ছবি : সংগৃহীত
লোহিত সাগরের তীরবর্তী ইয়েমেনের বন্দরনগরী মোখায় সৌদি বিমান হামলায় ছয়জন নিহত ও আটজন আহত হয়েছেন। ইয়েমেনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাবা নিউজ এজেন্সি মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার রাতে মোখায় বোমা হামলা চালায় সৌদি বিমান বাহিনী। নিহত ও আহত সবাই বেসামরিক নাগরিক। আহতদের মধ্যে দুই শিশু ও একজন নারী রয়েছেন।
হুথি নেতারা দাবি করেছেন, গত কয়েক দিনে গোষ্ঠীটির নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন এলাকা ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে সৌদি বিমান হামলা ব্যাপকভাবে বেড়েছে।
তাদের দাবি, ১১ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর-এই সাত দিনে প্রায় ৩০০টি বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি বাহিনী। এদিকে, গত ১৬ সেপ্টেম্বর সৌদি বিমান বাহিনীর একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে হুথি বাহিনী।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিধ্বস্ত বিমানটির ভিডিওও প্রকাশ করেছে গোষ্ঠীটি। সম্প্রতি সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনাতেও কয়েক দফা হামলা চালিয়েছে হুথি বাহিনী। এর মধ্যে গত ১১ সেপ্টেম্বর বাব আল-মান্দাব প্রণালি দখলের দাবিও করেছে তারা।
তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সূত্র: এএফপি
জাপানের মধ্যাঞ্চলে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ২৪ জন আহত হয়েছেন। জাপান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার (৭ নভেম্বর) দিবাগাত রাতে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এতে বিভিন্ন দোকানের জানালার কাঁচ ভেঙে চুরমার হয়ে যায়, বিঘ্ন ঘটে ট্রেন চলাচলেও। এরপর রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে প্রথমটির তুলনায় কম মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে দেশটিতে।
জাপানের আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শনিবার দিবাগত রাত ১টা ৪ মিনিটে পশ্চিম শিজুওকা প্রিফেকচারে প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। তবে এর ফলে কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে আইচি প্রিফেকচারের এক জরুরি বিভাগের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সেখানে বেশির ভাগই সামান্য আহত হওয়ার ১৬টি খবর পেয়েছেন তারা।প্রতিবেশী শিজুওকা প্রিফেকচারের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অন্তত তিন নারী জরুরি চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে স্থানীয় পত্রিকা চুনাইচি শিমবুন ও তোকাই টেলিভিশন পৃথক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দুই অঞ্চলে অন্তত ২৪ জন আহত হয়েছেন। আইচি অঞ্চলের তোয়োহাসি শহরে একটি গাড়ির শোরুমের জানালা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে।
ভূমিকম্পের কারণে রোববার সকালে আঞ্চলিক ট্রেন চলাচলে সাময়িক বিলম্ব ও স্থগিতাদেশ দেয়া হয়। এর মধ্যে শিনকানসেন বুলেট ট্রেনও ছিল। ভূমিকম্পের কম্পন পশ্চিমে ওসাকা পর্যন্ত অনুভূত হয়। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, কম্পনে আতঙ্কিত হয়ে দ্বিতীয় তলার অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পড়ে যাওয়ার পর সেখানে বসবাসকারী এক বিদেশিকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
পরে আরেক ভূমিকম্প
রোববার সকাল ১০টা ৫৩ মিনিটে কুমামোতো অঞ্চলে ৪ দশমিক ৩ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া সংস্থা। দ্বিতীয় ভূমিকম্পে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এখনো গত জুলাইয়ের ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পের ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। ওই ভূমিকম্পে ৩৮ জন নিহত হন, বহু বাড়িঘর ধসে পড়ে এবং কয়েক হাজার মানুষ বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েন।
জাপান প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত। দেশটিতে প্রতিবছর শত শত ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ২০১১ সালে সমুদ্রতলে ৯ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর সুনামি আঘাত হানে জাপানে। এতে প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ মানুষ নিহত ও নিখোঁজ হন এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।
ছবি : সংগৃহীত
ইসরায়েলের নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব পেয়েছেন দেশটির সাবেক সেনাপ্রধান ও ইয়াশার পার্টির নেতা গাদি আইজেনকট। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকার গঠনের চেষ্টা চালালেও তাকে পাশ কাটিয়ে আইজেনকটকে এ দায়িত্ব দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ। পার্লামেন্ট নির্বাচনের পর সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে এ সিদ্ধান্ত এল।
প্রেসিডেন্টের এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় আইজেনকটকে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। আজ রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে সরকার গঠনের দায়িত্ব তুলে দেবেন প্রেসিডেন্ট।
গত ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১২০ আসনের পার্লামেন্টে কোনো জোটই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন পায়নি। নির্বাচনে আইজেনকটের চারদলীয় জোট ৪৮টি এবং নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী ও ধর্মীয় দলগুলোর জোট ৫৩টি আসন পেয়েছে। অন্যদিকে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলো পেয়েছে রেকর্ড ১৯টি আসন।
নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে, তা নির্ধারণে চলতি সপ্তাহে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রেসিডেন্ট হারজগ। এদিকে নেতানিয়াহুও সরকার গঠনের জন্য জোটের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।বর্তমানে আইজেনকটের পক্ষে ৬৭ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন রয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর জোটের পক্ষে রয়েছেন ৪৬ জন। আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সমর্থন পাওয়ায় আইজেনকটের জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতার অবস্থানে পৌঁছেছে। যদিও এসব দলকে সঙ্গে নিয়ে সরকার গঠন করবেন না বলে আগেই জানিয়েছেন তিনি।
ইসরায়েলের নিয়ম অনুযায়ী, সরকার গঠনের জন্য আইজেনকট প্রাথমিকভাবে ২৮ দিন সময় পাবেন। প্রয়োজন হলে প্রেসিডেন্ট এ সময় আরও ১৪ দিন বাড়াতে পারবেন। এ সময়ের মধ্যে বিভিন্ন দলের সঙ্গে নীতিগত অবস্থান, মন্ত্রিত্ব বণ্টন ও জোটের শর্ত নিয়ে আলোচনা করতে হবে তাঁকে। পাশাপাশি সরকার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে।
তবে আইজেনকট সরকার গঠনে ব্যর্থ হলে প্রেসিডেন্ট নেসেটের অন্য কোনো সদস্যকে একই দায়িত্ব দিতে পারবেন। দ্বিতীয় ওই প্রার্থীও সরকার গঠনের জন্য ২৮ দিন সময় পাবেন। তিনিও ব্যর্থ হলে নেসেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যরা তৃতীয় একজন প্রার্থীর নাম প্রস্তাব করতে পারবেন। তাঁকে সরকার গঠনের জন্য ১৪ দিন সময় দেওয়া হবে।
তৃতীয় প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হলে আনুষ্ঠানিকভাবে নেসেট ভেঙে দেওয়া হবে এবং দেশটিতে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নিয়ম অনুযায়ী, এ নির্বাচন ৯০ দিনের মধ্যে আয়োজন করতে হবে। এর আগপর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশ পরিচালনা করবে। সে ক্ষেত্রে নেতানিয়াহুই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।ইসরায়েলের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছেন লিকুদ পার্টির নেতা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। প্রায় ১৯ বছর দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। গত তিন দশকে একাধিক রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেও ক্ষমতার কেন্দ্রে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন এই নেতা। এবারের নির্বাচনের পর সরকার গঠনের দায়িত্ব আইজেনকটের হাতে যাওয়ায় তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
ছবি : সংগৃহীত
ইয়েমেনের রাজধানী সানার উপকণ্ঠে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩ জনে পৌঁছেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩৯ জন।হুথি নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আলাসবাহি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আলাসবাহি জানান, সানার পূর্বাঞ্চলে বানি হাশিশ জেলার আল শারিয়াহ গ্রামে কয়েক দফা বিমান হামলা চালায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।
তার দাবি, হামলায় গ্রামের একাধিক বাড়িঘর ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া অ্যাম্বুলেন্সকর্মী এবং বেসামরিক প্রতিরক্ষা দলের সদস্যরাও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন।আলাসবাহি আরও জানান, হামলার পর উদ্ধার তৎপরতা ও হতাহতের তথ্য হালনাগাদ করা হলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩ জনে দাঁড়ায়। আহত অবস্থায় অন্তত ৩৯ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে এ হামলার বিষয়ে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ছবি : সংগৃহীত
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় আবারও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় হরমুজ প্রণালির কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপসহ কয়েকটি এলাকায় এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণের সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক তৎপরতার সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে এসব এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত করেনি ইরানি কর্তৃপক্ষ।
আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, কেশম দ্বীপে শোনা বিস্ফোরণের শব্দের সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কোনো সম্পর্ক নেই।এদিকে রোববার ভোরে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের সময় মাইনে আঘাত লেগে দুটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে যায়। জাহাজ দুটি ‘অনুমোদনহীন পথে’ চলাচলের চেষ্টা করছিল বলে দাবি করেছে বাহিনীটি।
তবে দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন এলাকায় শোনা বিস্ফোরণের সঙ্গে তেলবাহী জাহাজ দুটির ঘটনার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
কয়েক দিন আগেই দ্বীপটিতে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই হামলা ছিল সীমিত পরিসরের। এর মাধ্যমে বড় ধরনের সামরিক অভিযান আবার শুরু করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
বিএমডব্লিউর পাশে সামসুদ্দিন মিদ্যার ও তার ছেলে তালহা। ছবি: সংগৃহীত
প্রতীকী ছবি
সৌদি আরবে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ সাত বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। শনিবার (৭ নভেম্বর) মদিনা থেকে জেদ্দায় ফেরার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। জেদ্দা থেকে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত সাতজন বাংলাদেশের একাধিক পরিবারের সদস্য। তাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। শনিবার ভোরে মদিনা থেকে জেদ্দায় ফেরার পথে বাংলাদেশিদের বহনকারী একটি বাসকে পেছন থেকে একটি ট্রাক ধাক্কা দিলে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
এতে ঘটনাস্থলেই নারী, শিশুসহ সাতজন প্রাণ হারান। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহতদের সবাই আল আবির কোল্ড স্টোরস ট্রেডিং কোম্পানির সঙ্গে কর্মসূত্রে সম্পৃক্ত পরিবারের সদস্য।
প্রতিষ্ঠানটির মার্কেটিং ম্যানেজার নুরুজ্জামানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাদের মধ্যে রয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির স্টোরকিপার জিয়াউর রহমান, তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে।
এ ছাড়াও ফর্কলিফট চালক ইলিয়াসের স্ত্রী ও মক্কায় কর্মরত স্টোরকিপার আলমশাহ ও তার এক মাস বয়সী কন্যা সন্তানও রয়েছেন। তাদের বাড়ি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায়। তবে দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট সময়, স্থান, কারণ ও নিহতদের গ্রামের বাড়ি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।