গাজীপুর জেলা শাখা আয়োজিত ‘গাজীপুর ওলামা সামিটে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৩৩ পিএম

শ্রমিকের বেদনা ও কষ্টের ওপর দাঁড়ানো কোনো অর্থনীতি টেকসই হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই। 


তিনি বলেছেন, পোশাকশ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি নির্ধারণে ইনসাফ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে মানসম্মত জীবনযাপনের উপযোগী মজুরি নির্ধারণ করতে হবে। রোববার (৮ নভেম্বর) গাজীপুর চৌরাস্তা কেন্দ্রীয় ঈদগাহে জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের গাজীপুর জেলা শাখা আয়োজিত ‘গাজীপুর ওলামা সামিটে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, উৎপাদনের প্রধান শক্তি শ্রমিক। শ্রমিকের শ্রম ও ঘামেই পণ্য তৈরি হয়। আধুনিক অর্থনীতির হিসাবেও শ্রমিক শ্রেণিকে নিষ্পেষণ করলে তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমে যায় এবং সামগ্রিক অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়ে। ইসলাম শ্রমিকের শরীরের ঘাম শুকানোর আগেই তার পারিশ্রমিক পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে। মালিকের সমমানের জীবনযাপনের উপযোগী পারিশ্রমিক দেওয়ার কথাও বলেছে। যাদের শ্রম ও কষ্টে সম্পদ তৈরি হয়, তাদের ওপর জুলুম করে কোনো অর্থনীতি টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পোশাক খাতের শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে শুধু মালিকপক্ষের স্বার্থ নয়, শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান ও ন্যায্যতার বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে।


পোশাকশ্রমিকদের জীবনযাত্রার দুরবস্থার কথা তুলে ধরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির বলেন, শ্রমিকরা যে বেতন-ভাতা পান, তা দিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন। দুই মাসেও অনেকে মাছ-মাংস খেতে পারছেন না। কেউ কেউ মাছ-মাংসের গন্ধও ভুলে গেছেন বলে গণমাধ্যমে জানাচ্ছেন। অথচ এসব শ্রমিকের শ্রমের ওপরই দেশের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে। তাই সরকারকে শুধু ব্যবসা ও মালিকপক্ষের স্বার্থ বিবেচনা না করে খেটে খাওয়া মানুষের কথাও ভাবতে হবে।


তিনি বলেন, পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের প্রকৃত মুক্তি নেই। মানুষের মুক্তির একমাত্র সমাধান ইসলাম। ইসলামকে রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তারা আন্দোলন-সংগ্রাম করছেন। সমাজ সংস্কারে উলামায়ে কেরামকে এগিয়ে আসতে হবে।


সামিটে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা গাজী আল মাহমুদ। 




  • প্রকাশ : রবিবার ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৫০ পিএম

শহীদের রক্ত মাটিতে শুকাতে না শুকাতেই শেখ হাসিনা হিন্দুস্তান থেকে দেশে ফেরার আওয়াজ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে আসতে পারেন, তবে তার প্রতিটি হত্যার বিচার হবে। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার যে অঙ্গীকার গণতান্ত্রিক আন্দোলনে করা হয়েছে, তা নিশ্চিত করা হবে। রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আয়োজনে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রিজভী।


শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, ‘উনি নাকি চলে আসবেন ডিসেম্বরে। তাহলে আবু সাঈদদের শহীদ করলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে হেলিকপ্টার থেকে গুলি করালেন, এই অপরাধ, এই পাপ, এই হত্যার কি বিচার হবে না? মাঝে মাঝে আওয়াজ দিচ্ছেন, হিন্দুস্তান থেকে নেমে পড়বেন? কোথায় নামবেন? প্যারাশুটে নামবেন, না হেলিকপ্টারে? ঢাকায় নামবেন, না গোপালগঞ্জে? একটু বলে দিন?’


২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদের পর আবারও জনগণকে জেগে উঠতে হয়েছে। ১৯৭২-৭৩ সালে যিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তার কন্যা শেখ হাসিনা ভয়াবহ দুঃশাসন চালু করেছিলেন। রাষ্ট্রের চরিত্র হয়ে উঠেছিল গুম, খুন ও গুপ্তহত্যা। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গুম করা হয়েছে, হত্যা করা হয়েছে। তরুণ ও শ্রমিকদের ক্রসফায়ারে দেওয়া হয়েছে। রিজভী বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে আবারও ছাত্র, তরুণ, শ্রমিক, রিকশাচালকসহ সাধারণ মানুষ নিজেদের রক্ত দিয়ে তার পতন ঘটিয়েছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পেছনের প্রেরণা ছিল ৭ নভেম্বর। ৭ নভেম্বর মানুষ যেভাবে জেগে উঠেছিল, একইভাবে ১৯৯০ সালে এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়েও মানুষ জেগে উঠেছিল। 


তিনি বলেন, এ দেশের জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রত্যেকেই ৭ নভেম্বরের চেতনা নিয়ে এখনো জেগে আছেন, অতন্দ্র প্রহরীর মতো সতর্ক আছেন। এ দেশকে কারও সেবাদাস হতে দেওয়া যাবে না। 


বিএনপির রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির রাজনীতি সহজ-সরল পথের রাজনীতি, সিরাতুল মুস্তাকিমের রাজনীতি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাদের অঙ্গীকার কখনো ভঙ্গ করেননি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসেননি। তবে কিছু রাজনৈতিক দল ইসলামের নামে রাজনীতি করলেও কথায় কথায় প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে।



বিএনপি

  • প্রকাশ : রবিবার ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:২০ এএম

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালামকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। এর আগে কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন রফিকুল আলম মজনু।


আজ রোববার সকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটি পুনর্গঠনের কথা জানানো হয়। দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে চারজনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।


নতুন কমিটিতে আবদুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েলকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, আ ন ম সাইফুল ইসলামকে যুগ্ম আহ্বায়ক এবং তানভীর আহমেদ রবিনকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম ও তানভীর আহমেদ রবিন আগের কমিটিতেও একই পদে ছিলেন।


২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর রফিকুল আলম মজনুকে আহ্বায়ক ও তানভীর আহমেদ রবিনকে সদস্যসচিব করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির ৬১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। ওই কমিটিতে ১৩ জন যুগ্ম আহ্বায়ক ও ৪৬ জন সদস্য ছিলেন।


এরও আগে ২০২৪ সালের ৭ জুলাই রফিকুল আলম মজনুকে আহ্বায়ক ও তানভীর আহমেদ রবিনকে সদস্যসচিব করে দুই সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করেছিল বিএনপি। ওই বছরের ১৩ জুন আবদুস সালামের নেতৃত্বাধীন আগের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছিল। সে কমিটিতে সদস্যসচিব ছিলেন রফিকুল আলম মজনু। ফলে নতুন কমিটি পুনর্গঠনের মাধ্যমে আবদুস সালাম আবার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব পেলেন।


এদিকে চলতি মাসের ১ নভেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে আহ্বায়ক এবং ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনকে সদস্যসচিব করা হয়। এর আগে আমিনুল হক ও মোস্তফা জামানের নেতৃত্বাধীন মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছিল।


ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির নতুন কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে রাজধানীর দুই সাংগঠনিক শাখার নেতৃত্বে পরিবর্তন এল। দুই সিটি করপোরেশনের বর্তমান প্রশাসকই এখন নিজ নিজ মহানগর বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন।


নাহিদ ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:২০ পিএম

এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এমপি বলেছেন, "ডিসেম্বরে কোনো আপার এই দেশে আসার আর কোনো সুযোগ নেই। আর যদি আসেন, তবে তাঁর জন্য ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত রয়েছে, ইনশাআল্লাহ।"


শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) 'জাতীয় ছাত্রশক্তি' কর্তৃক আয়োজিত ২০২৫-২৬ সেশনের নবীনবরণ ও "জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভাবনা" শীর্ষক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে তিনি এসব কথা বলেন।




বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা এখনো ঘুমিয়ে পড়েনি, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও ঘুমিয়ে পড়েনি—আপনাদেরকে সেটার প্রমাণ দিতে হবে।"


শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "আপনারা শুধু 'নোয়াখালী বিভাগ চাই' বলে আন্দোলন করবেন না। আপনারা পুরো দেশ নিয়ে ভাববেন, পুরো বিশ্ব নিয়ে ভাববেন—এর নামই বিশ্ববিদ্যালয়।"


৭ই নভেম্বর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "৭ই নভেম্বরকে আমরা ধারণ করি। ৭ই নভেম্বর বিপ্লব, কিন্তু জুলাই গণ-অভ্যুত্থান কি বিপ্লব নয়? বর্তমান সরকার যা তাদের পক্ষে যায়, সেটাকে বিপ্লব বলে; আর যা তাদের পক্ষে যায় না বা যেটিতে তাদের নেতৃত্ব ছিল না, সেটাকে তারা বিপ্লব না বলে কেবল আন্দোলন বা গণ-অভ্যুত্থান হিসেবে আখ্যা দেয়।"


উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক হান্নান মাসউদ, এমপি, যুগ্ম আহ্বায়ক নিজাম উদ্দিন, জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি আবু বাকের মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক তাহমিদ আল মুদ্দাসসীর চৌধুরীসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।



বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:২২ পিএম

পঞ্চগড়ে বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার  বিকেলে সরকারি অডিটোরিয়াম চত্বর থেকে এ উপলক্ষ্যে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শের-ই-বাংলা পার্ক চত্বরে শেষ হয়।

পরে মুক্ত মঞ্চে আলোচনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ফরহাদ হোসেন আজাদ।

এসময় জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির যুগ্ন আহাবায়ক এম এ মজিদ, জেলা দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ও জেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল, আদম সুফী উপস্থিত ছিলেন।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় পাঁচ উপজেলা থেকে আগত বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মী ও জেলা বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:১৬ পিএম

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মির্জা ফয়সল আমীন বলেছেন, বাংলাদেশকে নিয়ে আবারও ষড়যন্ত্র হচ্ছে। সরকার যখন একটি স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, তখন একটি মহল ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশকে পেছনের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এ ষড়যন্ত্র যেন সফল না হয়, সে জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।


শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


মির্জা ফয়সল আমীন বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশ থেকে যেন দেশ ছিটকে না পড়ে এবং গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।




তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের এই দিনটিকে একটি গোষ্ঠী কখনো মেনে নিতে পারেনি। ১৭ বছরের নিপীড়নের পর নতুন বাংলাদেশের যে অভ্যুদয় ঘটেছে, সেই বাংলাদেশ বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনাকে ধারণ করেই এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর বারবার ষড়যন্ত্র ও আঘাত এসেছে।


১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সেদিন সিপাহী-জনতা রুখে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছিল। গণতন্ত্রের পথ থেকে সরে যাওয়া দেশকে আবার গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব বারবার পালন করেছে যে দল, সেই দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন ৭ নভেম্বরের অন্যতম নায়ক।


শহরের মির্জা রুহুল আমিন মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদাদাত হোসেনসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।


আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির র‍্যালি

  • প্রকাশ : শনিবার ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:১৮ পিএম

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টন থেকে র‍্যালি শুরু করেছে ক্ষমতাসীন বিএনপি। আজ শনিবার বিকেল সোয়া ৩টায় দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে র‍্যালিটি শুরু হয়।


এর আগে র‍্যালিতে অংশ নিতে সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড এবং আশপাশের জেলা ও উপজেলা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে জড়ো হন বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তাদের হাতে ছিল জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন এবং দলের শীর্ষ নেতাদের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন।


র‍্যালি শুরুর আগে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


র‍্যালিটি প্রধান বিচারপতির বাসভবন, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দিয়ে বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।


র‍্যালি সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে দলটির পক্ষ থেকে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সড়কের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দায়িত্ব পালন করছেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবকেরা। পাশাপাশি যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।


ঢাকা ছাড়াও আজ শনিবার দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে র‍্যালি করছে বিএনপি। পরদিন ৮ নভেম্বর থানা ও উপজেলা পর্যায়ে র‍্যালি অনুষ্ঠিত হবে।