জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অগ্রযাত্রায় ব্যর্থতা পেছনে ফেলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে টিম স্পিরিট নিয়ে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন। তিনি বলেছেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয়কে সাফল্যের নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব।
সোমবার (৩১ আগস্ট) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে পরিসংখ্যান বিভাগের ২১তম ব্যাচের নবীনবরণ, ১৫তম ব্যাচের বিদায় এবং ‘মিডিয়ান ফেস্ট-৪’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ বছরের পথচলার অর্জন, প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তির যথাযথ পরিসংখ্যান নিরূপণের ওপর গুরুত্বারোপ করে উপাচার্য বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাপ্তি ও অধিকারগুলোর যে অংশ এখনো অর্জিত হয়নি, সেগুলোর সঠিক পরিসংখ্যানও শিক্ষার্থীদের বের করতে হবে।”
তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের ব্যর্থতার পরিসংখ্যান ঝেড়ে ফেলে সাফল্যের জন্য টিম স্পিরিট নিয়ে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। তাহলেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আরও এগিয়ে যাবে।”
উপাচার্য আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রার পথে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা সম্ভব হবে না। শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা নিয়ে সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনে এগিয়ে নেওয়া হবে বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর বর্তমান বিশ্বে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব তুলে ধরে অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন বলেন, “তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষতার এ যুগে এআই, মেশিন লার্নিং ও ডেটা সায়েন্সসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কোটি কোটি তথ্য ও উৎস আমাদের সামনে রয়েছে। এসব তথ্য বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনার মাধ্যমে কোনটি যুগোপযোগী, কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য তা নির্ধারণে পরিসংখ্যানের বিকল্প নেই। পরিসংখ্যানের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে বিপুল তথ্যভাণ্ডার থেকে প্রয়োজনীয় ও সঠিক উপাত্ত খুঁজে বের করে জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব।”
নবীন শিক্ষার্থীদের চোখে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে হবে। কর্মজীবনে নিজেদের আরও বিকশিত করে তারা সমাজ ও দেশ প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখবেন। পাশাপাশি নিজেদের কর্মের মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখবেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিসংখ্যান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তারেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দ আলম।
অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে দুজন শিক্ষার্থী তাঁদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। পরে পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আশরাফ-উল-আলম স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ সানোয়ার হোসেন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ শেখ গিয়াস উদ্দিনসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক, নবীন ও বিদায়ী শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
হাওরাঞ্চলের কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন, গবেষণা ও নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) বাস্তবায়িত গবেষণা প্রকল্পের চূড়ান্ত পর্যালোচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
‘ফাইনাল রিভিউ ওয়ার্কশপ অব সিটি ব্যাংক’স এগ্রিকালচারাল রিসার্চ, ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন ইন দ্য অ্যাগ্রো-ইকোলজিক্যাল রিজিয়ন অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পটির অর্থায়ন করেছে সিটি ব্যাংক। তিন বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের আওতায় বাকৃবির গবেষকদের তত্ত্বাবধানে হাওরাঞ্চলের কৃষি নিয়ে মোট ২২টি উপ-প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
বাউরেসের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শামসুল আলম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে সমাপনী কর্মশালায় প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুস সালাম, কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের (কেজিএফ) জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. মো. মনোয়ার করিম খান, সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাশরুর আরেফিন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাউরেসের সাবেক সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাভিদুল হক ভূঁঞা।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাউরেসের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. এম. হাম্মাদুর রহমান। তিনি বলেন, হাওর অঞ্চলের কৃষি, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য, পরিবেশ ও জীবিকার নানা সংকট মোকাবিলার উদ্দ্যেশে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। গবেষণায় জলবায়ু সহনশীল কৃষি উৎপাদন, ফসল বহুমুখীকরণ, রোগ ও পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা এবং কৃষকের আয় বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। প্রকল্পের আওতায় দেশের হাওর বেস্টিত সাত জেলায় ২২ টি গবেষণা পরিচালিত হয়। সম্পূর্ণ প্রকল্পে চার কোটি টাকা অর্থায়ন করে সিটি ব্যাংক।
তিনি আরও বলেন, ২০২৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকল্পটির উদ্বোধনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। পুরো প্রকল্পে বাকৃবির ২২ জন প্রধান গবেষকসহ মোট ৮১ জন গবেষক, ৩৬ জন স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী ও চারজন পিএইচডি ফেলো গবেষণা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। গবেষণার ফল মাঠপর্যায়ে পৌঁছাতে ২১টি কর্মশালা ও ১৩ টি আন্তর্জাতিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্পূর্ণ কার্যক্রমের মাধ্যমে ৯০৪ জন কৃষক সরাসরি উপকৃত হয়েছেন। উপ প্রকল্পসমূহের গবেষণালব্ধ ফলাফলসমূহের মধ্যে ইতোমধ্যে নয়টি ইমপ্যাক্ট জার্নালে ৪৩টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রমে ১২৪টি স্বল্পমেয়াদি কর্মক্ষেত্র সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
প্রকল্পের সফলতা নিয়ে ড. হাম্মাদুর রহমান বলেন, সিটি ব্যাংকের কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) বিনিয়োগের মাধ্যমে কৃষি গবেষণায় অর্থায়নের মাধ্যমে শুরু হয়ে মানবসম্পদ উন্নয়ন, বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও উদ্ভাবন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং কৃষকের সক্ষমতা বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে শেষ পর্যন্ত কৃষকের জীবনযাত্রার মান ও সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা উন্নত করেছে৷ প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষি প্রযুক্তির বাণিজ্যিকীকরণ, শিল্প, শিক্ষা ও সরকারের মধ্যে সমন্বয়, আন্তর্জাতিক জ্ঞান বিনিময়, কৃষককেন্দ্রিক উদ্ভাবন প্ল্যাটফর্ম প্রস্তুত, শক্তিশালী বাজার সংযোগ, কার্যকর পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন এবং ডিজিটাল জ্ঞানভান্ডারের মাধ্যমে গবেষণার ফলাফল, তথ্য-উপাত্ত ও প্রশিক্ষণসামগ্রী সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে।
এসময় বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, দেশের হাওরাঞ্চলের কৃষির উন্নয়নে এত বড় অর্থায়ন করার জন্য সিটি ব্যাংককে ধন্যবাদ জনাই। আমি গবেষকদের অনুরোধ করবো এই ২২ গবেষণা থেকে জনসাধারণের জন্য সমস্যা ভিত্তিক সমাধানগুলো পত্রিকায় লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরেন। আমি বিশ্বাস করি গবেষণা এত সহজ নয়। কিন্তু বাকৃবির গ্রাজুয়েটরা তাদের জ্ঞান, দক্ষতা ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে দেশের খাদ্য উৎপাদন, নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা ও কৃষির উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। খামারির কান্নাকে হাসিতে পরিণত করার জন্য সেইরকম মানসিকতা দিয়ে আমরা শিক্ষার্থীদের তৈরি করি।
দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রকল্পধীন ২২ টি গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন সংশ্লিষ্ট গবেষকবৃন্দ। এরপর গবেষকদের স্মারক ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-কে কটূক্তির প্রতিবাদে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুবিন খান গৌরবের বিরুদ্ধে। তিনি কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
বিক্ষোভ মিছিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন দাবিসংবলিত পোস্টার দেখা যায়। তারা মিছিলে ‘শাতিম মুবিনের ছাত্রত্ব বাতিল করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে’, ‘নবী অবমাননার বিচার চাই, শাতিমের ফাঁসি চাই’ এবং ‘বিশ্বনবীর অপমানে যদি না কাঁদে তোমার মন, মুসলিম না মুনাফিক তুই নবীজির দুশমন’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিক্ষোভে অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থী নাহিদুল ইসলাম বলেন, মুবিন খান গৌরব একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে রাসুল (সাঃ) কে নিয়ে কটূক্তি করেছেন। পরবর্তীতে সে হল থেকে চলে গেছে। আমরা তার উপযুক্ত শাস্তি এবং ছাত্রত্ব বাতিলের দাবিতে আজ প্রক্টরিয়াল কার্যালয়ে এসেছিলাম। কিন্তু আজ আমরা স্যারকে পাইনি। আমরা আগামীকাল আবারও প্রক্টরিয়াল কার্যালয়ে আসব এবং আমাদের দাবি প্রশাসনের কাছে তুলে ধরব।
আরেক শিক্ষার্থী মো. মাহাদী বলেন, শিক্ষার্থী মুনিব খান গৌরব মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছে। এটি আমাদের প্রত্যেক মুসলমানের হৃদয়ে রক্তক্ষরণের কারণ হয়েছে। প্রতিবাদস্বরূপ আমরা বিক্ষোভ মিছিল ডেকেছি। তার বিরুদ্ধে হলের বিভিন্ন নিয়মকানুন ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে বলে আমরা শুনেছি। বর্তমানে তিনি পলাতক।
আন্দোলনকারীরা দাবি জানিয়ে বলেন, আমরা প্রক্টরিয়াল বডির কাছে তার ছাত্রত্ব বাতিলসহ যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। আমরা আইনের প্রতি আস্থাশীল। তাকে খুঁজে বের করে যথাযোগ্য শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলে আশা করি। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়েও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাই।
এদিকে হল সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর পরই হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট উক্ত শিক্ষার্থীকে হল ত্যাগের নির্দেশ প্রদান করেন। নির্দেশ পাওয়ার পর তিনি হল ত্যাগ করেছেন বলেও জানা যায়।
লংকাবাংলা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজ ক্যাম্পাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে লংকাবাংলা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২০০টি ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বিভিন্ন স্থানে এসব চারা রোপণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল হক, লংকাবাংলা ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন ও নতুন উভয় ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে মোট ২০০টি ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সবুজ পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আয়োজকরা জানান, সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে লংকাবাংলা ফাউন্ডেশনের এ ধরনের পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
লংকাবাংলা ফাউন্ডেশনের কুমিল্লা শাখার ব্যবস্থাপক মো. দিদারুল ইসলাম বলেন, “‘ফলজ বৃক্ষ বিতরণ’ স্লোগানকে সামনে রেখে আমরা দেশজুড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালনা করছি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০টি ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।”
কর্মসূচি শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে বাছাই করার জন্য লংকাবাংলা ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানাই। দেশের পরিবেশ সুরক্ষায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘পাঁচ বছরে পাঁচ কোটি বৃক্ষরোপণ’ উদ্যোগেরই একটি অংশ এটি। আশা করি, গাছগুলোর পরিচর্যায় শিক্ষার্থীরা যত্নশীল ভূমিকা রাখবে।”
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।
আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) বঙ্গভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। তিনি রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করেন।
এ সময় উপাচার্য নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও সামগ্রিক অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার বিকাশে নোবিপ্রবির অবদান, বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও তিনি আলোচনা করেন।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী আগামী ২৪ জানুয়ারি ২০২৭ নোবিপ্রবির ৩য় সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেন।
মহামান্য রাষ্ট্রপতির এ সম্মতিতে নোবিপ্রবি পরিবার আনন্দিত ও গর্বিত। তাঁর উপস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩য় সমাবর্তনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ ও স্মরণীয় করে তুলবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) লালন শাহ হলের ৪০২ নম্বর কক্ষে ব্যবহৃত Wi-Fi রাউটারে অননুমোদিত প্রবেশ, নেটওয়ার্কের নাম পরিবর্তন করে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহার, শিক্ষার্থীদের ডিভাইস ব্লক করে ইন্টারনেট ব্যবহারে বাধা এবং অভিযোগ করার পর হুমকি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (৩০ আগস্ট) লালন শাহ হল প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক মো. আব্দুর রাজ্জাকের কাছে লিখিত অভিযোগে দিয়েছেন ৪০২ নম্বর কক্ষের শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগপত্রে শিক্ষার্থীরা জানান, প্রায় ছয় মাস আগে একই Wi-Fi রাউটারে অননুমোদিত প্রবেশ ও সেটিংস পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি অনুসন্ধান ও যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মীমাংসা করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তারা। তবে বর্তমানে একই ধরনের ঘটনা পুনরায় ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
তাদের দাবি, গত এক মাস ধরে কক্ষটির Wi-Fi নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস ধারাবাহিকভাবে ব্লক করা হচ্ছে। পাশাপাশি Wi-Fi-এর নাম পরিবর্তন করে বিভিন্ন অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ ও অপমানজনক শব্দ ও বাক্য ব্যবহার করা হয়েছে। এতে তারা ইন্টারনেট ব্যবহারে বাধার পাশাপাশি মানসিকভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, Wi-Fi ব্যবহার করতে না পারায় তাদের ব্যক্তিগত মোবাইল ডাটা বা ইন্টারনেট প্যাকেজ কিনে প্রয়োজনীয় অনলাইন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। এতে প্রতি মাসে আনুমানিক ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বা তারও বেশি অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে। একই সঙ্গে অনলাইন ক্লাস, শিক্ষক-সহপাঠীদের সঙ্গে যোগাযোগ, একাডেমিক উপকরণ সংগ্রহ, গবেষণা ও অন্যান্য শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ঘটনাটি যাচাই করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে কিছু স্ক্রিনশট ও কারিগরি তথ্য এসেছে। এর মধ্যে Device Name ও MAC Address-সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন। একটি ডিভাইসকে ৪০৩ নম্বর কক্ষে অবস্থানরত শিক্ষার্থী ‘জিতু’র ব্যবহৃত বলে শনাক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
তবে শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট করেছেন, শুধুমাত্র Device Name বা MAC Address-এর ভিত্তিতে তারা কাউকে দায়ী করছেন না। বরং সংশ্লিষ্ট ডিভাইসের মালিকানা, রাউটারের সঙ্গে তার সংযোগ, Access History এবং Wi-Fi-এর সেটিংস পরিবর্তনের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না-তা নিরপেক্ষ প্রযুক্তিগত তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন এবং হলের Wi-Fi ও নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত কারিগরি দায়িত্বে থাকা টেকনিশিয়ান ‘জয়’-এর কাছে থাকা কারিগরি তথ্য, রাউটার-সংক্রান্ত রেকর্ড এবং পূর্ববর্তী ও বর্তমান ঘটনার বিষয়ে তাঁর পর্যবেক্ষণ তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগপত্রে আরো বলা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ ও নিউজ প্রকাশের পর পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ‘সাব্বির’ কর্তৃক হুমকি প্রদর্শনের অভিযোগও তুলেছেন এবং পৃথকভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
এবিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী সাব্বির হুমকির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কাউকে কোন হুমকি দেই নি। তাদের রাউটার কে নিয়ন্ত্রন করছে আমি জানিনা।’
অপরদিকে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী জিতুকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।
এবিষয়ে লালন শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, 'আমি আবাসিক শিক্ষকদের সাথে এ বিষয়ে বসবো এবং অপরাধীদের বের করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। পরবর্তীতে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত সকলের সাথে বসা হবে।'
উৎসবমুখর পরিবেশ ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নাট্যকলা বিভাগ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (TDAA)-এর প্রথম দ্বিবার্ষিক কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন-২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনটির প্রস্তাবিত গঠনতন্ত্র আলোচনা, প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সংযোজনের পর সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দিনব্যাপী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগ প্রাঙ্গণে এ নির্বাচন ও অ্যালামনাই মিলনমেলার আয়োজন করা হয়। এতে সশরীরে উপস্থিত সদস্যদের পাশাপাশি দূরবর্তী সদস্যদের অনলাইন অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়। অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে নির্বাচনে মোট ৮৭ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।
দিনের প্রথম অধিবেশনে উপস্থিত অ্যালামনাই সদস্যদের সামনে নাট্যকলা বিভাগ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তাবিত গঠনতন্ত্র উপস্থাপন করা হয়। এ সময় গঠনতন্ত্রের বিভিন্ন ধারা নিয়ে সদস্যদের মধ্যে উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সদস্যরা বিভিন্ন বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাব তুলে ধরেন এবং আলোচনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সংযোজনের বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয়। পরে গঠনতন্ত্রের বিভিন্ন ধারা নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও আলোচনা শেষে উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে সংগঠনটির গঠনতন্ত্র অনুমোদন লাভ করে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, গঠনতন্ত্র অনুমোদনের মধ্য দিয়ে নাট্যকলা বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এই সংগঠনটি একটি সুসংগঠিত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করার ভিত্তি তৈরি করেছে।
গঠনতন্ত্র অনুমোদনের পর নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ শেষে ভোট গণনা করা হয়। সশরীরে উপস্থিত সদস্যদের পাশাপাশি দূরবর্তী সদস্যদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অনলাইন ভোটের ব্যবস্থাও রাখা হয়। অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে মোট ৮৭ শতাংশ ভোট কাস্ট হওয়াকে সংগঠনটির প্রথম নির্বাচন হিসেবে উল্লেখযোগ্য সাড়া হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করে। এর মধ্য দিয়ে নাট্যকলা বিভাগ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম দ্বিবার্ষিক কার্যনির্বাহী পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
২০২৬-২০২৮ মেয়াদের জন্য নবগঠিত কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মো. আহসান হাবীব। সহ-সভাপতি হয়েছেন মো. সাইফুল ইসলাম শাহীন এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মো. এনামুল হাসান কাওছার। পরিষদের অন্যান্য পদে রয়েছেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিজভী আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মারুফ, অর্থ সম্পাদক মো. আরিফুর ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মুনতাছরিন রহমান মীম, শিল্প ও সংস্কৃতি সম্পাদক জেরিন চাকমা, আইসিটি, প্রচার ও ডকুমেন্টেশন সম্পাদক মিরাজ হোসেন শান্ত এবং গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. ইমাম হোসেন। কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এস এম তাসিন, সৈয়দা কাজরিয়া রহমান প্রথমা ও মো. আলম হোসেন।
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর নবগঠিত কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যরা আহ্বায়ক কমিটির প্রধানের নেতৃত্বে শপথ গ্রহণ করেন। শপথ গ্রহণ শেষে নবনির্বাচিত পরিষদের পক্ষ থেকে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের সকল সাধারণ সদস্য, নির্বাচন কমিশন এবং নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উপকমিটির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে নাট্যকলা পরিবারের মেলবন্ধন আরও সুদৃঢ় করা, অ্যালামনাই সদস্যদের পেশাগত বিকাশে সহযোগিতা করা এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের সার্বিক উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নবনির্বাচিত পরিষদের সদস্যরা।
নবগঠিত পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নাট্যকলা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও জোরদার করা, সদস্যদের পেশাগত অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করা এবং নাট্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে TDAA গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগের সেতুবন্ধন তৈরি এবং বিভাগের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে অ্যালামনাইদের সম্পৃক্ত করাও সংগঠনটির অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে কাজ করবে।
প্রথম দ্বিবার্ষিক নির্বাচন ও গঠনতন্ত্র অনুমোদনের মধ্য দিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন নাট্যকলা বিভাগ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (TDAA) একটি আনুষ্ঠানিক সাংগঠনিক কাঠামোর অধীনে নতুন যাত্রা শুরু করল।