ঈশ্বরগঞ্জ থানায় যোগদানের মাত্র এক মাসের মধ্যেই ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ সাজ্জাদ রোমন। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই কর্মদক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ সম্মাননা অর্জন করেন।
গত ৮ সেপ্টেম্বর ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোহাম্মদ সাজ্জাদ রোমন। যোগদানের পর সেপ্টেম্বর মাসে থানা পুলিশের সামগ্রিক কার্যক্রম মূল্যায়নে তিনি জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন, ওয়ারেন্ট তামিল, মাদকবিরোধী অভিযান এবং জনবান্ধব পুলিশিংসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে তাঁকে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় তাঁর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান। সভায় সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসে জেলার থানাগুলোর সার্বিক কার্যক্রম ও কর্মদক্ষতা পর্যালোচনা করা হয়।
সম্মাননা গ্রহণের পর ওসি মোহাম্মদ সাজ্জাদ রোমন বলেন, “এই স্বীকৃতি শুধু আমার একার নয়, এটি ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের প্রতিটি সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনগণের আস্থা অর্জনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। ভবিষ্যতেও জনগণের পাশে থেকে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করছি।”
তিনি আরও বলেন, জনগণের সহযোগিতা ছাড়া টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। পুলিশ ও জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম মাসেই জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হওয়াকে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ স্বীকৃতি অপরাধ দমন, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে থানা পুলিশের সদস্যদের আরও উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় মাদ্রাসার মাঠে ঘুমন্ত অবস্থায় কামাল উদ্দিন (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি মো. আকাশ উদ্দিনকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে এসআরবি-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু স্বাক্ষরিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে ঢাকার উত্তরা পূর্ব থানার আজমপুর কাঁচাবাজার এলাকার একটি সিএনজি পাম্পের সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসআরবি-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালী ও এসআরবি-১০, সিপিএসসি লালবাগের যৌথ দল এ অভিযান চালায়।
গ্রেপ্তার আকাশ উদ্দিন নোয়াখালীর সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের পূর্ব দুর্গানগর এলাকার আমজাদ হাজী বাড়ির আমির হোসেনের ছেলে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিহত কামাল উদ্দিনের বাড়ি জেলার সুবর্ণচর উপজেলার চররমিজ এলাকার গুচ্ছগ্রাম দক্ষিণ দিঘিতে। তার সাবেক স্ত্রী তানিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় চার-পাঁচ বছর আগে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর শ্বশুরবাড়িতে থাকার জায়গা না পেয়ে তিনি সদর উপজেলার পূর্ব দুর্গানগর এলাকার মোহাম্মদীয়া নুরানী মাদ্রাসায় রাত কাটাতেন এবং দিনে শ্রমিকের কাজ করতেন। গত রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মাদ্রাসার মসজিদের পাকা মাঠে পুকুরপাড়ে ইটের ওপর গামছা বিছিয়ে মশার কয়েল জ্বালিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন কামাল উদ্দিন। এ সময় এলাকার লোকজনের চলাচল কমে এলে এবং মাদ্রাসার শিক্ষক ঘুমিয়ে পড়লে পারিবারিক বিরোধের জেরে আকাশ উদ্দিনসহ অন্য আসামিরা তাকে লাঠি দিয়ে মারধর করেন। একপর্যায়ে আকাশ উদ্দিন ভাঁজ করা ছুরি দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আব্দুল হক (৪৮) বাদী হয়ে ১২ অক্টোবর সুধারাম থানায় হত্যা মামলা করেন।
এসআরবি জানায়, মামলা দায়েরের পর জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি আকাশ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুধারাম মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে।
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় একটি গোডাউনে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় নকল ও ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে অভিযানের অংশ হিসেবে এবার একটি গোডাউনে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ৮ থেকে ৯ ধরনের ভেজাল ও নকল পণ্য জব্দ, গোডাউন সিলগালা এবং প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ভাণ্ডারিয়ার কারিগরপাড়ায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিবুল হাসান।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, ‘মেসার্স রানা এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি গোডাউনে বিভিন্ন নামীদামি ব্র্যান্ডের মোড়ক ব্যবহার করে নকল ও নিম্নমানের পণ্য প্যাকেটজাত করে বাজারজাত করা হচ্ছিল। অভিযানে ‘চাষী’ ব্র্যান্ডের চালের খালি মোড়কে সাধারণ খোলা চাল ভরে প্যাকেটজাত করার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ ছাড়া নকল ঘি, মশার কয়েলসহ প্রায় ৮ থেকে ৯ ধরনের ভেজাল ও নকল পণ্য জব্দ করা হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫০ ধারায় অপরাধের দায়ে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মো. সাইফুল ইসলাম রানাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে গোডাউনটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।
জানা গেছে, মেসার্স রানা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. সাইফুল ইসলাম রানা ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. হাদিস হাওলাদারের ছেলে। তাঁর বাড়ি ৭৬ নম্বর দক্ষিণ ভাণ্ডারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশে।
উল্লেখ্য, ভাণ্ডারিয়ায় নকল ও ভেজাল পণ্য তৈরি, প্যাকেটজাতকরণ এবং বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ভোক্তাদের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষায় এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে তারাব পৌরসভা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক প্রধান দাবিকৃত ১০ হাজার চাদা না পেয়ে রুবেল (২৬) নামে এক ট্রাক চালককে পিটিয়ে আহত করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার তারাব পৌরসভার মৈকুলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রুবেল বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দেন।
ভুক্তভোগী রুবেল জানান, তিনি এশিয়ান ট্রেডার্স নামে একটি কোম্পানির ট্রাক চালক হিসেবে কাজ করছেন। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রুবেল এশিয়ান ট্রেডার্সের মালামাল নিয়ে মৈকুলী কারখানায় প্রবেশ করতে যায়। এসময় তারাব পৌর শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক প্রধান রুবেলের কাছে ১০ হাজার টাকা চাদা দাবি করে। তার দাবিকৃত চাদা না দিলে ট্রাক এশিয়ান ট্রেডার্সের কারখানায় প্রবেশ করতে দিবে না বলে হুমকি ধামকি দিতে থাকে। এসময় রুবেল প্রতিবাদ করলে ফজলুল হক প্রধান রুবেলসহ তার লোকজন এলোপাথাড়িভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। রুবেলের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে ফজলুল হক ও তার লোকজন চলে চলে যায়।
এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন বলে, এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গাজীপুরের টঙ্গী বাজারের সার্বিক উন্নয়ন, ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নতি এবং স্থানীয় সমস্যার সমাধানে সম্মানিত ওলামা-মাশায়েখ ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি মো. শওকত হোসেন সরকার। সভা শেষে তিনি টঙ্গী বাজারের একটি সড়ক উদ্বোধন করেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ২০২৬) টঙ্গী বাজারে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন টঙ্গী ৫৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী পূর্ব থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রাশেদুল ইসলাম কিরণ। সভায় ওলামা-মাশায়েখ ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ টঙ্গী বাজারের বিভিন্ন সমস্যা, ব্যবসায়িক পরিবেশ, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন এবং জনসাধারণের নির্বিঘ্নে চলাচলের বিষয়গুলো তুলে ধরেন। এ সময় বাজারের সার্বিক পরিবেশ উন্নয়ন, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং বাজার এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মতবিনিময় সভা শেষে প্রধান অতিথি মো. শওকত হোসেন সরকার টঙ্গী বাজারের একটি সড়ক উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগকে বাজার এলাকার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও ব্যবসায়ীরা।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, বাজারের সড়ক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার হলে ব্যবসায়ী, ক্রেতা এবং সাধারণ মানুষের চলাচল আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে। পাশাপাশি বাজারের ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নেও এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ছবি : সংগৃহীত
রাজশাহীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম চলাকালে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। গতকাল সোমবার রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শিক্ষা ও কল্যাণ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।
জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্মকর্তাদের অনুরোধ করা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, স্কুল চলাকালে অনেক শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে না থেকে কোচিং সেন্টারে চলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণে স্কুলের সময়ে কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এই নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং সেন্টার চালু থাকলে অভিযান চালানো হবে জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, কোচিং সেন্টার নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ আছে। বিশেষ করে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কোচিংয়ের জন্য অগ্রিম টাকা নেওয়ার পর তা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এসব বিষয়েও পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গণবিজ্ঞপ্তিটি বাস্তবায়নে পুলিশ সুপার, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
বক্তব্য দেন মহাদেবপুর ইউএনও মানজুরা মুশাররফ
এবারের ফ্যামিলি কার্ড শুমারি সর্বোচ্চ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মানজুরা মুশাররফ। তিনি বলেন, শুমারির সময় তথ্য সংগ্রহকারি ও সুপারভাইজারদের কোন রকম রাজনৈতিক বা অন্য কোন রকম অবৈধ চাপ সৃষ্টির খবর পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
গতকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ২টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষ শাপলায় আয়োজিত এ সংক্রান্ত প্রেস কনফারেন্সে সিনিয়র সাংবাদিক কিউ. এম. সাঈদ টিটোর প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় যৌথভাবে এর আয়োজন করে। ইউএনও সারাদেশে একই সাথে আয়োজিত প্রেস কনফারেন্সে জাতীয় পর্যায় থেকে সরবরাহ করা প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠ করেন। এর আগে প্রজেক্টরের মাধ্যমে ঢাকায় আয়োজিত প্রেস কনফারেন্স সরাসরি দেখানো হয়।
এসময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রেজওয়ানুল হক বলেন, মহাদেবপুর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে ১৩৫ জন তথ্য সংগ্রহকারি ও ১৩ জন সুপারভাইজার নিয়োগ দিয়ে তাদেরকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার থেকে উপজেলার উত্তরগ্রাম ও রাইগাঁ ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে শুমারি শুরু হবে।
তিনি বলেন, শুমারিতে সব ফ্যামিলির নাম তিন ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভূক্ত হবে। এ সংক্রান্ত চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে গণশুনানীর মাধ্যমে স্বচ্ছ ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। ফ্যামিলি কার্ড করে দেয়ার নাম করে কেউ টাকা দাবি করলে সাথে সাথেই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এসময় অন্যদের মধ্যে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুন নাঈম বিনতে আজিজ, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. গোলাম রব্বানী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী, উপজেলা কৃষক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হারুন অর রশিদ রাজু, সাংবাদিক ইউসুফ আলী সুমন, জুলহাজ খান, বরুণ মজুমদার, লিয়াকত আলী বাবলু, সাখাওয়াত হোসেন এবং নিয়োগপ্রাপ্ত তথ্য সংগ্রহকারি ও সুপারভাইজাররা উপস্থিত ছিলেন।