়ানোর কথা বলেন। এরপর কাঠগড়ায় গিয়ে দাঁড়ান অভিনেত্রী।


তিশার পক্ষে আইনজীবী খোরশেদ আলম জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করে বলেন, তার মক্কেল আগেও আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে।


এ সময় আসামিপক্ষ থেকে তিশাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর বিষয়ে আপত্তি জানানো হয়। আইনজীবী বলেন, তাকে অপমান করার উদ্দেশেই এভাবে দাঁড় করানো হয়েছে। জবাবে বিচারক বলেন, তিনি যেহেতু আসামি, তাই এ বিষয়ে কথা না বলাই ভালো।


শুনানির একপর্যায়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী জহিরুল হাসান মুকুল তানজিন তিশার বিরুদ্ধে জামিনের শর্তের অপব্যবহারের অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, জামিনে থাকার সময় তিশা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি ভেরিফায়েড পেজ থেকে আইনজীবী সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।


তখন বিচারক অভিযোগটি লিখিত পিটিশন আকারে দাখিল করতে বলেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী মামলার অভিযোগ গঠনের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দেওয়ার কথা জানান।


অন্যদিকে তিশার আইনজীবী খোরশেদ আলম বলেন, মামলাটি থেকে অব্যাহতি পাওয়ার মতো যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে। এ বিষয়ে শুনানির জন্য সময় দেওয়ার আবেদন করেন তিনি।


পরে আদালত তানজিন তিশার জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। পাশাপাশি অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আসামিপক্ষের আবেদনও গ্রহণ করেন। 


এদিকে আদালতে শুনানি শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। শাড়ি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগের মামলাটিকে ‘মিথ্যা’ দাবি করে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি। তানজিন তিশা বলেন, ভক্ত ও বিভিন্ন অনলাইন পেজ থেকে তিনি প্রায়ই উপহার পান। উপহার পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে স্টোরিও দেন। এই শাড়িটির ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।


তার ভাষ্য, তিনি শাড়িটি কিনতে চেয়েছিলেন। তবে সংশ্লিষ্ট আইনজীবী তাকে ফোন করে শাড়িটি উপহার হিসেবে দেওয়ার অনুরোধ করেন। পরিচিত এক বড় বোনের মাধ্যমে তাদের মধ্যে প্রায় ২০ মিনিট কথা হয়। পরে সুসম্পর্কের জায়গা থেকেই শাড়িটি পরে ছবি দেওয়ার কথা জানান তিনি। তিশা বলেন, ‘সোলজার’ সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকায় শাড়িটি পরে ছবি দিতে কিছুটা সময় লেগেছে। তবে এর জন্য ব্লাউজ বানিয়ে রেখেছিলেন এবং এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাড়িটি নিয়ে স্টোরিও দিয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।


তার অভিযোগ, এ বিষয়ে তার সঙ্গে কথা না বলে হঠাৎ সংবাদমাধ্যমে তাকে ২৮ হাজার টাকার শাড়ি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। এতে তার সম্মানহানি ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করেন এই অভিনেত্রী।


তিশা আরও বলেন, তার ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এ ধরনের ঘটনা ঘটায় বিষয়টি নিয়ে তার সন্দেহ তৈরি হয়েছে। এর পেছনে চলচ্চিত্র অঙ্গনের কোনো বিরোধ বা কারও প্ররোচনা রয়েছে কি না, সেটিও তিনি উড়িয়ে দিচ্ছেন না।


এ সময় সংশ্লিষ্ট আইনজীবী ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও তোলেন তিশা। একই শাড়ি নিয়ে অন্য একজনকে দিয়ে আরেকটি মামলা করানোর অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিষয়টি একটি ‘সিন্ডিকেটের’ মতো মনে হচ্ছে। তিশা বলেন, কেউ নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে অন্যের ওপর প্রভাব বিস্তার করুক এটি তিনি সমর্থন করেন না। সাধারণ নাগরিক হিসেবেও ক্ষমতার অপব্যবহার দেখতে চান না বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ ধরনের পরিস্থিতি তিনি আইনিভাবেই মোকাবিলা করবেন বলে জানান।


নিজের অবস্থান তুলে ধরে তানজিন তিশা বলেন, তার কাছে প্রকৃত ক্ষমতা হলো দর্শক ও সাধারণ মানুষের ভালোবাসা। মামলাটির বিষয়ে আদালতের কাছে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু বিচার প্রত্যাশা করেন বলেও জানান তিনি।


প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের নভেম্বরে মামলাটি করেন অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’র প্রশাসক আমিনুল ইসলাম। অভিযোগে বলা হয়, পেজটি থেকে ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নেওয়ার পর সেটির প্রচারণা ও মূল্য পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তানজিন তিশা। পরে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি বলে বাদীপক্ষ অভিযোগ করে।


মামলার পর বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগ তদন্তের জন্য ডিবি পুলিশকে নির্দেশ দেন আদালত। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দাখিলের পর গত ১২ জুলাই তা আমলে নিয়ে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়।


এরপর গত ১৩ আগস্ট ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন তিশা। পরে মামলাটি পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে পাঠানো হয়।


তবে মামলার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন তানজিন তিশা। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, শাড়িটি তাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি প্রতারণা করেননি।

সর্বশেষ সব খবর