ঘুষ.সাইট
বিদেশি ওয়েবসাইট থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশে সরকারি সেবা নিতে কোথায় কত টাকা ঘুষ চাওয়া হচ্ছে, সেই তথ্য জানাতে দুই বন্ধু মিলে তেরি করেছেন ‘ঘুষ.সাইট’ (ghush.site)। গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) ওয়েবসাইটটি চালু হওয়ার পর মাত্র ৩ দিনেই এটিতে সরকারি সেবা পেতে ঘুষ চাওয়ার ১ হাজার ৩২৯ টি অভিযোগ জমা পড়েছে। আর ঘুষ হিসেবে চাওয়া অর্থের পরিমাণ ২৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।
ওয়েবসাইটটিতে ভুক্তভোগীরা নিজেদের নাম-পরিচয় গোপন রেখেই ঘুষ চাওয়ার অভিজ্ঞতা জানাতে পারছেন। যেখানে অভিযোগ জানাতে হলে ব্যবহারকারীকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নাম, সেবার ধরন, এলাকা ও ঘুষ হিসেবে কী পরিমাণ অর্থ দাবি করা হয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত কী হয়েছিল- এই ৫ ধরনের তথ্য দিতে হয়। সেই সঙ্গে ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেয়ারও সুযোগ রয়েছে।
তবে এখানে অভিযোগ জানাতে কোনো অ্যাকাউন্ট খোলার প্রয়োজন হয় না। সবমিলিয়ে পুরো প্রক্রিয়াটি ২ মিনিটেরও কম সময়েই শেষ করা যায়। তবে কোনো ব্যক্তির নাম, পদবি বা ফোন নম্বর উল্লেখ করা যায় না।
নিজস্ব অর্থে পরিচালিত ওয়েবসাইটটির দুই প্রতিষ্ঠাতা হলেন- সাইফ কবির ও শাহেদ শরিফ। কোনো এনজিও বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এর আনুষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা নেই এবং বাইরের কোনো অর্থায়নও নেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন তারা। তবে ওয়েবসাইটটিতে স্বেচ্ছায় অনুদানের সুযোগ রয়েছে।
উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে চিহ্নিত করার চেয়ে সরকারি কোন দপ্তর বা সরকারি সেবা ঘিরে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ বেশি আসছে, সেটি তুলে ধরাই ওয়েবসাইটটির মূল উদ্দেশ্য। সবমিলিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে থাকা ঘুষের অভিজ্ঞতাগুলো এক জায়গায় এনে কোনো সরকারি সেবা বা দপ্তরে কত টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ রয়েছে, তার একটি চিত্র তৈরি করা।
তবে ওয়েবসাইটে যুক্ত হওয়া তথ্যকে যাচাই করা অভিযোগ বা প্রমাণ হিসেবে দাবি করছে না ওয়েবসাইটটি।
অন্যদিকে ঘুষের অভিযোগ জমা দেয়ার পর সেটি সরাসরি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয় না। প্রথমে মডারেশনের মাধ্যমে অভিযোগকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সরানো হয়। সেই সঙ্গে আক্রমণাত্মক, অস্পষ্ট বা নীতিমালা ভঙ্গ করে- এমন অভিযোগও বাদ দেয়া হয়।
এরপর অভিযোগটি প্রকাশ করা হয়। যেখানে বিভাগ, দপ্তর, সেবার ধরন, ঘুষ চাওয়া অর্থের পরিমাণ ও ঘটনার ফলাফল অনুযায়ী তথ্য দেখা যায়।
৩ দিনেই হাজারের বেশি অভিযোগ
সোমবার দুপুরে ওয়েবসাইটটি ঘুরে দেখা যায়, ওয়েবসাইটটি চালুর প্রথম ৩ দিনেই এতে ১ হাজার ৩২৯টি অভিযোগ জমা পড়েছে। যার মধ্যে ঘুষ চাওয়ার সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছে ঢাকা বিভাগ থেকে। এই বিভাগ থেকে এ পর্যন্ত ৮৬৯টি অভিযোগ জমা পেড়েছে।
পাশাপাশি ২ নম্বরে থাকা চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে ৪৩৮টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এছাড়া রাজশাহী বিভাগের ২২টি অভিযোগ জমা পড়েছে। সবমিলিয়ে এসব অভিযোগে ঘুষ হিসেবে চাওয়া অর্থের মোট পরিমাণ ২৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।
অভিযোগ মানেই প্রমাণ নয়
ওয়েবসাইটটিতে জমা পড়া প্রতিটি অভিযোগ আলাদাভাবে যাচাই করা হয় না, যেটি এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সীমাবদ্ধতা। এ কারণে সাইটে প্রকাশিত প্রতিটি রিপোর্টের সঙ্গে ‘আনভেরিফায়েড’ (যাচাই করা হয়নি) শব্দটি উল্লেখ করা থাকে।
উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, ঘুষ.সাইট কোনো অভিযোগকে সত্য ঘটনা বা কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করছে না। এটি কোনো তদন্ত সংস্থাও নয়, দুর্নীতি দমন কমিশনের বিকল্প হওয়ার দাবিও করছে না; বরং মানুষের অভিজ্ঞতাগুলো এক জায়গায় এনে একটি উন্মুক্ত রেকর্ড তৈরি করাই এর উদ্দেশ্য।
এ বিষয়ে ওয়েবসাইটটির উদ্যোক্তাদের একজন সাইফ কবির গণমাধ্যমকে বলেন, শুধু ওয়েবসাইটে কত মানুষ ঢুকল এটিই তাদের কাছে সাইটটির সাফল্যের মাপকাঠি নয়; বরং কোনো নাগরিক সরকারি সেবা নিতে যাওয়ার আগে মানুষের অভিজ্ঞতা দেখে যদি বুঝতে পারেন, কোথায় কত টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ রয়েছে এবং অন্যায্য দাবি প্রত্যাখ্যান করতে পারেন, সেটিকেই এই উদ্যোগের সাফল্য হিসেবে দেখছেন তারা।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবীর
যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগ করার প্রশ্নে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, ‘আমি বাংলাদেশি’। আজ সোমবার (২৪ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
হুমায়ুন কবির বলেন, আমি বাংলাদেশি। এখানে আসার এবং বাংলাদেশের জন্য কাজ করার অর্থই এটি। কোনো সুবিধাভোগী মানুষ এখানে কাজ করবে না।
দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে মন্ত্রিত্ব নেওয়ার ক্ষেত্রে আইনি বাধা ও নেটিজেনদের সমালোচনার জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি সিটিজেনশিপ নিয়ে এসেছি, আর আপনারা বললেন নেটিজেন! মানে কোন নেটিজেন? আমি তো নাগরিকত্ব নিয়ে কাজ করতে এসেছি, আমরা কাজ করি।
দেশের একটি গণমাধ্যম আপনার যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করার বিষয়টি তোলা হলে হুমায়ুন কবির বলেন, তার জ্বালা কেন হচ্ছে? তার কি ২০০৮-এর জ্বালা উঠছে নাকি আবার? মঈন মঈনুদ্দিন, ফখরুদ্দিনের জ্বালা উঠছে তার আবার? নাকি।
তিনি বলেন, দেশের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেওয়া মানুষ সব, দেশপ্রেমিক মানুষ যারা আছে, গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক নেতারা-এখন আমরা সবাই মিলে ইনশাআল্লাহ্ এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।
চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে। ভর্তি প্রক্রিয়া চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর, ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর। আজ সোমবার একাদশে ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। অন্যবারের মত এবারও ফলাফলের ভিত্তিতে ভর্তি নেওয়া হবে।
অনলাইনে www.xiclassadmission.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি দিয়ে আবেদন করতে হবে। শিক্ষার্থীরা ২ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
খাতা পুনর্মূল্যায়নে ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ পাবেন। এ দুই দিন পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ পাবেন ভর্তিচ্ছুরা। এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে। ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে নির্ধারিত কলেজ নিশ্চিত করতে হবে। না করলে আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
এরপর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর ভর্তি নেবে কলেজ ও মাদ্রাসাগুলো। ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে একাদশ শ্রেণির ক্লাস।
গ্রুপ নির্বাচন
বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা যেকোনো গ্রুপের (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায়) জন্য আবেদন করতে পারবেন। মানবিক ও ব্যবসায় বিভাগের শিক্ষার্থীরা মানবিক ও ব্যবসায় আবেদন করতে পারবেন। মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম কার্যকর হবে।
যেকোনো গ্রুপ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ও সংগীত বিষয়ের যেকোনো একটিতে আবেদন করতে পারবেন।
মেধাক্রম নির্ধারণ
সমান জিপিএ প্রাপ্তদের ক্ষেত্রে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে গ্রেড পয়েন্ট ও প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করতে হবে।
বিজ্ঞান গ্রুপে ভর্তির ক্ষেত্রে সমান মোট নম্বর প্রাপ্তদের মেধাক্রম নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত ও উচ্চতর গণিত বা জীববিজ্ঞানে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনতে হবে। যদি তারপরেও প্রার্থী বাছাইয়ে জটিলতা নিরসন না হয়, তবে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়নে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনতে হবে।
মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের ক্ষেত্রে সমান মোট নম্বর বিষয়টি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনতে হবে।
এক গ্রুপের প্রার্থী অন্য গ্রুপে ভর্তির ক্ষেত্রে জিপিএ একই হলে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে জটিলতা নিরসন না হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনতে হবে।
স্কুল ও কলেজ এবং সমমানের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত যোগ্যতা সাপেক্ষে স্ব স্ব বিভাগে (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা) অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পাবেন। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব বিভাগে ভর্তি নিশ্চিত করেই কেবল অবশিষ্ট শূন্য আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে হবে।
ভর্তি ফি
ঢাকা মহানগরের এমপিওভুক্ত কলেজে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনে সর্বোচ্চ ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার টাকা। ঢাকা ছাড়া অন্যান্য মহানগর এলাকায় বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনের কলেজে ভর্তির ফি হবে ৩ হাজার টাকা। জেলা পর্যায়ের কলেজে দুই ভার্সনের ভর্তির ফি ২ হাজার ও উপজেলা বা মফস্বল পর্যায়ের কলেজে ভর্তির ফি দেড় হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ননএমপিও বা আংশিক এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উন্নয়ন ফি, সেশন চার্জ ও ভর্তি ফি ঢাকা মহানগর এলাকার কলেজের বাংলা ভার্সনের জন্য সাড়ে ৭ হাজার টাকা ও ইংরেজি ভার্সনের জন্য সাড়ে ৮ হাজার টাকা।
ঢাকা ছাড়া অন্যান্য মহানগর এলাকার ননএমপিও কলেজে বাংলা ভার্সনে ভর্তির জন্য ৫ হাজার টাকা ও ইংরেজি ভার্সনে ভর্তির জন্য ৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। জেলা পর্যায়ের কলেজের বাংলা ভার্সনে ৩ হাজার টাকা ও ইংরেজি ভার্সনে ৪ হাজার টাকা ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। আর উপজেলা বা মফস্বল পর্যায়ের কলেজে বাংলা ভার্সনে আড়াই হাজার টাকা ও ইংরেজি ভার্সনে ৩ হাজার টাকা ভর্তি ফি দিতে হবে।
সরকারি কলেজগুলো সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ভর্তি ফি নেবে। দরিদ্র, মেধাবী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য কলেজগুলোকে ফি যতদূর সম্ভব মওকুফে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। শিক্ষা বোর্ড শিক্ষার্থীদের থেকে ভর্তির প্রাথমিক নিশ্চায়ন করার সময় ৩৪০ টাকা ভর্তি ফি নেবে।
কোটা
একাদশে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কলেজ বা মাদ্রাসার ৯৩% আসন সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে, যা মেধার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১% এবং অধীনস্থ দপ্তর বা সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের সন্তানদের ক্ষেত্রে ১% সহ মোট ২% আসন মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে সংরক্ষিত থাকবে।
যদি আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হয়, সেক্ষেত্রে তাদের নিজেদের মধ্যে মেধার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ রাখতে হবে। আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রধানের প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যার ভর্তির জন্য ৫% আসন সংরক্ষিত থাকবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের আসন নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র বা গেজেটের সত্যায়িত কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে এবং ভর্তির সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে।
এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তিযোদ্ধা সনদ যথাযথভাবে যাচাই করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা পাওয়া না গেলে মেধা তালিকা থেকে ওইসব আসনে ভর্তি করতে হবে। কোনো অবস্থায় আসন শূন্য রাখা যাবে না।
যেসব কলেজে ভর্তি নিষিদ্ধ
স্থাপনের অনুমতি আছে কিন্তু পাঠদানের প্রাথমিক অনুমতি নেই, এমন কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠান কোনো অবস্থাতেই শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না। পাঠদানের প্রাথমিক অনুমতিপ্রাপ্ত অথবা স্বীকৃতিপ্রাপ্ত কোনো কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানে অননুমোদিত ক্যাম্পাস এবং অনুনোমোদিত কোনো বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে না।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়টি এখন পর্যন্ত থমকে আছে। এর মধ্য দিয়ে দুই প্রতিবেশী দেশের টানাপোড়েনের চিত্র আরও স্পষ্ট হয়েছে। ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে এই টানাপোড়েন চলছে। ওই অভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান।
গত ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতায় আসার পর থেকে তারেক রহমানের সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়েছে। তবে দিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন আয়োজনের বিষয়টি ঢাকায় ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।
ঢাকা বলছে, ৫ আগস্টের ওই সংবাদ সম্মেলনের কারণে নেতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তারেক রহমানের সফরের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। এই মুহূর্তে তাই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সম্ভাব্য সমাধান বের করতে দুই দেশের কর্মকর্তারা কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনা করছেন।
সফর ঘিরে কী হচ্ছে?
আগামী মাসে নয়াদিল্লিতে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর জোট ব্রিকসের সম্মেলন হবে। এর আগে চলতি মাসে তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল দিল্লি।
গত মঙ্গলবার ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশ সরকারের প্রতি একটি আহ্বান জানান। তিনি শেখ হাসিনার নির্বাসনের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ভারতীয় মিশন অতীত ভুলে যেতে বলছে না। অতীতকে সঙ্গে রেখে মতপার্থক্যগুলো মিটিয়ে ফেলুন। সামনে এগিয়ে যান। স্থবির হয়ে থাকবেন না।
হাইকমিশনে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ত্রিবেদী জানান, তারেক রহমানের ভারত সফরকে নরেন্দ্র মোদি ‘স্মরণীয়’ করে রাখতে চাইছেন।
তবে শেখ হাসিনা নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেওয়ার পর সফরের পরিকল্পনাটি ভেস্তে যায়। ঢাকা ক্ষোভ প্রকাশ করলে দিল্লির পক্ষ থেকে বলা হয়, ওই আয়োজনের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা ছিল না। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।
দুই দেশ কী বলেছে?
সফরটি নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘এই মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে কিছু বলার নেই।’
আর শনিবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ‘পারস্পরিক স্বার্থের পরীক্ষায়’ উত্তীর্ণ হতে হবে। জয়শঙ্কর আরও বলেন, ‘তাদের স্বার্থকে যেমন যথেষ্ট পরিমাণে সম্মান করতে হবে, তেমনি আমাদের স্বার্থের ক্ষেত্রেও একই বিষয় আশা করি।’
তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা (বর্তমানে প্রতিমন্ত্রী) হুমায়ুন কবির সম্প্রতি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর আয়োজনের ক্ষেত্রে ঢাকার কোনো তাড়া নেই। নির্বাচিত নতুন সরকারের সঙ্গে দিল্লি কী ধরনের সম্পর্ক চায়, সেটি যাচাই করে দেখা হচ্ছে।
হুমায়ুন কবির আরও বলেন, ‘ভারতকে অবশ্যই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বাস্তবতা যথাযথভাবে বুঝতে হবে। এই অভ্যুত্থানে দেড় হাজারের বেশি মানুষের আত্মত্যাগ আছে।’
শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধে ভারত এখনও সিদ্ধান্ত জানায়নি। এ প্রসঙ্গকে ইঙ্গিত করে হুমায়ুন কবির এসব কথা বলেন। দুই দেশের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি আছে। তবে তাতে রাজনৈতিক মামলাকে ব্যতিক্রম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে নয়াদিল্লি জানায়, প্রচলিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রত্যর্পণের অনুরোধটি বিবেচনা করা হচ্ছে।
উত্তেজনার ক্ষেত্রগুলো কী?
শেখ হাসিনার কর্তৃত্ববাদী শাসনের প্রতি নয়াদিল্লির সমর্থন, বাংলাদেশের মানুষের মাঝে ক্ষোভ তৈরি করেছিল। গত বছরের নভেম্বরে তাঁর মৃত্যুদণ্ডের রায়ে পর বাংলাদেশ প্রত্যর্পণের দাবি জানিয়ে আসছে।
কিছু বিশ্লেষকের মতে, এটিকে নয়াদিল্লি কূটনৈতিক দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ায় অসন্তোষ জানিয়েছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্যকে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ৫ আগস্টের সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেশে ফেরার ঘোষণা দেন।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক্স অ্যাকাউন্টে ১৬ আগস্ট একটি পোস্ট দেওয়া হয়। এতে শেখ হাসিনা ও অন্য পলাতক আসামিকে প্রত্যর্পণের অনুরোধে দ্রুত সাড়া দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পোস্টে বলা হয়েছে, সবার আগে বাংলাদেশ নীতি অনুসরণ করে প্রতিবেশীসহ অন্যদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া হবে। এ সম্পর্ক হবে সমতা, জাতীয় মর্যাদা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে।
কয়েক দশকের টানাপোড়েনের পর পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়েছে। এটি ভারতের জন্য বড় কূটনৈতিক ধাক্কা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাকিল আহমেদ বলছেন, অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কারণে ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।
শাকিল আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ চায়, ভারতের সঙ্গে যেকোনো সম্পর্ক আত্মমর্যাদা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে হওয়া উচিত।’
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বাড়িয়ে তারেক রহমানের সরকার পররাষ্ট্র নীতিতে বৈচিত্র্য আনছে।
একটা সময় নয়াদিল্লি বাংলাদেশকে ভারতের পররাষ্ট্র নীতির অনুসারী হিসেবে দেখতো। তবে এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে বলেও জানান শাকিল আহমেদ।
এদিকে বাংলাদেশ সীমান্তে ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়া দেওয়ার উদ্যোগও দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন বাড়িয়েছে। ভারতের ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের বাংলাদেশবিরোধী বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও তিক্ত করেছে।
এছাড়া, সন্দেহভাজন অবৈধ অভিবাসীদের সীমান্তে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। ঢাকার অভিযোগ, কূটনৈতিক যাচাই ছাড়াই মানুষকে সীমান্তে ঠেলে দিচ্ছে দিল্লি।
এরপর কী?
দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশিয়া অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক সঞ্জয় ভরদ্বাজের মতে, ‘সফর পিছিয়ে দিয়ে তারেক রহমান জনসমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করছেন।’
তাঁর দাবি, ‘ঢাকার সঙ্গে দিল্লি উন্নয়নমূলক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায়। অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতেও আগ্রহী। কিন্তু তারেক রহমানের আগ্রহ রাজনীতিতে।’
সঞ্জয় ভরদ্বাজ বলেন, ‘হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়টি বিতর্কিত ইস্যু। কার্যকর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখতে হলে দুই দেশকে এই ইস্যুর বাইরে যেতে হবে।’
আর ভারতের ওপি জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির দক্ষিণ এশিয়া অধ্যয়নের অধ্যাপক শ্রীরাধা দত্ত বলছেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। কারণ এর কোনো বিকল্প নেই।
শ্রীরাধা আরও বলেন, ভারত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন। কিন্তু সংলাপ ও যোগাযোগ না থাকলে পরিস্থিতির ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকবে কীভাবে? দিল্লিকে নতুন বাস্তবতা মেনে নিতে হবে। কেবল অভিন্ন লক্ষ্য ও স্বার্থ এই সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
ছবি : সংগৃহীত
২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী বছরের ১৪ মার্চ থেকে শুরু হবে। পরীক্ষা চলবে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। সোমবার দুপুরে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির প্রধান ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আক্তারুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে। তবে নতুন বছরের পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের ছুটি বিবেচনায় নিয়ে পরীক্ষার সূচি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয় আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৪ মার্চ থেকে শুরু হয়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শেষ হবে ১৫ এপ্রিল।
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সবার আগে অর্থনৈতিক সুসম্পর্ক দরকার। সেটি ঠিক থাকলে অন্যান্য সম্পর্কগুলোও ভালোভাবে এগিয়ে যাবে। আজ সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন দীনেশ ত্রিবেদী।
ভারতের হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনীতির বিষয়ে কিছু ইস্যু থাকবে। তবে দুই দেশের সাধারণ মানুষগুলো কিন্তু উন্নয়ন চায়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম। সেজন্য উভয়ের উন্নয়নে আমরা কাজ করবো। এইটা আমাদের সবারই দায়িত্ব।
দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, দু’দেশের একটা জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রোডাকশনও দরকার। এখানকার গার্মেন্টস তো সবচেয়ে ভালো। আমরা যদি জিপার, মেশিনারি, বোতাম সাপ্লাই করতে পারি, তাহলে একটা ইন্টারডিপেন্ডেন্সি হবে।
তিনি বলেন, আমি যখন আমেরিকান মার্কেট, ইউরোপ মার্কেটে যাই। একটা শার্ট কিনি কিংবা টি-শার্ট কিনি, আর লেবেল দেখি ‘মেড ইন বাংলাদেশ’, খুব ভালো লাগে। খুবই ভালো লাগে যে আমাদের একটা নেইবার, সব গার্মেন্টস ওখানটা আছে। এইটা আমাদের জয়েন্ট ভেঞ্চারেও করতে পারি। মূলত একই জিনিস আমরা একসঙ্গে থাকলে অনেক এগিয়ে যেতে পারবো।
এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রয়েছে। তবে ভারতের সঙ্গে গত দেড় বছরে কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছিল। বৈঠকে কিছু বিষয় সুনির্দিষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আলোচনা করা হয়েছে কীভাবে আগামী দিনে এই বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও সহজ ও ভালো করা যায়।
মন্ত্রী বলেন, ভারত আমাদের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক অংশীদারদের মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম, চীনের পরে। তাদের সঙ্গে আমাদের অনেক বিষয় রয়েছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভারত ল্যান্ড বর্ডারগুলো পুরোপুরি ফাংশনাল করা, বর্ডার হাটগুলো পুনরায় চালু করা এবং ল্যান্ড বর্ডার দিয়ে সুতা আমদানি যেটা এখন প্রহিবিটেড—সেটাকে আবার পুনরায় চালু করার ব্যাপারে আমাদের নজরে এনেছেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমার বিশ্বাস, ভারতের হাইকমিশনারের উদ্যোগে এবং তার অবস্থানকালে দুই দেশের সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া কয়েকদিন আগে ভারতীয় একটি বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদল আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। তারাও দু’দেশের ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে একটি টাস্কফোর্স করা এবং ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণের জন্য দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে একটা টাস্কফোর্স করার প্রস্তাব দিয়েছে। তো এই সমস্ত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বাণিজ্যিক সম্পর্কের মধ্যে গতি আনা, ক্রমাগত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, নতুন বিনিয়োগের সুযোগ এবং ক্ষেত্র খোঁজার চেষ্টা করা হচ্ছে—এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া, এটি চলতে থাকবে।
বিআরটিএ’র লোগো
মোটরযানের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদের জন্য আরও সময় দিয়েছে সরকার। জরিমানা ছাড়াই মূল কর ও ফি জমা দিয়ে মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করার সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার।
রোববার (২৩ আগস্ট) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিআরটিএ সংস্থাপন শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অর্থ বিভাগের ২৩ আগস্টের সম্মতির পরিপ্রেক্ষিতে জরিমানা ছাড়া মূল কর ও ফি জমা দিয়ে সকল প্রকার মোটরযানের কাগজপত্র—ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করার সময়সীমা ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত শেষবারের মতো বৃদ্ধি করা হয়েছে।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সহকারী সচিব মো. জসিম উদ্দিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনটিতে আরও বলা হয়, নতুন সময়সীমা অবিলম্বে কার্যকর হবে।