চিত্রনায়িকা পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত
সাংবাদিকদের প্রতিবাদের মুখে চট্টগ্রামের একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে বাদ দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে আয়োজকরা বিষয়টি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন। আয়োজকরা জানান, সম্প্রতি ঢাকা আদালত চত্বরে সাংবাদিকের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাটির ১৭ দিন আগে পরীমনির সঙ্গে তাদের চুক্তি হয়েছিল। তবে গণমাধ্যমকর্মীকে অসম্মান করার কারণে এবং চট্টগ্রামের সর্বস্তরের সাংবাদিকদের প্রতিবাদের মুখে আয়োজক কমিটি গণমাধ্যমকর্মীদের দাবির সমর্থন জানিয়ে এই ইভেন্ট থেকে পরীমনিকে বাদ দিয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার রাতে পরীমনি তার ফেসবুক ওয়ালে ‘চট্টগ্রাম ফ্যাশন ভ্যানগার্ড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এর একটি পোস্টার শেয়ার করে লেখেন, ‘দেখা হচ্ছে প্রিয় চট্টগ্রাম।’ আমাদের সহকর্মী দৈনিক সমকালের রবির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে, তার মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে বিযষয়টি মিটমাট না করলে আপনারা বিকল্প অতিথি খুঁজে নিন।’
মুহূর্তেই বিষয়টি চট্টগ্রামে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। ফলে আয়োজকরা পরীমনিকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন।
প্রতিবাদের মুখে আয়োজকরা অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে নায়িকা পরীমনিকে বাদ দিয়ে অনুষ্ঠানের নতুন পোস্টার প্রকাশ করেছেন। আগামী ২৮ নভেম্বর চট্টগ্রামের খুলশী থানাধীন একটি কমিউনিটি সেন্টারে এই ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
চিত্রনায়িকা পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত
ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো চরিত্রে জনি ডেপ। ছবি: সংগৃহীত
আইকনিক চরিত্র ‘ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো’ হয়ে আবারও পর্দায় হাজির হবেন জনি ডেপ। দীর্ঘ বিরতির পর তার এই ফেরা নিয়ে ভক্তদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান’ সিরিজের ষষ্ঠ কিস্তিতে আবারও দেখা যাবে কি না- গুঞ্জন ও জল্পনা-কল্পনার উত্তর দিলেন জনি ডেপ নিজেই।
নতুন সিনেমা ‘ইবেনেজার’-এর প্রচারণায় অংশ নিয়ে এ কিংবদন্তি অভিনেতা ইঙ্গিত দিয়েছেন, ফ্র্যাঞ্চাইজির মূল প্রযোজক জেরি ব্রুকহেইমারের অনুরোধে তিনি আবারও জলদস্যুর পোশাকে পর্দায় হাজির হতে পারেন। এর আগে আইনি জটিলতা এবং ডিজনি স্টুডিওর সঙ্গে দূরত্বের কারণে ডেপ জানিয়েছিলেন তিনি আর কখনো এই ফ্র্যাঞ্চাইজিতে ফিরবেন না। তিক্ততা ভুলে জলদস্যু রূপে ফেরার ক্ষেত্রে জনি ডেপ শর্ত দিয়েছেন।
তিনি জানান, পাইরেটস ফ্র্যাঞ্চাইজিকে একটি সুন্দর ও সম্মানজনক সমাপ্তির দিকে যদি নিয়ে যাওয়া হয় এবং দস্যু চরিত্রটিকে কেবল একটি ইতিবাচক বা ভালো বার্তা দিয়ে বিদায় জানানো হলেই তিনি ফিরবেন। গত বছর প্রযোজক ব্রুকহেইমার নিশ্চিত করেছিলেন, ‘স্ক্রিপ্ট পছন্দ হলে জনি ডেপ কাজ করতে রাজি হবেন। আমরা সিনেমাটি বানাতে চাই, কিন্তু তার আগে সঠিক চিত্রনাট্য হাতে পেতে হবে।
আমরা এখনো চূড়ান্ত জায়গায় পৌঁছাতে পারিনি, তবে বেশ কাছাকাছি আছি।’ ২০০৩ সালে গোর ভারবিনস্কি পরিচালিত ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান: দ্য কার্স অব দ্য ব্ল্যাক পার্ল’ সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো আইকনিক ‘ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো’ চরিত্রে অভিনয় করেন জনি ডেপ। প্রথম কিস্তিতে তার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন অরল্যান্ডো ব্লুম (উইল টার্নার) ও কেইরা নাইটলি (এলিজাবেথ সোয়ান)।
পরে জনি ডেপ ২০০৬ সালে ‘ডেড ম্যানস চেস্ট’ এবং ২০০৭ সালে ‘এট ওয়ার্ল্ডস অ্যান্ড’ সিনেমায় একই চরিত্রে অভিনয় করে ভক্তদের মন জয় করেন। এরপর ফ্র্যাঞ্চাইজির চতুর্থ ও পঞ্চম পর্ব—‘অন স্ট্রেঞ্জার টাইডস’ (২০১১) এবং ‘ডেড ম্যান টেল নো টেলস’ (২০১৭)-এ শেষবারের মতো দেখা গিয়েছিল ডেপকে। বেশ কয়েক বছর পর আবার জলদস্যুরূপে সেই আইকনিক রুপালি পোশাকে তাকে দেখা যাবে কি না, সেটাই এখন হলিউডের বড় চমক।
রানিয়ার মুখ প্রকাশ্যে আনলেন সারা খান। ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আয়োজন করা হয়েছে ‘কনসার্ট ফর সলিডারিটি’। আজ এ কনসার্টে সংগীত পরিবেশন করবে সাতটি ব্যান্ড। সাত ঘণ্টার এই আয়োজনে থাকছে নগরবাউল জেমস, মাইলস, ওয়ারফেজ, ফিডব্যাক, আর্টসেল, শিরোনামহীন ও মেকানিক্সের পরিবেশনা।
কনসার্টটি আয়োজন করছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়। সহযোগিতা করছে বাংলাদেশ মিউজিক্যাল ব্যান্ডস অ্যাসোসিয়েশনের (বামবা)।
এক ভিডিও বার্তায় ওয়ারফেজ বলেছে, ‘ঐক্য, সম্প্রীতি ও অদম্য চেতনার বাংলাদেশকে উদ্যাপন করতে আপনাদের মাঝে আসছি আমরা, ওয়ারফেজ। দেখা হচ্ছে সবার সাথে।’
ব্যান্ডটির দলনেতা শেখ মনিরুল আলম গতকাল জানান, ৪৫ থেকে ৫০ মিনিটের মতো ব্যান্ডটি গাইবে। ‘হারিয়ে তোমাকে’, ‘বসে আছি’, ‘পূর্ণতা’র মতো জনপ্রিয় গান পরিবেশন করবে ওয়ারফেজ।
বেলা সাড়ে তিনটায় কনসার্টের প্রবেশপথ খুলে দেওয়া হবে। মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে বিকেল চারটায়।
কনসার্টের আগে বেলা তিনটায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর।
বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম।
আয়োজকদের ভাষ্য, ঐক্য, সম্প্রীতি, সংহতি ও উদার চেতনার বাংলাদেশের বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এ আয়োজন। সংগীতের মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্যাপনের পাশাপাশি দর্শক-শ্রোতাদের জন্য তৈরি হবে উৎসবমুখর পরিবেশ। কনসার্টটি সবার জন্য উন্মুক্ত।
অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন
দীর্ঘদিন ধরে অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের দাম্পত্য জীবন নিয়ে বলিউডে নানা জল্পনা চলছে। তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জনও ছড়িয়েছে বিভিন্ন সময়। এমন আলোচনার মধ্যেই একসঙ্গে জনসমক্ষে হাজির হয়েছেন এই তারকা দম্পতি। ফ্যাশন ডিজাইনার মণীশ মলহোত্রার দীপাবলির অনুষ্ঠানে অভিষেকের হাত ধরে প্রবেশ করেন ঐশ্বরিয়া। তাদের একসঙ্গে উপস্থিতি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।প্রতি বছরের মতো এবারও মুম্বাইয়ে দীপাবলি উপলক্ষে তারকাদের নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন মণীশ মলহোত্রা। বলিউডের অনেক পরিচিত মুখ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অতিথিদের তালিকায় ছিলেন সাইফ আলি খান, কারিনা কাপুর খান, মাধুরী দীক্ষিত, অক্ষয় কুমার ও জেনেলিয়া ডি’সুজার মতো তারকারা। তবে অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার একসঙ্গে আগমনই ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত।
অনুষ্ঠানে অভিষেকের পরনে ছিল কালো শেরওয়ানি। অন্যদিকে লাল শাড়ি ও সোনালি পাড়ে সেজেছিলেন ঐশ্বরিয়া। দুজনকে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছবিও তুলতে দেখা যায়। তাদের একসঙ্গে দেখে ভক্তদের অনেকে পুরোনো দিনের কথা মনে করেছেন। কারও কারও মতে, এই দম্পতির মধ্যে আবারও দেখা গেছে ২০০৮ সালের সেই পরিচিত রসায়ন।
অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার সম্পর্ক নিয়ে কয়েক বছর ধরেই নানা আলোচনা চলছে। বিশেষ করে তাদের আলাদা থাকা এবং দাম্পত্য জীবনে দূরত্ব তৈরির খবর বিভিন্ন সময় সামনে এসেছে। তবে এসব গুঞ্জন নিয়ে তাদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ কারণে কোনো অনুষ্ঠানে তাদের একসঙ্গে উপস্থিতি ভক্তদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করে।অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে বড় পর্দায় অনুপস্থিত ঐশ্বরিয়া। মেয়ে আরাধ্যার জন্মের পর থেকে ব্যক্তিগত জীবন ও পরিবারকে বেশি সময় দিচ্ছেন এই অভিনেত্রী। অভিনয়ের ব্যস্ততা কমিয়ে দিলেও তাকে ঘিরে ভক্তদের আগ্রহ কমেনি। এবার মণীশ মলহোত্রার দীপাবলির অনুষ্ঠানে অভিষেকের হাত ধরে তার প্রবেশ এবং দুজনের একসঙ্গে ছবি তোলার মুহূর্ত ভক্তদের আনন্দিত করেছে। বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মধ্যে এই যুগল উপস্থিতি তাই নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
সালমান খান
১৯৯৮ সালের ঘটনা। সেই সময় রাজস্থানের কঙ্কানি গ্রামে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে বিতর্কে জড়ান বলিউডের 'ভাইজান'খ্যাত অভিনেতা সালমান খান। সেই সময় বলিউড সুপারস্টারের বিরুদ্ধে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ ওঠে। দুই দশক আগের সেই ঘটনার পর থেকেই বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নিশানায় সালমান খান। একাধিকবার বলিউডের ভাইজানকে খুনের হুমকি দিয়ে খবরের শিরোনামে জায়গা করে নিয়েছে কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই।
সেই উপদ্রব আবারও বেড়েছে। '২৪ সালে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে গুলি চালানো হয়। বিদেশে সালমানের বন্ধু-গায়কের বাড়িতে হামলা করা হয়। তারপর সালমান-ঘনিষ্ঠ বাবা সিদ্দিকীর খুন থেকে শুরু করে নতুন করে অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত, টাইগার শ্রফদের টার্গেট করা— একের পর এক ঘটনা ঘটিয়ে ভাইজানকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বিষ্ণোই গ্যাং। যার জেরে ওয়াই ক্যাটাগরির পাশাপাশি সালমান খানের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।
এর মধ্যে দুবাই থেকে দুই কোটি রুপি খরচ করে বুলেটপ্রুফ গাড়িও এনেছেন সালমান খান। বুলেটপ্রুফ কাঁচে মুড়েছেন গ্যালাক্সির বারান্দা। শুটিং ছাড়া গতিবিধিতেও রাশ টানতে হয়েছে এ অভিনেতাকে। কিন্তু সারাজীবন কি এভাবে প্রাণভয়ে বেড়াতে হবে? কী করলে বিষ্ণোইদের কাছ থেকে মুক্তি পাবেন সালমান খান?
এবার সেই নিদান দিল রাজস্থানের বিষ্ণোই সম্প্রদায়। যারা কৃষ্ণসার হরিণকে দেবতাজ্ঞানে পূজা করেন। লরেন্স বিষ্ণোইয়ের কাকা ভাইজানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এক মোক্ষম উপায় বাতলে দেন।
এ বিষয়ে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের কাকা রমেশ বিষ্ণোই বলেন,তিনি কোনো ধরনের সহিংসতাকে সমর্থন করেন না। বহুকাল ধরেই গ্যাংয়ের সবাইকে সতর্ক করে আসছেন। তিনি বলেন, 'সালমান বা তার ঘনিষ্ঠ কারও ওপর হামলা কিংবা হত্যাকে আমি সমর্থন করি না। আসলে বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ জমে রয়েছে এবং এর সমাধান হওয়া উচিত। সালমান যদি আমাদের মন্দিরে পূজা দিয়ে ক্ষমা চাইতেন, তাহলে বিষয়টি অনেক আগেই মিটে যেত।'
কাকা রমেশ বিষ্ণোই বলেন, বিষ্ণোইরা মনে করেন— কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা করে গর্হিত অপরাধ করেছেন সালমান খান, যা কিনা বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের আচারবিধির বিরুদ্ধাচরণ। বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের থেকে মুক্তি চাইলে সালমানকে অবশ্যই রাজস্থানের বিকানিরে অবস্থিত মুক্তিধাম মুকামে যেতে হবে।
তিনি বলেন, এ মন্দির বিষ্ণোইদের সব থেকে পবিত্র ধর্মীয় স্থান। এই একই নিদান বহু আগে দিয়েছিলেন ‘অল ইন্ডিয়া বিষ্ণোই সমাজ’-এর সম্পাদক হনুমানরাম বিষ্ণোই। কিন্তু শোনেননি ভাইজান!
রমেশ বিষ্ণোই বলেন, বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের বিশ্বাস— কোনো ব্যক্তি অপরাধ করলে তার মধ্যে অবশ্যই অনুশোচনাবোধ থাকতে হবে, যা তাকে প্রায়শ্চিত্তের পথে নিয়ে যাবে। কেউ যদি বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের সঙ্গে কোনো রকম অপরাধ বা অন্যায় করেন, তাহলে তাকে মুক্তিধাম মুকামে গিয়ে পুরো সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা চাইতে হয়। শুধু তাই নয়, নির্ধারিত পদ্ধতিতে ক্ষমা চাওয়া হলে, সেটি গ্রহণযোগ্য হবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে যাচাই করেন বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের সদস্যরা।
অন্যদিকে সালমান খানের বাবা সেলিম খানের আশঙ্কা— এই মন্দিরে পূজা দিতে গেলে সালমানের ওপর হামলা হতে পারে। এ আশঙ্কায় লরেন্সের কাকা রমেশ বিষ্ণোই জানিয়েছেন— 'আমি ব্যক্তিগতভাবে সালমানের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিচ্ছি। এটা অনেক দিন ধরে চলছে। এ অধ্যায়ের অবসান হওয়া উচিত। একটা ক্ষমা প্রার্থনাই তো যথেষ্ট।'
অন্যদিকে আবার ক্ষমা চাইলেই আইনি জটিলতায় পড়তে হবে খোদ ভাইজানকেই। কারণ ২০১৮ সালে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় সালমানকে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন নিম্ন আদালত। যদিও নিজেকে নির্দোষ দাবি করে রাজস্থান হাইকোর্টের দ্বারস্থও হন অভিনেতা। মামলাটি বর্তমানে সেখানেই বিচারাধীন।
এদিকে সেলিম খান বলেন, যে ছেলে ছোট থেকে একটা আরশোলা মারতে পারেনি, সে কীভাবে হরিণ মারবে? তাই ক্ষমা চাওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।