২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) বিকালে মতিঝিল কিচেন ইয়ার্ড ভিআইপি রুমে বরিশাল বিভাগ সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিয়াউল কবির দুলু'র সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন সমিতির সহ-সভাপতি শওকত ইসলাম, এম এ রশিদ, সাধারন সম্পাদক মো: আবদুছ ছোবাহান, শের ই বাংলা এ কে ফজলুল হক এর ১৫৩ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপকমিটির আহবায়ক এডভোকেট মো: রুবেল হাওলাদার, সদস্য সচিব মো: আবুল কালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ আবদুর রব হাওলাদার, মুক্তি যোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এনায়েত হোসেন আকন্দ, দপ্তর সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রাজ্জাক, যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক আবদুল মন্নান, নির্বাহী সদস্য ও সোনালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল ম্যানেজার জাকির হোসেন খান, প্রকাশনা সম্পাদক মো: সেলিম মিয়া, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম মনিরুজ্জামান মনির, সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা সোহেলী পারভীন, আনিসুর রহমান, শিক্ষা সম্পাদক অধ্যাপক মো: সবুজ আলম, এডভোকেট হারুন অর রশীদ, মো: মহিউদ্দিন, মো: নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
সভায় কার্যকরি পরিষদ ও উপকমিটির ৩৫ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সভায় ২৬ অক্টোবর সোমবার বিকাল সাড়ে তিনটার মধ্যে জাতীয় প্রেসক্লাবে জহুর হোসেন চৌধুরী হলে শের ই বাংলা এ কে ফজলুল হক এর ১৫৩ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত নিশ্চিত করা এবং অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদের স্পীকার মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম এমপি মহোদয়কে সুশৃঙ্খলভাবে বরন করার কতিপয় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। স্মরনিকা প্রকাশ ও সুষ্ঠুভাবে বন্টন করার ব্যবস্থা নেয়া হয়।
রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে ২৪ ঘণ্টায় ৫১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এ সময় ৫৮টি মামলা দায়ের করা হয়।
বুধবার (২১ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মিরপুর বিভাগ ১৪৮, তেজগাঁও বিভাগ ৯৩, লালবাগ বিভাগ ৬১, ওয়ারী বিভাগ ৫৪, রমনা বিভাগ ৪৮, গুলশান বিভাগ ৩৭, মতিঝিল বিভাগ ৩৫, উত্তরা বিভাগ ৩২, গোয়েন্দা বিভাগ ৯ ও সিটিটিসি বিভাগ ১ জনকে গ্রেপ্তার করে।
অভিযানকালে গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১১ হাজার ৭০১ পিস ইয়াবা, ২ কেজি ৮৫০ গ্রাম গাঁজা, ২ গ্রাম হেরোইন, মাদক বিক্রির নগদ ৪ হাজার ৬৩৬ টাকা, ১টি মোটরসাইকেল ও ৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি একজন ভুক্তভোগীকেও উদ্ধার করা হয়েছে।গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি
রাজধানীর ভাটারা থানাধীন পুলিশ হাউজিং-১ এ পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেওয়া বাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উত্তরা বিভাগ। অভিযানে ৮৪ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫৮ জন তরুণ ও ২৬ জন তরুণী রয়েছেন।
সোমবার গভীর রাতে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।সেখানে মদ, গাঁজা, কনডম এবং বিভিন্ন নেশাজাতীয় দ্রব্য পাওয়া গেছে। এছাড়া আটক ৮৪ তরুণ-তরুণীর মধ্যে এক পুলিশ কর্মকর্তার দুই মেয়েও রয়েছেন।
এদিকে এ ঘটনার পর অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরকে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল জহিরের বাড়িটি তিনতলা। সাড়ে ছয় কাঠা জমির একটি অংশে নির্মিত বাড়িটি অনলাইনে ‘এয়ারবিএনবি’ অ্যাপসের মাধ্যমে ভাড়া দেন তিনি। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যক্তি ভাড়া নিয়ে কেউ রাতযাপন করতেন আবার কেউ ডিজে পার্টি করতেন। বাড়িটি দেখভালের জন্য মাহবুব আলম নামের একজন কো-হোস্টও নিয়োগ দেন আব্দুল্লাহ আল জহির। ওই বাড়ি ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন পার্টির নামে মাঝে মধ্যেই চলত মাদক সেবনসহ অসামাজিক কর্মকাণ্ড। অনলাইনে এয়ারবিএনবি অ্যাপসের মাধ্যমে ভাড়া দেওয়া বাড়ি থেকে আয়ের ৭০ ভাগ যেত আব্দুল্লাহ আল জহিরের অ্যাকাউন্টে।
গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ইলিয়াস কবির বলেন, পুলিশ অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি-১ এর ওই বাড়িটিতে অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে নারী-পুরুষসহ ৮৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বাড়িটিতে উঠতি বয়সি ছেলে-মেয়েরা অসামাজিক কর্মকাণ্ড চালাত। ডিজে পার্টির নামে এখানে অসামাজিক ও নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড চলত। এখানে অভিযান চালিয়ে মদ, গাঁজা, কনডম এবং বিভিন্ন নেশাজাতীয় দ্রব্য পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, সেখানে মোট পাঁচটি রুম আছে। অনলাইনে বুকিং দেওয়া হতো। একেকটি রুম ১০ জনে ভাড়া নেয়। আবার যদি অতিরিক্ত লোকজন থাকে, জনপ্রতি ৬০০ টাকা নেয় রেজিস্ট্রেশন ফি। সেখানে পুরো ডিজে পার্টি বসায়। দুপুর ১২টা থেকে পরের দিন সকাল ৮টা বা ১১টা পর্যন্ত চলে এসব কর্মকাণ্ড। মাসে ১৮ থেকে ২০টি প্রোগ্রাম হয়। একেকটি প্রোগ্রামে লাখখানেক টাকা ভাড়া নেয়।
এদিকে প্রশ্ন উঠেছে ভাটারা থানা এলাকায় তার সাড়ে ৬ কাঠা জমি কেনার টাকার উৎস নিয়েও। পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে অবাধে অপকর্ম চললেও এতদিন প্রশাসন ছিল নিশ্চুপ-এমন দাবি খোদ পুলিশেরই।
জানা গেছে, এয়ারবিএনবি হলো একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস বা প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে মানুষ তাদের বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, ভিলা বা রুম স্বল্প ও দীর্ঘ সময়ের জন্য পর্যটক বা অতিথিদের কাছে ভাড়া দিতে পারেন এবং অতিথিরা বুকিং করতে পারেন।
ডিবি জানিয়েছে, রাতভর ডিজে পার্টি, মাদক সেবনসহ মাদকের কারবার পরিচালিত হয়-এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভাটারা থানাধীন পুলিশ হাউজিং-১ এর ওই বাড়িতে অভিযান চালায় গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের একটি দল। অভিযানে ২৬ জন নারী ও ৫৮ জন পুরুষকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে মাদকদ্রব্য। আটকদের মধ্যে একজন আফগানিস্তানের নাগরিকও আছেন। এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই বাড়ি থেকে গাঁজা, ইয়াবা, মদ ও কনডম জব্দ করা হয়েছে। ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামও জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনার পর মঙ্গলবার পুলিশের আইজি মো. আলী হোসেন ফকিরের সই করা এক অফিস আদেশে আব্দুল্লাহ আল জহিরকে রিপেয়ার অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স শাখা থেকে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহির বলেন, আমি অনলাইনে বাড়িটি ভাড়া দিয়ে থাকি। কিছু কঠোর নিয়মও আছে। সেখানে কোনো অবৈধ কাজ হয়ে থাকলে তার দায় এড়ানোর সুযোগ নেই আমার। তবে অসৎ উদ্দেশ্যে আমি বাড়ি ভাড়া দিতাম না। দেশ-বিদেশের অনেকেই এ বাড়িটি ভাড়া নেয়। কেউ ভাড়া নিয়ে কোনো অসামাজিক কাজ করতে চাইলে অতীতে সেগুলো প্রতিহত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এবার একটি জন্মদিনের পার্টির কথা বলে বাড়িটি ভাড়া নিয়েছিল। কিন্তু তারা যে এগুলো করবে, মদ আনবে সেটা আমি জানি না।
গ্যাসের দাম ২৫২ টাকা বাড়ার ঘটনাকে ‘খুশির উপলক্ষ’ দেখিয়ে পাঞ্জাবির দামে ছাড়ের বিজ্ঞাপন দিয়েছিল বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান নবীন ফ্যাশন। তবে বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করা দামে অনলাইন বা সরাসরি বিক্রয়কেন্দ্র-কোথাও পাঞ্জাবি পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আদায় করেন অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল।
গ্যাসের দাম বেড়েছে ২৫২ টাকা, সেই দামেই নবীন ফ্যাশনের পাঞ্জাবির অফার। গ্যাসের দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষ অসন্তুষ্ট। এমন পরিস্থিতিতে বিষয়টিকে কেন্দ্র করে খুশির বিজ্ঞাপন দেওয়া আপত্তিকর।
অভিযান শেষে আব্দুল জব্বার মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিজ্ঞাপনে গ্যাসের দাম ২৫২ টাকা বাড়ার বিষয়টিকে খুশির উপলক্ষ হিসেবে তুলে ধরে ২৫২ টাকা বা তার কম দামে পাঞ্জাবি বিক্রির কথা জানিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু অনলাইন ও অফলাইন-কোনো মাধ্যমেই ওই দামে পাঞ্জাবি পাওয়া যায়নি।’
তিনি বলেন, ‘গ্যাসের দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষ অসন্তুষ্ট। এমন পরিস্থিতিতে বিষয়টিকে কেন্দ্র করে খুশির বিজ্ঞাপন দেওয়া আপত্তিকর। ছাড় দেওয়ার বিষয়ে তাদের আপত্তি নেই, তবে প্রতারণামূলক বা চাতুর্যপূর্ণ বিজ্ঞাপন দেওয়ার সুযোগ নেই।’
অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘বিষয়টি নজরে আসার পরপরই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের ওয়েবসাইট থেকে বিজ্ঞাপনটি সরিয়ে নিয়েছে এবং এ জন্য ক্ষমাও চেয়েছে।’
অভিযানের সময় ফার্মগেট আউটলেটের এক কর্মচারী সাংবাদিকদের বলেন, ‘তারা বিষয়টি বুঝতে না পেরে ভুল করেছেন। বিজ্ঞাপনটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না।’
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্টোর বিল্ডিংয়ে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।এদিন দুপুর ২টার দিকে স্টোর বিল্ডিংয়ে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে কয়েক মিনিটের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
তবে বিমানবন্দরের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন আগুন লাগার খবর অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, সেখানে আগুন লাগেনি, বরং ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ধোঁয়ার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।টনার কারণ এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটিতে দুর্গাপূজা ছুটিতে মেট্রোরেল চলাচলের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে কর্তৃপক্ষ। ছুটির দিনগুলোতে যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে নির্ধারিত সময়ে ১০ থেকে ২০ মিনিট বিরতিতে ট্রেন পরিচালনা করা হবে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আহসান উল্লাহ শরিফী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ডিএমটিসিএলের জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, পূজার ছুটির দিনগুলোতে পিক আওয়ারের সময় প্রতি ১০ মিনিট পর পর মেট্রোরেল চলাচল করবে।
সাধারণত মেট্রোরেলের নিয়ম অনুযায়ী: সকাল ৮টা ১০ মিনিট থেকে ১০টা ৩০ মিনিট এবং বিকেল পৌনে ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সময়কে ‘পিক আওয়ার’ হিসেবে ধরা হয়। উল্লেখ্য, স্বাভাবিক কর্মদিবসে পিক আওয়ারে প্রতি ৫-৬ মিনিট পর পর ট্রেন চলাচল করে। অন্যদিকে অফ-পিক আওয়ার বা অন্যান্য সময়ে সাধারণত ৮-১০ মিনিটের ব্যবধানে ট্রেন স্টেশন ছাড়ে।
ডিএমটিসিএলের নিয়মিত সময়সূচি অনুযায়ী শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার: উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে সকাল সাড়ে ৬টায় প্রথম ট্রেন এবং রাত ৯টা ৫০ মিনিটে শেষ ট্রেন ছাড়ে। অন্যদিকে মতিঝিল স্টেশন থেকে প্রথম ট্রেন ছাড়ে সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে এবং শেষ ট্রেন ছাড়ে রাত সাড় ১০টায়। শুক্রবার: সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবারে উত্তরা উত্তর থেকে বিকেল ৩টায় এবং মতিঝিল থেকে বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে প্রথম ট্রেন ছাড়ে। এই দিনে দুই স্টেশন থেকে রাতের শেষ ট্রেন ছাড়ে যথাক্রমে ৯টা ৫০ মিনিট ও রাত ১০টা ৩০ মিনিটে।
ইশরাক হোসেন।
রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের অংশ নেওয়ার ঘটনা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন তিনি।
‘মাদকবিরোধী সংগ্রামের ষোলকলা পূর্ণ করা হবে’ হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, এখন থেকে মাদকের আস্তানাগুলো বাঁশের লাঠি দিয়ে ধ্বংস করবেন। আর পুলিশ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবে, ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাবে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) রাত ৮টা ১৪ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘কিছু নামকরা গণমাধ্যমের নামকরা আইনজীবী প্যানেল দিয়ে আইন এর ধারা স্পষ্ট করে ব্যাখা নেয়ার সামর্থ্য আছে এবং আমার বিশ্বাস তারা সে চর্চা করেও।’
তিনি আরও লেখেন, ‘সব জেনে শুনে বুঝেও তাদের খবরের ধরন দেখে মনে হচ্ছে ঘুন্টিঘরে মাদকের এক্সক্লুসিভ সাপ্লায়ার ছিলো এরা। তাই আমার অভিযানের পর বন্য পশুর মতো আচরণ করছে।’
মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে সমালোচনার জবাবে প্রতিমন্ত্রী লেখেন, ‘ওয়েট অ্যান্ড সি। সব মাদকের আখড়া (যারা হয়তো এই পেপারগুলোকে অর্থায়ন করে) ওগুলা মাটির সাথে মেশানো হবে।’
নিজের অস্ত্র বহনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্যে বৈধ লাইসেন্স করা অস্ত্র ছিলো। এখন থেকে এই আস্তানাগুলো বাঁশের লাঠি দিয়ে ধ্বংস করবো। পুলিশ দাঁড়ায় দাঁড়ায় দেখবে, ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে করে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাবে। মাদকবিরোধী সংগ্রামের ১৬ কলা পূর্ণ করা হবে ইনশাআল্লাহ।’
এর আগে শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশন-সংলগ্ন দয়াগঞ্জ গুমটিঘর রেলগেট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী। তার ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে কয়েকজনকে ধরতে বলছেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে থাকা দেহরক্ষীরাও কয়েকজনকে ধরতে এগিয়ে যান। ভিডিওতে একজনকে গুলি করার হুমকি দিতে শোনা যায়। এ ছাড়া একজন দেহরক্ষীকে এক তরুণকে লাথি মারতেও দেখা যায়।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর প্রশ্ন উঠেছে, মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীরা ব্যক্তিগত অস্ত্র হাতে নিয়ে কাউকে আটক করতে কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতো অভিযান পরিচালনা করতে পারেন কি না।
এদিকে এ ঘটনায় তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনারকে। রোববার ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তদন্তে আইনের ব্যত্যয় পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।