পাঁচটি অঞ্চলে বিভক্ত করা হলো সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ড

  • প্রকাশ : বুধবার ০৬ মে, ২০২৬, সময় : ৫:৩৪ এএম

পাঁচটি অঞ্চলে বিভক্ত করা হলো সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ড। দৈনন্দিন ও অন্যান্য সেবামূলক কার্য পরিচালনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নগরকে করা হয়েছে। এ নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।


স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৬০ নং আইন) এর ধারা ৪৭-এ প্রদত্ত ক্ষমতা বলে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপন জারির তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিসিকের জনসংযোগ কর্মকর্ত নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ।


অঞ্চল-১ঃ ১, ২, ৩, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে অঞ্চল-১ গঠন করা হয়েছে। অঞ্চল-১ এর আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো: দরগা মহল্লা, ঝর্ণারপাড়, দর্শনদেউড়ি, আম্বরখানা (পশ্চিম), চৌহাট্টা, রাজারগলি, মিয়া ফাজিলচিশত, মিরের ময়দান, দাঁড়িয়া পাড়া, কাজি ইলিয়াছ, পুলেরপার, সরষপুর, কুরিটুলা, মির্জা জাঙ্গাল (উত্তর), জল্লারপাড়, জিন্দাবাজার, ক্ষেত্রীপাড়া, বারইপাড়া, পুরাতন মেডিকেল এলাকা, কাজলশাহ, পুলিশ লাইন, কাজল শাহ আ/এ, মুন্সিপাড়া, কেওয়াপাড়া, সুবিদবাজার, পশ্চিম কাজলশাহ, ওসমানী মেডিকেল এলাকা, রিকাবীবাজার, বাগবাড়ী, সাগর দীঘিরপাড়, আখালীঘাট (অংশ), নিহারীপাড়া, নরশিংটিলা, এতিম স্কুল রোড, নগর, খুলিয়াপাড়া, ধানুহাঁটা, আখালিয়া বাজার, কানিশাইল, ঘাসিটুলা, মজুমদারপাড়া, ওয়াপদা, ডহর, কলাপাড়া, হিয়াবরন, মধুশহীদ, লালাদীঘির পাড়, নোয়াপাড়া, কাজলশাহ, ভাতালিয়া, বিলপাড়, লামাবাজার, সচিলাপুর, শেখঘাট প্রথম অংশ, ইটাখলা, ভাংগাটিকর, শেখঘাট দ্বিতীয় অংশ, শেখঘাট তৃতীয় অংশ, শেখঘাট ৪র্থ অংশ, সওদাগরটুলা, শেখঘাট কলোনি, কুয়ারপাড়, তোপখানা, গির্জার পশ্চিম, রামের দীঘির পাড়, লামাবাজার, খুলিয়াটুলা, মনিপুরী রাজবাড়ী, মাছুদীঘির পাড়, তালতলা (দক্ষিণ), তেলিহাওর, কাজিরবাজার, যুগলটিলা, চাঁদনীঘাট, শেখ নাসির আলী, ছড়ারপাড়, ধোপাদীঘির দক্ষিণপাড়, ব্রহ্মময়ী বাজার, লাল দীঘিরপাড়, আমজাদ আলী রোড, কালীঘাট, কাষ্ঠঘর, চালিবন্দর পশ্চিম, বন্দরবাজার, মহাজনপট্টি, কামালগড়, তালতলা (উত্তর), জামতলী, জল্লারপাড়, মির্জাজাঙ্গাল দক্ষিণ, জেলা জজ ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, শেখ জিয়াউল্লাহ, কারপাসটুলা, পুরানলেন, বারুতখানা, জেলরোড, বেতবারটুলা, পঞ্চখানা, নন্দাইপট্টি, পর্বতখানা, লাল বাজার, ধোপাদীঘির পূর্বপাড়, চন্দানীটুলা, মিরাবাজার দক্ষিণ, চালিবন্দর পূর্ব, সুপানিঘাট, যতরপুর, নাইওরপুল, জয়নগর ও নয়াপাড়া ।


অঞ্চল-২ঃ ২১, ২২, ২৩, ২৪, ৩১, ৩২ ও ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে অঞ্চল-২ গঠন করা হয়েছে। অঞ্চল-২ এর আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো: গোপালটিলা, ভাটাটিকর, কালাপিন, টিকরিপাড়া, নিষ্করপাড়া, রাজপাড়া, কল্যাণপুর, শাপলাবাগ, বাদুরলটকা পূর্ব, লাকড়িপাড়া পূর্ব, গঙ্গাদাস, ব্রাহ্মণপাড়া, শিবগঞ্জ, সাদিপুর, উপশহর, টিলাবাড়ি, মাছিমপুর, মেন্দিবাগ, দুবড়িহাওর, দেওয়ানবাগ, উপকন্ঠ, দক্ষিণ সাদিপুর, টুলটিকর, মিরাপাড়া পশ্চিম, তেররতন, সৈদানীবাগ, মাদারপাড়া, নোয়াবাজার, তৈয়াটিকর (গোলাপবাগ), গঙ্গাদাস (হাতিমবাগ), কল্যাণপুর (শাপলাবাগ), লামাপাড়া পূর্ব, কুশিঘাট, সাদাটিকর, উত্তর সাদিপুর, কুইটুক, নয়াবস্তি, মুরাদপুর, পেশনেওয়াজ (মুক্তিরচক), পীরেরচক, মিরেরচক (আংশিক), সোনাপুর, বেতার কেন্দ্র, ইসলামপুর (আংশিক), ইসলামপুর (কলোনী) ইসলামপুর দক্ষিণ (ফাল্গুনী), মুসলিম নগর, মুগীরপাড়া, মুড়িলা, নূরপুর, নাথপাঁড়া, আটালু, পূর্ব ভাটপাড়া, পশ্চিম ভাটপাড়া, কান্দিহুতা, মীরাপাড়া, পূর্ব শাপলাভাগ, টুলটিকর আ/এ, পূর্ব কুশিঘাট, শাহপরান উপশহর আ/এ, কৃষিখামার, কৃষি খামারের (আংশিক), খাদিমপাড়া (আংশিক), কালাটিকর (আংশিক), নিপবন, মনিপুরি পাড়া বস্তি, বহর দাসপাড়া, ধনকান্দি, পাঁচগরী, লালখাটংগী, শাহপরান আ/এ, বহর নোয়াগাঁও, এ.টি.আই, ভাওয়াল টিলা, ইসলামাবাদ, কল্পগ্রাম।


অঞ্চল-৩ঃ ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ৩৪, ৩৫ ও ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে অঞ্চল-৩ গঠন করা হয়েছে। অঞ্চল-৩ এর আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো: হাওয়াপাড়া, তাতিপাড়া, খন্দকারটুলা, নয়াসড়ক, চারাদীঘিরপাড়, মজলিস আমীন, কুমারপাড়া পশ্চিম, সওদাগরটুলা, খান্দাউড়া, ধোপাদীঘির উত্তরপাড়, নাইওরপুল, খ্রিষ্টান মিশন, কাজীটুলা, কাজী জালাল উদ্দিন, মহলে আব্দুল্লাহ, ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই (শাহ চান গলি), আম্বরখানা পূর্ব, চন্দনটুলা, চৌহাট্টা, মিরবক্সটুলা, বেতবারটুলা (পূর্ব জিন্দাবাজার), মানিকপীর রোড, শাহী ঈদগাহ, উত্তর মিরাবাজার, আগপাড়া, ব্রজনাথটিলা, ঝরনারপার, নয়াপাড়া, ঝেরঝেরি পাড়া, কুমারপাড়া (পূর্ব) মুক্তারখাকিমানী (পশ্চিম), শাখারীপাড়া, ভাইয়ারপাড়া, সুনাতলা, দর্জিপাড়া, সোনারপাড়া, দর্জিবন্দ, আলমটুলা, দপ্তরীপাড়া, রায়নগর, মুক্তারখাকিমানী (পূর্ব), খারপাড়া, ধুনিশাহী ঈদগাহ, মজুমদারপাড়া, সোনারপাড়া লাল মঞ্জিল, ছাপার বনপাড়া, খন্ডিকরপাড়া, ঠাকুরপাড়া, লামাপাড়া (উত্তর-পশ্চিম), রায়নগর, সেনপাড়া, নাথপাড়া, দক্ষিণ বালুচর, খরাদিপাড়া, ধোপার, ব্রাহ্মণপাড়া, আদিত্যপাড়া, দাসপাড়া, দেবপাড়া, লাকড়িপাড়া পশ্চিম, বাদুলটকা পশ্চিম, শিবগঞ্জ, ব্ৰাহ্মণপাড়া (খন্ডিকরপাড়া), খাদিমপাড়া (আংশিক), মীরমহল্লা, বহর কলোনী, বাহুবল আ/এ, বাহুবল, কলোনী, উদ্দিন টিলা, কালাটিকর (আংশিক) (শান্তিভাগ), জাহানপুর, সৈয়দপুর (আংশিক), মোহাম্মদ পুর, চামেলীবাগ (গোয়াল গাঁও), শ্যামলী আ/এ (আংশিক), ইসলামপুর পূর্ব, সরকারি কলেজের (আংশিক), সিলেট টেক্সটাইল (আংশিক), প্রকৌশলী কলেজ, দুগ্ধ খামার, শ্যামলী আ/এ (আংশিক), সৈয়দপুর (আংশিক), জাহানপুর উত্তর, (বুড়িবস্তি), আলুরতল, উত্তর বালুচর, আরামভাগ, দুর্গাবাড়ী, এম.সি.কলেজ আ/এ, টি.ভি.গেইট হাসপাতাল এলাকা, বন বিভাগ টিলা, ইকো পার্ক, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর।


অঞ্চল-৪ঃ ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৩৭, ৩৮ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে অঞ্চল-৪ গঠন করা হয়েছে। অঞ্চল-৪ এর আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো: হাউজিং এস্টেট, মনিপুরীপাড়া, দত্তপাড়া, কোনাপাড়া, গড়দোয়ার, হানিটুলা, ৩৭, ৩৮, ৩৯ আম্বরখানা বড়বাজার রাস্তার পশ্চিম অংশ, আম্বরখানা বড় বাজার রাস্তার পূর্বাংশ, ওয়াপদা কলোনি, গোয়াইপাড়া, রায় হোসেন, কলবাখানী, হাজারীবাগ, খাসদবীর, পীরমহল্লা, চৌকিদেখি পূর্ব, মালীপাড়া, বাদাম বাগিচা, চৌকিদেখি পশ্চিম, সৈয়দ মুগনী, জালালাবাদ আ/এ, পশ্চিম পীর মহল্লা, ফাজিল চিশত, সুবিদবাজার পূর্ব, বানিয়ামহল, হাতর হাওর (উত্তর পীর মহল্লা), উমর কাটিগড়, মুগলীটুলা, সুবিদবাজার নয়াবস্তি, সুবিদবাজার ছয়েফ খান রোড, ব্রাহ্মণশাসন, পনিটুলা, পাঠানটুলা পূর্ব, পাঠানটুলা পশ্চিম, করেরপাড়া, কুচারপাড়া, চান্দাই গির্দা, নোয়াপাড়া এক, কলোনি দুই, কলোনি তিন, ভট্টপাড়া, পানতলা, আড়খাই, চুড়ারপাড়া, কালিবাড়ী, হাওলাদারপাড়া (অংশ), দর্জিপাড়া, কারীপাড়া, টিলারগাঁও, ডলিয়া, বড়গুল, দুসকী, বিশ্ববিদ্যালয়, আখালিয়া নতুন বাজার আ/এ, যুগীপাড়া, দামালীপাড়া, খাদরা মডেল টাউন, ক্বারীপাড়া, খলাপাড়া, চান্দিয়ালা, নোয়াপাড়া, বিজিবি এলাকা, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, আখালিয়া ঘাট, নাজিরের গাঁও, টিওরবাড়ী, খালিগাঁও হায়দরপুর, চরুগাঁও, সাহেবেরগাঁও, শেখপাড়া, ওয়াবদা, কুমারগাঁও, শাহপুর, নোয়াগাঁও (আংশিক), নয়া খুরুমখলা, শাহপুর খুরুমখলা, পীরপুর (আংশিক), টুকেরগাঁও (আংশিক), খুরুমখলা, নোয়াপাড়া, তালুকদারপাড়া, মইয়ারচর, পীরপুর (আংশিক), নোয়াগাঁও (আংশিক), নোয়াগাঁও হিন্দু পাড়া, গৌরিপুর।


অঞ্চল-৫ঃ ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে অঞ্চল-৫ গঠন করা হয়েছে। অঞ্চল-৫ এর আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো: খোজারখলা, গাংগু দক্ষিণ-পশ্চিম (অর্ধাংশ), বারখলা, ভার্থখলা, কায়স্তরাইল, ২৯, ৩০, ৪০, ৪১। মোমিনখলা পশ্চিম, কাজীরখলা, দাউদপুর, ঝালোপাড়া, গাংগু (রেল লাইনের উত্তর), সাধুরবাজার, কদমতলী, আলমপুর, গোটাটিকর, পাঠানপাড়া, পৈত্যপাড়া, বাটঘর, হরিনন্দী, আচার্যপাড়া, কিষাণপাড়া, যোগীশাসন, মোমিনখলা পূৰ্ব, সামাল হাসান, মজলিসপুর, গাংগু, কাজীরখলা, রিয়াছতপুর, মাজপাড়া, সুনামপুর, পশ্চিম বরইকান্দি, কামুশেনা, তেলিরাই, নিয়ামতপুর, মজিদপুর, সিরাজগঞ্জ, পিরিজপুর, পর্বতপুর, বদিকোনা (আংশিক), ধরাধরপুর, উম্মুর কবুল, লাউয়াই, মোহাম্মদপুর, রায়েরগাঁও, জৈনপুর, চান্দাই, তেলীপাড়া, চান্দাই পশ্চিমপাড়া, টিয়রগাঁও, তালুকদারপাড়া, নজরপুর, বকশীপুর, গালিমপুর, দাউদপুর (আংশিক), কুচাই, পালপুর, দক্ষিণ কুশিঘাট, চিটা শ্রীরামপুর, রুগনপুর, সামাল হাসান, মজলিশপুর (আংশিক), গংগানগর, মনিপুর (আংশিক), আলমপুর (আংশিক) ছিটা গোটাটিকর, গংগা রায়েরচক, পশ্চিমভাগ, পশ্চিমভাগ আ/এ, সারপিং, সুলতানপুর, তৈয়ব কামাল (আংশিক), শেখপাড়া (আংশিক) ও শ্রীরামপুর।


অঞ্চলসমূহের প্রতিটিতে নিম্নোক্ত কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত হবে- ক) প্রশাসনিক কাজ খ) হিসাব রক্ষণ (কর্মচারীদের বেতন, অফিস পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত খরচ), পূর্ত কাজসমূহ ও রক্ষণাবেক্ষণ, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি, দাতব্য চিকিৎসালয়, ভেজাল খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, স্যানিটেশন ভেটেরিনারি কার্যক্রম, জবাইখানা ব্যবস্থাপনা, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনকরণ, মশক নিধন, পাবলিক টয়লেট, শিশু কেন্দ্র, কবরস্থান এবং শ্মশানঘাট রক্ষণাবেক্ষণ, সিটি কর নির্ধারণ ও আদায়, লাইসেন্স প্রদান ও ফি আদায়, বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত, বাজার ফি আদায়, আবর্জনা পরিস্কার ও পরিচ্ছন্নকরণ, স্যানিটারী ল্যান্ডফিলিং, ডাম্পিং গ্রাউন্ড রক্ষণাবেক্ষণ, সমাজকল্যাণ ও সংস্কৃতি (কমিউনিটি সেন্টার, পার্ক, পাঠাগার), ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, স্যানিটেশন ব্যবস্থা, আত্ম-কর্মসংস্থানে সহায়তা প্রদান, উদ্বুদ্ধকরণ ও প্রশিক্ষণ। 

প্রজ্ঞাপনে সিলেট সিটি কর্পোরেশনকে অবিলম্বে এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:০৬ এএম

গাইবান্ধা সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড বামুনী পাড়ায় প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল এন্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনালশিপ এন্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর গাইবান্ধা সদর এর আয়োজনে কৃষাণীদের নিয়ে বামুনীপাড়া পার্টনার ফিল্ড স্কুল (পুষ্টি) বিষয়ক সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় ঐ স্কুলে ২৫ জন কৃষাণীদের মাঝে ১০ টি সেশনে পুষ্টি বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।


উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আঃ রহমান, ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার জাহাঙ্গীর আলম, প্রশিক্ষণের ট্রেইনার এটিএম মশিউর রহমান, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার সাদেকুল ইসলাম মন্ডলসহ আরও অনেকে।


কৃষাণীরা জানান, কৃষি অফিসের এই প্রশিক্ষণ পেয়ে অনেক ভালো লাগছে। পাশাপাশি পুষ্টি বিষয়ক সচেতনতায় অনেক উপকারী তথ্য পেয়েছি। কোন পদ্ধতিতে রান্না করলে বেশি পুষ্টি পাওয়া যাবে সেটাও জেনেছি।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৫৫ পিএম

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী উপজেলার ১১ মাইল নাককাটি এলাকায় ট্রাক ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচ শিক্ষার্থীসহ অটোরিকশার চালক আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয়রা প্রায় তিন ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। পরে প্রশাসন ও পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।


আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভূল্লী থানাধীন ১১ মাইল নাককাটি এলাকায় কৃষ্ণ চন্দ্রের চাতাল সংলগ্ন পঞ্চগড়-ঠাকুরগাঁও মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চগড়গামী একটি ট্রাকের সঙ্গে বোদা থেকে আসা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশার চালক মো. আজিজার রহমান (৪৫) এবং অটোরিকশায় থাকা পাঁচ শিক্ষার্থী সাকিব হোসেন (১৫), স্নেহা রায় (১৪), তাসনিম আক্তার (১৪), সুমাইয়া আক্তার সাথী (১৩) ও আরও একজন শিক্ষার্থী আহত হন। আহতদের স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠান।


দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা সড়কে অবস্থান নিয়ে দুপুর ১২টা থেকে বেলা ২টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত পঞ্চগড়-ঠাকুরগাঁও মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। দুর্ভোগে পড়েন যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা।


খবর পেয়ে ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদ্দাম হোসেন, ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী এবং বোদা হাইওয়ে থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তারা স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে অবরোধকারীরা অবরোধ তুলে নেন। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।


এ ঘটনায় ট্রাকচালক মো. সেলিম রেজা মুক্তা (৫৫)কে ভূল্লী থানা পুলিশ আটক করেছে। তিনি পাবনা জেলার বেড়া থানার শম্ভুপুর এলাকার বাসিন্দা।


ভূল্লী থানা পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৪৫ পিএম

নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে বেদেপল্লীকে কেন্দ্র করে মাদক ব্যবসার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।


আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার মান্নান নগর বাজার এলাকার লালঘর সংলগ্ন মুকবুল আহমেদ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এওজবালিয়া ইউনিয়নের ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।


সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো। এ সময় অন্যান্যের বক্তব্য রাখেন- এওজবালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকব হোসেন, ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, নোয়াখালী সরকারি কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা মাজহারুল হক চৌধুরী শিবলু, সাবেক ছাত্রনেতা মামুনুর রশীদ বাবর, সামছদ্দিন ড্রাইভার ও সেলিম চৌধুরীসহ স্থানীয়রা।


সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, এওজবালিয়া ইউনিয়নের ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব এওজবালিয়া এলাকায় ২০১০ সালের দিকে নৌকা ও যাযাবর জীবন ছেড়ে বেদে সম্প্রদায়ের লোকজন স্থায়ীভাবে বসতি গড়ে তোলেন। বর্তমানে ওই এলাকায় প্রায় ১ হাজার ৬০০ পরিবারের বসবাস রয়েছে।


তাদের অভিযোগ, স্থায়ীভাবে বসতি গড়ে সামাজিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করলেও বেদেপল্লীর বৃহৎ একটি অংশের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে। তাদের দাবি, ওই এলাকায় মাদক ব্যবসার বিস্তারের কারণে স্থানীয়দের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে এবং তরুণদের একটি অংশ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে।


স্থানীয় বাসিন্দারা আরও অভিযোগ করেন, বেদেপল্লীতে বসতি গড়ে ওঠার আগে এলাকায় মাদকের এমন বিস্তার ছিল না। বেদেরা বসবাস শুরুর পর থেকে এখানে মাদকের ডিলারদের তৎপরতা বেড়েছে। বেদের সঙ্গে সরাসরি মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা মাদক প্রচারকারীদের যোগাযোগ রয়েছে। তারা সেখান থেকে মাদক এনে এখানে বিক্রি করছে।


সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো বলেন, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মাদক যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এ থেকে সমাজকে রক্ষা করতে প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষকেও ভূমিকা রাখতে হবে।


তিনি আরও বলেন, মাদক ও সন্ত্রাসের সঙ্গে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত থাকলে তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না। মাদকবিরোধী কার্যক্রমে স্থানীয়দের এমন উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান এবং মাদক নির্মূলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৩৭ পিএম

নোয়াখালীর সেনবাগে মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে আটচল্লিশ বছর বয়সী এক প্রবাসীর স্ত্রীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী চারজনকে আসামি করে সেনবাগ থানায় মামলা করেছেন। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো.লিংকন (২৭) নামে মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।


গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়নে পূর্ব শ্যামেরগাঁও  গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার একটি প্রায় ২০ সেকেন্ডের ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয়দের মুঠোফোনে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, এক নারীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে এবং আশপাশে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি মুঠোফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করছেন। একপর্যায়ে ওই নারীর হাতে কয়েকটি মুরগি ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।


গ্রেপ্তার লিংকন উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়নের কাজিরখীল গ্রামের ফরাজি বাড়ির মো.মোস্তফার ছেলে।  


এ ঘটনার বিচার চেয়ে গতকাল বুধবার দুপুরে একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করেন নির্যাতনের শিকার নারী। তিনি অভিযোগ করেন, মুরগি চুরির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে মারধর, নির্যাতন ও শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।


মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন, ভুক্তভোগী নারী পেশায় একজন গৃহিনী। পাশাপাশি বাড়িতে মুরগি ও কোয়েল পাখির কামার দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। তার স্বামী ও এক ছেলে প্রবাসে থাকেন।  আসামিদের সঙ্গে তার জায়গাজমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি তার ঘরে ঢুকে মুঠোফোন কেড়ে নেন এবং জোর করে পাশের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে মুরগি চুরির অভিযোগ তুলে তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে দিবাগত রাত প্রায় ১টা পর্যন্ত মারধর করা হয় বলে অভিযোগ তার।


তবে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি দাবি করেছেন, ওই নারী মুরগি চুরির কথা স্বীকার করেছিলেন এবং তার ঘর থেকে ৪৫টি মুরগি উদ্ধার করে খামারিকে ফেরত দেওয়া হয়।


সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, গাছে বেঁধে রাখার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। নারীর লিখিত অভিযোগ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু করা হয়েছে। মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৩০ পিএম

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় দেড় মাস বয়সী এক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা-মা পরস্পরকে হত্যার জন্য দায়ী করে অভিযোগ করায় শিশুটির বাবাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।


আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, একই দিন ভোরে উপজেলার চরকাকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোল্লারটেক এলাকার মফিজ মিয়ার নতুন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।


মৃত শিশুর নাম হুমাইরা জান্নাত (১ মাস ২০ দিন)। সে ওই এলাকার অলি উল্লাহ আজাদ (৩৫) ও পারুল আক্তারের মেয়ে।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পারুল আক্তার তার ছেলে সিফাত (৫) ও মেয়ে হুমাইরাকে নিয়ে ঘরের ভেতরের কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। শিশুটির বাবা অলি উল্লাহ আজাদ ঘরের সামনের কক্ষে ঘুমান। ভোরে ঘুম থেকে উঠে অলি উল্লাহ শিশুটিকে দেখতে গিয়ে তার কোনো নড়াচড়া দেখতে পাননি। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে দেখতে পান, শিশুটি মারা গেছে। এ সময় অলি উল্লাহ অভিযোগ করেন, শিশুটির মা পারুল আক্তার তাকে হত্যা করেছেন। অন্যদিকে পারুল আক্তার অভিযোগ করেন, শিশুটির বাবা অলি উল্লাহ শিশুটিকে হত্যা করেছেন।


ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো.আবু কাউছার বলেন, পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের কারণে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটির মরদেহ পরীক্ষা করে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পায়নি। তবে শিশুটির নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়ার বিষয়টি লক্ষ্য করা গেছে। হুমাইরা জন্মের পর থেকেই অসুস্থ ছিল এবং মাথায় সমস্যাও ছিল বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। জন্মের পাঁচ দিন পর অসুস্থতার কারণে তাকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চার দিন ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়।


কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নুরুল হাকীম বলেন, এ ঘটনায় ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে জানানো হয়। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে শিশুটির মরদেহ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শিশুটির বাবাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:২০ পিএম

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী বাজারের একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।


আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার। এর আগে, বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে চৌমুহনী পৌরসভা এলাকার চৌমুহনী বাজারের রিলাক্স আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।  


গ্রেপ্তাররা হলেন, চাটেখেলর তালতলা গ্রামের আবু নাছের শরীফ (৬৩), চট্রগ্রামের মিরসরাই থানা এলাকার মো. ইমন হোসেন (৩২), চৌমুহনী পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের হাজীপুর এলাকার মো. হানিফ (৩৫), চৌমুহনী পৌরসভার ৬নম্বর ওয়ার্ডের সাফায়েত হোসেন সাকিব (২৭), বরিশালের বড় জালিয়া গ্রামের রিনা বেগম (৩৪), সুনামগঞ্জের লালপুর গ্রামের স্নেহা আক্তার (২১), ঢাকার যাত্রাবাড়ির মাইশা আক্তার (১৮), সুধারাম থানার সল্যা সোনাপুর ইসরাত জাহান পূর্ণিমা (১৮), নোয়াখালীর পৌরসভার ৪নম্বর ওয়ার্ডের ফাতেমা আক্তার নুসরাত (১৮), একই ওয়ার্ডের জান্নাতুল ফেরদৌস মারিয়া (১৮), বেগমগঞ্জের হাজীপুর গ্রামের মরিয়ম আক্তার (৩০) ও নওগাঁ জেলার বদলগাছি গ্রামের মিম আক্তার (২৮)।


পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং ওসি, ডিবির সার্বিক তত্ত্বাবধানে রিলাক্স আবাসিক হোটেলে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। এ সময় অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৮ যুবতীসহ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।


নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার আরও বলেন, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর