ছবি : সংগৃহীত
হুথি হামলার ঘটনায় সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ১২ অক্টোবর রাত ৩টা পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্র রোববার (১১ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে।
হুথি হামলার কারণে রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় সকাল পর্যন্ত মোট ৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
যন্তর মন্তরকে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে
দিল্লিতে বিক্ষোভ-সমাবেশের নির্ধারিত স্থান হিসেবে আর থাকছে না ঐতিহাসিক যন্তর মন্তর। এর পরিবর্তে রাজধানীতে বিক্ষোভ আয়োজনের জন্য তিনটি বিকল্প স্থান নির্ধারণ করেছে দিল্লি পুলিশ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গতকাল রোববার দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়। তবে নির্দেশিকাটি প্রকাশ্যে আসে আজ সোমবার। দিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমারের জারি করা নির্দেশনায় যন্তর মন্তরকে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। নতুন নির্ধারিত স্থানগুলো হলো রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান ও সিবিডি ময়দান। এসব স্থানে বিক্ষোভ-সমাবেশ আয়োজনের জন্য কীভাবে অনুমতি নিতে হবে, সে বিষয়ে পরে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশ করা হবে।
২০২২ সালের ২৮ এপ্রিল জারি করা পুরোনো নির্দেশনায় সংশোধন এনে নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।
দিল্লির রাজনীতিতে যন্তর মন্তর দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ ও আন্দোলনের পরিচিত কেন্দ্র। সংসদ ভবন, রাষ্ট্রপতি ভবন এবং নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লকসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরের কাছাকাছি হওয়ায় এলাকাটি প্রশাসনিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
এ অবস্থায় সেন্ট্রাল দিল্লিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও জনসমাগম সামাল দেওয়ার লক্ষ্যেই বিক্ষোভের স্থান পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নীতির প্রতিবাদে রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনা চলছে। আজ সোমবার ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তিন শীর্ষ নেতা-নেত্রী শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির অনুমতি চাইতে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যান।
এ ঘটনার মধ্যেই বিক্ষোভের স্থান পরিবর্তনের নির্দেশিকা সামনে আসে। পরে সিজেপির প্রধান অভিজিৎ দিপকে বলেন, ‘এবার পুরো দেশই যন্তর মন্তর হবে।’
ছবি : সংগৃহীত
সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনার জন্য ব্যষ্টিক অর্থনৈতিক ভিত্তি নিয়ে গবেষণার জন্য এ বছর অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই অর্থনীতিবিদ। তারা হলেন- রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড।
আজ সোমবার রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নোবেল কমিটি বলেছে, দুই অর্থনীতিবিদ সামষ্টিক অর্থনীতির (ম্যাক্রো-ইকোনমি) নতুন কিছু মডেল তৈরি করেছেন। এই মডেলগুলো কার্যকর স্থিতিশীল নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সক্ষমতা বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে।
এসব মডেলের ওপর ভিত্তি করে সঠিক সময়ে যথাযথ রাজস্ব ও মুদ্রানীতি গ্রহণের মাধ্যমে অর্থনীতির চরম উত্থান-পতন অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব।
টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর প্রযুক্তির প্রভাব নিয়ে গবেষণার জন্য গত বছর পুরস্কারটি পেয়েছিলেন আমেরিকান-ইসরায়েলি জোয়েল মোকিয়র, ফ্রান্সের ফিলিপ আগিয়োঁ ও কানাডার পিটার হাউইট।
ছবি : সংগৃহীত
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার কিংবা পারমাণবিক সংঘাতের কারণে ২১০০ সালের মধ্যে বিলুপ্ত হতে পারে মানবজাতি। সম্প্রতি মেডিকেল জার্নাল ল্যানসেটের এক বৈশ্বিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এমন উদ্বেগের কথা জানানো হয়েছে। খবর গার্ডিয়ানের।
আগামী ৭৫ বছরে মানবস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করতে পারে এমন ১৭টি প্রধান ঝুঁকির তালিকার শীর্ষে রয়েছে এআই ও পারমাণবিক সংঘাত। তালিকায় রয়েছে ধনী দেশগুলোর সহায়তা হ্রাস, জলবায়ু সংকট এবং শৈশবকালীন অপুষ্টির মতো বিষয়গুলোও।
‘দ্য ল্যানসেট কমিশন অন টোয়েন্টিফার্স্ট সেঞ্চুরি গ্লোবাল থ্রেটস টু হেলথ’-এর সঙ্গে যুক্ত থাকা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ঝুঁকিগুলো একটির সঙ্গে অন্যটি সম্পর্কিত। তাই এগুলো একসঙ্গেই মোকাবিলা করতে হবে। তবে তারা জোর দিয়ে বলেন, প্রতিটি হুমকি মোকাবিলার জন্য ‘বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের পথ’ খোলা রয়েছে।
ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিক্স অ্যান্ড ইভালুয়েশনের পরিচালক ও কমিশন কো-চেয়ার অধ্যাপক ক্রিস্টোফার মারে বলেন, ‘আজকের বিশ্বনেতাদের গৃহীত সিদ্ধান্তই পরবর্তী প্রজন্মের স্বাস্থ্য ও সার্বিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।’
বর্তমান পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে ঝুঁকিগুলোর কারণে অসুস্থতা, পঙ্গুত্ব কিংবা অকালমৃত্যুর হার কোন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, তা মডেলিং করে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। পরিমাপের এই সূচকটি ‘ডিজঅ্যাবিলিটি-অ্যাডজাস্টেড লাইফ ইয়ার্স’ (ড্যালি) নামে পরিচিত।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘জৈবাস্ত্রের ব্যবহারসহ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষতিকর প্রয়োগ এবং পারমাণবিক যুদ্ধের কারণে তৈরি হওয়া বৈশ্বিক খাদ্যসংকট আগামী ৭৫ বছরের মধ্যে মানবজাতিকে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।’ এতে আরও বলা হয়, এমন ঘটনার আশঙ্কা কম হলেও এগুলো মানবজাতিকে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে।
উদাহরণস্বরূপ, বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরে বিশাল পরিমাণ ধূলিকণা বা কণা ছড়িয়ে দিয়ে সূর্যালোক আটকে দিতে পারে পারমাণবিক সংঘাত। এর ফলে বিশ্বব্যাপী চরম দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে এআই-সৃষ্ট জৈবাস্ত্রও মানবজাতির জন্য একইরকম ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
প্রতিবেদনের সঙ্গে প্রকাশিত ‘দ্য ল্যানসেট’-এর একটি সম্পাদকীয় মন্তব্যেও সতর্ক করে বলা হয়েছে, ‘এই আশঙ্কাগুলো যদি সত্যি হয়, তবে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা মানবজাতির ওপর এক মহাপ্রলয় নামিয়ে আনবে।’
তালিকাভুক্ত ঝুঁকিগুলোর মধ্যে যেগুলো যৌথভাবে ১০০ কোটিরও বেশি সুস্থ মানুষের জীবনের ক্ষতি করতে পারে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: বায়ুদূষণ, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা হ্রাস), শৈশবকালীন অপুষ্টি, জলবায়ু বিপর্যয়, প্রথাগত যুদ্ধ বা সংঘাত, বৈদেশিক সাহায্য কমে যাওয়া, অতিরিক্ত মদ্যপান, উচ্চ রক্তচাপ, আয়বৈষম্য, নিম্ন শিক্ষাগত যোগ্যতা, স্বাভাবিকভাবে ছড়িয়ে পড়া মহামারি, স্থূলতা, মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি, ধূমপান এবং অসুস্থতাজনিত বার্ধক্য।
তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে ঝুঁকিটি কত বেশি সুস্থ জীবন কেড়ে নিতে পারে শুধু সেটিই দেখা হয়নি, বরং সেই ঝুঁকি সমাধানের সম্ভাবনা রয়েছে কি না তাও বিবেচনা করা হয়েছে।
ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (ইউসিএল) সংক্রামক রোগ মহামারিবিদ্যার অধ্যাপক ও কমিশন সদস্য ইব্রাহিম আবু বকর বলেন, ‘আমরা এই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ শুরু করিনি যে আপনাদের আমরা ভয় দেখাতে চাই, তাই মানবজাতির সামনে কতশত ঝুঁকি দাঁড়িয়ে আছে তা দেখাচ্ছি। আমরা এই ধারণার ওপর ভিত্তি করে শুরু করেছি যে, আপনি যদি আন্তর্জাতিক স্তরের বা জাতীয় পর্যায়ের একজন আইনপ্রণেতা হন, তবে এগুলোই সেই সম্ভাব্য হুমকি যার মুখোমুখি আপনি হতে পারেন। আর আপনি যদি এখনই পদক্ষেপ নেন, তবে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।’
সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দ্বিতীয় দফায় হামলা হয়েছে। এতে একজন নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছেন।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিয়াদের বিমানবন্দরে দ্বিতীয় হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে ইয়েমেনের রাজধানী সানায় হুতিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা একটি বিমানবন্দরে বিমান হামলার খবর প্রকাশ করে হুতিপন্থি গণমাধ্যম। তবে ওই হামলার সঙ্গে রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলার সরাসরি কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
পরিস্থিতির মধ্যে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতিদের মধ্যে সংলাপের উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এ সময় তিনি দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার পথ তৈরি করতে সহায়তার প্রস্তাব দেন।
এর আগে শনিবার কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় ১২ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন সৌদি নাগরিক, দুজন বাংলাদেশি এবং যুক্তরাষ্ট্র, জর্ডান, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, সুদান ও মিসরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন। রোববার হুতিদের বিবৃতিতে শনিবারের হামলার কথা সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি। তবে এর আগে বৃহস্পতিবার একই বিমানবন্দরে পৃথক হামলার দায় স্বীকার করেছিল গোষ্ঠীটি।
এদিকে যুদ্ধ বন্ধে ইরানের দেওয়া সাতটি শর্তের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জবাবকে ‘যথেষ্ট নয়’ বলে মন্তব্য করেছে তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কর্মকর্তা মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, যুদ্ধের অবসানে তেহরানের দেওয়া সাতটি শর্তের কয়েকটি যুক্তরাষ্ট্র মেনে নিয়েছে। তবে ওয়াশিংটনের জবাব এখনো ইরানের প্রত্যাশা পূরণ করেনি।
অন্যদিকে হরমুজ প্রণালিতে গত ২৪ ঘণ্টায় তৃতীয় একটি বিশাল তেলবাহী ট্যাংকার নৌমাইনে আঘাত পেয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা
ধ্রুব রাঠি
গতকাল শনিবার আটকের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আজ রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। তিনি অভিযোগ করেছেন, সাদাপোশাকের ব্যক্তিরা তাকে অপহরণ করেছিলেন। পরে তাকে ছেড়ে দেয় গুরুগ্রাম পুলিশ।
ধ্রুব রাঠি বলেন, ‘আমি বিক্ষোভে গেলে হয়তো আমাকে আটক করা হতো। কিন্তু তারা আমাকে ঘুমন্ত অবস্থায় অপহরণ করেছেন। পরে জানতে পেরেছি, বাড়ির বাইরে ৫০ জনের বেশি লোক দাঁড়িয়ে ছিলেন। একজন অপরাধীর মতো আমাকে বাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’
গতকাল শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কয়েক হাজার মানুষকে আটক করেছিল পুলিশ। তাদের মধ্যে ধ্রুব রাঠিও ছিলেন। আজ রোববার তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। ধ্রুব রাঠি কংগ্রেসের সংসদ সদস্য রাহুল গান্ধীর সমর্থক এবং ভারতের ক্ষমতাসীন এনডিএ সরকারের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত।
নির্বাচনের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। ওই কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার আগেই ধ্রুব রাঠিকে আটক করে পুলিশ।
গতকাল শনিবার গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬ এলাকায় নিজের বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। বিক্ষোভকারীরা যাতে যন্তর মন্তরে পৌঁছাতে না পারেন, সে জন্য ওই দিন ভারতের রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করেছিল পুলিশ।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের বরাতে পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ধ্রুব রাঠি যন্তর মন্তরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আবারও আটকসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
ছবি : সংগৃহীত
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকার।
আজ রোববার সংবিধানের নিরাপত্তাসংক্রান্ত দুটি অনুচ্ছেদের আওতায় এ জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। এর ফলে কারাগারে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) পরিচালিত ওই প্রাদেশিক সরকারের সব কার্যক্রম কার্যত স্থগিত হয়ে গেল। এর মধ্য দিয়ে এখন প্রদেশটিতে গভর্নরের শাসন জারি হলো।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সভাপতিত্বে দিনের শুরুতে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে দেওয়া সুপারিশ তিনি অনুমোদন করেছেন।
শাহবাজ শরিফের দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, মন্ত্রিসভার সদস্যরা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন এবং ‘সন্ত্রাসবিরোধী লড়াই থেকে প্রাদেশিক সরকারের ইচ্ছাকৃতভাবে সরে থাকার’ বিষয়টি আমলে নিয়েছেন।
কারাবন্দী নেতা ইমরানের মুক্তির দাবিতে তাঁর দলের নেতা-কর্মীরা পাখতুনখাওয়া প্রদেশ থেকে ৪ অক্টোবর রাজধানী ইসলামাবাদ অভিমুখী লংমার্চ শুরু করেন। গতকাল শনিবার ছিল লংমার্চের সপ্তম দিন। এখনো লংমার্চ খাইবার পাখতুন খাওয়া প্রদেশেই অবস্থান করছে।
ইমরানের মুক্তিসহ বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে তাঁর দল পিটিআই ও কেন্দ্রীয় সরকারের মুখোমুখি অবস্থানের মধ্যে গতকাল প্রেসিডেন্ট ভবনে আসিফ আলী জারদারির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বৈঠক করেন। বৈঠকের পর খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারির সম্ভাবনা জোরালো হয়।
এদিকে পিটিআই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, জরুরি অবস্থা জারি কিংবা গভর্নরের শাসন পাখতুনখাওয়ায় কোনো সমস্যার সমাধান আনবে না।