ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)

  • প্রকাশ : বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১:১১ পিএম

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে রাজধানী ঢাকায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যুতে আয়োজিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। আজ বুধবার (২৫ মার্চ) দুপুরে ডিএমপি ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত জারি করা গণবিজ্ঞপ্তিতে এই তথ‍্য জানানো হয়। 


আগামীকাল ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কুচকাওয়াজ, বিকাল ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে।


উক্ত অনুষ্ঠানগুলোতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিদেশি কূটনীতিক, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা উপস্থিত থাকবেন।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আমন্ত্রিত অতিথিদের স্টিকারযুক্ত যানবাহন ছাড়া নিম্নোক্ত সড়কগুলোতে অন্য কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারবে না-


• বেগম রোকেয়া সরণির আগারগাঁও লাইট ক্রসিং হতে উড়োজাহাজ ক্রসিং


• প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সংলগ্ন বীর উত্তম মেজর জেনারেল আজিজুর রহমান রোড (আগারগাঁও লিংক রোড)


• সৈয়দ মাহাবুব মোরশেদ রোডের শিশুমেলা ক্রসিং হতে আগারগাঁও ক্রসিং


• জুলাই স্মৃতি জাদুঘর (পুরাতন গণভবন) হতে উড়োজাহাজ ক্রসিং


ডাইভারশন কার্যকর থাকবে (সকাল ৭:০০টা-দুপুর ১২:৩০টা)


• প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ক্রসিং


• আগারগাঁও লাইট ক্রসিং


• শিশুমেলা ক্রসিং


• জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ক্রসিং


• খেজুরবাগান হতে উড়োজাহাজ ক্রসিং


বিকল্প চলাচল নির্দেশনা


• জাহাঙ্গীর গেট থেকে আগত যানবাহন বিজয় সরণি  হয়ে উড়োজাহাজ ক্রসিং-লেক রোড দিয়ে চলবে


• মিরপুর-১০ থেকে আগত যানবাহন শিশুমেলা হয়ে মিরপুর রোড ব্যবহার করবে


• ফার্মগেট/বিজয় সরণি থেকে আগত যান খেজুরবাগান হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ব্যবহার করবে


• ধানমন্ডি থেকে আগত যান টেকনিক্যাল মোড় হয়ে চলবে


• শ্যামলী/শিশুমেলা থেকে আগত যান মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হয়ে বিকল্প পথে চলবে


পার্কিং নির্দেশনা-


• আমন্ত্রিত স্টিকারযুক্ত যানবাহন নির্ধারিত স্থানে পার্কিং করবে


• সিএনজি চালিত যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না


• সাধারণ দর্শকদের গাড়ি পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে রাখতে হবে


গেট অনুযায়ী প্রবেশ-


• গেট-০৫: ম-১, ম-২


• গেট-০৬: ক-বিশেষ


• গেট-০৭: ক-১


• গেট-০৮: ক-২


• গেট-০৯: সক, বিনা, শ


• গেট-১২: সম, সক-১, সক-২


সাধারণ দর্শকদের ০২, ০৩, ০৪, ১০ ও ১১ নম্বর গেট দিয়ে পায়ে হেঁটে প্রবেশ করতে বলা হয়েছে।


বঙ্গভবন কেন্দ্রিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা-


বিকাল ২:০০টা থেকে ৫:৩০টা পর্যন্ত বঙ্গভবন কেন্দ্রিক এলাকায় স্টিকারযুক্ত যানবাহন ছাড়া অন্য যান চলাচল বন্ধ থাকবে।


যেসব সড়কে নিষেধাজ্ঞা-


• আবরার ফাহাদ অ্যাভিনিউ


• ডিআইটি রোড (গুলিস্থান-রাজউক)


• ফজলে রাব্বি রোড


• দিলকুশা এলাকার একাধিক গ্যাপ


ডাইভারশন পয়েন্ট-


• জিরো পয়েন্ট


• রাজউক ক্রসিং


• অ্যালিকো গ্যাপ


• জয়কালী মন্দির


• দৈনিক বাংলা মোড়


• মতিঝিল সিটি সেন্টার এলাকা


যান চলাচল নির্দেশনা-


• জিরো পয়েন্ট হয়ে ইউবিএল-দৈনিক বাংলা রুট ব্যবহার


• ফুলবাড়ীয়া ও গোলাপশাহ এলাকা থেকে বিকল্প রুট


• হানিফ ফ্লাইওভার থেকে ইউটার্ন বা বিকল্প পথ


• জয়কালী মন্দির থেকে এক লেনে চলাচল


• ফকিরাপুল ও মতিঝিল থেকে দৈনিক বাংলা হয়ে চলাচল


স্টিকার অনুযায়ী প্রবেশ-


• লাল স্টিকার: মেইন গেট


• সবুজ স্টিকার: পিজিআর গেট


• ত্রিভুজ স্টিকার: ওয়ার্কশপ গেট


পার্কিং-


• বঙ্গভবনের ভিতরে বিভিন্ন মাঠে


• বাইরে ফজলে রাব্বি রোড ও স্কুল মাঠে


• দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকায়


• ভিআইপি গাড়ি নির্দিষ্ট লেনে


মিডিয়া পার্কিং-


সংবাদপত্র ও মিডিয়ার গাড়ি মতিঝিল সিটি সেন্টার এলাকায় পার্কিং করবে।


মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ কনসার্ট কেন্দ্রিক ট্রাফিক-


বিকেল ৫:০০টা থেকে রাত ১১:৩০টা পর্যন্ত


ডাইভারশন-


• আড়ং ক্রসিং


• খেজুরবাগান ক্রসিং


চলাচল নির্দেশনা-


• শ্যামলী-মোহাম্মদপুর যানবাহন লেক রোড ব্যবহার করবে


• শাহবাগ-সোনারগাঁও যানবাহন বিজয় সরণি হয়ে চলবে


• এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে যান খেজুরবাগান হয়ে বিকল্প পথে যাবে


• ধানমন্ডি যান গণভবন ক্রসিং হয়ে চলবে


• মিরপুর রোড যান সরাসরি চলবে


পার্কিং- 


কনসার্টে আগত যানবাহন পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে পার্কিং করতে হবে।


ডিএমপি কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার বলেন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিস্তারিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা হয়েছে। নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া এ ধরনের বড় আয়োজন নির্বিঘ্ন করা সম্ভব নয়।


তিনি আরও বলেন, সম্মানিত মহানগরবাসীকে অনুরোধ করা হচ্ছে, নির্ধারিত ট্রাফিক নির্দেশনা মেনে চলুন এবং অনুষ্ঠানস্থলের আশপাশের সড়ক এড়িয়ে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করুন।



সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৪০ পিএম

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বঙ্গভবনে গেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন। নতুন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইসির এটাই প্রথম সাক্ষাৎ।


আজ বৃহস্পতিবারের এ সাক্ষাতে সিইসি ছাড়াও নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ বর্তমানে দেশের বাইরে আছেন।


গেল ২০ অগাস্ট সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হন; পরদিন ২১ অগাস্ট সন্ধ্যায় শপথ নিয়ে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি।


স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন দল বিএনপির মহাসচিবের পদ ছেড়ে রাষ্ট্রপ্রধান হয়েছেন এই জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক।


এদিকে বর্তমান ইসি নিয়োগ পায় ২০২৪ সালের নভেম্বরে। ২০২৫ সালে ডিসেম্বরে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সাথে ভোটের আগে সার্বিক প্রস্তুতি তুলে ধরে এই কমিশন।


এ ইসির অধীনে ত্রয়োদশ ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন হয়েছে; এরপর মে সাসে সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট হয়েছে। সবশেষ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করে ইসি।


সাংবিধানিক সংস্থাটির দায়িত্ব পেয়েই ভোটার তালিকা, সীমানা নির্ধারণ, সংসদ নির্বাচন ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শেষ করেছে ইতোমধ্যে। সামনে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশন।


নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছিলেন, “বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২ টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এটা আমাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ। নির্বাচনসহ সার্বিক বিষয়ে তিনি আমাদের কাছে হয়ত জানতে চাইবেন; আমরা কাযক্রম অবহিত করব।”


নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইতোমধ্যে বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ করেছেন তিনবাহিনী প্রধান ও প্রধান বিচারপতি। এবার নির্বাচন কমিশনের সাক্ষাৎ হচ্ছে।

সর্বশেষ সব খবর

বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের নতুন এমডি মেহের সুলতানা

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৫৬ এএম

বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের (বিএইচবিএফসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন মিসেস মেহের সুলতানা। এর আগে তিনি কর্মসংস্থান ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।


বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খুব শিগগিরই মেহের সুলতানার নিয়োগসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানা গেছে।


মেহের সুলতানা দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে কাজ করছেন। কর্মসংস্থান ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের আগে তিনি প্রতিষ্ঠানটির মহাব্যবস্থাপক (পরিচালন) পদে কর্মরত ছিলেন। ২০২২ সালের ১৭ নভেম্বর উপব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে তিনি কর্মসংস্থান ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে যোগ দেন।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন মেহের সুলতানা। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনে সিনিয়র অফিসার হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু হয়।


বিএইচবিএফসিতে কর্মরত অবস্থায় তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক এবং সদর দপ্তরের বিভিন্ন বিভাগে উপমহাব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।


এ ছাড়া কর্মজীবনে বিভিন্ন কর্মশালা, সেমিনার ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতেও অংশ নিয়েছেন মেহের সুলতানা।


দেশের আবাসন খাতে ঋণ ও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:০৩ পিএম

ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় বাংলাদেশ মান (স্ট্যান্ডার্ড) অনুযায়ী নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বম্বে সুইটসের মসলা, বাঘাবাড়ী ঘিসহ ১০টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পণ্যের মান প্রণয়ন ও নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এ নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি এসব পণ্যের জন্য দেওয়া বিএসটিআইয়ের দেওয়া লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। 


পরীক্ষায় নিম্নমানের প্রমাণিত হওয়ায় এসব পণ্য কেনা থেকে বিরত থাকতে ভোক্তাদের পরামর্শও দিয়েছে বিএসটিআই। আজ বুধবার বিএসটিআইয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি বিএসটিআই নিয়মিত পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে বাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য সংগ্রহ করে আন্তর্জাতিক মানের নিজস্ব অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে। এ পরীক্ষায় বেশ কিছু পণ্যের মান সঠিক পাওয়া যায়। তবে কিছু ব্র্যান্ডের ঘি, বাটার অয়েল ও মসলার মান পরীক্ষায় নিম্নমানের পাওয়া যায়। ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় দেখা যায়, বাঘাবাড়ীর ‘ঘি’তে নেই ‘ঘি’ (মিল্ক ফ্যাট); পাম অলিন ও বনস্পতি দিয়ে তৈরি করে ‘ঘি’ নামে বাজারজাত করা হচ্ছে। এ ছাড়া বম্বে সুইটসের মসলা বাংলাদেশ মান (বিডিএস) থেকে বিভিন্ন প্যারামিটারে নিম্নমানের পাওয়া গেছে।


বিএসটিআই ল্যাবরেটরি পরীক্ষার প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়: বম্বে সুইটস অ্যান্ড কোং লিমিটেডের উৎপাদিত কারি পাউডার হাঁসের মাংসের মসলা, তেহারি মসলা, কালাভুনা মসলা, গরুর মাংসের মসলা ও মাছের মসলা মান উত্তীর্ণ হতে পারেনি।


বাংলাদেশ মানের চেয়ে নিম্নমানের ঘি ও বাটার অয়েল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে বাঘাবাড়ী প্রিমিয়াম ঘি কোম্পানির ‘বাঘাবাড়ী’ ব্র্যান্ডের ঘি, কিশোরগঞ্জ ফুড প্রোডাক্টস ‘অরুন বাঘাবাড়ী’ ব্র্যান্ডের ঘি, মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্ট ‘নিউ রাঁধুনী’ ব্র্যান্ডের ঘি, মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্টের ‘সিটি’ ব্র্যান্ডের ঘি এবং এলডার্স ফুড প্রোডাক্টস অ্যান্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজের ‘এলডার্স’ ব্র্যান্ডের বাটার অয়েল।


বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, জাতীয় মান অনুসারে পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখা প্রতিটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব। কোনো প্রতিষ্ঠান এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বিএসটিআই প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর। বিএসটিআই পণ্যের মান সনদ দেওয়ার পাশাপাশি নকল ও ভেজাল ঠেকাতে কঠোর নজরদারি বজায় রেখেছে।


পণ্য কেনার আগে ক্রেতাসাধারণকে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, পণ্যের উপাদান ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেন বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক। একই সঙ্গে তিনি কোনো পণ্যের মান, ভেজাল, প্রতারণা অথবা বিএসটিআইয়ের মানচিহ্নের অপব্যবহার-সংক্রান্ত অভিযোগ থাকলে তা ১৬১১৯ নম্বরে অথবা dg@bsti.gov.bd ই-মেইলে জানাতে অনুরোধ করেন।

সর্বশেষ সব খবর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:১৫ পিএম

পুলিশ বাহিনীকে ধীরে ধীরে আরও জনবান্ধব করা হচ্ছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাতারাতি কোনো পরিবর্তন আশা করা ঠিক হবে না। দীর্ঘদিনের কাঠামোগত সংকট কাটিয়ে উঠতে কিছুটা সময় প্রয়োজন, এ জন্য দেশের সব নাগরিকের আন্তরিক সহযোগিতা দরকার।


বুধবার (২৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


অনুষ্ঠানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পুলিশের বর্তমান ভূমিকা এবং সরকারের তৎপরতা নিয়ে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এমন একটি ঘটনাও ঘটেনি, যেটির বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।


এসময় তিনি সাম্প্রতিক রংপুরের একটি ঘটনার উদাহরণ টেনে জানান, ওই ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।


পুলিশ বাহিনীর চলমান সংস্কার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ বাহিনী ধীরে ধীরে আরও জনবান্ধব বাহিনীতে পরিণত হবে। তারা জনগণের সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন।


তবে এ পরিবর্তনের জন্য কিছুটা সময় দিতে হবে। মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে দলের শীর্ষ নেতাসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৫৪ পিএম

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সামরিক জোট ‘মক্কা চুক্তিতে’ যুক্ত হওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহ দীর্ঘদিনের পররাষ্ট্রনীতিকে বড় ধরনের পরীক্ষায় ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এটি কেবল ভারতের সঙ্গেই নয়, অন্যান্য বৃহৎ পরাশক্তির সঙ্গেও সম্পর্কের সমীকরণ জটিল করে তুলতে পারে।


পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর সোমবার ওই জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে সরকারের ইতিবাচক মনোভাবের কথা জানানোর পর বিষয়টি নিয়ে জোরালো আলোচনা শুরু হয়।


সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, “আমরা মক্কা নিয়ে তো সবসময় আলাদা একটা জায়গা, বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে, পশ্চিম এশিয়ায় একটা যদি হয়, যদি ইসলামিক দেশগুলোর মধ্যে একটা নিরাপত্তা চুক্তি হয়, তাহলে ওখানে তো অস্বাভাবিক না যাওয়া। দেখা যাক, বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে।”


তবে রয়টার্সের এক বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিষয়টি শুধু একটি নতুন নিরাপত্তা জোটে অংশ নেওয়ার প্রশ্ন নয়; বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পররাষ্ট্রনীতির সঙ্গে এর সামঞ্জস্য, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এবং দেশের রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়েও সরকারকে ভাবতে হবে।


বাংলাদেশ মূলত বিনিয়োগ আকর্ষণ, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন শক্তিশালী দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার স্বার্থে প্রতিদ্বন্দ্বী ভূ-রাজনৈতিক বলয় এড়িয়ে চলার নীতি মেনে চলে। দেশের অর্থনীতি ব্যাপকভাবে তৈরি পোশাক রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল, যার প্রধান বাজার যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র। 


অন্যদিকে, বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস প্রবাসী আয়, যার বড় অংশ আসে পশ্চিম এশিয়া থেকে। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, সামরিক জোটে যোগ দিলে বিভিন্ন শক্তির সঙ্গে ভারসাম্য রেখে চলার নীতি নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।


কী এই মক্কা চুক্তি


সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় গত ৭ অগাস্ট এ চুক্তিতে সই করে সুন্নি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ তিন দেশ-সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান।


নেটোর যৌথ প্রতিরক্ষা নীতির আদলে তৈরি এই চুক্তিতে বলা হয়েছে, কোনো একটি সদস্য দেশে সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে সব সদস্যের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।


পশ্চিম এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়া যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত এবং অঞ্চলজুড়ে ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে এ জোট গড়া হয়েছে।


নেটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনীর দেশ তুরস্কের সঙ্গে পারমাণবিক অস্ত্রধারী পাকিস্তান এবং বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরব এই চুক্তিতে রয়েছে। তুরস্ক জানিয়েছে, চুক্তিটি অন্য দেশের জন্যও উন্মুক্ত।


চুক্তির ঘোষণায় সদস্য দেশগুলো নিজেদের যৌথ নিরাপত্তা আরও জোরদার করার পাশাপাশি নিজেদের অঞ্চল ও অঞ্চলের বাইরে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার যৌথ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।


যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত নিরসনে বিভিন্ন উদ্যোগে যৌথভাবে অংশ নেওয়ার বিষয়েও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে দেশ তিনটি। এই চুক্তিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনার মধ্যে ২৭ অগাস্ট জেদ্দায় অনুষ্ঠেয় ওআইসির মন্ত্রী পর্যায়ের জরুরি সভায় যোগ দিতে যাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন।


কী বলছেন বিশ্লেষকরা?


বিশ্লেষকদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে। বিনিয়োগ আকর্ষণ, রপ্তানি বাড়ানো এবং প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে বাংলাদেশ এতদিন কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ভূরাজনৈতিক শিবিরে সরাসরি যুক্ত না হওয়ার চেষ্টা করেছে। সামরিক জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলে সেই অবস্থান ধরে রাখা কঠিন হতে পারে।


ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক কল্লোল কিবরিয়ার মতে, আনুষ্ঠানিকভাবে এমন কোনো সামরিক জোটের সদস্য হলে তা শুধু প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গেই নয়, বরং চীন, ইরান, জাপান, কুয়েত, ওমান, কাতার, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও বাংলাদেশের সম্পর্ক জটিল করে তুলতে পারে।


তিনি বলেন, "সম্পর্কগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভেঙে যাবে না ঠিকই, কিন্তু বাংলাদেশ একবার কোনো সামরিক ব্লকে যোগ দিলে, তারা কোন পক্ষে আছে-সেই প্রশ্নটি এড়ানো তখন অনেক কঠিন হয়ে পড়বে।"


রয়টার্সের প্রতিবেদনে বিশ্লেষকদের আরেকটি বড় উদ্বেগ হিসেবে উঠে এসেছে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিষয়টি। তারেক রহমানের সরকার দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করলেও বর্তমানে বিভিন্ন বিষয়ে টানাপড়েন রয়েছে।


প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র সম্প্রতি জানিয়েছেন, তারেক রহমান ভারত সফর করবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ঢাকার করা অনুরোধের জবাবে নয়াদিল্লির প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ।


শেখ হাসিনা গত ৫ অগাস্ট নয়া দিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে অডিও কলে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখায়।


মক্কা চুক্তি নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি তারা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।


বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে অন্তর্ভুক্ত করা কোনো নিরাপত্তা জোটে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়টি নয়াদিল্লি সহজভাবে নাও নিতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রভাব বিবেচনা করতে হবে ঢাকাকে।


বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এর প্রভাব নিয়েও সতর্ক করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ শাহান।


তিনি মনে করেন, কোনো নির্দিষ্ট বলয়ে যুক্ত হওয়ার ধারণা বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কারণ, এই অর্থনীতি বিশ্বজুড়ে অংশীদারদের সঙ্গে স্থিতিশীল বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর নির্ভরশীল।


তিনি বলেন, "বাংলাদেশ যদি এই জোটে যোগ দেয়, তবে ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশ খুশি হবে না। তবে, বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভিত্তি কেবল সেটি হওয়া উচিত নয়।"

সর্বশেষ সব খবর

বিমানবন্দরে ভুটানের রাজার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:২১ এএম

ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক-কে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


ভুটানের রাজাকে বহনকারী একটি বিশেষ বিমান সিঙ্গাপুর থেকে ভুটান যাওয়ার পথে বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করে। বিমানবন্দরে প্রায় এক ঘণ্টার অবস্থানকালে ভিভিআইপি লাউঞ্জে রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন। এসময় রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। জবাবে ভুটানের রাজা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে তাদের সুবিধাজনক সময়ে ভুটান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।


ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভ কামনা জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। জবাবে ভুটানের রাজাও বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি শুভকামনা জ্ঞাপন করেন।


আলাপকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে গভীর ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি বলেন, ভুটান সবসময় আমাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে আছে। কারণ, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া বিশ্বের প্রথম দেশ ভুটান।


বাংলাদেশের প্রতি ভুটানের বর্তমান রাজার পিতা, রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের বিশেষ মমত্ববোধ ও শুভ কামনাও রাষ্ট্রপতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।


দুই দেশের অভিন্ন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে ভুটানের রাজা শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।


ভুটানের রাজা তার দূরদর্শী ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্প সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন এবং এ উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি প্রকল্পটির প্রতি গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এর প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, পারস্পরিক কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এ অঞ্চলের রূপান্তরমূলক উদ্যোগগুলো এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।


সৌজন্য সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


ভুটানের রাজাকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ভুটানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করে।

সর্বশেষ সব খবর