• প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৩ জুন, ২০২৬, সময় : ৩:৩৬ এএম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) চ্যাটবট চ্যাটজিপিটিকে আরও কার্যকর ডিজিটাল সহকারী হিসেবে গড়ে তুলতে নতুন ‘শিডিউল’ সুবিধা চালু করেছে ওপেনএআই। নতুন এ সুবিধার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট সময় বা নিয়মিত বিরতিতে চ্যাটজিপিটিকে বিভিন্ন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করার নির্দেশ দিতে পারবেন। 


চ্যাটজিপিটির নতুন শিডিউল পেজের মাধ্যমে নির্ধারিত কাজ সম্পাদনা, স্থগিত বা বাতিলও করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। নতুন এ সুবিধা চালুর ফলে চ্যাটজিপিটি শুধু ব্যবহারকারীর প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী রিমাইন্ডার পাঠানো, নিয়মিত তথ্যের সারসংক্ষেপ তৈরি এবং নির্দিষ্ট কোনো বিষয় পর্যবেক্ষণ করে গুরুত্বপূর্ণ হালনাগাদ তথ্য জানাতেও সক্ষম হবে চ্যাটজিপিটি। 


ওপেনএআই জানিয়েছে, এখন থেকে নির্দিষ্ট সময়ে বিভিন্ন কাজ করার পাশাপাশি কোনো বিষয় বা ঘটনার ওপরও নজর রাখবে চ্যাটজিপিটি। এর ফলে নতুন কোনো পণ্য উন্মোচন, চলমান কোনো আয়োজনের অগ্রগতি বা ব্যবহারকারীদের আগ্রহ রয়েছে, এমন বিষয়ে নতুন তথ্য পেলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জানাবে এআই চ্যাটবট। ফলে ব্যবহারকারীদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা করণীয় কাজ মনে রাখার চাপ অনেকটাই কমবে।


নতুন সুবিধার অংশ হিসেবে চ্যাটজিপিটির ওয়েব ও মোবাইল অ্যাপের সাইডবারে যুক্ত করা হয়েছে ‘শিডিউল’ পেজ। এটি ব্যবহারকারীদের সব নির্ধারিত কাজ পরিচালনার কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে। পেজটি থেকে নতুন টাস্ক তৈরি, সক্রিয় টাস্ক পর্যবেক্ষণ, সময়সূচি পরিবর্তন, সাময়িকভাবে কাজ বন্ধ রাখা বা প্রয়োজন অনুযায়ী কাজের নির্দেশনা মুছে ফেলা যাবে। ফলে ব্যবহারকারীরা সহজেই নিজেদের নির্ধারিত কাজগুলোর সর্বশেষ অবস্থা জানতে পারবেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন আনতে পারবেন। 


ওপেনএআই জানিয়েছে, চ্যাটজিপিটিতে টাস্ক তৈরির প্রক্রিয়াও বেশ সহজ করা হয়েছে। ব্যবহারকারীরা সরাসরি শিডিউল পেজে প্রবেশ করে নতুন টাস্ক যোগ করতে পারবেন। আবার চ্যাটজিপিটির সঙ্গে কথোপকথনের সময়ও নির্দিষ্ট কোনো কাজের নির্দেশ দেওয়া যাবে।


ওপেনএআই জানিয়েছে, নির্ধারিত টাস্ক ব্যবস্থার কার্যকারিতা অনেকাংশে নোটিফিকেশন সুবিধার ওপর নির্ভর করবে। এ কারণে ব্যবহারকারীদের ব্রাউজার ও মোবাইল ডিভাইসে নোটিফিকেশন চালু রাখতে হবে। নোটিফিকেশন চালু থাকলে নির্ধারিত সময়েই চ্যাটজিপিটি প্রয়োজনীয় তথ্য, রিমাইন্ডার বা হালনাগাদ পাঠাবে। ফলে তথ্য জানার জন্য ব্যবহারকারীকে বারবার অ্যাপ খুলতে হবে না। প্রয়োজনীয় তথ্য নিজ থেকেই ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছে যাবে। ফলে চ্যাটজিপিটিকে আরও সক্রিয় ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে। নতুন শিডিউল সুবিধাটি প্রাথমিকভাবে অর্থের বিনিময়ে চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।




সূর্যগ্রহণ দেখে বিপদে শত শত ব্রিটিশ নাগরিক

  • প্রকাশ : রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৬:১৩ পিএম

মহাবিশ্বের এক অপরূপ বিস্ময় সূর্যগ্রহণ। চাঁদ যখন সূর্যকে সম্পূর্ণ বা আংশিক ঢেকে ফেলে, তখন পৃথিবীতে এক অদ্ভুত অন্ধকার নেমে আসে। সেই সময় মানুষ কৌতূহলী হয়ে আকাশের দিকে তাকান। 


কিন্তু সূর্যগ্রহণের সময় সরাসরি সূর্যের দিকে তাকালে চোখে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে।


ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ যুক্তরাজ্যে ১২ আগস্ট এক বিরল সূর্যগ্রহণ দেখা গেছে। এই গ্রহণ দেখতে দেশটির হাজার হাজার মানুষ বাইরে আসেন। অনেকেই কোনো সুরক্ষা চশমা ব্যবহার না করে সরাসরি সূর্যের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। এখন তাঁরা চোখে চরম ব্যথার অভিযোগ করছেন। 


অনেক ব্রিটিশ নাগরিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের শারীরিক কষ্টের কথা জানিয়েছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘আমার মনে হচ্ছে, আমি অন্ধ হয়ে যাচ্ছি।’


সরাসরি সূর্যের দিকে তাকানোর ফলে অনেকের চোখে অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হয়েছে। বিশেষ চশমা ছাড়া সূর্যগ্রহণ দেখার কারণে এই শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। সূর্যগ্রহণের মতো মহাজাগতিক ঘটনা দেখতে মানুষ ব্যাকুল থাকেন। কিন্তু খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকালে চোখের রেটিনা স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একে বলা হয় সোলার রেটিনোপ্যাথি। সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি চোখের টিস্যু পুড়িয়ে দেয়। ঘটনার পর থেকে যুক্তরাজ্যের অনেকেই চোখের নানা সমস্যা অনুভব করছেন। 


সরাসরি সূর্য দেখার পর বেশ কিছু লক্ষণ দেখা যায়। তখন চোখের ভেতরে তীব্র জ্বালা ও যন্ত্রণা হয়। স্বাভাবিক দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যেতে দেখা যায়। চোখের সামনে কালো দাগ বা অন্ধকার দেখেন অনেকেই। সাময়িক বা স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পেতে দেখা যাচ্ছে।


চিকিৎসকদের মতে, অনেকেই ভাবেন, গ্রহণের সময় সূর্যের তেজ কম থাকে। এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। গ্রহণের সময় সূর্য থেকে আসা অদৃশ্য অতিবেগুনি ও অবলোহিত রশ্মি চোখের গভীর ক্ষতি করে। এই ক্ষতি তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা যায় না। কয়েক ঘণ্টা পর লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়। স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা সব সময় সোলার ফিল্টার বা বিশেষ গ্রহণ চশমা ব্যবহারের পরামর্শ দেন। 


সাধারণ রোদচশমা বা সানগ্লাস চোখের জন্য মোটেও নিরাপদ নয়। ব্রিটেনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জনসাধারণকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলেছে। যাঁরা খালি চোখে সূর্যগ্রহণ দেখে চোখের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের দ্রুত চক্ষুবিশেষজ্ঞ দেখানোর অনুরোধ করা হয়েছে।


সূত্র: ডেইলি মেইল


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৫৩ পিএম

বর্ষাকালে বাইরে ঝুম বৃষ্টি নামলেই অনেক সময় হঠাৎ ধীর হয়ে যায় ওয়াই-ফাই। ভিডিও বাফারিং, ওয়েবসাইট খুলতে দেরি কিংবা অনলাইন মিটিংয়ে বারবার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে সবসময় বৃষ্টিই যে সরাসরি ওয়াই-ফাইয়ের গতি কমিয়ে দেয়, তা নয়। দুর্বল সিগন্যাল, রাউটারের অবস্থান, বিদ্যুতের ওঠানামা কিংবা ইন্টারনেট সেবাদাতার নেটওয়ার্কে সমস্যা থেকেও এমনটা হতে পারে। বৃষ্টির দিনে ওয়াই-ফাই ধীর হলে কয়েকটি সহজ উপায়ে সমস্যা কিছুটা কমানো সম্ভব।


রাউটার রিস্টার্ট করুন

ইন্টারনেট ধীর মনে হলে প্রথমেই রাউটারটি বন্ধ করে ৩০ সেকেন্ড থেকে এক মিনিট অপেক্ষা করে আবার চালু করুন। অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ চালু থাকার কারণে রাউটারের ক্যাশ বা সংযোগে সাময়িক সমস্যা তৈরি হয়। রিস্টার্ট করলে নতুন করে নেটওয়ার্ক সংযোগ তৈরি হতে পারে।


রাউটারের অবস্থান পরিবর্তন করুন

রাউটার যদি দেয়ালের আড়ালে, আলমারির ভেতরে বা মেঝেতে রাখা থাকে, তাহলে ওয়াই-ফাই সিগন্যাল দুর্বল হতে পারে। রাউটারটি ঘরের তুলনামূলক মাঝামাঝি এবং খোলা জায়গায় রাখুন। রাউটারের আশপাশে ধাতব জিনিস, বড় ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা মোটা দেয়াল থাকলেও সিগন্যাল বাধাগ্রস্ত হতে পারে।


৫ গিগাহার্টজ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করুন

আধুনিক রাউটারে সাধারণত ২.৪ গিগাহার্টজ ও ৫ গিগাহার্টজ দুই ধরনের ব্যান্ড থাকে। রাউটারের কাছাকাছি থাকলে ৫ গিগাহার্টজ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারেন। এতে তুলনামূলক দ্রুত গতি পাওয়া যায় এবং আশপাশের অনেক ডিভাইসের হস্তক্ষেপও কম হতে পারে। তবে দূরত্ব বেশি হলে ২.৪ গিগাহার্টজ নেটওয়ার্ক অনেক ক্ষেত্রে ভালো কভারেজ দিতে পারে।


অপ্রয়োজনীয় ডিভাইস বিচ্ছিন্ন করুন

একই সময়ে অনেক ফোন, স্মার্ট টিভি, ল্যাপটপ বা অন্যান্য ডিভাইস ওয়াই-ফাইয়ে যুক্ত থাকলে ব্যান্ডউইথ ভাগ হয়ে যায়। তাই বৃষ্টির দিনে জরুরি কাজ করার সময় অপ্রয়োজনীয় ডিভাইসগুলো সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিন। ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা বড় ডাউনলোড বা সফটওয়্যার আপডেটও বন্ধ রাখতে পারেন।


রাউটারের পাওয়ার সংযোগ পরীক্ষা করুন

বৃষ্টির সময় বিদ্যুতের ভোল্টেজ ওঠানামা করলে রাউটারেও সমস্যা হতে পারে। রাউটার বারবার রিস্টার্ট হলে বা সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে পাওয়ার অ্যাডাপ্টার ও সকেট পরীক্ষা করুন। সম্ভব হলে ভালো মানের সার্জ প্রটেক্টর ব্যবহার করা যেতে পারে।


ইন্টারনেট সেবাদাতার সমস্যা কি না দেখুন

সবকিছু ঠিক থাকার পরও গতি কম থাকলে সমস্যাটি আপনার রাউটারে নাও হতে পারে। ভারী বৃষ্টি বা ঝড়ের কারণে ইন্টারনেট সেবাদাতার লাইন, ফাইবার নেটওয়ার্ক বা স্থানীয় অবকাঠামোয় সমস্যা দেখা দিতে পারে। একই সংযোগ ব্যবহার করা অন্যদেরও যদি একই সমস্যা হয়, তাহলে আইএসপির কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করাই ভালো।


তবে মনে রাখবেন, সাধারণ বৃষ্টি সরাসরি ওয়াই-ফাই সিগন্যালকে সবসময় দুর্বল করে না। বরং বৃষ্টির সঙ্গে বিদ্যুৎ সমস্যা, নেটওয়ার্ক অবকাঠামোর ক্ষতি বা আইএসপির সংযোগে বিঘ্ন যুক্ত হলে ইন্টারনেট ধীর হতে পারে। তাই কারণটি শনাক্ত করে ব্যবস্থা নিলেই বৃষ্টির দিনেও ইন্টারনেটের গতি অনেকটা স্বাভাবিক রাখা সম্ভব।



ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৫৯ পিএম

লোডশেডিং এখন অনেকের দৈনন্দিন জীবনের বড় ভোগান্তির কারণ। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন অবস্থায় অনেকের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। বিদ্যুৎ ছাড়া শুধু ঘরের আলো, ফ্যান বা ইন্টারনেট ব্যবহারে সমস্যা হয় তা নয়, সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তা তৈরি হয় স্মার্টফোনের চার্জ নিয়ে।


জরুরি যোগাযোগ, মোবাইল ব্যাংকিং কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ফোন সচল রাখা প্রয়োজন। তাই ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের সময় কিছু সহজ কৌশল মেনে চললে স্মার্টফোনের ব্যাটারি অনেকটা সময় ধরে রাখা সম্ভব।


স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কমিয়ে রাখুন


স্মার্টফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হওয়ার অন্যতম কারণ হলো ডিসপ্লে। লোডশেডিংয়ের সময় প্রয়োজনের তুলনায় বেশি উজ্জ্বলতা ব্যবহার না করাই ভালো। ফোনের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন এবং সম্ভব হলে ‘অটো ব্রাইটনেস’ চালু করুন। একই সঙ্গে স্ক্রিনের ‘স্ক্রিন টাইমআউট’ কমিয়ে দিলে ফোন অপ্রয়োজনে দীর্ঘ সময় জ্বলে থাকবে না।


ব্যাটারি সেভিং মোড চালু করুন


চার্জ দ্রুত কমে আসতে থাকলে ফোনের ‘ব্যাটারি সেভার’ বা ‘পাওয়ার সেভিং মোড’ চালু করুন। এই ফিচার ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা কিছু অ্যাপের কার্যক্রম, প্রসেসরের গতি ও অন্যান্য ব্যাটারি খরচ কমিয়ে দেয়। ফলে কম চার্জে ফোন তুলনামূলক বেশি সময় ব্যবহার করা যায়।


অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ রাখুন


ফোনের অনেক অ্যাপ ব্যবহার না করলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে ডাটা সিঙ্ক, লোকেশন বা নোটিফিকেশনের কাজ চালিয়ে যেতে পারে। লোডশেডিংয়ের সময় যেসব অ্যাপ প্রয়োজন নেই, সেগুলোর ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম সীমিত করুন। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভিডিও স্ট্রিমিং ও গেমিং অ্যাপ বেশি ব্যাটারি খরচ করতে পারে।


মোবাইল ডাটা ও ৫জি ব্যবহারে সতর্ক থাকুন


দুর্বল নেটওয়ার্ক এলাকায় স্মার্টফোনকে বারবার নেটওয়ার্ক খুঁজতে হয়। এতে ব্যাটারি দ্রুত কমে যেতে পারে। প্রয়োজন না থাকলে মোবাইল ডাটা, ৫জি, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ ও লোকেশন বন্ধ রাখুন। তবে জরুরি যোগাযোগের প্রয়োজন থাকলে মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু রাখাই স্বাভাবিক।


ভিডিও দেখা ও গেম খেলা এড়িয়ে চলুন


লোডশেডিংয়ের সময় বিনোদনের জন্য ফোনে ভিডিও দেখা বা গেম খেলার প্রবণতা বাড়ে। কিন্তু এসব কাজ ডিসপ্লে, প্রসেসর ও ইন্টারনেট তিনটিই বেশি ব্যবহার করে। ফলে ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যায়। চার্জ কম থাকলে বিনোদনের বদলে প্রয়োজনীয় যোগাযোগের জন্য ফোন সংরক্ষণ করাই ভালো।


অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ করুন


বারবার নোটিফিকেশন এলে ফোনের স্ক্রিন জ্বলে ওঠে এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে বিভিন্ন কাজ সক্রিয় হয়। তাই যেসব অ্যাপের নোটিফিকেশন জরুরি নয়, সেগুলো বন্ধ করে দিতে পারেন। এতে সামান্য হলেও ব্যাটারি সাশ্রয় হবে।


চার্জ দেওয়ার সুযোগ পেলেই কিছুটা চার্জ করে নিন


লোডশেডিংয়ের সময় বিদ্যুৎ আসার পর ফোনের চার্জ একেবারে শেষ হওয়ার অপেক্ষা না করে সুযোগমতো চার্জ করে নিন। সম্ভব হলে পাওয়ার ব্যাংকও প্রস্তুত রাখুন। তবে পাওয়ার ব্যাংক ব্যবহারের আগে সেটিতেও পর্যাপ্ত চার্জ আছে কি না, তা নিশ্চিত করা জরুরি।


ফোন অতিরিক্ত গরম হতে দেবেন না


অতিরিক্ত তাপ ব্যাটারির ওপর চাপ তৈরি করতে পারে এবং চার্জ দ্রুত কমতে পারে। লোডশেডিংয়ের সময় ফোন চার্জে দিয়ে ভারী গেম খেলা, দীর্ঘক্ষণ ভিডিও দেখা বা রোদে ফোন ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন। চার্জ দেওয়ার সময় ফোন গরম হয়ে গেলে সেটিকে ঠান্ডা জায়গায় রাখুন।

কৃষি প্রযুক্তি গবেষণা

মহাকাশে ধান চাষে সফল চীন


মহাকাশে ধান চাষে সফল

  • প্রকাশ : বুধবার ১২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৩২ পিএম

কল্পবিজ্ঞানের গল্পকে বাস্তবে রূপ দিয়ে মহাকাশের কক্ষপথে ধান চাষ করে সফল হয়েছেন চীনের নভোচারীরা। দেশটির নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন তিয়ানগংয়ে এই বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা করা হয়। 


দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ অভিযানে পৃথিবীর ওপর খাদ্যের নির্ভরতা কমিয়ে চাঁদ, মঙ্গল গ্রহ বা গভীর মহাকাশে মানববসতি স্থাপনের গবেষণায় এই অর্জনকে বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।


গত ২৪ মে উৎক্ষেপণ করা শেনঝৌ-২৩ মিশনের মাধ্যমে ধানের বীজ তিয়ানগং মহাকাশ স্টেশনে নেওয়া হয়েছিল। দুই মাসের বেশি সময় ধরে নিবিড় পরিচর্যার পর নভোচারী জু ইয়াংঝু, ঝাং ঝিয়ুয়ান এবং লাই কা-ইং প্রথম ধাপের ধানের নমুনা সংগ্রহ বা ধান কাটার কাজ সম্পন্ন করেছেন। প্রকাশ করা ভিডিওতে নভোচারীদের ধান সংগ্রহ করে গবেষণার জন্য তা নিরাপদে সংরক্ষণ করতে দেখা গেছে।


এর আগে ২০২২ সালে তিয়ানগং স্টেশনে ১২০ দিনে সম্পূর্ণ জীবনচক্র সম্পন্ন করে ধান উৎপাদনে সফল হয়েছিল চীন। সে সময় উৎপাদিত ৫৯টি স্পেস সিড পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। 


তবে নতুন এই গবেষণায় মহাকাশে পরপর দুই প্রজন্মের ধান চাষ করার উপায় খুঁজছেন নভোচারীরা। মহাকাশের পরিবেশে ধানের একাধিক প্রজন্ম বড় হলে সেগুলো প্রতিকূল পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে কি না, তা জানতে বিভিন্ন ধরনের গবেষণাও করছেন তাঁরা।

  • প্রকাশ : বুধবার ১২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:০০ এএম
  • আপডেট : বুধবার ১২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:০৭ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ১২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:০০ এএম

মহাজাগতিক বিরল এক দৃশ্যের সাক্ষী হতে যাচ্ছে পৃথিবী। আজ বুধবার (১২ আগস্ট) পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের মুখোমুখি হবে পৃথিবী। প্রায় দুই বছর পর আবারও সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় আসায় চাঁদের ছায়ায় ঢেকে যাবে সূর্যের পুরো ডিস্ক। এর ফলে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় দিনের আলো মুহূর্তের জন্য বদলে যাবে গাঢ় অন্ধকারে। মহাজাগতিক এ দৃশ্য সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যাবে গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, উত্তর রাশিয়া, স্পেন এবং পর্তুগালের ছোট একটি অংশ থেকে। এ ছাড়া ইউরোপের বিস্তীর্ণ এলাকা ও উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকার বিভিন্ন স্থান থেকে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। 


নাসার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এ পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের মূল পথ উত্তর আটলান্টিক পেরিয়ে ইউরোপের দিকে বিস্তৃত হয়েছে।


স্পেনের উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিম পর্তুগালের কিছু এলাকায় সূর্যাস্তের ঠিক আগমুহূর্তে পূর্ণগ্রাসের দৃশ্য দেখা যাবে। ফলে সেখানে সূর্যগ্রহণের সঙ্গে সূর্যাস্তের এক বিরল দৃশ্যও উপভোগ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ইউরোপের মূল ভূখণ্ডের মানুষের জন্য এটি বিশেষ আকর্ষণের কারণ হয়ে উঠেছে।


বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইতোমধ্যে অনেকে গ্রহণের পথের কাছাকাছি এলাকায় জড়ো হয়েছেন। তবে আবহাওয়া নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে। বিশেষ করে মেঘলা আকাশ বা বৃষ্টি হলে দীর্ঘ অপেক্ষার পরও পূর্ণগ্রাসের মুহূর্তটি সরাসরি দেখার সুযোগ নষ্ট হতে পারে।


তবে বাংলাদেশ থেকে এ পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে না। বাংলাদেশ সময় বুধবার রাত ৯টা ৩৪ মিনিটে সূর্যগ্রহণটি শুরু হবে। স্থায়ীত্বকাল হবে প্রায় ২ মিনিট ১৮ সেকেন্ড।


নাসার তথ্যমতে, পূর্ণগ্রাসের স্থায়িত্ব স্থানভেদে ভিন্ন হবে। গ্রহণের কেন্দ্রীয় পথের কাছাকাছি এলাকায় এটি দুই মিনিটের কিছু বেশি সময় স্থায়ী হতে পারে। সবচেয়ে দীর্ঘ পূর্ণগ্রাসও আড়াই মিনিটের কম থাকবে।


সূর্যগ্রহণ ঘটে যখন চাঁদ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে সূর্যের আলো আংশিক বা পুরোপুরি আড়াল করে। চাঁদের ছায়ার যে অংশে সূর্যের পুরো মুখ ঢেকে যায়, সেখান থেকেই দেখা যায় পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ।


২০২৪ সালের ৮ এপ্রিল উত্তর আমেরিকায় দেখা গিয়েছিল সর্বশেষ পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। এবার দুই বছর পর আবারও পৃথিবীর মানুষ এমন বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য দেখার সুযোগ পাচ্ছেন।


ইউটিউব

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:৩০ পিএম

অনলাইনে বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম এখন ইউটিউব। ভিডিও দেখার পাশাপাশি ইউটিউবে নিজস্ব চ্যানেল খুলে আয়ত্ত করছেন অনেকে। কিন্তু ইউটিউব চ্যানেল জনপ্রিয়তা না পাওয়ার কারণে নিয়মিত ভালো মানের ভিডিও প্রকাশ করলেও অনেকের দর্শকসংখ্যা (ভিউ) বেশি হয় না। 


তবে বেশ কিছু বিষয় মেনে চললে ইউটিউব চ্যানেল দ্রুত জনপ্রিয় করা যায়। ইউটিউব চ্যানেল দ্রুত জনপ্রিয় করার আট কৌশল জেনে নেওয়া যাক।


১. আকর্ষণীয় থাম্বনেইল তৈরি


ভিডিওর থাম্বনেইল দর্শকের কাছে প্রথম আকর্ষণ তৈরি করে। তাই স্পষ্ট ও রঙিন ছবি ব্যবহার করে সঙ্গে গাঢ় অক্ষরে লেখা টেক্সট যুক্ত করতে হবে। এতে ভিডিওর প্রতি দর্শকের কৌতূহল বাড়বে।


২. শুরুর ১০ সেকেন্ডে দর্শক ধরে রাখা


ভিডিও শুরুর প্রথম কয়েক সেকেন্ডই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুরুতেই আকর্ষণীয় বা চমকপ্রদ কোনো বিষয় তুলে ধরতে পারলে দর্শক ভিডিও দেখতে আগ্রহী হন। একটি ভিডিওর দৈর্ঘ্যের ওপর হুক নির্ভর করে। এ ছাড়া দর্শক ভিডিও দেখে চলে যাওয়ার আগে যেন চ্যানেলটির গ্রাহক (সাবস্ক্রাইবার) হন, সে জন্য ভিডিওর শুরুতে, মাঝখানে ও শেষে গ্রাহক হওয়ার আহ্বান জানাতে হবে।


৩. দর্শকের মতামত চাওয়া


ভিডিওর মধ্যে প্রশ্ন রেখে বা মতামত জানতে চেয়ে দর্শককে কমেন্ট সেকশনে যুক্ত হতে উৎসাহিত করতে হবে। এতে ভিডিওর কনটেন্ট নিয়ে দর্শকদের আগ্রহও বাড়বে।


৪. পোল বা কার্ডের মতো ইন্টারঅ্যাকটিভ কৌশল ব্যবহার


ভিডিওর বিষয়ে পোল ও কার্ড যুক্ত করলে দর্শক সরাসরি অংশ নিতে পারেন। এ ধরনের উদ্যোগ চ্যানেলের এনগেজমেন্ট বাড়াতে বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে।


৫. নিয়মিত কনটেন্ট প্রকাশ


ইউটিউব চ্যানেলের গ্রাহকসংখ্যা বাড়াতে অবশ্যই নিয়মিতভাবে ভিডিও প্রকাশ করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে ভিডিও প্রকাশ করলে দর্শকদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়। ধারাবাহিকভাবে ভিডিও প্রকাশের ফলে নিয়মিত দর্শক বৃদ্ধির পাশাপাশি চ্যানেলের গ্রাহকসংখ্যাও বৃদ্ধি পায়।


৬. প্রতিক্রিয়ার উত্তর দেওয়া


দর্শকের মন্তব্য ও প্রশ্নের উত্তর দেওয়া চ্যানেলের প্রতি আস্থা তৈরি করে। এতে নির্মাতা ও দর্শকের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। এর ফলে অনিয়মিত দর্শকেরাও চ্যানেলে গ্রাহক হয়ে থাকেন।


৭. ভিডিও প্লেলিস্টে সাজানো


ভিডিওগুলো প্লেলিস্টে সাজিয়ে রাখলে দর্শক একটির পর একটি ভিডিও দেখতে আগ্রহী হন। এর ফলে ভিডিও দেখার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায় এবং ইউটিউবও সার্চ ফলাফলে আপনার চ্যানেলকে দ্রুত সামনে নিয়ে যাবে।


৮. ভিডিওর শেষে ‘কল টু অ্যাকশন’ রাখা


প্রতিটি ভিডিওর শেষে দর্শককে লাইক, সাবস্ক্রিপশন ও শেয়ার করার আহ্বান জানাতে হবে। এতে দ্রুত দর্শকসংখ্যা ও এনগেজমেন্ট বাড়বে। এ ছাড়া চ্যানেলকে এগিয়ে রাখতে ভিডিওর শিরোনাম ও বর্ণনায় দর্শকদের বেশি খোঁজ করা শব্দ বা কিওয়ার্ডগুলো ব্যবহার করতে হবে।


সূত্র: টেকলুসিভ