নোয়াখালীর সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের ১৮ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতদের মধ্যে ১৭ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং একজন প্রাপ্তবয়স্ক বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
শুক্রবার (৫ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর পৌরবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাইজদী শহরের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। কয়েক দিন আগে জেলা শহরে একটি কিশোর গ্যাং প্রকাশ্যে বড় ধরনের শোডাউন করে। এসব গোষ্ঠীর সদস্যরা নানা ধরনের বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ায় ব্যবসায়ী, পথচারী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৮ জনকে আটক করে পুলিশ।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, কেপিজি (KPG) নামে পরিচিত একটি কিশোর গ্যাংয়ের ১৮ সদস্যকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তাদের পরিচয়, বয়স ও সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক তদন্ত শেষে শনিবার সকালে আটককৃতদের নোয়াখালী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হবে।
বিরলে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালন করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বিরল কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার চত্বরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যৌথ আয়োজনে কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাবুল হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) আসাদুল হক হীরা, সাধারণ সম্পাদক নুজ্জামাল হোসেন সোনাহার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের (আহবায়ক) ভারপ্রাপ্ত আসাদুল ইসলাম, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মমিনুল ইসলাম, সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহিনুর ইসলামসহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা শেষে শহিদ মিনার চত্বরে বৃক্ষরোপন করেন।
পাইকগাছা-কয়রার মানুষের চিকিৎসা সহ সকল আধুনিক সেবা নিশ্চিত করাই আমার লক্ষ্যে ও উদ্দেশ্য। সব সময় মানব সেবার কাজে আমার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। শুধু আমি একা নই এই কাজে যারা সহযোগিতা করবে তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। নিজের এলাকার গরীব দুঃখী মানুষের পাশে দাড়াতে নিয়মিত ছোট বড় পরিসরে জনসেবা মূলক উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে। জনগনের স্বার্থে নিজেকে নিয়োজিত করাই হলো একজন মহানুভব ব্যক্তির কাজ, এটা সর্বদা আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে।
খুলনার পাইকগাছা উপজেলা খড়িয়া মিলনবীথি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দিনব্যাপী ফ্রী চক্ষু ক্যাম্পের উদ্বোধন কালে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) ও খুলনা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি এসব কথা বলেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগষ্ট) সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। এসময় ৩ শ' ৫৫ জন রোগী চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন।
সাতক্ষীরা গ্রামীন চক্ষু হাসপাতাল সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত ফ্রী চক্ষু ক্যাম্পের সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক রাবিদ মাহমুদ চঞ্চল। ক্যাম্পে আগত রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন সাতক্ষীরা গ্রামীন চক্ষু হাসপাতালে ডাঃ সৌমিত্র বৈরাগী (এমবিবিএস) ও ক্যাম্প পরিচালনা করেন গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালে রিপ্রেজেনটেটিভ মোঃ আরাফাত হোসেন। ক্যাম্পে আগত রোগীর মধ্যে থেকে ৪০ জন ছানি রোগী সনাক্ত করা হয়েছে। সনাক্ত হওয়া এসব ছানী রোগীদের সাতক্ষীরা গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালে বিনামূল্যে ছানি অপারেশনের মাধ্যমে উন্নত মানের লেন্স বসিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া চক্ষু ক্যাম্পে আগত রোগীদের মধ্যে থেকে ৭০ জন রোগীর চোখ পরীক্ষা করে বিনামূল্যে চশমা ও ৪০ জন রোগীকে বিনামূল্যে চোখের ঔষধ বিতরণ করা হয়।
সভাপতির বক্তব্য প্রদানকালে সাংবাদিক রাবিদ মাহমুদ চঞ্চল বলেন, আমি বিগত কয়েক বছর ধরে আমার এই অবহেলিত এলাকার সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে এ ধরনের সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছি। ভবিষ্যতেও এমন কর্মকান্ড চলমান থাকবে।
ইনকিলাব ও বাংলাভিশনের খলিল শিকদারকে সভাপতি ও নিউজ টোয়েন্টিফোর স্যাটেলাইট টেলিভিশনের মোঃ আলম হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রুপগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে এ কমিটি ঘোষণা দেওয়া হয়।
কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে এশিয়ান টিভির শহীদুল্লাহ গাজী, আগামীর সময় এ হায় মিলন, সহ-সভাপতি হিসাবে স্টার নিউজের এসএম শাহাদাত, জিটিভির আশিকুর রহমান হান্নান, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক হিসেবে বিজয় টিভির শরীফ আহমেদ লিটন, সমকালের জিয়াউর রাশেদ, সময়ের আলোর রাশেদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ প্রতিদিনের জাহাঙ্গীর আলম হানিফ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলা টিভির সোহেল কিরণ, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক গ্রীন টিভি ও প্রতিদিনের বাংলাদেশের সাইফুল ইসলাম, ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এনটিভির শাকিল আহমেদ ও দৈনিক যাযাদিন পত্রিকা, সহ ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ইসলামিক টিভির আল-আমিন, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কালবেলার জাহাঙ্গীর মাহমুদ,
আইন ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সিনিয়র আইনজীবী মাজেদুল হক মোল্লা সোহাগ, দপ্তর সম্পাদক আমাদের সময়ের শহিদুল করিম বিপ্লব, প্রচার সম্পাদক হিসেবে দৈনিক খবরের কগজের রুবেল শিকদার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক দৈনিক প্রভাত পত্রিকার পুনম ফেরদৌস, কার্যকরি সদস্য কান্ট্রি টুডে রুহুল আমিন, নিউজ বাংলাদেশ ডট কমের মনজুরুল কবির বাবু, সিএনএন বাংলার সাইদুর রহমান, ভোরের পাতার ফরহাদুল কবির, আজকের বাংলার মাকসুদুল হক তুষার ও নারায়ণগঞ্জ পোস্টের মেহেদী হাসান ফরহাদ।
এছাড়া এ কমিটিতে উপদেষ্টা মন্ডলীতে ৮ জনকে রেখে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা দেয়া হয়। এছাড়া এ কমিটির উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য হিসেবে ৮ জনকে রাখা হয়।
এ সময় নবনির্বাচিত রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ খলিল সিকদার বলেন, আমরা আমাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাবের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে নতুন এ কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রেস ক্লাবের জন্য নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি জাতীয় প্রেস ক্লাবের আদলে রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাবকে একটি আধুনিক ও সুসংগঠিত প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বমাদের।
রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলম হোসাইন বলেন, আমাকে নির্বাচিত করায় আপনাদের সবার প্রতি জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও অকৃত্রিম কৃতজ্ঞতা।
নতুন মেয়াদে আমাদের পথচলায় প্রতিটি পদক্ষেপ নেওয়া হবে সমন্বিত উদ্যোগে। কমিটির সকল সম্মানিত সদস্যকে সাথে নিয়ে, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ঐক্যের ভিত্তিতে আমরা রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সব কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ত্বরান্বিত করব।
সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়, এটি একটি দায়িত্ব। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হবে রূপগঞ্জের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে থাকা মানুষের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা নির্ভীকভাবে গণমাধ্যমে তুলে ধরা। সত্যনিষ্ঠ, বস্তুনিষ্ঠ এবং নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনে আপনারা যেন নির্দ্বিধায় কাজ করেু যেতে পারেন, তার জন্য প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা ও সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।
আসুন, সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা ও ঐক্যের যে স্তম্ভ আমরা গড়ে তুলেছি, তা অক্ষুণ্ণ রেখে এলাকা ও দেশের কল্যাণে আমরা সবাই এক হয়ে কাজ করি। ধন্যবাদ সবাইকে।"
কুয়াকাটার ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স
'আর দু'একদিন এভাবে বালুক্ষয় হলে সমুদ্র সৈকতর পুলিশ বক্সটি সমুদ্রে বিলীন হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে আশেপাশের অংশ সমুদ্রে চলে গেছে। সমুদ্র উত্তাল হলেই আমরা আতঙ্কে থাকি, কখন শেষ অংশটুকুও ধসে পড়ে। আমাদের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি, উপজেলার মাসিক মিটিংসহ বিভিন্ন দপ্তরে মেরামত ও সংরক্ষনের বিষয়ে কথা বলেছে কিন্তু কোনো ব্যবস্থা না হওয়ায় পুলিশ বক্সের ভিতরে থাকা সকল মালামাল অফিসে নিয়ে গেছে। কোনোমতে এখন সামনের অংশে বসে দায়িত্ব পালন করছে। রোদ, বর্ষা উপেক্ষা করে হ্যান্ড মাইক নিয়ে পর্যটকদের সেবা দিচ্ছে, এভাবেই গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন ট্যুরিষ্ট পুলিশ, কুয়াকাটা জোন ইনচার্জ নাজমুল আহসান।
গত কয়েকদিনের টানা জোয়ার ও উত্তাল ঢেউয়ে সৈকতের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। জোয়ারের পানি আগের তুলনায় অনেক ভেতরে উঠে আসায় সৈকতের পূর্ব ও পশ্চিম অংশে ভাঙনও বেড়েছে আশঙ্কাজনকভাবে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও পর্যটন অবকাঠামো রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জিরো পয়েন্টের অস্থায়ী পুলিশ বক্সটির নিচের মাটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ইতোমধ্যে ধসে গেছে। ফলে শুধু পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তাই নয়, পর্যটকদের চলাচল নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. সগির মিয়া বলেন, জোয়ারের সময় ঢেউ এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি ভেতরে চলে আসছে। কয়েক মাস আগেও যেসব স্থানে পর্যটকেরা স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতেন, সেখানে এখন বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। মসজিদ, মন্দির ও পুলিশ বক্সের কাছাকাছি পর্যন্ত পানি চলে আসায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। দ্রুত স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও পর্যটন অবকাঠামোও বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
কুয়াকাটা ভ্রমণে আসা পর্যটক হাসান মাসুদ বলেন, কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসে সৈকতের ভাঙনের দৃশ্য দেখে হতাশ হয়েছি।
কুয়াকাটা শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির তীর্থযাত্রী সেবাশ্রমের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী নিহার রঞ্জন মণ্ডল বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড গত কয়েক বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে সাময়িকভাবে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছে। তবে এটি স্থায়ী সমাধান নয়। প্রতিবছর একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। কুয়াকাটার মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন ও ধর্মীয় এলাকায় স্থায়ী উপকূল সুরক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়ন জরুরি।
কুয়াকাটা হোটেল মোটেল এসোসিয়েশন সভাপতি মোঃ মোতালেব শরীফ বলেন, গত এক দশকে কুয়াকাটাকে ঘিরে শত শত কোটি টাকার বেসরকারি বিনিয়োগ হয়েছে। হোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, ট্রাভেল এজেন্সিসহ বিভিন্ন পর্যটনসেবা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। সৈকতের ভাঙন ও পর্যটকদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার বার্তা ছড়িয়ে পড়লে পুরো পর্যটনশিল্প ক্ষতির মুখে পড়বে। তাই কুয়াকাটার টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে দ্রুত বড় পরিসরের উপকূল সুরক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রয়োজন।
কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম ভূঁইয়া বলেন, কুয়াকাটায় কাজ করতে গিয়ে অনেক ঝামেলা হয়, ইমার্জেন্সি কাজ করতে গেলে সাধারণ মানুষ বস্তায় দেয়া বালু নিয়ে প্রশ্ন করে। আমরা সাপ্লাই বস্তা দেয়ার চেষ্টা করছি। যাতে টুরিস্ট পুলিশ বক্স কে রক্ষা করা যায়, আপাতত দুই একদিনের মধ্যে সেই কাজটা আমরা করবো।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব মো. আরিফুজ্জামান বলেন, ইতোমধ্যে একটি স্পন্সর কোম্পানির সাথে কথা হয়েছে, যেটা বিলীন হচ্ছে তার পাশে আর একটি তৈরী করে দেবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম বলেন, একটি গাছ শুধু আমাদের ফলই দেয় না, এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও অক্সিজেন সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিশু ভূমিষ্ট হওয়ার পর আপনারা যেমন তার যত্ন করেন ঠিক সেইভাবে শিশু চারাটিকেও প্রতিদিন যত্ন করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাজীপুরের কালীগঞ্জে তুমলিয়া ইউনিয়নের সকল প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন জাতের ১ হাজার ৭ শত চারা গাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে এ সব বলেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগষ্ট) সকালে উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের বোয়ালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবু বকর মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ. টি. এম কামরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হুমায়ুন কবির মাস্টার, বোয়ালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো. খাইরুল আহসান মিন্টু, বক্তারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতিকুর রহমান আকন্দ ফারুক।
বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তাসকা দেলোয়ার ও আলিফা ইসলাম স্বর্ণার যৌথ সঞ্চালনায় চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বোয়ালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল চন্দ্র মিত্র। অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান খান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার, তুমলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন আহমেদ প্রমূখ।
তুমলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবু বকর মিয়া বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা, সবুজায়ন ও সামাজিক বনায়নের লক্ষ্যে চারা বিতরণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ পৃথিবী গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহ ও দায়িত্ববোধ সৃষ্টি করাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
বোয়ালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো. খাইরুল আহসান মিন্টু বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল-ক্ষমতায় এলে সারাদেশে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। তারই অংশ হিসেবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম এর নির্দেশনায় আজ তুমলিয়া ইউনিয়নের সকল প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ১ হাজার ৭ শত চারা বিতরণে তুমলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজন। পরিবেশ রক্ষা ও নতুন প্রজন্মের মধ্যে বৃক্ষপ্রেম ছড়িয়ে দিতে এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহবান জানান।
এ সময় স্কুলের শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী সহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
গাজীপুরের কালীগঞ্জে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার (১৯ আগষ্ট) সকালে উপজেলার জামালপুর কলেজ মাঠে জামালপুর কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি হাজী মো. জাহাঙ্গীর কবির এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ. কে. এম ফজলুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ. টি. এম কামরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হুমায়ুন কবির মাস্টার, সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলু।
কলেজের সহকারী অধ্যাপক শরীফুল ইসলাম ও সহযোগী অধ্যাপক নাজমুন নাহার এর যৌথ সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাকির হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোলেমান আলম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান খান লাভলু, জামালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো. হারুন অর রশিদ দেওয়ান, বাহাদুরশাদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো. জয়নাল আবেদীন প্রমূখ।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হোসেন মো. সামসুল আলম এর সার্বিক সহযোগীতায় অনুষ্ঠানে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের সাফল্যের জন্য ক্রেস্ট প্রদান করে তাদের সংবর্ধনা ও অভিনন্দন জানান। ভবিষ্যতে উচ্চ শিক্ষায় আরও ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের উৎসাহিত করা হয়।
এ সময় উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসা ও স্কুলের শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী সহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ এবং পুরস্কার গ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।