ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি
উত্তরাঞ্চলের উচ্চশিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং কর্মসংস্থানে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠিতব্য ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ইউএসটি) সরকারি অনুমোদন পেয়েছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়টি শুধু উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান নয়, বরং দক্ষ মানবসম্পদ, গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা তৈরির একটি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে ইএসডিওর দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
ইএসডিও জানায়, ‘শিক্ষা থেকে দক্ষতা, দক্ষতা থেকে উদ্ভাবন, আর উদ্ভাবন থেকে কর্মসংস্থান’ এই দর্শনকে সামনে রেখে ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি গড়ে তোলা হবে। শিক্ষার্থীদের শুধু ডিগ্রিধারী নয়, জ্ঞান, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও কর্মজীবনের উপযোগী সক্ষমতা সম্পন্ন করে গড়ে তোলাই হবে প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম লক্ষ্য।
বিশ্ববিদ্যালয়টির পরিকল্পনায় বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, কৃষি, পরিবেশ ও জলবায়ু প্রযুক্তির পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি, তথ্য বিশ্লেষণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির মতো ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের চাহিদাসম্পন্ন বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি আধুনিক গবেষণাগার, উদ্ভাবন গবেষণাগার এবং সমস্যা সমাধানভিত্তিক গবেষণার সুযোগ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।
শুধু শ্রেণিকক্ষের শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না থেকে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযোগ, শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ, শিক্ষানবিশ কার্যক্রম, কর্মজীবন সহায়তা এবং চাকরির সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে নতুন উদ্যোগ ও স্টার্টআপ বিকাশে বিশেষ কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।
ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির প্রতিষ্ঠাতা ও ইএসডিওর নির্বাহী পরিচালক ড. মো. শহীদ উজ জামান বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মাটিতে একটি উচ্চমানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন তারা দীর্ঘদিন ধরে লালন করে আসছেন। রাষ্ট্রীয় অনুমোদন পাওয়ায় তারা আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ।
তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা, যেখানে একজন শিক্ষার্থী শুধু একটি সনদ নিয়ে বের হবে না। সে বের হবে জ্ঞান, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, মানবিক মূল্যবোধ, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং কর্মজীবনে সফল হওয়ার সক্ষমতা নিয়ে।
তার ভাষায়, ডিগ্রি নয়, সক্ষম মানুষ তৈরি করাই হবে ইউস্টের সাফল্যের মাপকাঠি।
ঠাকুরগাঁওয়ের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মনোতোষ কুমার দে বলেন, উত্তরাঞ্চলের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাড়ি জমায়। নিজ এলাকায় মানসম্মত উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরি হলে শিক্ষার্থীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি স্থানীয় মেধাকে স্থানীয় উন্নয়নে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হবে।
তরুণ শিক্ষার্থী রাসেল বলেন, বর্তমান বিশ্বে শুধু প্রচলিত শিক্ষায় দক্ষতা অর্জন যথেষ্ট নয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্য বিশ্লেষণ, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির মতো খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির প্রয়োজন রয়েছে। শিক্ষা ও শিল্পের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি করতে পারলে ইউএসটি উত্তরাঞ্চলের তরুণদের জন্য বড় সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।
সমাজ সেবক সুবর্ণ আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি উত্তরাঞ্চলের স্থানীয় সমস্যা ও সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে গবেষণার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে। কৃষি ও খাদ্যপ্রযুক্তি, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ, ডিজিটাল রূপান্তর, প্রকৌশল, স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও সামাজিক উদ্ভাবনের মতো বিষয়ে গবেষণার মাধ্যমে স্থানীয় সমস্যার প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান বের করার সুযোগ তৈরি হবে।
কলেজ শিক্ষক জুলফিকার আলী বলেন, উত্তরাঞ্চলের বাস্তব সমস্যাগুলোই বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিষয় হতে পারে। কৃষি, জলবায়ু, পানি, পরিবেশ ও প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে গবেষণা হলে এর সুফল শুধু ঠাকুরগাঁও নয়, পুরো দেশের মানুষ পেতে পারে।
স্থানীয় তরুণ উদ্যোক্তা মাজেদুর, সাইফুল ও রহমানের মতে, উচ্চশিক্ষার সঙ্গে কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরির কার্যকর সংযোগ ঘটাতে পারলে উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন গতি আসবে। শিক্ষার্থীদের শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, বরং উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।
ইএসডিও কর্তৃপক্ষ জানায়, মেধাবী, নারী, প্রান্তিক ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণেও গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি দেশ-বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁও শুধু একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ই পাবে না, বরং উত্তরাঞ্চলে গড়ে উঠবে জ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবনভিত্তিক নতুন একটি পরিবেশ। দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, প্রযুক্তি উদ্ভাবন, শিল্প ও উদ্যোক্তা সংযোগ এবং স্থানীয় কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টি এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ইএসডিওর ভাষ্য, “শিক্ষা থেকে দক্ষতা, দক্ষতা থেকে উদ্ভাবন, আর উদ্ভাবন থেকে কর্মসংস্থান” এই দর্শনকে সামনে রেখে এগিয়ে যাবে ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি। উত্তরাঞ্চল থেকেই বিশ্বমানের জ্ঞান, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের নতুন পথ তৈরি করাই প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম লক্ষ্য।
নাটোরের লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর এবং সরকারি কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করার ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়েরের পরদিনই নাটোরের জেলা প্রশাসককে (ডিসি) প্রত্যাহার এবং লালপুরের ইউএনওকে বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এই বদলির আদেশ দেওয়া হয়।
এই আকস্মিক বদলিকে কেন্দ্র করে নাটোরের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কারণেই এই কর্মকর্তাদের বদলি করা হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব বরমান হোসেন স্বাক্ষরিত এক আদেশে নাটোরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসমা শাহীনকে প্রত্যাহার করে পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, রাজশাহী বিভাগীয় সিনিয়র সহকারী কমিশনার প্রীতিলতা বর্মণ স্বাক্ষরিত অপর এক আদেশে লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বরকত উল্লাহকে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে বদলি করা হয়।
এর আগে গত ১২ আগস্ট ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ফলাফল নিয়ে অসন্তোষের জেরে লালপুর ও বাগাতিপাড়া ইউএনও কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও সরকারি কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটে।
গত সোমবার (১৭ আগস্ট) এ ঘটনায় লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আবু মাসুদ রানা এবং বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. শুকুর আলী বাদী হয়ে নিজ নিজ থানায় দুটি এজাহার দায়ের করেন। এজাহার দুটিতে সরকারদলীয় ২৫ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৪০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।
লালপুরে দায়ের করা এজাহারে অভিযুক্ত ১৮ জন হলেন- গোপালপুর পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম মোলাম, বিলমাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিক আলী মিষ্টু, ঈশ্বরদী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আজিজ রঞ্জু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. হারুন অর রশিদ পাপ্পু, চংধুপইল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জিল্লুর রহমান জুলহাস, উপজেলা বিএনপির সাবেক ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ উদ্দিন,
কদিমচিলান ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. আব্দুল বারী কাজল, কদিমচিলান ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. হযরত আলী, দুয়ারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. শাহিনুর রহমান, আরবাব ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম, কদিমচিলান ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হযরত আলী, চংধুপইল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইলিয়াস হোসেন, এবি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ আবেদ আলী, লালপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক/সদস্য সচিব মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম রবি, পৌর বিএনপির মোহাম্মদ আলী আজম, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রায়হান কবীর সুইট, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু রায়হান এবং পৌর যুবদলের মো. সুমন। এছাড়া অজ্ঞাত আরও ৪০-৫০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বাগাতিপাড়ায় দায়ের করা এজাহারে অভিযুক্ত সাতজন হলেন- উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সোহেল রানা, যুগ্ম আহ্বায়ক তারিক আজিজ, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য আশিকুর রহমান, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোশারফ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, বাগাতিপাড়া পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোতালেব আলী পান্না এবং উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সাব্বির হোসেন মুন্না। দায়েরকৃত এজাহারে অজ্ঞাত আরও ১০০-১৫০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি জেলাজুড়ে জানাজানি হয় এবং ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নাটোরের ডিসি আসমা শাহীনর পত্যাহার এবং লালপুরের ইউএনও বরকত উল্লাহর বদলির আদেশ আসে।
এই ঘটনায় জেলার সচেতন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তারা বলছেন, হামলাকারী ও আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় যদি কর্মকর্তাদেরই বদলির শিকার হতে হয়, তবে মাঠ প্রশাসনে সৎ ও নির্ভীক কর্মকর্তাদের পক্ষে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়বে।
নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ থাকলে মামলা করতে কোনো আপত্তি নেই। তবে ঢালাওভাবে বিএনপির উপজেলা ও পৌর কমিটির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি।
তিনি বলেন, দলকে হেয় করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে নেতাকর্মীদের মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। মামলায় আসামিদের নাম, বাবার নাম, ঠিকানা না উল্লেখ করে দলীয় পদ-পদবি উল্লেখ করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্ট বা সরকারি কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় যারা প্রকৃতভাবে জড়িত, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে বিএনপি। তবে কোনো নিরাপরাধ ব্যক্তিকে হয়রানি বা দলীয় নেতাকর্মীদের ঢালাওভাবে মামলায় জড়ানোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নাটোর জেলা শাখার আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ শিশির এক ফেসবুক পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, লালপুর-বাগাতিপাড়ায় ইউএনও অফিস ভাঙচুরের অভিযোগে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করার পরেই নাটোর জেলার ডিসি ও ইউএনও প্রত্যাহার। যে দেশে পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারাও ক্ষমতার কাছে মাথা নত না করার জন্য প্রত্যাহারের শিকার হন, সে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা শঙ্কিত।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) নাটোর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বুলবুল আহমেদ বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে শোনা যাচ্ছে, সরকারি দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করার কারণেই ইউএনও ও ডিসিকে বদলি করা হয়েছে। এমনটি হয়ে থাকলে তা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার ও প্রচেষ্টার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এটি কোনোভাবেই কাম্য নয় এবং দেশের জন্যও কল্যাণকর নয়। এ ধরনের ঘটনা মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মনোবল ভেঙে দেবে এবং দুর্নীতি ও অনিয়মকে উৎসাহিত করবে। মানুষের কাছে সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সরকারের যে অঙ্গীকার, এ ঘটনা তার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে কেশবা গুচ্ছগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এ শিক্ষা ও বিদ্যালয়ের মান উন্নয়ের লক্ষ্যে তদন্ত পূর্বক একটি দায়িত্বশীল ম্যানেজিং কমিটি গঠনের অভিযোগ ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে।
বুধবার(১৯ আগষ্ট) দুপুরে অভিভাবক ও গ্রামবাসীরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে জানা যায়, কেশবা গুচ্ছগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এ ছাত্র ছাত্রী খুব বেশি ঝড়ে পরছে, বাচ্চারা স্কুল গামী হচ্ছে না, বর্তমানে অল্প কিছু ছাত্র ছাত্রী স্কুলে থাকলেও তারা অনিয়মিত এবং এখানে যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষক শিক্ষিকা থাকলেও মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করে আসতেছে না। ম্যানেজিং কমিটির নামে একটি পকেট কমিটি পারিবারিক ভাবে গঠন করা হয়েছে এবং প্রধান শিক্ষক নিজেই এ কমিটিকে পরিচালনা করেন। যারা ব্যাক্তিগতভাবে এই প্রতিষ্টানের শিক্ষক শিক্ষিকাগণকে সুবিধা দিয়ে থাকে যার ফলে বর্তমান প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান খুব বেপারোয়া ভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছে ফলে শিক্ষার্থীরা এর শিক্ষা জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং ঝড়ে পড়ে দিন দিন স্কুলের শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে। স্কুলের অবোকাঠামোগত উন্নয়ন হচ্ছে না বাচ্চাদের পড়াশুনার পরিবেশ নাই।
অভিযোগকারীর পক্ষে আশরাফুল ইসলাম শিপু বলেন, প্রধান শিক্ষক রাতের আঁধারে ম্যানেজিং কমিটি তৈরি করে এনেছেন। এলাকার অভিভাবকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি। এ কারণে গ্ৰামবাসীরা ওই কমিটি মেনে নিচ্ছেন না।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ড. মোছা. মাহমুদা খাতুন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পঞ্চগড়ে বর্ণাঢ্য শুভেচ্ছা র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পঞ্চগড় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জনাব জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এর সভাপতিত্বে করে আনোয়ার হোসেন তাপস অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা র্যালি ও আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ মনিরুজ্জামান মানিক এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জনাব মোঃ সাহেব আলীসহ পঞ্চগড় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের অধীনস্থ পাঁচটি উপজেলা ও তিনটি পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে নেতাকর্মীরা দলীয় আদর্শ ও সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পরে দেশ ও দলের কল্যাণ কামনা করে কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।
এদিকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের সংগ্রামী শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।
ময়মনসিংহ-১১ ভালুকা আসনের সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর বিরুদ্ধে সম্প্রতি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্য ও প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে ভালুকা প্রেস ক্লাবে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা সাংসদ ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর বিরুদ্ধে করা বিভিন্ন অভিযোগ এবং সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত বক্তব্যকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন। তারা এসব বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সাংবাদিকদের সামনে তাদের দাবি অনুযায়ী প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরেন।
এ সময় বক্তব্য দেন পরিবারের সদস্য মোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, আব্দুল হান্নান ঢালীর ছেলে রিমেল, জাকির হোসেনের স্ত্রী হালিমা আক্তার, তোফাজ্জল হোসেন মাস্টারের স্ত্রী আসমাউল হোসনা, আলম ও মাহফুজসহ অন্যরা।
এ সময় ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত লোকজনের স্ত্রী সন্তান ও তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারা বলেন, তাদের পরিবারের সদস্যদের ব্ল্যাকমেইল করে ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবে নিয়ে গিয়ে সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করানো হয়েছে।
মোফাজ্জল হোসেন মাস্টারের দাবি, ভালুকা উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক মোর্শেদ আলম ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মামুন তাদের ঢাকায় নিয়ে গিয়ে ওই সংবাদ সম্মেলন করান। এর প্রতিবাদেই পরিবারের সদস্যরা ভালুকা প্রেস ক্লাবে পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তারা ঢাকায় অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে এর তীব্র প্রতিবাদ জানান।
বক্তারা আরও দাবি করেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে এমপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা প্রকাশিত সংবাদ ও উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য ও তথ্য যাচাই-বাছাই করে সংবাদ প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
ছবি : সংগৃহীত
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ জনের মধ্যে একই পরিবারের রয়েছেন চারজন। এখন পর্যন্ত নিহতদের মধ্যে ৬ জনের পরিচয় জানা গেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন কুষ্টিয়ার দেবাশিস দত্ত (৩৯), তার আড়াই বছর বয়সী শিশু শর্ণশিষ দত্ত, স্ত্রী আফসানা শিম্মিন (২৭) ও শ্বশুর আকরাম আলী (৬৪)।
দেবাশিস দত্ত পেশায় একজন সাংবাদিক। তিনি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি। তাদের কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা নিউ মার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখা ইনে এই আগুন লাগে।
দেবাশিস দত্তের বাড়ি কুষ্টিয়া মডেল থানার মোহিনী মিল এলাকার আরুয়াপাড়ায়। তার বাবার নাম দিলীপ কুমার দত্ত। আকরাম আলীর বাড়ি কুষ্টিয়া হেড পোস্ট অফিস এলাকার বদরুদ্দোজা রোডে।
নিহত আহামেদ বাবুর বাড়ি ঢাকার সাভারের আমিনবাজারের বেগুনবাড়িতে। তার বাবার নাম আদম আলী।
এছাড়া ১৯ বছর বয়সী সন্দীপ পাসওয়ান নামে আরেকজনের পরিচয় মিলেছে। তিনি ভারতের ঝাড়খণ্ডের গিরিডি জেলার বাসিন্দা।
অপর তিনজনের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আগুনের সময় ওই হোটেলে ২৫ জন বাংলাদেশি ছিলেন।
কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ৮ জন বাংলাদেশির মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, নিহতরা চিকিৎসার জন্য কলকাতায় এসেছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, হোটেলের তিন তলায় রাত ২টা ৭ মিনিটে আগুন লাগে। আগুন ছড়িয়ে পড়ে অন্তত চারটি ঘরে। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে ঘুম ভেঙে যায় হোটেলের বাসিন্দাদের। আগুন দ্রুত আশেপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে হোটেলের কক্ষগুলো ঘন কালো ধোঁয়ায় ভরে যায়। এতে হোটেলের বাসিন্দা আতঙ্কিত হয়ে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করেন। জীবন বাঁচাতে হুড়োহুড়ি করে বাইরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন। তবে ধোঁয়ার কারণে হোটেল থেকে বের হওয়ার সুযোগ পাচ্ছিলেন না তারা। অনেকেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
রাত ২টা ৭ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসকে অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি জানানো হয়। খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইঞ্জিন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এর পাশাপাশি একটি বিপর্যয় মোকাবিলা দলও (ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিম) উদ্ধার কাজে যোগ দেয়। দমকলকর্মীরা ভবনের ভেতরে আটকে পড়া মানুষদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে হোটেলের একাংশ পুড়ে যায়।
প্রাথমিক তদন্তের বরাতে এনডিটিভি জানিয়েছে, হোটেলটিতে ন্যূনতম অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। এই ঘটনায় কলকাতা পুলিশ একটি মামলা করেছে। হোটেলের মালিক ও কর্মীরা পলাতক রয়েছেন। পুলিশ তাদের খুঁজছে।
উদ্ধার অভিযানে গিয়ে ভবনটি থেকে প্রায় ৬০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, হোটেলের তৃতীয় তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। একটি এয়ার কন্ডিশনার (এসি) বিস্ফোরণের কারণে এই আগুন লেগে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
দমকলকর্মীরা হোটেলের ভেতর থেকে অজ্ঞান অবস্থায় ৯ জনকে উদ্ধার করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাদের সকলকেই মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিল। অগ্নিকাণ্ডের সময় আহত কয়েকজনকে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ এলাকাটি ঘিরে রেখে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। গুরুতর আহত ৬ জনের চিকিৎসা চলছে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে।
"দুর্ঘটনা দুর্যোগে, সবার পাশে-সবার আগে" স্লোগানে টাঙ্গাইলে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সমন্বয়ে অগ্নিকান্ড, উদ্ধার, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং অনসাইড পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট বিষয়ক মক ড্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৯ আগষ্ট বুধবার সকালে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল এবং ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রাঙ্গনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায়, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ও বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের বাস্তবায়নে এবং জেলা প্রশাসক শরীফা হক এর সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে উক্ত মক ড্রিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো: মাহবুব হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রবিউল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডাঃ ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু, ফয়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক মোঃ এনায়েত হোসেন, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজের পরিচালক আব্দুল কুদ্দুস, জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ আক্তারুজ্জামান প্রমুখ।