• প্রকাশ : রবিবার ০৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:১৪ পিএম

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার এক নারীর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, প্রতারণা, মালামাল আটকে রাখা এবং হুমকির অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এমন দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সোনিয়া আক্তার নামে ওই নারী।


শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের বটতলায় প্রিন্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন তিনি। সোনিয়া আক্তার টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পশ্চিমপাড়া এলাকার নজরুল মিয়ার মেয়ে। তার স্বামী শাহিন মিয়া দেলদুয়ার উপজেলার চণ্ডী ইউনিয়নের পাথরাইল এলাকার ছানোয়ার হোসেনের ছেলে।


লিখিত বক্তব্যে সোনিয়া আক্তার অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই স্বামী,শ্বশুর-শাশুড়ি, স্বামীর বোনসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য তাকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছেন। একপর্যায়ে তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি।


তিনি আরও দাবি করেন, শ্বশুরবাড়িতে তার প্রায় ৩ লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল রয়েছে। এর মধ্যে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোনসহ ব্যক্তিগত সামগ্রীর মূল্য প্রায় ১ লাখ টাকা এবং নগদ ৫০ হাজার টাকা রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকার অর্থ ও মালামাল সেখানে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।


দেনমোহর নিয়েও প্রতারণার অভিযোগ করেন সোনিয়া। তার দাবি, বিয়ের সময় দেনমোহর ৩ লাখ টাকা নির্ধারণের কথা থাকলেও পরবর্তীতে কাবিননামা হাতে পাওয়ার পর সেখানে ৩০ হাজার টাকা লেখা দেখতে পান। কাজি ও স্বামীর পরিবারের লোকজনের যোগসাজশে দেনমোহরের পরিমাণ কম দেখিয়ে তার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।


এছাড়া তার স্বামী বিভিন্ন নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িত ছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করায় তাকে গালিগালাজ ও মারধর করা হতো বলে দাবি করেন সোনিয়া। পরে স্বামীর পরিবারের অন্য সদস্যরাও তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সোনিয়া আক্তার জানান, এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তার দাবি। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।


সংবাদ সম্মেলনে সোনিয়া আক্তার বলেন,আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমার অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরে ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা চাই।


এদিকে সোনিয়া আক্তারের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তার স্বামী শাহিন মিয়া। তিনি দাবি করেন, মুঠোফোনে কথা বলার একপর্যায়ে সোনিয়াকে জোরপূর্বক বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। পরে তিনি জানতে পারেন, সোনিয়ার এর আগে আরও তিনটি বিয়ে হয়েছিল।


শাহিন মিয়া বলেন,আমরা তাকে কোনো ধরনের নির্যাতন করিনি। সে আমাকে না জানিয়েই নিজে বাড়ি থেকে চলে যায়। পরে আমি তাকে ডিভোর্স দিয়েছি।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:২০ পিএম

গাজীপুর প্রাইভেট স্কুল এসোসিয়েশন, টঙ্গী পশ্চিম থানার দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় মুহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ সভাপতি এবং মো. মজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন।


আগামী দুই বছর মেয়াদের জন্য ১৭ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন সহ-সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির শান্ত ও মো. লুৎফর রহমান লিটন সহ-সাধারণ সম্পাদক হানিফ মোল্লা ও শামিম শেখ সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম জনি অর্থ সম্পাদক হুমায়ুন আহমেদ ক্রীড়া সম্পাদক মো. আব্দুর রশিদ; মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মীর তাহমিনা আক্তার; শিক্ষা সম্পাদক কমলেশ চন্দ্র মন্ডল ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. ওসমান গনি প্রচার সম্পাদক রিপন চন্দ্র মন্ডল তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক লিপি আক্তার; সদস্য-১ মো. আরিফ হোসেন এবং সদস্য-২ উম্মুল ওয়ারা।


বুধবার সকালে হাজী এম. এ. গনি উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে সংগঠনের সভাপতি মুহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় এ দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।


সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মহানগর যুবদলের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির সভাপতি প্রভাষক বশির উদ্দিন। এ সময় সংগঠনের কর্মকর্তা এবং টঙ্গী পশ্চিম থানার বিভিন্ন প্রাইভেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও তাঁদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জামান মেমোরিয়াল একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোস্তফা হুমায়ুন হিমু। কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন হাজী রওশন আলী একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি কবির চৌধুরী, আশা মডেল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আলহাজ্ব সেলিম পারভেজ, খাঁপাড়া বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম এবং ভাকরাল আদর্শ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা বিল্লাল হোসেন।


নতুন কমিটির নেতৃত্বে টঙ্গী পশ্চিম থানার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পারস্পরিক সমন্বয়, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষক-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৫৮ পিএম
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:১১ পিএম


  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৫৮ পিএম

শরীয়তপুরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নিউজ টুয়েন্টিফোর টেলিভিশন ও জাগো নিউজের শরীয়তপুর প্রতিনিধি বিধান মজুমদার অনি, দ্য ডেইলি স্টারের জেলা প্রতিনিধি জাহিদ হাসান রনি এবং দৈনিক এদিন-এর জেলা প্রতিনিধি বরকত মোল্লার ওপর ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সাংবাদিক উন্নয়ন কেন্দ্র।


সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের হামলা শুধু নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনকই নয়, এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাভাবিক কার্যক্রমের ওপর সরাসরি আঘাত। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো সাংবাদিক হামলা, হুমকি, বাধা কিংবা হয়রানির শিকার হবেন এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।


সাংবাদিক উন্নয়ন কেন্দ্রের সভাপতি অলিদুর রহমান অলি, সিনিয়র সহ-সভাপতি মনসুর আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান শোভন এক বিবৃতিতে বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দায়িত্ব। দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য হুমকিস্বরূপ। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনকে কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।


নেতৃবৃন্দ হামলার ঘটনার দ্রুত, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে বলেন, তদন্তের মাধ্যমে হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে আহত সাংবাদিকদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।


সাংবাদিক উন্নয়ন কেন্দ্র মনে করে, সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সাংবিধানিক দায়িত্বের অংশ। তাই সাংবাদিকদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় না দিয়ে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।


শরীয়তপুরে তিন সাংবাদিকের ওপর সংঘটিত এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেপ্তার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সাংবাদিক উন্নয়ন কেন্দ্র।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:৫৪ পিএম

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে একটি রূপান্তরিত আর্টিসানাল ট্রলিং বোটে মাত্র দুই দিনের মাছ শিকারে প্রায় ৮০ মণ ইলিশ ধরা পড়েছে। এতে সাধারণ জেলেদের মনে প্রশ্ন জেগেছে—একটি ট্রলিং বোট যদি মাত্র দুই দিনে ৮০ মণ ইলিশ তুলে নিতে পারে, তাহলে সাধারণ জেলেদের জালে মাছ নেই কেন?


বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে বিপুল পরিমাণ ইলিশ নিয়ে এফবি আব্দুল্লাহ ট্রলারটি আলিপুর মৎস্য বন্দরে আসে। পরে সিফাত ফিসে নিলামের মাধ্যমে মাছগুলো প্রায় ২০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়।


ট্রলারটির মাঝি বাদশা জানান, চার দিন আগে ১৮ জন জেলে নিয়ে তারা গভীর সমুদ্রে যান। দুই দিন মাছ ধরার পর মঙ্গলবার পায়রা বন্দরের শেষ বয়া সংলগ্ন এলাকায় জালে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ে। তবে প্রায় ৮০ মণ ইলিশ পাওয়া গেলেও মাছগুলোর আকার তুলনামূলক ছোট।


কুয়াকাটা, মহিপুর, আলিপুর ও আশাখালী উপকূলের সাধারণ জেলেদের অভিযোগ, তারা দিনের পর দিন সাগরে অবস্থান করেও আগের মতো মাছ পাচ্ছেন না। অনেক সময় জ্বালানি, বরফ, খাবার ও শ্রমিকের খরচ তুলতে না পেরে লোকসান নিয়ে তীরে ফিরতে হচ্ছে।


জেলে হানিফ মাঝি বলেন, আগে অল্প সময় সাগরে গেলেই পর্যাপ্ত মাছ পাওয়া যেত। এখন দিনের পর দিন সমুদ্রে থেকেও কাঙ্ক্ষিত মাছ পাওয়া যায় না। তার অভিযোগ, অবৈধ ট্রলিং বোটগুলো অগভীর সমুদ্র থেকে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ মাছ তুলে নেওয়ায় সাধারণ জেলেদের মাছ ধরার সুযোগ কমে যাচ্ছে।


জেলেদের অভিযোগ, কিছু ট্রলিং বোটে ফিশ ফাইন্ডার, জিপিএস ও রাডারের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাছের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর অপেক্ষাকৃত সূক্ষ্ম ফাঁসের জাল ব্যবহার করে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ মাছ আহরণ করা হয়।


তাদের আশঙ্কা, এসব জালে শুধু বড় ইলিশ নয়, ছোট ইলিশ, পোনা ও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীও আটকা পড়ে। ফলে নির্বিচারে ছোট মাছ আহরণ করা হলে আগামী দিনে মাছের মজুতই কমে যেতে পারে।


চলতি মাসের শুরুতেও কুয়াকাটা সংলগ্ন সাগরে একটি অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং ট্রলারের জালে একবারেই ৪৬ মণ ইলিশ ধরা পড়ে। পরে সেই মাছ প্রায় ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। অল্প সময়ের ব্যবধানে একই উপকূলে ট্রলিং বোটে বিপুল পরিমাণ ইলিশ আহরণের ঘটনা সামনে আসায় এখন সাধারণ জেলেদের প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে—সাগরে সত্যিই কি ইলিশের প্রাচুর্য ফিরেছে, নাকি আধুনিক প্রযুক্তি ও শক্তিশালী জালের কারণে নির্দিষ্ট মাছের ঝাঁক দ্রুত শনাক্ত করে একসঙ্গে বিপুল মাছ তুলে নেওয়া হচ্ছে?


জেলেদের দাবি, বিষয়টি শুধু কত মণ মাছ ধরা পড়েছে—তা দিয়ে বিচার করলে হবে না। কোন বোটে, কী ধরনের জাল ব্যবহার করে, কোথায় এবং কী আকারের মাছ ধরা হচ্ছে—সেসব বিষয়ও নজরদারির আওতায় আনতে হবে।


মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ছোট ইলিশ বড় হওয়ার সুযোগ না দিয়ে আহরণ করা হলে ভবিষ্যতে প্রজননক্ষম ইলিশের সংখ্যা কমতে পারে। একই সঙ্গে সূক্ষ্ম ফাঁসের জালে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা ও সামুদ্রিক প্রাণী ধরা পড়ায় সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, সামুদ্রিক মৎস্য আইনের তফসিল অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অবৈধ জাল ব্যবহার করে ট্রলিংয়ের অভিযোগে বোট মালিকদের মাইকিং করে সতর্ক করা হয়েছে এবং এর আগে বেশ কয়েকটি বোট জব্দ করে মামলাও করা হয়েছে।


অবৈধ ট্রলিং বোটের হাতে সাগরের সম্পদ কুক্ষিগত না করে সাধারণ জেলেদের জীবিকা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় এখনই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি সাধারণ জেলে ও মৎস্য সংশ্লিষ্টদের।


সর্বশেষ সব খবর

সভাপতি হেদায়েত উল্লাহ ও সম্পাদক মজিবুর রহমান

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৫১ এএম

গাজীপুর প্রাইভেট স্কুল এসোসিয়েশন, টঙ্গী পশ্চিম থানার দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় মুহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ সভাপতি পদে ও মো. মজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পূণরায় নির্বাচিত হয়েছেন। 


আগামী দুই বছর মেয়াদের জন্য নবনির্বাচিত ১৭ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন মো. সাইফুল ইসলাম (সহ-সভাপতি)  হুমায়ুন কবির শান্ত (সহ-সভাপতি), মো. লুৎফর রহমান লিটন (সহ-সভাপতি), হানিফ মোল্লা (সহ-সাধারণ সম্পাদক), শামিম শেখ (সহ-সাধারণ সম্পাদক), সাইদুল ইসলাম জনি  (সাংগঠনিক সম্পাদক), হুমায়ুন আহমেদ (অর্থ সম্পাদক),  মো. আব্দুর রশিদ (ক্রীড়া সম্পাদক), মীর তাহমিনা আক্তার (মহিলা বিষযক সম্পাদক), কমলেশ চন্দ্র মন্ডল (শিক্ষা সম্পাদক),  মো. ওসমান গনি (ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক), রিপন চন্দ্র মন্ডল (প্রচার সম্পাদক), লিপি আক্তার (তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক), মো. আরিফ হোসেন (সদস্য-১), উম্মুল ওয়ারা (সদস্য-২)।


বুধবার সকালে হাজী এম. এ. গনি উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে গাজীপুর প্রাইভেট স্কুল এসোসিয়েশন, টঙ্গী পশ্চিম থানার সভাপতি মুহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় সংগঠনের দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মহানগর যুবদলের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির সভাপতি প্রভাষক বশির উদ্দিন। এসময় সংগঠনের সকল কর্মকর্তা ও টঙ্গী পশ্চিম থানার প্রাইভেট স্কুলসমূহের প্রধান শিক্ষক ও তাদের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৪৮ এএম

সিলেট থেকে সুনামগঞ্জের ছাতক পর্যন্ত রেলপথ সংস্কার: মেয়াদ শেষ হলেও মাত্র ২০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।রোববার (২৩ আগস্ট) ছিল প্রকল্পটির নির্ধারিত মেয়াদের শেষ দিন। ২১৭ কোটি ৩৪ লাখ ৪ হাজার ৩৬৯ টাকা ব্যয়ে রেলপথটি পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ হয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ। 


সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, সিলেট থেকে সুনামগঞ্জের ছাতক পর্যন্ত রেলপথটি ছিল ঐতিহাসিক যোগাযোগব্যবস্থার অংশ। ১৯৫৪ সালে সিলেট থেকে ছাতক বাজার পর্যন্ত এই রেলপথ নির্মাণ করা হয়। এই রেলপথ দিয়ে ছাতক থেকে চুনাপাথরসহ বিভিন্ন পণ্য সারা দেশে পাঠানো হতো। পাশাপাশি সুনামগঞ্জের মানুষ সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করতেন। ২০২২ সালের শতাব্দীর ভয়াবহ বন্যায় রেলপথটির বিভিন্ন অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর থেকে প্রায় ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথে সব ধরনের রেল চলাচল বন্ধ রয়েছে। রেল চলাচল বন্ধ থাকায় রেলপথের মূল্যবান স্লিপার ও লোহার পাত (রেললাইন) চুরি হয়েছে।এরপর ২১৭ কোটি ৩৪ লাখ ৪ হাজার ৩৬৯ টাকা ব্যয়ে রেলপথটি পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ হয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ। রোববার (২৩ আগস্ট) ছিল প্রকল্পটির নির্ধারিত মেয়াদের শেষ দিন।জানা যায়, দীর্ঘ চার বছর বন্ধ থাকার পর ২০২৫ সালে সিলেট থেকে ছাতক বাজার পর্যন্ত প্রায় ৩৪ কিলোমিটার রেললাইন পুনর্বাসনে ২১৭ কোটি ৩৪ লাখ ৪ হাজার ৩৬৯ টাকা ব্যয়ে প্রকল্প হাতে নেয় বাংলাদেশ রেলওয়ে। প্রকল্পটির নাম ‘২০২২ সালের বন্যায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশ রেলওয়ের সিলেট থেকে ছাতক বাজার অংশের (মিটারগেজ ট্র্যাক) পুনর্বাসন প্রকল্প’।


রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, জিওবি ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) অর্থায়নে ক্ষতিগ্রস্ত মিটারগেজ রেলপথ সংস্কারের জন্য ২০২৫ সালের ২ জানুয়ারি সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। এই রেলপথ সংস্কারের কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মীর আখতার হোসেন লিমিটেড (এমএএইচএল)। ওই বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তি হয়। ২১৭ কোটি টাকার প্রকল্প হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ১৯৯ কোটি টাকার চুক্তি করা হয়।রেলপথ পুনর্বাসন প্রকল্পের মেয়াদ ছিল চলতি বছরের ২৩ আগস্ট পর্যন্ত। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ হয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ। প্রকল্পের আওতাধীন ৯৬টি পাইলিং পয়েন্টের মধ্যে ৮৫টির কাজ শেষ হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে সংস্কারকাজ শেষ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।তবে সিলেট রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী মাসুদ পারভেজের দাবি, প্রকল্পের ২৫ শতাংশ কাজ বাস্তবায়িত হয়েছে।


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই প্রকল্পের আওতায় সিলেট-ছাতক রেলপথের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কার, মাটি ভরাট, কালভার্ট ও সেতু মেরামত, নতুন স্লিপার স্থাপন এবং নতুন রেললাইন বসানোর কাজ রয়েছে। ইতোমধ্যে ছাতক থেকে সিলেট পর্যন্ত প্রায় ৩৪ কিলোমিটার পুরোনো রেললাইন অপসারণ করা হয়েছে। কিন্তু ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ, হাসনাবাদ, কালারুকা, মাধবপুর, ছৈলা-আফজলাবাদ, সৎপুর এবং সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার  প্রয়াগমহল,চন্দগ্রাম,পাখিচিরি, পাহাড়পুর,ঘাসিগাঁও,গোমরাগোলসহ খাজাঞ্চী ষ্টেশনের বিভিন্ন এলাকায় সংস্কারকাজ বন্ধ রয়েছে। নতুন ট্র্যাক স্থাপনসহ প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজ এখনও বাকি রয়েছে।ফলে প্রকল্পের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও পুরো রেলপথে রেল চলাচল কবে নাগাদ শুরু হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।


স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্প শুরুর পর থেকেই কাজ ধীরগতিতে চলছে। ২০২২ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রেলপথের উচ্চতা নির্ধারণ ও সমন্বয় নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। সড়কের মাটি ভরাটের পর রেলপথের উচ্চতা যথাযথভাবে নির্ধারণ না হওয়ায় কিছু এলাকায় কাজ পিছিয়েছে।


গোবিন্দগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা উজ্জীবক সুজন তালুকদার জানান, বন্যায় রেলপথের বিভিন্ন অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকেই ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। নতুন করে রেলপথ সংস্কার ও পুনর্বাসনের কাজ শুরু হলে মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছিল। কিছুদিন রেলপথের বিভিন্ন স্থানে সংস্কারসহ নানা ধরনের কাজ করতে দেখা গেলেও হঠাৎ করে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। কাজ কেন বন্ধ রয়েছে, স্থানীয়দের কাছে কোনো তথ্য নেই। কাজ বন্ধ থাকায় রেলপথ চালু নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।


ছাতক উপজেলার আলমপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ছাতক প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রনি জানান, রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকায় ছাতকের ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই রেলপথ শুধু যাত্রী পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, ছাতকের বিভিন্ন শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্য পরিবহনেও এর ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু সময়মতো রেললাইন সংস্কারের কাজ বাস্তবায়ন হচ্ছে না।


ছাতক পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী আবুল হাসান জানান, ছাতকের সিমেন্ট, চুনাপাথর, বালি, পাথরসহ বিভিন্ন পণ্য পরিবহনে এই রেলপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিল। পাশাপাশি স্বল্প খরচে সিলেটসহ বিভিন্ন এলাকায় নিরাপদে যাতায়াত করা যেত। কারণ সড়কপথে প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটছে। কিন্তু ২০২২ সালের বন্যার পর এই রেলপথ বন্ধ রয়েছে। সংস্কারকাজ শুরু হলেও কবে শেষ হবে, তা কেউ জানে না। কারণ মাটি ভরাট ছাড়া আর কোনো কাজ আমাদের নজরে পড়েনি। রেলপথ বন্ধ থাকায় সড়কপথে পণ্য পরিবহন করতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সময় ও অর্থ—দুটোই বেশি ব্যয় হচ্ছে। 


বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চি ইউনিয়নর প্রীতিগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী তৈমুছ আলী জানান,বর্তমানে সঙস্কার কাজ চলাকালে প্রীতিগঞ্জ বাজারে স্টেশন নির্মান করলে এলাকার মানুষের যাতায়াতে ও মালামাল পরিবহনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রীতিগঞ্জ বাজারে স্টেশন নির্মানের পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে রেওয়ের।যা সৎপুরসহ বিভিন্ন স্টেশনে নেই।তিনি প্রীতিগঞ্জ বাজারে স্টেশন নির্মান করে ঐতিহাসিক  এ রেল লাইনের কাজ সঠিক ভাবে শেষ করার দাবী জানান।


সিলেট থেকে ছাতক বাজার অংশের রেলপথ পুনর্বাসন প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা সিলেট রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী মাসুদ পারভেজ জানান, ৯৬টি পাইলিং পয়েন্টের মধ্যে ৮৫টির কাজ শেষ হয়েছে। মাটি ভরাট ও কালভার্টের কাজও দ্রুত চলছে। প্রকল্পের ২৫ শতাংশ কাজ হয়েছে, ৭৫ শতাংশ কাজ বাকি রয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ গতকাল রোববার (২৩ আগস্ট) শেষ হচ্ছে। ২১৭ কোটি টাকার প্রকল্প হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ১৯৯ কোটি টাকার চুক্তি হয়েছিল। এর মধ্যে ৩০ কোটি টাকা ছাড় হয়েছে। এখন প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি ও বাস্তবায়নের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ভালো বলতে পারবেন।


ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মীর আখতার হোসেন লিমিটেডের প্রকল্প এলাকার প্রকৌশলী সজিবুর রহমান জানান, প্রকল্পের সব কাজ চলমান রয়েছে। ৫১ হাজার স্লিপার তৈরির কাজ চলছে। মাটির কাজও চলমান আছে। আগামী মাসে ১০টি কালভার্ট নির্মাণের কাজ শেষ হয়ে যাবে। ছাতকের তিনটি রেলস্টেশন নির্মাণসহ সব কাজই চলমান রয়েছে। কাজ শেষ করা ও প্রকল্পের সার্বিক বিষয়ে প্রকল্প ব্যবস্থাপকের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি। 


নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সুনামগঞ্জ অঞ্চলের আবহাওয়া, ঝড়বৃষ্টির কারণে বছরের প্রায় অর্ধেক সময় কাজ করা যায় না। আমার ধারণা, এই অঞ্চলে সময়মতো কাজ শেষ করা কঠিন।


ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প ব্যবস্থাপক আবুল কালাম আজাদ জানান, বৃষ্টির কারণেই সময়মতো কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। বৃষ্টি ও বর্ষার কারণে মাটির কাজ সঠিক সময়ে করা যায়নি। দেড় বছর মেয়াদি প্রকল্পের মধ্যে দুটি বর্ষাকাল ছিল। সব কাজ চলমান রয়েছে। আমরা ২০ শতাংশ কাজ করেছি। বাকি কাজ সম্পন্ন করার জন্য আরও এক বছর সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছি। বিগত সময়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে অনেক মালামাল আমদানি করা সম্ভব হয়নি। ২৯ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছি। বাকি কাজ সময়মতো সম্পন্ন করা ও বিদেশ থেকে মালামাল আমদানির চেষ্টা চলছে। আমাদের আশা, আগামী এক বছরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।


সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৩১ এএম

মানবতা, উন্নয়ন ও টেকসই পরিবর্তনের জন্য এই স্লোগান নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে সামাজিক সংগঠন সোশ্যাল প্রগ্রেস অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট সোসাইটি (এসপিডিএস)-এর উদ্যোগে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে এসপিডিএস কার্যালয়ে এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।


ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন ঠাকুরগাঁওয়ের পরিচিত চিকিৎসক ডা. মো. হাবিব-ই-রসুল (লিটন)। তিনি এমবিবিএস ও এফসিপিএস (মেডিসিন) ডিগ্রিধারী এবং ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে কর্মরত।


এই আয়োজনে প্রায় শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীদের মধ্যে বিনামূল্যে ওষুধও বিতরণ করা হয়।


বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন রোগীরা। তারা বলেন, অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত উপকারী। অর্থের অভাবে অনেক সময় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সম্ভব হয় না। এসপিডিএসের এ উদ্যোগের ফলে তারা সহজেই চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পেয়েছেন।


এসপিডিএস এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক সারমীন আক্তার  জানায়, সমাজের অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও প্রয়োজন অনুযায়ী বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবাসহ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।



সর্বশেষ সব খবর