বিশাল আকৃতির বাগাড় মাছ
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদে এক জেলের জালে ৯০ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির একটি বাগাড় মাছ ধরা পড়েছে। পরে এক মাছ ব্যবসায়ী মাছটি কিনে নিয়ে দেড় হাজার টাকা কেজি দরে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।
গতকাল শুক্রবার উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের পুটিমারী এলাকার নদে জেলে নরেন্দ্র নাথের জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি বাজারে তুললে তা দেখতে উৎসুক লোকজন ভিড় করেন। আজ শনিবার মাছটির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পড়লে এলাকায় আলোচনা তৈরি হয়।
আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) তালিকা অনুযায়ী, বাগাড় একটি মহাবিপন্ন প্রাণী। বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, এই মাছ ধরা দণ্ডনীয় অপরাধ। আইন থাকা সত্ত্বেও বাস্তবায়ন না থাকায় প্রকাশ্যে বাগাড় শিকার ও বিক্রি হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার চিলমারীর পুটিমারী এলাকার ব্রহ্মপুত্র নদে জাল ফেলেন জেলে নরেন্দ্র নাথ। সকালে তাঁর জালে ৯০ কেজি ওজনের বাগাড় মাছটি ধরা পড়ে। এরপর থানাহাট বাজারের মাছ ব্যবসায়ী সাজু মিয়া মাছটি ১ লাখ ১০ হাজার টাকায় কিনে নেন। সন্ধ্যায় চিলমারীর পাম্পমোড় এলাকায় মাছটি কেটে খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করা হয় ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকায়।
মাছ ব্যবসায়ী সাজু মিয়া বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদে পানি কমে যাওয়ায় এখন জেলেদের জালে বাগাড়, পাঙাশসহ বিভিন্ন প্রজাতির বড় বড় মাছ ধরা পড়ছে। বাজারে এসব মাছের বাজারে চাহিদা ব্যাপক। বড় ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, আমলাসহ রাজনৈতিক নেতারা অগ্রিম অর্ডার দিয়ে এসব মাছ কেনেন। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী মাছ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও আছে।
চিলমারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. এমদাদুল হক বলেন, বড় বাগাড় মাছ ধরা পড়ার খবর তিনি শুনেছেন। ব্রহ্মপুত্রে দেশি বড় মাছের প্রজনন ও বংশ বিস্তার নিশ্চিত করতে মৎস্য বিভাগের পাশাপাশি সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
হিমেল ফটোগ্রাফি ক্রিকেট লীগ (HPCL) সিজন-৬-এর প্লেয়ার নিলাম
জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে হিমেল ফটোগ্রাফি ক্রিকেট লীগ (HPCL) সিজন-৬-এর প্লেয়ার নিলাম। গতকাল শুক্রবার বিকেল ৪টায় ময়মনসিংহ নগরীর সিলভার ক্যাসেলে উৎসবমুখর পরিবেশে এ নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।
নিলামে অংশ নেয় ছয়টি দল- The Renegades, Team Jomidar, Red Lables, Old Warriors, Sky Kings ও Shuttle Strikers। প্রতিটি দলের জন্য রাখা হয়েছে একজন করে আইকনিক খেলোয়াড়। এ ছাড়া নিলামে তোলা হয় মোট ৬০ জন খেলোয়াড়কে। পছন্দের খেলোয়াড়দের দলে ভেড়াতে নিলামে অংশ নেয় দলগুলোর প্রতিনিধিরা।
আগামী ২৭ ও ২৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে হিমেল ফটোগ্রাফি ক্রিকেট লীগের ষষ্ঠ আসরের খেলা। নিলামকে কেন্দ্র করে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। পছন্দের খেলোয়াড়দের নিয়ে শক্তিশালী দল গঠন এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট আসরের প্রত্যাশায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলভার ক্যাসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফারহান বেগ এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. তারিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হিমেল মল্লিক।
আয়োজনের স্পনসর প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- Silver Castle Resort, Photo Focus - The Camera City, 3S Softech Ltd., Universal Hospital, Masud Khan Beauty Zone, চাষী ফিড, Halal Steps, M/S Ashfaque Enterprise, B3 Global, Mymensingh Travellers, ACE – A Center for Education, Nawabiana, Tailormen এবং JomiderBari Events।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এবারের আসর খেলোয়াড় ও ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করবে এবং ময়মনসিংহের ক্রীড়াঙ্গনে বাড়তি প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি করবে।
দিনাজপুরে বিজিবি মোতায়েন
ধুকুরঝাড়ী সার্বজনীন দুর্গামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন রংপুর রিজিয়নের ভারপ্রাপ্ত রিজিয়ন কমান্ডার ও দিনাজপুর সেক্টর কমান্ডার। শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ের সীমান্তবর্তী এলাকাসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এর অংশ হিসেবে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর দায়ীত্বপূর্ণ এলাকায় মোট ৮৬টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) রংপুর রিজিয়নের ভারপ্রাপ্ত রিজিয়ন কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান, বিজিবিএম, পিবিজিএম, পিএসসি এবং দিনাজপুর সেক্টর সদর দপ্তরের সেক্টর কমান্ডার ধুকুরঝাড়ী সার্বজনীন দুর্গামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁরা পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
বিজিবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পশ্চিম রিজিয়ন, রংপুরের আওতাধীন এলাকায় সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত ৭৩১টি এবং ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের তিন কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত ১৬৪টিসহ মোট ৮৯৫টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১৩৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে দিনাজপুর সেক্টরের আওতাধীন এলাকায় রয়েছে মোট ২১০টি পূজামণ্ডপ। এসব মণ্ডপের নিরাপত্তায় দায়ীত্ব পালন করছেন ৩১ প্লাটুন বিজিবি সদস্য।
অন্যদিকে, দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর দায়ীত্বপূর্ণ দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলার ৯৯ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় দিনাজপুর শহর এলাকার ২২টি, দিনাজপুর জেলার সীমান্ত এলাকার ২৩টি এবং ঠাকুরগাঁও জেলার সীমান্ত এলাকার ৪১টিসহ মোট ৮৬টি পূজামণ্ডপে ১৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন রয়েছেন।
দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি, সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ এবং স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদ্যাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধ এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
রংপুর রিজিয়নের ভারপ্রাপ্ত রিজিয়ন কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান বলেন, দুর্গাপূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগের পাশাপাশি জনসচেতনতা, জনগণের সহযোগীতা ও গণমাধ্যমের দায়ীত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি গুজবে কান না দেওয়া, যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করা এবং সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে দ্রুত নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করার মাধ্যমে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দুর্গাপূজাকে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর করে তোলা সম্ভব। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী সবাইকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানান।
বিজিবির সদস্যরা ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় দায়ীত্ব পালন করবেন।
পরিদর্শনকালে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান, সহকারী পরিচালক মোঃ মাহফুজুর রহমান, পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি সুধীর চন্দ্র, সম্পাদক পঞ্চম রায়, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে মেরিন ড্রাইভের পাটুয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। আগুনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে কান্নায় ভেঙে পড়া এক নারীকে বলতে শোনা যায় ‘আমার সাইফকে আইন্না দাও।’
ওই নারী পর্যটক পূজার বন্ধে তার পরিবার নিয়ে কক্সবাজার ঘুরতে এসেছেন। তিনি এক সাংবাদিকের বোন বলে জানা গেছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি সাইফকে বারবার ডাকছেন এবং বলছেন, ‘আমার সাইফকে আইন্না দাও।’
তবে সাইফ সম্পর্কে তার কে, বেঁচে আছেন কিনা তা জানা যায়নি।
আগুনে এখন পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে ৬ জন। হতাহতদের উদ্ধারে কাজ চলছে। উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আকতার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র কর্মকর্তা দোলন আচার্য ঘটনাস্থল থেকে সাতটি লাশ পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে, ওই রিসোর্টে মোট ১৭ পর্যটক ছিলেন। নিহত ব্যক্তিরা পর্যটক বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, ‘অনেকে নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঠিক কতজন পর্যটক মারা গেছেন, তা জানতে একটু সময় লাগবে।’
এদিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সকাল ৮টা থেকে তিনটি ইউনিট কাজ শুরু করে। সকাল ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর রিসোর্টটিতে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। অগ্নিকাণ্ডে রিসোর্টটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ কাজ করেছে।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের পর রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের লোকজন পালিয়ে গেছেন বলে জানা গেছে। আগুনের সূত্রপাত, ক্ষতির পরিমাণ এবং রিসোর্টটির অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।
আগুনে পুড়ে গেছে টুপটুপ রিসোর্ট
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে মেরিন ড্রাইভের পাটুয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আকতার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আগুনে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে ৬ জন। হতাহতদের উদ্ধারে কাজ চলছে।
এদিকে আগুনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে এক নারীকে কান্নার সুরে বলতে শোনা যায় ‘আমার সাইফকে আইন্না দাও।’
জানা গেছে, ওই নারী পর্যটক পূজার বন্ধে তার পরিবার নিয়ে কক্সবাজার ঘুরতে এসেছেন। তিনি এক সাংবাদিকের বোন বলে জানা গেছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি সাইফকে বারবার ডাকছেন এবং বলছেন, ‘আমার সাইফকে আইন্না দাও।’ তবে সাইফ সম্পর্কে তার কে, বেঁচে আছেন কিনা তা জানা যায়নি।
এদিকে ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র কর্মকর্তা দোলন আচার্য ঘটনাস্থল থেকে সাতটি লাশ পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে, ওই রিসোর্টে মোট ১৭ পর্যটক ছিলেন। নিহত ব্যক্তিরা পর্যটক বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, ‘অনেকে নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঠিক কতজন পর্যটক মারা গেছেন, তা জানতে একটু সময় লাগবে।’
এদিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সকাল ৮টা থেকে তিনটি ইউনিট কাজ শুরু করে। সকাল ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর রিসোর্টটিতে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। অগ্নিকাণ্ডে রিসোর্টটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ কাজ করেছে।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের পর রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের লোকজন পালিয়ে গেছেন বলে জানা গেছে। আগুনের সূত্রপাত, ক্ষতির পরিমাণ এবং রিসোর্টটির অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বাঙালিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল খান রেজার বিরুদ্ধে অনলাইনে ইস্যুকৃত একটি মৃত্যু সনদের তারিখ জালিয়াতি বা পরিবর্তনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
সূত্র থেকে জানা যায়, বাঙালিপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মৃত মনির উদ্দিনের অনলাইন মৃত্যু সনদে তাঁর মৃত্যুর তারিখ হিসেবে ২৪ নভেম্বর ২০১৮ উল্লেখ ছিল। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল খান রেজা ওই ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম এবং ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনিসুর রহমান ও স্বপন চন্দ্রের যোগসাজশে মনির উদ্দিনের ওয়ারিশদের অজান্তেই সনদের তারিখ পরিবর্তন করেন এবং একটি সাজানো তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করেন। পরবর্তীতে মনির উদ্দিনের উত্তরাধিকারীরা মৃত্যু সনদ জালিয়াতির এই বিষয়টি জানতে পেরে বিস্ময় প্রকাশ করেন।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, মৃত মনির উদ্দিন জীবদ্দশায় 'বাচ্চু মিয়া' নামের এক ব্যক্তিকে খতিয়ান নং ২১৮৫ এবং দাগ নং ২৪০৬-এর অধীনে আধা শতক জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। কিন্তু তিনি ২৪ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মৃত্যুবরণ করা সত্ত্বেও ২০১৯ সালের ১১ জুলাই সৈয়দপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ৩৩১০ নম্বর সনদের একটি ভ্রম সংশোধন দলিল তৈরি করা হয়। সেখানে মৃত মনির উদ্দিনকে জীবিত 'দাতা' দেখিয়ে সৈয়দপুরের বিশিষ্ট শিল্পপতি আমিনুল ইসলামের একটি জমির দাগ নম্বর অন্তর্ভুক্ত করে একটি ভূয়া দলিল তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
এই ভুয়া দলিল তৈরির ঘটনায় শিল্পপতি আমিনুল ইসলাম অভিযুক্ত রেজা খান ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে জমি ও দলিল জালিয়াতির মামলা দায়ের করেন, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।
মামলার বাদী শিল্পপতি আমিনুল ইসলাম জানান, আদালতে মামলা দায়ের করার পর আসামিরা জালিয়াতির হাত থেকে রেহাই পেতেই অসৎ উদ্দেশ্যে মনির উদ্দিনের অনলাইনের প্রকৃত মৃত্যু সনদের তারিখ পরিবর্তন করেছেন।
জানতে চাইলে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল খান রেজা বিষয়টি সুকৌশলে এড়িয়ে য়ান। এ বিষয়ে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক চুয়াডাঙ্গা শাখা
(১৭-১০-২৬) চুয়াডাঙ্গায় স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসি-এর উদ্যোগে প্রকাশ্যে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ এবং আদায় মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১৭ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসি, চুয়াডাঙ্গা শাখা কার্যালয়ে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক চুয়াডাঙ্গা শাখার ব্যবস্থাপক মো: কামরুজ্জামান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মেলা প্রসঙ্গে ব্যাংক ব্যবস্থাপক কামরুজ্জামান বলেন, "দেশকে খাদ্যে স্বনির্ভর করে তুলতে এবং কৃষি উদ্যোক্তাদের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও বেগবান করতে এই মেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।"
অনুষ্ঠানে আগত কৃষকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং সহজ শর্তে প্রয়োজন মত লোন প্রাপ্তির বিষয়ে কৃষকদের যে সকল যৌক্তিক দাবি সেগুলো শোনেন এবং ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথীর বক্তব্য রাখেন মাম এগ্রো-এর পরিচালক প্রভাষক ইব্রাহিম কুদ্দুস।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক চুয়াডাঙ্গা শাখার সেকন্ড অফিসার অর্জুন কুমার হালদার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক আলমডাঙ্গা শাখার সিনিয়র অফিসার বিনয় কুমার বিশ্বাস, ব্যাংকের গ্রাহক, কৃষি উদ্যোক্তাগণ।
আলোচনা ও প্রশ্ন উত্তর পর্ব শেষে মেলায় এলাকার কৃষক ও গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের মাঝে প্রকাশ্যে কৃষি ঋণ বিতরণ করা হয় এবং সেই সাথে পুরনো ঋণের টাকা আদায় করা হয়। বক্তারা দেশের কৃষি খাতের উন্নয়ন ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখতে সহজ শর্তে এই ঋণ বিতরণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। মেলায় ব্যাংকের কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক ঋণগ্রহীতা উপস্থিত ছিলেন।