অভিনেত্রী চমক
অভিনেত্রী, মডেল ও ভ্লগার রুকাইয়া জাহান চমক এবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজ ধারণ করে আলোচনায় এসেছেন। নিজের ভ্লগ সিরিজের নতুন পর্বে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও অবদান তুলে ধরতে তাঁর পরিচিত সাজে ক্যামেরার সামনে হাজির হন চমক।
ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে ‘ডিসকভারিং বাংলাদেশ উইথ চমক’ ভ্লগ সিরিজের দ্বিতীয় সিজনের ১৯তম পর্ব প্রকাশ করেন তিনি।
‘বেগম খালেদা জিয়া’ শিরোনামের ওই পর্বের ক্যাপশনে চমক লেখেন, এটি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর গল্প; যাকে তিনি গণতন্ত্রের মা ও দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের আপসহীন নেত্রী হিসেবে উল্লেখ করেন।
ঢাকার জিয়া উদ্যানসহ বিভিন্ন স্থানে ভিডিওটির দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। এতে চমককে হালকা রঙের প্রিন্টের শাড়ি, গলায় মুক্তার মালা ও চোখে সানগ্লাস পরা অবস্থায় দেখা যায়। তাঁর সাজ ও উপস্থাপনায় খালেদা জিয়ার পরিচিত উপস্থিতির ছাপ ফুটে উঠেছে।
ভিডিও প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা। অনেক নেটিজেন চমকের সাজ, অভিব্যক্তি ও উপস্থাপনার প্রশংসা করেছেন।
কেউ মন্তব্য করেছেন, তাঁকে দেখতে অনেকটাই খালেদা জিয়ার মতো লাগছে। আবার কেউ লিখেছেন, এমনভাবে আগে কখনো খালেদা জিয়াকে উপস্থাপন করা হয়নি।
একজন নেটিজেন চমককে ‘প্রতিভাবান শিল্পী’ উল্লেখ করে তাঁর রূপান্তরের প্রশংসা করেছেন। আরেকজনের মন্তব্য, ভিডিওটি দেখে কিছু সময়ের জন্য মনে হয়েছে যেন সত্যিই খালেদা জিয়াকে দেখা যাচ্ছে। এর আগে চলতি বছর কুষ্টিয়ার একটি আসন থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হতে বিএনপির হয়ে মনোনয়ন ফরম কিনে আলোচনায় এসেছিলেন চমক। সে সময় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন।
রুকাইয়া জাহান চমক ২০১৭ সালে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় রানারআপ হওয়ার মাধ্যমে শোবিজে যাত্রা শুরু করেন। এরপর বিরতি নিয়ে ২০২০ সালে ছোট পর্দায় অভিনয়ে পা রাখেন।
অল্প সময়ের মধ্যেই ‘হায়দার’, ‘হাউস নম্বর-৯৬’, ‘মহানগর’, ‘সাদা প্রাইভেট’, ‘অসমাপ্ত’ ও ‘ভাইরাল হ্যাজব্যান্ড’-এর মতো নাটক ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করে দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি বর্তমানে ভ্লগিংয়েও সক্রিয় এই অভিনেত্রী।
আমির খান
কখনো কলেজপড়ুয়া তরুণ, কখনো পেশিবহুল প্রতিশোধপরায়ণ নায়ক, আবার কখনো মধ্যবয়স্ক কুস্তিগির—চরিত্রের প্রয়োজনে নিজেকে আমূল বদলে ফেলতে আমির খানের জুড়ি মেলা ভার। ‘গজনি’, ‘দঙ্গল’ থেকে ‘লাল সিং চাড্ডা’—বারবার শারীরিক পরিবর্তনে দর্শককে চমকে দিয়েছেন বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’।
এবার ৬১ বছর বয়সে আরও বড় চ্যালেঞ্জ নিতে চলেছেন তিনি। পর্দায় তাঁকে দেখা যাবে ২৫ বছরের এক তরুণ ক্রিকেটার হিসেবে! আমিরের পরবর্তী সিনেমা ‘ললকারা’। দীর্ঘ ২৫ বছর পর পরিচালক আশুতোষ গোয়ারিকরের সঙ্গে আবার কাজ করতে চলেছেন তিনি। স্পোর্টস ড্রামা ঘরানার পিরিয়ড ছবিটি তৈরি হবে কিংবদন্তি ভারতীয় ক্রিকেটার লালা অমরনাথের জীবন অবলম্বনে। আর লালা অমরনাথের ভূমিকাতেই দেখা যাবে আমিরকে।
ওজন কমাবেন আমির
ফিল্মফেয়ারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘ললকারা’র প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছেন আমির। চরিত্রটির জন্য বড় ধরনের শারীরিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হবে তাঁকে। এর প্রধান অংশ ওজন কমানো। কারণও আছে। ছবিতে লালা অমরনাথের জীবনের তরুণ বয়সের অধ্যায় তুলে ধরা হবে। ফলে ৬১ বছর বয়সী আমিরকে পর্দায় বিশ্বাসযোগ্যভাবে ২৫ বছরের তরুণ ক্রিকেটার হয়ে উঠতে হবে। বাস্তব বয়সের চেয়ে ৩৬ বছর কম বয়সী চরিত্রে নিজেকে মানিয়ে নেওয়াই এখন তাঁর বড় চ্যালেঞ্জ।
বিশেষ ডায়েট, কঠোর শরীরচর্চা
ছবিসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, শুধু ওজন কমালেই হবে না, আমিরকে নিজের শরীরের গড়নও একজন পেশাদার ক্রিকেটারের মতো করে তুলতে হবে। সে কারণেই বিশেষ ডায়েটের পাশাপাশি কঠোর শরীরচর্চার পরিকল্পনা করেছেন অভিনেতা। ইতিমধ্যে তাঁর ওয়ার্কআউটের ধরনেও পরিবর্তন এসেছে বলে খবর।
আমির অবশ্য চরিত্রের জন্য শরীর নিয়ে এমন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় নতুন নন। ‘গজনি’র জন্য পেশিবহুল শরীর তৈরি করেছিলেন তিনি। আবার ‘দঙ্গল’-এ একই ছবিতে তাঁকে দেখা গেছে অতিরিক্ত ওজনের মধ্যবয়স্ক মহাবীর সিং ফোগাট এবং তুলনামূলক কম বয়সী, ফিট চেহারায়। ‘লাল সিং চাড্ডা’তেও চরিত্রের বিভিন্ন বয়স ফুটিয়ে তুলতে চেহারা ও শারীরিক গড়নে পরিবর্তন এনেছিলেন।
‘ললকারা’য় চ্যালেঞ্জটা অবশ্য অন্য রকম। শুধু তরুণ দেখালেই হবে না, তাঁকে পর্দায় একজন ক্রিকেটার হিসেবেও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠতে হবে।
ক্রিকেটও শিখতে হবে নতুন করে
ছবিটি যেহেতু লালা অমরনাথের জীবন নিয়ে, তাই শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি কিংবদন্তি ক্রিকেটারের শরীরী ভাষা, মাঠে চলাফেরা, ব্যাটিংয়ের ধরনসহ খেলার নানা সূক্ষ্ম দিকও রপ্ত করতে হবে আমিরকে।
ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ নাম লালা অমরনাথ। তাঁর জীবন ও ক্রিকেট ক্যারিয়ারের বিভিন্ন অধ্যায়ই ‘ললকারা’র গল্পের ভিত্তি। ফলে চরিত্রটিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে আমিরের প্রস্তুতিতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
২৫ বছর পর আশুতোষ–আমির
‘ললকারা’র আরেকটি বড় আকর্ষণ আমির খান ও আশুতোষ গোয়ারিকরের পুনর্মিলন। তাঁদের সম্পর্ক অবশ্য আরও পুরোনো। ১৯৯৫ সালের ‘বাজি’তে আশুতোষের পরিচালনায় অভিনয় করেছিলেন আমির। এরপর ২০০১ সালে আসে ‘লগান’। আমির অভিনীত ও প্রযোজিত ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন আশুতোষ।
‘লগান’ শুধু বক্স অফিসে সাফল্যই পায়নি, ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে আলাদা জায়গা করে নেয়। সেরা বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে অস্কারের মনোনয়নও পেয়েছিল ছবিটি। সেই ছবির ২৫ বছর পর আবার পরিচালক-অভিনেতা হিসেবে একসঙ্গে কাজ করতে চলেছেন আশুতোষ ও আমির।
মজার ব্যাপার হলো, ‘লগান’-এর গল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশজুড়েও ছিল ক্রিকেট। এবারও তাঁদের পুনর্মিলনের কেন্দ্রে ক্রিকেট—তবে কাল্পনিক চরিত্র নয়, বাস্তবের কিংবদন্তি লালা অমরনাথ।
ফারহানের জায়গায় সিদ্ধান্ত
‘ললকারা’য় আমিরের সঙ্গে ফারহান আখতারের অভিনয়ের কথা ছিল। তবে পরে ছবিটি থেকে সরে দাঁড়ান ফারহান। তাঁর পরিবর্তে যুক্ত হয়েছেন অভিনেতা সিদ্ধান্ত গুপ্তা।
এখন অবশ্য ছবিটির গল্পের পাশাপাশি আগ্রহের বড় জায়গা আমিরের রূপান্তর। ৬১ বছর বয়সী অভিনেতা কীভাবে নিজেকে ২৫ বছরের ক্রিকেটার হিসেবে পর্দায় হাজির করেন, সেটিই দেখার অপেক্ষা।
বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। ২০০১ সালে ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেকের পর একাধিক জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।
এবার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের একটি অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। জানিয়েছেন, ‘তুমসা নেহি দেখা’ সিনেমার একটি গানের শুটিং তাঁকে নিজের শরীর নিয়ে আরও আত্মবিশ্বাসী ও স্বচ্ছন্দ হতে সাহায্য করেছিল।
‘জুম স্পটলাইট সেশনস’-এ অংশ নিয়ে দিয়া জানান, ২০০৪ সালে সিনেমাটির কাজের সময় নিজের শরীর নিয়ে নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যবোধ এবং শক্তিশালী অনুভব করতে শিখেছিলেন তিনি।
দিয়া বলেন, ‘আমার মনে আছে, বৈভবী মার্চেন্ট আমাদের একটি গান শুট করেছিলেন। প্রযোজকদের কাছে আমার একমাত্র কথা ছিল, গানটিতে আমাকে এমন পোশাক পরতে হবে, যাতে শরীরের অনেকটা অংশ অনাবৃত থাকবে। তাই আমি চেয়েছিলাম, পুরো বিষয়টিতে যেন আমি স্বচ্ছন্দ বোধ করি।’
গানটির শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে দিয়া জানান, সেখানে প্রায় ৫০০ জনের একটি দল ছিল, যাদের সবাই ছিলেন পুরুষ। পাশাপাশি প্রায় ২০০ সদস্যের শুটিং ক্রুও ছিল, যাদের অধিকাংশই ছিলেন পুরুষ। তবে এত মানুষের উপস্থিতির মধ্যেও নিজেকে অস্বস্তিকর কিংবা কোনো বস্তু হিসেবে মনে হয়নি দিয়ার। বরং অভিজ্ঞতাটি তাঁর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল।
দিয়ার ভাষায়, ‘এই গান থেকে আমি এমন কিছু পেয়েছিলাম, যা আমার অন্য কোনো সিনেমা হয়তো আমাকে দিতে পারেনি। আমি বুঝেছিলাম, পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি আমাকে পুরোপুরি প্রভাবিত না করেও আমি নিজের নারীত্ব, সৌন্দর্য ও আত্মবিশ্বাস উদ্যাপন করতে পারি।’
অভিনেত্রীর মতে, পুরো অভিজ্ঞতাটিই ছিল তাঁর জন্য ভিন্ন। তিনি বলেন, ‘মহেশ ভাট, অনুরাগ, ইমরান এবং সেখানে থাকা সবাই আমাকে বুঝতে সাহায্য করেছিলেন যে বিষয়টি সবসময় শুধু সেটুকু নয়, এর চেয়ে অনেক বেশি কিছু।’
দিয়া জানান, ‘তুমসা নেহি দেখা’ সিনেমাটি প্রথমে পরিচালনা করেছিলেন অনুরাগ বসু। পরে সিনেমাটির কাজ শেষ করেন মোহিত সুরি। সিনেমাটির প্রযোজনায় ছিলেন মহেশ ভাট ও মুকেশ ভাট।
২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটিতে দিয়ার বিপরীতে অভিনয় করেন ইমরান হাশমি। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে ছিলেন অনুপম খের, শরৎ সাক্সেনা ও অতুল পারচুরে।
বর্তমানে দিয়া মির্জাকে সর্বশেষ দেখা গেছে নেটফ্লিক্সের ‘অপারেশন সফেদ সাগর’ সিনেমায়। সূত্র: এনডিটিভি
সংগৃহীত ছবি
ছেলের হত্যার বিচার চেয়ে এবার সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী মুখ খুললেন খল অভিনেতা ডিপজল, ডলি জহুর ও চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির বর্তমান সভাপতি আরেক খল অভিনেতা শিবা শানুকে নিয়ে। ১০ আগস্ট শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক হন খল অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডন হক। তিনি সালমান শাহ হত্যার আসামি। শোনা যায়, তাঁকে ধরিয়ে দিতে সহায়তা করেন আরেক খল অভিনেতা ডিপজল।
ডিপজলের সঙ্গে নীলা চৌধুরীর কথা না হলেও তিনি বললেন, ‘ডিপজলকেও ডাকা দরকার।’ কেন ডাকা দরকার? এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘এই মামলায় ডিপজলকে সাক্ষীর জন্য ডাকা দরকার। কারণ, সে ফিল্মের মানুষ অনেক কিছু জানে বলেই তো ধরিয়ে দিয়েছে। সে (ডন) যে দেশ ছাড়ছে, সেটা তো সে জানত। অপরাধী মনে না করলে তো সে ধরিয়ে দিত না।’
এই সময় নীলা চৌধুরী আরও বলেন, ‘ইমনকে (সালমান শাহ) যখন হত্যা করা হয়, তখন তো ডিপজলরা নিয়মিত কাজ করছিলেন। সিনেমার অনেক ঘটনাই তো তাদের জানা ছিল। সে তো আগের পরের অনেক কিছুই জানতে পারে। যে কারণে ভালো-মন্দ যা-ই হোক সে কিছু জানতে পারে। আমার প্রশ্ন, যদি কিছু জেনে থাকে, তাহলে সেটা সাক্ষী হয়ে কথা বলুক। এটা তো মামলার জন্য সহায়তা করা হয়। যে কারণে আমি মনে করি তাকে সাক্ষী হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদ করার দরকার।’ এ সময় ডিপজলকে ধন্যবাদও দেন নীলা চৌধুরী।
সালমান শাহর মা মনে করেন, এ মামলায় আরও অনেককেই জিজ্ঞাসাবাদ করা যায়। যারা এই ঘটনা সম্পর্কে কাছ থেকে অনেক কিছু জানে। তিনি বলেন, ‘যেদিন ইমনকে হত্যা করা হয়, সেদিন ডলি জহুরও তো ঘটনা সম্পর্কে অনেক কিছু জানত। ওই দিন কী কী হয়েছিল, সেই সম্পর্কে বিভিন্ন সময় ডলি জহুর গণমাধ্যমে কথা বলেছে। তাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার। সামিরার সঙ্গে তার কতটা যোগাযোগ ছিল, বের করা দরকার। ডলি জহুর, বাদল খন্দকার-এরা অনেক কিছু জানে। তাদের সত্যটা প্রকাশ করা। প্রয়োজন মনে করলে এদের মধ্যেও কাউকে আমি আসামিও করতে পারি। ডলি জহুর আসামী হতে পারে। এদের অনেকেই সালমান শাহকে বিরক্ত করেছে।’
এ ছাড়া গত মাসে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন খল অভিনেতা ডন। ‘একজন হত্যা মামলার আসামি কীভাবে এফডিসিতে এসে ভোট দেয়। তাকে অনেকেই সহায়তা করছে। এদের ধরতে হবে,’ বলেন নীলা।
এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘শিবা শানুরা ডনকে বরণ করে নিয়েছিল। এখানে ডনকে প্রশ্রয় দিচ্ছে কারা? যেখানে ডনকে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া উচিত ছিল, সেখানে এফডিসির নির্বাচনে ডনকে বরণ করে নেওয়াটা বোঝায় এদের ছত্রচ্ছায়ায় ডন থাকত।’
এদিকে ডনকে গ্রেপ্তারের পর সালমান শাহর মামা কুমকুমকেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানালেন নীলা চৌধুরী। সালমান শাহর হত্যার বিচারের দাবিতে সালমান শাহর ভক্তরা এক হয়েছিলেন। সেখানে হুমকির কথা জানান কুমকুম।
নীলা চৌধুরী বলেন, ‘আমার ভাইকে তো বহু দিন ধরে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সেটা এখন আবার বাড়ছে। অন্যদিকে সালমানের ভক্তদেরও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সেগুলোর স্ক্রিনশট আমার কাছে আছে। এসব হুমকি দিয়ে কোনো কিছু থামানো যাবে না। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত এই হত্যার বিচার করতে হবে।’
এদিকে গত শনিবার সালমান শাহ ভক্ত ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে মানববন্ধন করা হয়েছে। ভক্তদের দাবি দ্রুত বিচারপ্রক্রিয়া শেষ করা। এ দাবি আদায়ের জন্য ৬৪ জেলার ভক্তরা প্রেসক্লাবের সামনে এক হয়েছিলেন।
এই উদ্যোগের অন্যতম সমন্বয়ক সাজিদ কামাল বলেন, ‘আমাদের চাওয়া ডনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। তাহলে আরও তথ্য বেরিয়ে আসবে। এ ছাড়া হত্যা মামলার আসামি সামিরা এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। তাকেসহ অন্য আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সাজা দিতে হবে। তা না হলে আমরা শিগগির দেশের ৬৪ জেলায় সালমান শাহ ভক্তরা আবার মানববন্ধন করব। এ হত্যাকাণ্ডের বিচার হতেই হবে।’
সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর গত বছর আদালতে হত্যা মামলা করা হয়। মামলায় সালমানের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, খল চরিত্রের অভিনেতা ডন হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়।
অন্য আসামিরা হলেন সামিরার মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।
ইলিয়াস কাঞ্চন
চিত্রনায়ক ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ ইলিয়াস কাঞ্চন ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত। দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিয়ে তিনি দেশে ফিরেছিলেন গেল মাসে। প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে আবারও পাড়ি দিয়েছেন লন্ডনে। সেখানে শুরু হয়েছে তার চিকিৎসা।
সম্প্রতি দেশে ফিরে তিনি গিয়েছিলেন তার পৈতৃক ভিটাতে। ইলিয়াস কাঞ্চনের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানার আশুতিয়াপাড়ায়। সেখানে তার অনেক সম্পত্তি ছিলো। সম্প্রতি ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে সেইসব সম্পত্তি বিক্রি করে রেজিস্ট্রি করে এসেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে দাবি করছেন ইলিয়াস কাঞ্চন তার গ্রামের সব সম্পত্তি দরিদ্র মানুষদের দান করেছেন। তবে এর কোনো সত্যতা মেলেনি। বিষয়টি সামনে এনে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন ইলিয়াস কাঞ্চনের গ্রামের প্রতিবেশী আলী সুজন। তিনি একজন নাট্য নির্মাতাও।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্যকে ভুল বলে দাবি করে আলী সুজন যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন।
ফেসবুকে দেয়া স্ট্যাটাসে আলী সুজন দাবি করেন, অসুস্থতার কারণে কিছুদিন আগে ইলিয়াস কাঞ্চন তার গ্রামের বাড়ির সম্পত্তির কিছু অংশ বিক্রি করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইলিয়াস কাঞ্চনের প্রতিষ্ঠিত জানেজাহান মাদ্রাসার জায়গাটি মাদ্রাসার নামে দান করা হয়েছে।
তবে গ্রামের বাড়ির সব সম্পত্তি দরিদ্র মানুষের মধ্যে দান করে দিয়েছেন- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন যে তথ্য ছড়িয়েছে, সেটি সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন আলী সুজন।
স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘আমার জানা মতে, ওনার জানেজাহান মাদ্রাসার জায়গাটা মাদ্রাসার নামে দান করেছেন। আর বাদবাকি সম্পত্তি বিক্রি করেছেন। অনেকে সঠিক তথ্য না জেনে নিউজ করছেন যে, ওনার গ্রামের বাড়ির সব সম্পত্তি গরিব মানুষদেরকে দান করেছেন। এ তথ্যটি ভুল।’
আলী সুজন আরও বলেন, একজন সম্মানিত ব্যক্তিকে নিয়ে তথ্য যাচাই না করে সংবাদ প্রকাশ করা উচিত নয়। শুধু নিজের পেজের অনুসারী ও ভিউ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এ ধরনের খবর প্রকাশ না করার আহ্বানও জানান তিনি।
নগর বাউল জেমস
ইতালির রোমে কনসার্টে অংশ নিতে গিয়ে হোটেলের কক্ষ নোংরা ও বিশৃঙ্খল অবস্থায় রেখে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় রকস্টার নগর বাউল জেমস ও তার সফরসঙ্গীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই হোটেল রুম পরিচ্ছন্নতার জন্য ন্যূনতম ২০০ ইউরো পরিশোধ করতে হবে বলে জানিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, গত ১৬ আগস্ট রোমের একটি কনসার্টে অংশ নিতে গিয়ে জেমস ও তার সফরসঙ্গীরা বেস্ট ওয়েস্টার্ন হোটেলের একটি অ্যাপার্টমেন্টে অবস্থান করেন। চেক-আউটের পর কক্ষটির কিছু ছবি এবং হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আয়োজক প্রতিনিধির কথোপকথনের স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভাইরাল হওয়া স্ক্রিনশটে দেখা যায়, হোটেল ম্যানেজমেন্ট আয়োজক প্রতিনিধি মোয়াজকে পাঠানো বার্তায় কক্ষটির অবস্থা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। হোটেল কর্তৃপক্ষের পাঠানো ছবিতে মেঝেতে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের পানির বোতলসহ বিভিন্ন আবর্জনা, ডাইনিং টেবিলে ব্যবহৃত প্লেট, পলিথিন ব্যাগ ও খাবারের উচ্ছিষ্ট দেখা যায়।
এ ছাড়া রান্নাঘরের সিঙ্কে নোংরা থালা-বাসনের ওপর কাঁচা ডিম পড়ে থাকতে দেখা যায়। কক্ষের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন জিনিস ও আবর্জনার স্তূপ দেখা গেছে।
হোটেল ম্যানেজমেন্টের বার্তায় বলা হয়, ‘শুভ সকাল মোয়াজ, এগুলো সেই অতিথিদের অ্যাপার্টমেন্ট, যারা আজ সকালে সুবিধাটি ছেড়ে গেছে... আমরা কোনো মন্তব্য করব না, তবে আপনার দ্রুত প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় থাকব।’
বার্তায় আরও বলা হয়, ভবিষ্যতে ওই হোটেলের সুবিধা ব্যবহার করতে চাইলে চূড়ান্ত পরিচ্ছন্নতার জন্য ন্যূনতম ২০০ ইউরো পরিশোধ করতে হবে।
হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতার এই অর্থ পরিশোধ না করলে ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট আয়োজক বা অতিথিদের সেখানে কক্ষ দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।
এদিকে, রোমের ওই কনসার্টকে ঘিরে আয়োজক পক্ষ থেকে জেমসের ম্যানেজার রবিনের বিরুদ্ধেও প্রতারণার অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য বা এর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও স্ক্রিনশটের ভিত্তিতে অভিযোগগুলো সামনে এসেছে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে এখনো জেমস, তার ম্যানেজার বা সফরসঙ্গীদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংগীতশিল্পী একন
তিনজন শ্রোতার সামনে এক ঘণ্টা গান গেয়ে এক মিলিয়ন ডলার পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন মার্কিন সংগীতশিল্পী একন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ১২ কোটি টাকারও বেশি। সম্প্রতি ‘ফ্ল্যাগর্যান্ট’ পডকাস্টে ক্যারিয়ারের এই অদ্ভুত কনসার্টের অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যের একটি ধনী পরিবারের ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে গিয়েছিলেন একন। পরিবারের এক মেয়ে তার ভীষণ ভক্ত হওয়ায় মূলত তার আবদারেই আয়োজন করা হয়েছিল কনসার্টটির। তবে আয়োজনের ব্যাপকতা দেখে একনও ধারণা করেছিলেন, সেখানে বড় সংখ্যক দর্শক-শ্রোতা উপস্থিত থাকবেন।
কনসার্টে একনের পুরো ট্যুরিং দলও উপস্থিত ছিল। সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার, লাইটিং টিম, রোড ম্যানেজার ও বিজনেস ম্যানেজারসহ তার দলের সদস্যদের জন্যও ছিল প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠানে শ্রোতা ছিলেন মাত্র তিনজন।
একন জানান, ওই পরিবারের মেয়েটির বিশেষ অনুরোধে তাকে পুরো এক ঘণ্টা নিজের জনপ্রিয় গান ‘মিস্টার লোনলি’ বারবার গাইতে হয়েছিল। এত বড় আয়োজনের বিপরীতে মাত্র তিনজনের সামনে গান গাওয়ার অভিজ্ঞতাকে ক্যারিয়ারের অন্যতম অদ্ভুত কনসার্ট হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি।
অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য একনের জন্য পাঠানো হয়েছিল বিশেষ একটি ৭৪৭ উড়োজাহাজ। একনের ভাষ্য, উড়োজাহাজটিতে ছিল শোবার ঘর, শাওয়ার, গেম রুম ও থিয়েটার। এত বড় আয়োজন দেখে তিনি ভেবেছিলেন, অনুষ্ঠানে নিশ্চয়ই অনেক দর্শক থাকবেন।
কিন্তু মঞ্চে যাওয়ার পর একনের সেই ধারণা বদলে যায়। বিশাল একটি হলের মধ্য দিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ছিল বিশাল মঞ্চ, এলইডি লাইট, লেজারসহ নানা আয়োজন। অথচ দর্শকদের জন্য রাখা হয়েছিল মাত্র তিনটি চেয়ার।
একন বলেন, ‘তারা আমাকে বিশাল একটি হলের মধ্য দিয়ে নিয়ে গেল। সেখানে ছিল শুধু তিনটি চেয়ার, বিশাল মঞ্চ, এলইডি লাইট, লেজার এবং সবকিছু। আমি মঞ্চের পাশে বসে আমার দর্শকদের জন্য অপেক্ষা করছিলাম।’
এরপর সেখানে আসেন পরিবারের তিন সদস্য—মেয়ে, ছেলে ও স্ত্রী। একনের ভাষায়, মেয়েটি তার ভক্ত হওয়ায় বেশ উচ্ছ্বসিত ছিলেন। এরপর নিজের নির্ধারিত পরিবেশনা শুরু করেন একন।
কিন্তু অনুষ্ঠানের মাঝপথে মেয়েটি একনকে থামিয়ে দেন। একন জানতে চান, সবকিছু ঠিক আছে কি না। তখন মেয়েটি তার জনপ্রিয় গান ‘মিস্টার লোনলি’ শুনতে চান। একন বলেন, ‘সে বলল, “আমি ‘মিস্টার লোনলি’ শুনতে চাই।” আমি বললাম, “এটাই?” সে বলল, “হ্যাঁ, আগে এটা গাইতে পারেন?”’
একন গানটি গাওয়ার পর মেয়েটি আবারও একই গান শুনতে চান। গান শেষ হওয়ার পর আবারও অনুরোধ আসে। এভাবে পুরো এক ঘণ্টা তাকে শুধু ‘মিস্টার লোনলি’ গানটিই গাইতে হয়েছে বলে জানান একন। তিনি বলেন, ‘গান শেষ হলো, আর সে বলল, “আহা, আবার!” পুরো এক ঘণ্টা। আমরা শুধু সেটাই গেয়েছি।’
ঘটনাটি বলতে গিয়ে একন মজা করে বলেন, তাকে অনেকটা সিডি প্লেয়ারের মতো ব্যবহার করা হচ্ছিল। তার পুরো ট্যুরিং দল, সাউন্ড ও লাইটিংয়ের লোকজনসহ সবাই ভেবেছিলেন, এটি বড় একটি কনসার্ট। অথচ শেষ পর্যন্ত তিনজন দর্শকের সামনে একই গান বারবার গেয়েছেন তিনি।
এত বড় আয়োজনের খরচের কথাও জানিয়েছেন একন। তার মতে, তার পারিশ্রমিক ও মঞ্চের আয়োজন মিলিয়ে পুরো অনুষ্ঠানে প্রায় ৫০ লাখ ডলার খরচ হয়েছিল।
পরে পুরো ঘটনা নিয়ে রসিকতা করেন একন। তার মনে হয়েছিল, আগে থেকে যদি তাকে অনুষ্ঠানের ধরন সম্পর্কে বলা হতো, তাহলে এত বড় আয়োজনের প্রয়োজন হতো না। তিনি বলেন, ‘আমি মনে মনে ভাবছিলাম, তারা যদি আগে আমাকে সবকিছু বলে দিত, আমি তাদের এত টাকা বাঁচিয়ে দিতে পারতাম। অর্ধেক টাকা নিয়েই তাদের বসার ঘরে গিয়ে এক ঘণ্টা কারাওকে করতে পারতাম।’ তার কথা শুনে পডকাস্টের সবাই হাসতে থাকেন।
২০০৪ সালে প্রথম অ্যালবাম ‘ট্রাবল’ প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক সংগীতাঙ্গনে পরিচিতি পান সেনেগালিজ-আমেরিকান সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও প্রযোজক একন। এই অ্যালবামের ‘লকড আপ’ ও ‘লোনলি’ গান তাকে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় করে তোলে। পরে ‘স্ম্যাক দ্যাট’, ‘আই ওয়ানা লাভ ইউ’, ‘ডোন্ট ম্যাটার’, ‘বিউটিফুল’ ও ‘রাইট নাউ (না না না)’–সহ একাধিক জনপ্রিয় গান উপহার দেন একন। সংগীতের পাশাপাশি প্রযোজক ও উদ্যোক্তা হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।