ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে বড় পরিবর্তন

ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে বড় পরিবর্তন

ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে বড় পরিবর্তন

ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে বড় পরিবর্তন

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২০ নভেম্বর, ২০২৫, সময় : ৩:৩৫ এএম

মেটা সম্প্রতি তাদের ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে বড় ধরনের আপডেট চালু করেছে। এই নতুন সংস্করণটি শুধু পণ্য দেখার বা কেনাবেচার প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে আরও স্মার্ট, সামাজিক এবং ব্যক্তিগত করার দিকে নজর দিয়েছে।

ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে কথোপকথনকে সহজ এবং কার্যকর করার জন্য নতুন এআই- চালিত ফিচার যোগ করা হয়েছে। ব্যবহারকারীরা এখন কেবল পণ্য খুঁজবেন না, বরং এআই-এর সাহায্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে, পণ্যের বিস্তারিত তথ্য এক নজরে দেখতে এবং বন্ধুদের সঙ্গে দলগতভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।


ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে বড় পরিবর্তন

693Shares
facebook sharing button
messenger sharing button
whatsapp sharing button
twitter sharing button
linkedin sharing button
copy sharing button
print sharing button
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

মেটা সম্প্রতি তাদের ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে বড় ধরনের আপডেট চালু করেছে। এই নতুন সংস্করণটি শুধু পণ্য দেখার বা কেনাবেচার প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে আরও স্মার্ট, সামাজিক এবং ব্যক্তিগত করার দিকে নজর দিয়েছে।

ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে কথোপকথনকে সহজ এবং কার্যকর করার জন্য নতুন এআই- চালিত ফিচার যোগ করা হয়েছে। ব্যবহারকারীরা এখন কেবল পণ্য খুঁজবেন না, বরং এআই-এর সাহায্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে, পণ্যের বিস্তারিত তথ্য এক নজরে দেখতে এবং বন্ধুদের সঙ্গে দলগতভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

আরও পড়ুন : সব জায়গায় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার কতটা ঝুঁকি

আরও পড়ুন : গুগল ম্যাপসে এবার এলো আপনার যাত্রার নতুন বন্ধু

উপরন্তু, মার্কেটপ্লেসের এই আপডেট সামাজিক সহযোগিতা এবং কমিউনিটি ভিত্তিক ফিডব্যাককে গুরুত্ব দেয়, ফলে পণ্য এবং বিক্রেতার বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে আরও নির্ভুল ধারণা পাওয়া যায়। অংশীদার প্ল্যাটফর্ম যেমন ইবে ও পস্মার্কের তালিকা যুক্ত হওয়ায় পণ্যের পরিসর এবং বিকল্পও বেড়েছে। স্বচ্ছ চেকআউট এবং রিয়েল-টাইম নোটিফিকেশন ব্যবহারকারীদের কেনার অভিজ্ঞতাকে আরও নির্ভরযোগ্য ও সুবিধাজনক করে তুলেছে।

সারসংক্ষেপে, এই আপডেটগুলো ফেসবুক মার্কেটপ্লেসকে শুধু অনলাইন বাজার নয়, বরং একটি স্মার্ট, সামাজিক এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযোজিত প্ল্যাটফর্মে পরিণত করেছে।

বিষয় : ফেসবুক




  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:৫৪ পিএম

সাম্প্রতিক সময়ে অনেকেই অ্যাকাউন্টে পাসকি যোগ করার তাগিদ বা পরামর্শ পেয়ে থাকতে পারেন। দীর্ঘদিনের পরিচিত পাসওয়ার্ড ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা ও ঝুঁকি থাকলেও পাসকি এনেছে নিরাপত্তা। সব ওয়েবসাইটে এখনও এর ব্যবহার চালু না হলেও পুরানো ব্যবস্থার তুলনায় পাসকি সবদিক থেকেই এগিয়ে। তবে পাসকি ব্যবহারে কিছু বিষয় বুঝে রাখা জরুরি।


প্রযুক্তি সংবাদের সাইট এনগ্যাজেট প্রতিবেদনে লিখেছে, মনে রাখা কোনো শব্দ বা সংখ্যার বদলে নির্দিষ্ট ডিভাইস বা সফটওয়্যারের ওপর নির্ভরশীল পাসকি। ফলে যেখানে পাসকি সংরক্ষণ করছেন, সেখান থেকে যেন ভুলবশত লকআউট না হয়ে যান সেদিকে বাড়তি নজর রাখতে হবে।


পাশাপাশি, বন্ধু বা পরিচিত কারও সঙ্গে সাধারণ পাসওয়ার্ডের মতো সহজে পাসকি শেয়ার করাও সম্ভব নয়। এরপরও অধিকাংশ ব্যবহারকারীর জন্য পাসওয়ার্ডের চেয়ে পাসকি ব্যবহার বেশি নিরাপদ ও সুবিধাজনক, বিশেষ করে যারা এখনও পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করছেন না।


পাসকি কীভাবে কাজ করে তা একবার বুঝে নিলে দৈনন্দিন লগইনের ঝামেলা অনেকটাই কমে আসবে। পাসকি কোথায় ও কীভাবে সংরক্ষণ করছেন সেটি গুরুত্বপূর্ণ। অধিকাংশ শীর্ষস্থানীয় অপারেটিং সিস্টেম ও পাসওয়ার্ড ম্যানেজারগুলো বর্তমানে পাসকি সুবিধা সমর্থন করছে।


পাসওয়ার্ড বনাম পাসকি: সুবিধায় কে এগিয়ে?


পাসওয়ার্ড ও পাসকির মধ্যে মূল পার্থক্য বুঝতে প্রথমে জানতে হবে দুটি প্রযুক্তি কীভাবে কাজ করে। পাসওয়ার্ড হচ্ছে নির্দিষ্ট কিছু বর্ণ বা সংখ্যার ‘গোপন কোড’, যা ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টের মালিকানা যাচাই করে।


সুরক্ষার স্বার্থে কোনো ওয়েবসাইটিই সরাসরি লেখা আকারে এ পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করে না। এর বদলে বিশেষ গাণিতিক উপায়ে পাসওয়ার্ডটিকে এনক্রিপ্ট করে এলোমেলো কোডে রূপান্তর করা হয়, যাকে বলে ‘হ্যাশ’।


পরবর্তীতে ব্যবহারকারী সঠিক পাসওয়ার্ড দিলে ওয়েবসাইট সেটি তাদের ডেটাবেইসে থাকা হ্যাশের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে ব্যবহারকারীকে প্রবেশাধিকার দেয়। সুরক্ষার মাত্রা বাড়াতে এ হ্যাশের সঙ্গে অতিরিক্ত র‌্যান্ডম ডেটা যোগ করা হয়, যা ‘সল্টিং’ নামে পরিচিত।


অন্যদিকে, পাসকি ব্যবহারের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো কোড বা লেখা মনে রাখতে হয় না। এ প্রযুক্তি দুটি চাবির ওপর ভিত্তি করে তৈরি। একটি ‘পাবলিক কি’, যা ওয়েবসাইট সংরক্ষণ করে এবং অন্যটি ‘প্রাইভেট কি’, যা ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট ডিভাইসে সংরক্ষিত থাকে।


ব্যবহারকারী যখন কোনো অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে যান তখন ওয়েবসাইটটি ডিভাইসে থাকা পাসকির মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করতে বলে। এ প্রাইভেট কি’টি ব্যবহারকারীর মোবাইল বা কম্পিউটারের নিরাপদ স্টোরেজে সংরক্ষিত থাকে ও ফেইস আইডি, ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ‘উইন্ডোজ হ্যালো পিন’-এর মতো বায়োমেট্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে আনলক করতে হয়।


ফলে বায়োমেট্রিক সুবিধা ব্যর্থ হলে ডিভাইসের মূল পিন নম্বরটি ছাড়া ব্যবহারকারীকে বাড়তি কিছু মনে রাখার প্রয়োজন পড়ে না।


প্রাইভেট ও পাবলিক কি’র বিষয়টি একটি তালাবদ্ধ মেইলবক্স বা চিঠির বাক্সের সঙ্গে তুলনা করলে সহজে বোঝা যায়। চিঠির বাক্সের বাইরের অংশটি ‘পাবলিক কি’, যেখানে যে কেউ চিঠি বা আবেদন ফেলতে পারে।


তবে সেই বাক্সটি খুলে চিঠি বের করে স্বাক্ষর বা উত্তর দেওয়ার অনুমতি কেবল আসল মালিকের ‘প্রাইভেট কি’র কাছেই থাকে। বাইর থেকে মেইলবক্স দেখে কি’র রূপ কেমন তা যেমন বোঝার উপায় নেই, পাসকিও ঠিক সেভাবেই কাজ করে। ডিভাইস নিরাপত্তা ও ‘ফিশিং’ ঠেকানো ব্যবস্থা থাকায় কোনো ভুয়া ওয়েবসাইট বা হ্যাকার তা চুরি করতে পারে না।


এ কারণে কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে শক্তপোক্ত স্ক্রিন লক ব্যবহার করা জরুরি। বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যের মেলবন্ধন হলেও ডিভাইসের আনলক পিন যদি ‘১২৩৪’-এর মতো সহজ হয় তবে সুরক্ষিত বিভিন্ন লগইন ব্যবস্থাও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।


পাসওয়ার্ডের যেসব দুর্বলতা সমাধান করে ‘পাসকি’


পাসওয়ার্ড ব্যবস্থার বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা বছরের পর বছর ধরে রয়েছে। প্রতিটি সেবার জন্য আলাদা ও শক্তিশালী পাসওয়ার্ড মনে রাখা কঠিন হওয়ায় অধিকাংশ মানুষই একই পাসওয়ার্ড বারবার বিভিন্ন সাইটে ব্যবহার করেন।


সাইবার অপরাধীরা চতুরতার সঙ্গে ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নেয়। এ ছাড়া ডেটাবেইসে সংরক্ষিত পাসওয়ার্ড এনক্রিপ্ট করা থাকলেও সাইবার আক্রমণের মুখে ডেটা চুরি হলে হ্যাকাররা তা ডিকোড বা ব্যবহারের পথ খুঁজে নেয়।


বিভিন্ন পাসওয়ার্ড ম্যানেজার এসব সমস্যার কিছুটা সমাধান করলেও তা পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত নয়। এতে দুর্বল পাসওয়ার্ড জমা রাখা সম্ভব, ভুলবশত ভুয়া ওয়েবসাইটে পাসওয়ার্ড পেস্ট হয়ে যেতে পারে বা ব্যবহারকারী নিজেই তাদের মূল ‘মাস্টার পাসওয়ার্ড’ ভুলে যেতে পারেন।


পাসকি এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধান দিতে পারে। যেমন–


● স্বয়ংক্রিয় সুরক্ষা: পাসকিতে দুর্বল বা সহজে অনুমান করা যায় এমন কোড তৈরির কোনো সুযোগ নেই। কারণ তা শুরু থেকেই সর্বোচ্চ নিরাপত্তামান ধরে রেখে তৈরি হয়।


● ফিশিং ঠেকানো: পাসকি সরাসরি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের ডোমেইনের সঙ্গে যুক্ত থাকে। ফলে ভুলবশত কোনো ভুয়া বা ক্ষতিকর ওয়েবসাইটে ঢুকলেও সেখান থেকে পাসকি চুরির সুযোগ থাকে না।


● একই কোড বারবার ব্যবহারে বাধা: পাসকি পুনরায় ব্যবহার করা সম্ভব নয়, যা অ্যাকাউন্ট সুরক্ষায় বাড়তি নিশ্চয়তা দেয়।


● বহুমাত্রিক নিরাপত্তা: এ প্রযুক্তি একই সঙ্গে ‘ব্যবহারকারীর বিশ্বস্ত ডিভাইস’ ও ‘ডিভাইসের পিন বা বায়োমেট্রিক তথ্য’ যাচাই করে। ফলে ‘টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন’-এর ঝামেলা অনেকটাই কমে যায়।


কোনো সাইবার হামলার ক্ষেত্রে পাসকি থেকে তথ্য চুরির কোনো ঝুঁকি থাকে না। কারণ ওয়েবসাইটে সংরক্ষিত ‘পাবলিক কি’ আগে থেকেই সবার জন্য উন্মুক্ত, যা দিয়ে ব্যবহারকারীর ডিভাইসের কোনো ক্ষতি করা সম্ভব নয়।


  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:২৮ পিএম

সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট মেটার প্ল্যাটফর্ম ফেসবুকে আমরা প্রতিদিন কোটি কোটি মানুষ মনের ভাব প্রকাশ করি। কিন্তু আপনার একটি সাধারণ পোস্ট বা মন্তব্যও মুহূর্তেই উধাও হয়ে যেতে পারে যদি তা মেটার ‘কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড’ লঙ্ঘন করে।


বিখ্যাত সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ ‘রুলবুক’ বা নিয়মাবলী ফাঁস করা হয়েছিল, যেখানে সহিংসতা, যৌনতা এবং ঘৃণা উদ্রেককারী বক্তব্যের বিষয়ে কঠোর নির্দেশনার কথা বলা হয়েছে।


এ ছাড়া মেটার সেন্সরশিপ প্যাটার্ন নিয়ে ম্যাশেবল-এর প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে কীভাবে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ বা বিষয়বস্তু স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।


ফেসবুকে কোন ধরনের শব্দ বা বক্তব্য আপনার পোস্টকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে, তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো-


১. সহিংসতা এবং অপরাধমূলক উস্কানি


ফেসবুকের নীতি অনুযায়ী, কাউকে শারীরিকভাবে ক্ষতি করার সরাসরি হুমকি দেওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। দ্য গার্ডিয়ান-এর তথ্যমতে, ‘কাউকে গুলি করো’ (যেমন- ‘Someone shoot Trump’) এ জাতীয় সুনির্দিষ্ট হুমকি দেওয়া হলে সেই পোস্ট দ্রুত রিমুভ করা হয়। তবে মজার বিষয় হলো, ‘Fuck off and die’-এর মতো গালিগালাজ সবসময় রিমুভ হয় না, কারণ ফেসবুকের অ্যালগরিদম এগুলোকে অনেক সময় ‘বিশ্বাসযোগ্য হুমকি’ হিসেবে গণ্য করে না। এছাড়া ‘লুটতরাজ শুরু হলে গুলিও শুরু হবে’—এ ধরনের উস্কানিমূলক বাক্য ব্যবহারের কারণে স্বয়ং ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোস্টও মেটা রিভিউয়ের আওতায় এনেছিল।


২. ঘৃণা উদ্রেককারী বক্তব্য


কোনো জাতি, ধর্ম বা বর্ণের মানুষকে হেয় করে কথা বললে ফেসবুক তা সেন্সর করে। যেমন- ‘আইরিশরা বোকা’ বা ‘অভিবাসীরা নোংরা’—এ জাতীয় বাক্য সরাসরি ঘৃণা উদ্রেককারী হিসেবে গণ্য হতে পারে। এমনকি নির্দিষ্ট কিছু প্রাণীর সাথে তুলনা (যেমন- গরু, বানর বা আলু/potato) করেও যদি কাউকে আক্রমণ করা হয়, তবে তা হেইট স্পিচ হিসেবে রিমুভ হতে পারে।


৩. নিষিদ্ধ ব্যক্তি ও সংগঠনের নাম 


বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত কোনো ব্যক্তি বা সন্ত্রাসী সংগঠনের প্রশংসা করা ফেসবুকে নিষিদ্ধ। যেমন- মার্কিন অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসী টিমোথি ম্যাকভেই কিংবা শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী গোষ্ঠী কেকেকে-এর সমর্থনে কোনো শব্দ বা প্রতীক ব্যবহার করলে আপনার পোস্ট সরিয়ে দেওয়া হবে এবং অ্যাকাউন্ট ঝুঁকির মুখে পড়বে।


৪. যৌন উত্তেজক ভাষা ও নগ্নতা


যৌনতা এবং নগ্নতা নিয়ে ফেসবুকের ফিল্টার অত্যন্ত সংবেদনশীল। দ্য গার্ডিয়ান-এর ফাঁস করা তথ্যে দেখা যায়, শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গের নাম বা বর্ণনা সরাসরি ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। এমনকি শিল্পকর্মের ক্ষেত্রেও যদি ডিজিটাল পদ্ধতিতে তৈরি যৌন আবেদনময় চিত্র থাকে, তবে তা রিমুভ করা হয়।


অনুবাদের ভুল ও বিভ্রান্তি


ইন্টারনিউজের একটি গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ফেসবুকের অটোমেটেড সিস্টেম অনেক সময় শব্দের সঠিক অনুবাদ বা প্রসঙ্গের গভীরতা বুঝতে ভুল করে। উদাহরণস্বরূপ, আরবিতে ‘সহিংসতার ডাক’ (calls to action)-কে ভুল অনুবাদ করে ‘ফোন কল’ হিসেবে দেখানো হয়েছিল, যা ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত করেছিল।


বাংলার ক্ষেত্রেও দেখা গেছে, ‘ধর্মীয় কোরবানি’ বা নির্দিষ্ট ধর্মীয় উপাসনালয়ের নাম (যেমন- মসজিদ বনাম উপাসনাস্থল) ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনুবাদের পার্থক্যের কারণে অনেক সময় পোস্টের রিচ কমে যায় বা ভুলবশত ফ্ল্যাগ করা হয়।


ব্যবহারকারীদের জন্য সতর্কতা


ফেসবুকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই অনেক সময় রূপক অর্থ বা ব্যঙ্গাত্মক ভাষা বুঝতে ব্যর্থ হয়। তাই বিতর্কিত কোনো শব্দ ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকা জরুরি। বিশেষ করে রাজনৈতিক অস্থিরতা বা নির্বাচনের সময় ফেসবুকের অ্যালগরিদম ‘স্লাল লিস্ট’ বা নিষিদ্ধ শব্দের তালিকা আরও বাড়িয়ে দেয়।

বিষয় : ফেসবুক

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:২২ পিএম
  • আপডেট : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:২২ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:২২ পিএম

কম্পিউটারে থাকা ছবি ও ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে গুগল ফটোজে সংরক্ষণ করতে এতদিন গুগল ড্রাইভের ডেস্কটপ সংস্করণ ব্যবহার করতেন অনেকেই। তবে সেই পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনেছে গুগল। এখন ড্রাইভের ডেস্কটপ সংস্করণ ব্যবহার করে কম্পিউটারের নির্দিষ্ট ফোল্ডার থেকে নতুন ছবি ও ভিডিও সরাসরি গুগল ফটোজে সংরক্ষণ করা যাবে না।


ফলে কম্পিউটারে ছবি বা ভিডিও রাখার পর সেগুলো গুগল ফটোজে সংরক্ষণ করতে চাইলে ব্যবহারকারীদের নতুন পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।


আগে রাখা ছবি-ভিডিও কি মুছে যাবে?


নতুন নিয়মে পুরোনো ছবি বা ভিডিও নিয়ে চিন্তার কারণ নেই। আগে গুগল ফটোজে সংরক্ষণ করা ছবি ও ভিডিও আগের মতোই থাকবে। ড্রাইভের ডেস্কটপ সংস্করণের মাধ্যমে আগে যেসব ছবি ও ভিডিও গুগল ফটোজে রাখা হয়েছে, সেগুলোও মুছে যাবে না।


অর্থাৎ পরিবর্তনটি শুধু নতুন করে ছবি ও ভিডিও সংরক্ষণের পদ্ধতিতে।


যেভাবে কম্পিউটার থেকে ছবি রাখবেন


ড্রাইভের ডেস্কটপ সংস্করণের পুরোনো সুবিধা বন্ধ হলেও কম্পিউটার থেকে গুগল ফটোজে ছবি ও ভিডিও সংরক্ষণ করা যাবে।


এ জন্য প্রথমে কম্পিউটারের ইন্টারনেট ব্রাউজার থেকে গুগল ফটোজে প্রবেশ করে নিজের গুগল অ্যাকাউন্টে ঢুকতে হবে। এরপর ছবি যোগ করার বিকল্প থেকে ‘ফোল্ডার সংরক্ষণ’ নির্বাচন করতে হবে।


এরপর কম্পিউটারে যে ফোল্ডারে ছবি বা ভিডিও রয়েছে, সেটি নির্বাচন করতে হবে। প্রয়োজনীয় অনুমতি দেওয়ার পর ওই ফোল্ডারে থাকা ছবি ও ভিডিও গুগল ফটোজে সংরক্ষণ শুরু হবে।


অর্থাৎ, এতদিন যে কাজটি ড্রাইভের ডেস্কটপ সংস্করণের মাধ্যমে করা যেত, এখন সেটিই সরাসরি গুগল ফটোজের ওয়েবসাইট থেকে করতে হবে।


বেশি সমস্যায় পড়বেন কারা?


নতুন পরিবর্তনটি বিশেষ করে তাঁদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যাঁরা নিয়মিত কম্পিউটারে ছবি ও ভিডিও রেখে সেগুলো গুগল ফটোজে সংরক্ষণ করতেন।


ক্যামেরা বা মুঠোফোনের ছবি কম্পিউটারে এনে সেখান থেকে গুগল ফটোজে সংরক্ষণ করা, পুরোনো ছবি-ভিডিওর বড় সংগ্রহ অনলাইনে রাখা কিংবা নির্দিষ্ট কোনো ফোল্ডারের ছবি নিয়মিত সংরক্ষণ করার ক্ষেত্রে পুরোনো পদ্ধতি আর কাজ করবে না।


গুগল ড্রাইভে থাকা ছবি কি হারাবে?


না। গুগল ড্রাইভে আগে থেকে থাকা ছবি বা ভিডিও মুছে যাবে না। একইভাবে গুগল ফটোজে সংরক্ষণ করা পুরোনো ছবি ও ভিডিওও আগের মতোই থাকবে।


শুধু ড্রাইভের ডেস্কটপ সংস্করণ ব্যবহার করে কম্পিউটার থেকে গুগল ফটোজে নতুন ছবি ও ভিডিও পাঠানোর সুবিধাটি বন্ধ হয়েছে।


সংরক্ষণের আগে দেখে নিন জায়গা


ছবি ও ভিডিও সংরক্ষণ করার আগে গুগল অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে কি না, সেটিও দেখে নেওয়া জরুরি। কারণ গুগল ফটোজে ছবি ও ভিডিও রাখলে তা গুগল অ্যাকাউন্টের নির্ধারিত সংরক্ষণ জায়গা ব্যবহার করে।


এই একই সংরক্ষণ জায়গা জিমেইল ও গুগল ড্রাইভের জন্যও ব্যবহৃত হয়। ফলে অনেক ছবি বা ভিডিও সংরক্ষণের আগে অ্যাকাউন্টে কতটা জায়গা খালি রয়েছে, তা দেখে নেওয়া ভালো।


নতুন নিয়মে পুরোনো ছবি-ভিডিও হারানোর কোনো আশঙ্কা নেই। তবে কম্পিউটার থেকে নিয়মিত গুগল ফটোজে ছবি ও ভিডিও সংরক্ষণ করা ব্যবহারকারীদের এখন থেকে পুরোনো পদ্ধতির বদলে গুগল ফটোজের ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে হবে।


বিষয় : গুগল ফটোজ


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:৩০ পিএম

দেশের অন্যতম জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটর ব্র্যান্ড এয়ারটেলের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন নামে ‘সার্কেল’ হিসেবে ব্র্যান্ডটির পরবর্তী যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে এয়ারটেলকে একীভূতকারী মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠান রবি আজিয়াটা।


নতুন ব্র্যান্ডিং কার্যকর হলে দীর্ঘদিনের পরিচিত‘এয়ারটেল’নামেরপরিবর্তে গ্রাহকদের কাছে‘সার্কেল’নামে সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে এয়ারটেলের দীর্ঘদিনের পরিচিতি রয়েছে।


২০১৬ইং সালে Airtel Bangladesh Limited,Robi Axiata Limited-এর সঙ্গে একীভূত হয়।এরপর এয়ারটেল ব্র্যান্ডটি রবির অধীনে একটি স্বতন্ত্র পণ্য ব্র্যান্ড হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।


এয়ারটেলের নাম পরিবর্তনের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের মোবাইল টেলিযোগাযোগ বাজারে এটি হবে উল্লেখযোগ্য একটি ব্র্যান্ড পরিবর্তন।


বিশেষ করে দীর্ঘদিনের গ্রাহকদের কাছে’এয়ারটেল’নামটির জায়গায় ‘সার্কেল’নামটি নতুন পরিচয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে রবিকে বড় ধরনের ব্র্যান্ডিং ও প্রচারণার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।তবে নতুন নাম চালুর সময়,ব্র্যান্ড পরিবর্তনের বিস্তারিত পরিকল্পনা এবং বিদ্যমান গ্রাহকদের সেবা ব্যবহারে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না—এসব বিষয়ে রবির পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।


সূর্যগ্রহণ দেখে বিপদে শত শত ব্রিটিশ নাগরিক

  • প্রকাশ : রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৬:১৩ পিএম

মহাবিশ্বের এক অপরূপ বিস্ময় সূর্যগ্রহণ। চাঁদ যখন সূর্যকে সম্পূর্ণ বা আংশিক ঢেকে ফেলে, তখন পৃথিবীতে এক অদ্ভুত অন্ধকার নেমে আসে। সেই সময় মানুষ কৌতূহলী হয়ে আকাশের দিকে তাকান। 


কিন্তু সূর্যগ্রহণের সময় সরাসরি সূর্যের দিকে তাকালে চোখে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে।


ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ যুক্তরাজ্যে ১২ আগস্ট এক বিরল সূর্যগ্রহণ দেখা গেছে। এই গ্রহণ দেখতে দেশটির হাজার হাজার মানুষ বাইরে আসেন। অনেকেই কোনো সুরক্ষা চশমা ব্যবহার না করে সরাসরি সূর্যের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। এখন তাঁরা চোখে চরম ব্যথার অভিযোগ করছেন। 


অনেক ব্রিটিশ নাগরিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের শারীরিক কষ্টের কথা জানিয়েছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘আমার মনে হচ্ছে, আমি অন্ধ হয়ে যাচ্ছি।’


সরাসরি সূর্যের দিকে তাকানোর ফলে অনেকের চোখে অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হয়েছে। বিশেষ চশমা ছাড়া সূর্যগ্রহণ দেখার কারণে এই শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। সূর্যগ্রহণের মতো মহাজাগতিক ঘটনা দেখতে মানুষ ব্যাকুল থাকেন। কিন্তু খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকালে চোখের রেটিনা স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একে বলা হয় সোলার রেটিনোপ্যাথি। সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি চোখের টিস্যু পুড়িয়ে দেয়। ঘটনার পর থেকে যুক্তরাজ্যের অনেকেই চোখের নানা সমস্যা অনুভব করছেন। 


সরাসরি সূর্য দেখার পর বেশ কিছু লক্ষণ দেখা যায়। তখন চোখের ভেতরে তীব্র জ্বালা ও যন্ত্রণা হয়। স্বাভাবিক দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যেতে দেখা যায়। চোখের সামনে কালো দাগ বা অন্ধকার দেখেন অনেকেই। সাময়িক বা স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পেতে দেখা যাচ্ছে।


চিকিৎসকদের মতে, অনেকেই ভাবেন, গ্রহণের সময় সূর্যের তেজ কম থাকে। এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। গ্রহণের সময় সূর্য থেকে আসা অদৃশ্য অতিবেগুনি ও অবলোহিত রশ্মি চোখের গভীর ক্ষতি করে। এই ক্ষতি তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা যায় না। কয়েক ঘণ্টা পর লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়। স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা সব সময় সোলার ফিল্টার বা বিশেষ গ্রহণ চশমা ব্যবহারের পরামর্শ দেন। 


সাধারণ রোদচশমা বা সানগ্লাস চোখের জন্য মোটেও নিরাপদ নয়। ব্রিটেনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জনসাধারণকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলেছে। যাঁরা খালি চোখে সূর্যগ্রহণ দেখে চোখের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের দ্রুত চক্ষুবিশেষজ্ঞ দেখানোর অনুরোধ করা হয়েছে।


সূত্র: ডেইলি মেইল


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৫৩ পিএম

বর্ষাকালে বাইরে ঝুম বৃষ্টি নামলেই অনেক সময় হঠাৎ ধীর হয়ে যায় ওয়াই-ফাই। ভিডিও বাফারিং, ওয়েবসাইট খুলতে দেরি কিংবা অনলাইন মিটিংয়ে বারবার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে সবসময় বৃষ্টিই যে সরাসরি ওয়াই-ফাইয়ের গতি কমিয়ে দেয়, তা নয়। দুর্বল সিগন্যাল, রাউটারের অবস্থান, বিদ্যুতের ওঠানামা কিংবা ইন্টারনেট সেবাদাতার নেটওয়ার্কে সমস্যা থেকেও এমনটা হতে পারে। বৃষ্টির দিনে ওয়াই-ফাই ধীর হলে কয়েকটি সহজ উপায়ে সমস্যা কিছুটা কমানো সম্ভব।


রাউটার রিস্টার্ট করুন

ইন্টারনেট ধীর মনে হলে প্রথমেই রাউটারটি বন্ধ করে ৩০ সেকেন্ড থেকে এক মিনিট অপেক্ষা করে আবার চালু করুন। অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ চালু থাকার কারণে রাউটারের ক্যাশ বা সংযোগে সাময়িক সমস্যা তৈরি হয়। রিস্টার্ট করলে নতুন করে নেটওয়ার্ক সংযোগ তৈরি হতে পারে।


রাউটারের অবস্থান পরিবর্তন করুন

রাউটার যদি দেয়ালের আড়ালে, আলমারির ভেতরে বা মেঝেতে রাখা থাকে, তাহলে ওয়াই-ফাই সিগন্যাল দুর্বল হতে পারে। রাউটারটি ঘরের তুলনামূলক মাঝামাঝি এবং খোলা জায়গায় রাখুন। রাউটারের আশপাশে ধাতব জিনিস, বড় ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা মোটা দেয়াল থাকলেও সিগন্যাল বাধাগ্রস্ত হতে পারে।


৫ গিগাহার্টজ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করুন

আধুনিক রাউটারে সাধারণত ২.৪ গিগাহার্টজ ও ৫ গিগাহার্টজ দুই ধরনের ব্যান্ড থাকে। রাউটারের কাছাকাছি থাকলে ৫ গিগাহার্টজ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারেন। এতে তুলনামূলক দ্রুত গতি পাওয়া যায় এবং আশপাশের অনেক ডিভাইসের হস্তক্ষেপও কম হতে পারে। তবে দূরত্ব বেশি হলে ২.৪ গিগাহার্টজ নেটওয়ার্ক অনেক ক্ষেত্রে ভালো কভারেজ দিতে পারে।


অপ্রয়োজনীয় ডিভাইস বিচ্ছিন্ন করুন

একই সময়ে অনেক ফোন, স্মার্ট টিভি, ল্যাপটপ বা অন্যান্য ডিভাইস ওয়াই-ফাইয়ে যুক্ত থাকলে ব্যান্ডউইথ ভাগ হয়ে যায়। তাই বৃষ্টির দিনে জরুরি কাজ করার সময় অপ্রয়োজনীয় ডিভাইসগুলো সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিন। ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা বড় ডাউনলোড বা সফটওয়্যার আপডেটও বন্ধ রাখতে পারেন।


রাউটারের পাওয়ার সংযোগ পরীক্ষা করুন

বৃষ্টির সময় বিদ্যুতের ভোল্টেজ ওঠানামা করলে রাউটারেও সমস্যা হতে পারে। রাউটার বারবার রিস্টার্ট হলে বা সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে পাওয়ার অ্যাডাপ্টার ও সকেট পরীক্ষা করুন। সম্ভব হলে ভালো মানের সার্জ প্রটেক্টর ব্যবহার করা যেতে পারে।


ইন্টারনেট সেবাদাতার সমস্যা কি না দেখুন

সবকিছু ঠিক থাকার পরও গতি কম থাকলে সমস্যাটি আপনার রাউটারে নাও হতে পারে। ভারী বৃষ্টি বা ঝড়ের কারণে ইন্টারনেট সেবাদাতার লাইন, ফাইবার নেটওয়ার্ক বা স্থানীয় অবকাঠামোয় সমস্যা দেখা দিতে পারে। একই সংযোগ ব্যবহার করা অন্যদেরও যদি একই সমস্যা হয়, তাহলে আইএসপির কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করাই ভালো।


তবে মনে রাখবেন, সাধারণ বৃষ্টি সরাসরি ওয়াই-ফাই সিগন্যালকে সবসময় দুর্বল করে না। বরং বৃষ্টির সঙ্গে বিদ্যুৎ সমস্যা, নেটওয়ার্ক অবকাঠামোর ক্ষতি বা আইএসপির সংযোগে বিঘ্ন যুক্ত হলে ইন্টারনেট ধীর হতে পারে। তাই কারণটি শনাক্ত করে ব্যবস্থা নিলেই বৃষ্টির দিনেও ইন্টারনেটের গতি অনেকটা স্বাভাবিক রাখা সম্ভব।