ছবি : সংগৃহীত
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে। ওইদিন সকাল ১০টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হবে। সোমবার (২৭ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তবে ঘোষিত সময়ের মধ্যে ফল প্রকাশ না হওয়ায় নানা রকম গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। উদ্বেগ জানান পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও। এরপর শিক্ষামন্ত্রী চলতি মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা যায় কি না, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানান।
সেসময় বোর্ডকে ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রস্তুত রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরপর মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছিল ৩০ জুলাই ফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ করা হতে পারে। তা না হলে আগস্টে গণ-অভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অনুষ্ঠান থাকায় ফল প্রকাশ আরও পিছিয়ে যেতে পারে।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় গত ২০ মে। নিয়মানুযায়ী পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের কথা। সে হিসাবে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও এবার ফল প্রকাশ করতে পারেনি শিক্ষা বোর্ড।
গত ২১ এপ্রিল এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। এতে অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা বোর্ডে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন। বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার এসএসসিতে বহিষ্কার ছিল খুবই কম।
সভাপতি সিয়াম মাহমুদ এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মুশফিক আহমেদ
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ক্রীড়া সংগঠন ‘সোশিওলজি স্পোর্টস ক্লাব’-এর ২০২৫-২৬ মেয়াদের তৃতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে সিয়াম মাহমুদ এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মুশফিক আহমেদ মনোনীত হয়েছেন। সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. রোকনুজ্জামান সিদ্দিকী, সহকারী অধ্যাপক শাহানাজ আক্তার, প্রভাষক মহিবুল ইসলাম ও প্রভাষক মনির হোসেনের স্বাক্ষরে কমিটিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন—সহ-সভাপতি মো. সায়েম হোসেন সাব্বির, আরমান মিয়া ও তানভীর আহমেদ রাফে। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী, মেফতাহুল জান্নাত উষা, তাজকীর আহসান তামিম, মো. রেদওয়ান মিয়া ও লাবণী আক্তার।
সাংগঠনিক সম্পাদক তাওফিক মারুফ। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফারহানুন আদনান, রাকিব হোসেন ও নাসিফ ইকবাল তন্ময়। কোষাধ্যক্ষ মাহতাব চৌধুরী এবং সহ-কোষাধ্যক্ষ একখাঁন রুদ্র ও শান্তা আক্তার সিমা।
ডিজাইন ও ডকুমেন্টেশন সম্পাদক আমরিণ আক্তার মুনা এবং সহ-ডিজাইন ও ডকুমেন্টেশন সম্পাদক মো. রাফি ভূঁইয়া ও জুয়েল। মিডিয়া ও পাবলিকেশন সম্পাদক ইমতিয়াজ কাওসার এবং সহ-সম্পাদক আতিকুর রহমান ও সাইমুন ইসলাম।
দপ্তর সম্পাদক আশিকুল ইসলাম এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান নাহিদ ও ইউশা মোবিন। জনসংযোগ সম্পাদক প্রীতম দে এবং সহ-জনসংযোগ সম্পাদক মো. রুবেল ও ফারজানা ইয়াসমিন।
স্পন্সরশিপ ও লজিস্টিকস সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. আকরাম হোসেন। এ বিভাগের সহ-সম্পাদক হয়েছেন মো. রবিউল হোসেন ও মো. মিনারুল ইসলাম।
এ ছাড়া নারী বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফাইজা কাদের চৌধুরী, নাজিফা নাওয়ার, সাহিদা সুলতানা বিথী, আবৃতা গুপ্তা ও সুমাইয়া বিনতে আজাম।
নবগঠিত কমিটির সদস্যরা সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রীড়াচর্চা, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দলগত কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে কাজ করবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বিশাল চক্রবর্তী, আহসান হাবিব ও হাসিবুল ইসলাম ও আরিফুল ইসলাম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় চার নেতার ছাত্রত্ব সাময়িকভাবে বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ছাড়া আরও চার নেতার বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তিন নেতাকে সতর্ক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে তদন্ত কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান উপাচার্য অধ্যাপক মো. ফরিদুল ইসলাম।
সাময়িকভাবে ছাত্রত্ব বাতিল হওয়া নেতারা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আহসান হাবিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম, ছাত্রদল কর্মী বিশাল চক্রবর্তী এবং উসকানিমূলক ফেসবুক পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস (সাধারণ সম্পাদক) আরিফুল ইসলাম।
এ ছাড়া রাকসুর সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি তাকবীর আহমেদ ইমন, ছাত্রদল কর্মী সৈয়দ সাজহারুল ইসলাম ও তানিম রহমানের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ এবং বিভিন্ন ধরনের তথ্য অধিকতর তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি বুলবুল রহমান, শরীফুল ইসলাম ও সহদপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার আলমকে সতর্ক করা করা হয়েছে।
উপাচার্য অধ্যাপক মো. ফরিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে অপরাধের ধরন ও মাত্রা বিবেচনায় তাদের বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই তিনটি সিদ্ধান্ত আমরা পরবর্তী সিন্ডিকেটে নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেব।’
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্তগুলোর বিষয়ে সাংবাদিকদের পক্ষে গণমাধ্যমে কথা বলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মীর কাদির। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে সিন্ডিকেটে এটি পাস করে স্থায়ীভাবে ব্যবস্থা নিতে অধিকতর তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। এরপর সাময়িকভাবে বহিষ্কৃতদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করতে হবে এবং যাদের ছাত্রত্ব নেই, তাদের সনদ বাতিল করতে হবে।’
গত রোববার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কমিটির সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে তৈরি করা লিখিত প্রতিবেদন বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়। উপাচার্য অধ্যাপক মো. ফরিদুল ইসলাম আজ তদন্ত কমিটির সুপারিশগুলো বিবেচনায় নিয়ে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় চার শিক্ষার্থীর সাময়িক ছাত্রত্ব বাতিলের সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি। এ ছাড়া তিন শিক্ষার্থীকে সতর্ক করা এবং আরও চার শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম তার সম্মেলনকক্ষে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে তদন্ত প্রতিবেদন তুলে ধরেন।
প্রতিবেদনে অপরাধের ধরন ও মাত্রা বিবেচনায় ছাত্রদল নেতা আহসান হাবিব, আরিফুল ইসলাম, হাসিবুল হাসান ও বিশাল চক্রবর্তীর সাময়িক ছাত্রত্ব বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।
একই ঘটনায় বুলবুল রহমান, শরিফুল ইসলাম ও শাহরিয়ার আলমকে সতর্ক করার সুপারিশ করেছে কমিটি। এ ছাড়া রাকিবুল ইসলাম, তাকবির আহমেদ ইমন, সৈয়দ সাজহারুল ইসলাম ও তানিম রহমানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে আরও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
গত ৪ অক্টোবর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া হলের সামনে ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এতে চার সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।
এ ঘটনার পরদিন পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ওই দিন উপাচার্য ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছিলেন। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর শুক্রবার সকালে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রতিক্রিয়ায় ক্যাম্পাসের সংবাদকর্মীরা জানান, প্রতিবেদনে যাদের নাম এসেছে, তাদের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ মামলা না করা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সংবাদ বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করায় উপাচার্যকে ধন্যবাদ জানান তারা।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় সমাবর্তনের রেজিষ্ট্রেশন ফি জবির প্রথম সমাবর্তন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় কয়েক হাজার টাকা বেশি নির্ধারণ এবং নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রফেশনাল ও সান্ধ্যকালীন প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের একই সমাবর্তনে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্তে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফি বৃদ্ধি ও প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে বইছে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ ও সমালোচনার ঝড়।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে দ্বিতীয় সমাবর্তনের নিবন্ধন ফি প্রকাশ করে রেজিষ্ট্রেশনের সময়সীমা ঘোষণা করা হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ ডিগ্রিধারীদের নিবন্ধন ফি ৫,০০০ টাকা ও মূল সনদ ফি ৫০০ টাকা মিলে সর্বমোট ৫,৫০০ টাকা; স্নাতকোত্তর ও এমবিএ শিক্ষার্থীদের জন্য নিবন্ধন ফি ৬,০০০ টাকা ও মূল সনদ ফি ৫০০ টাকা মিলে সর্বমোট ৬,৫০০ টাকা; এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রিধারীদের নিবন্ধন ফি ৬,৫০০ টাকা ও সনদ ফি ১,০০০ টাকা মিলে সর্বমোট ৭৫০০ এবং স্নাতকোত্তর প্রফেশনাল ও সান্ধ্যকালীন প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য নিবন্ধন ফি ৮,০০০ টাকা ও মূল সনদ ফি ৮০০ টাকা মিলে সর্বমোট ৮৮০০ ধার্য করা হয়েছে। এর সঙ্গে ক্ষেত্রবিশেষে অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জও সংযোজিত হবে।
প্রথম সমাবর্তনের তুলনায় এবার প্রায় প্রতিটি ক্যাটাগরিতে নিবন্ধন ফি ২,০০০ টাকা এবং মূল সনদ ফি ১০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। প্রথম সমাবর্তনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের নিবন্ধন ফি ছিল যথাক্রমে ৩,০০০ টাকা ও ৪,০০০ টাকা এবং মূল সনদ ফি ছিল ৪০০ টাকা।
এছাড়া প্রথম সমাবর্তনে সার্ভিস চার্জ ছিল মাত্র ১ শতাংশ। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তনে যেখানে ব্যাংক চার্জসহ মূল সনদ ও নিবন্ধন ফি বাবদ সর্বমোট ৩,৩২০ টাকা নেওয়া হয়েছিল, সেখানে জবিতে প্রায় দ্বিগুণ ফি ধার্য করায় শিক্ষার্থীরা একে অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা হিসেবে দেখছেন।
ফলে সমাবর্তন বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের অন্যতম স্মৃতিময় ও মর্যাদাপূর্ণ অর্জন হলেও অতিরিক্ত ফির কারণে অনেক নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য এই ফি অতিরিক্ত বোঝা হয়ে দাড়িয়েছে। একই সঙ্গে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি প্রফেশনাল অর্থাৎ সান্ধ্যকালীন কোর্সের শিক্ষার্থীদের সমাবর্তনে সুযোগ দেওয়াকে সমাবর্তনের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার সামিল বলে দাবি করছেন শিক্ষার্থীরা।
উম্মে হাবিবা নামে এক জবি শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সম্ভবত একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় যারা প্রফেশনাল বা ইভেনিংয়ের শিক্ষার্থীদেরও টাকা দরকার বলে সমাবর্তন দিচ্ছে। আমরা যারা নিয়মিত শিক্ষার্থী, তাদের সাথে প্রফেশনালে ডিগ্রি কেনা শিক্ষার্থীদেরও একসাথে মিলিয়ে সমাবর্তন দিতে চাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সমাবর্তন গ্র্যাজুয়েটদের সম্মান, তা অপমান ডেকে আনুক আমরা চাই না। সংস্কার না আনলে শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশ নেবে না।”
আরেক শিক্ষার্থী ইব্রাহিম ব্যঙ্গাত্মক পোস্টে লেখেন, “মনে হচ্ছে হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় সমাবর্তনের খরচা এবার বেশি। সমাবর্তনের টুপির জাহাজ আটকে গেছে, তাই টাকা বেশি লাগবে।”
এ বিষয়ে জবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন জানান, মুদ্রাস্ফীতি ও ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সেন্ট্রাল কমিটি ও একাডেমিক কাউন্সিলের মাধ্যমে এই ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। সেন্ট্রাল কমিটির অনুমোদিত এই সিদ্ধান্ত হওয়ায় এটি আর পুনর্বিবেচনা বা ফি কমানোর কোনো সুযোগ নেই বলে তিনি স্পষ্ট করেন।
ফি বৃদ্ধি ও প্রফেশনালদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিন বলেন, “ছয় বছর আগের তুলনায় বর্তমানে সবকিছুর দাম ও সমাবর্তন আয়োজনের খরচ বহুগুণ বেড়েছে। একাডেমিক কাউন্সিল, সিন্ডিকেট, ডিন ও চেয়ারম্যানদের সর্বসম্মত পর্যালোচনার ভিত্তিতেই ২০০০ টাকা ফি বাড়ানো হয়েছে। এটি একক কোনো সিদ্ধান্ত নয়।”
প্রফেশনালদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে উপাচার্য বলেন, “প্রথম সমাবর্তনেও প্রফেশনাল ও সান্ধ্যকালীন প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছিল। এবার তাদের বাদ দিলে তা নিয়ে আলাদা বিতর্ক তৈরি হতে পারতো। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”
উল্লেখ্য, জবির দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী বছরের ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।
নোবিপ্রবি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রতারণার ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) প্রশাসন। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের শিক্ষা শাখা থেকে একটি সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের কেউ ভুয়া প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে প্রতারণার শিকার হতে পারেন। প্রতারকরা বিভিন্ন কৌশলে বিকাশ/নগদসহ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের PIN, OTP, Verification Code ও Account Information সংগ্রহের মাধ্যমে আর্থিক প্রতারণা করে আসছে। এ ধরনের প্রতারণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের সচেতন ও নিরাপদ রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তির সঙ্গে PIN, OTP, Verification Code, Password কিংবা Account Information কোনো অবস্থাতেই শেয়ার করা যাবে না। ফোন করে কেউ টাকা পাঠাতে, কোনো কোড জানাতে অথবা কোনো লিংকে প্রবেশ করতে বললেও তাতে সাড়া না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী কিংবা পরিচিত কোনো ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে কেউ আর্থিক লেনদেনের অনুরোধ জানালে যথাযথভাবে পরিচয় ও বিষয়টি যাচাই না করে কোনো ধরনের লেনদেন না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সন্দেহজনক কোনো ফোনকল, SMS, মেসেজ বা লিংক পাওয়া গেলে তাতে সাড়া না দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং নিকটস্থ থানায় বিষয়টি অবহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মনে করছে, এ ধরনের প্রতারণা প্রতিরোধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সদস্যের সচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ। বিজ্ঞপ্তিতে সবাইকে সতর্কতা ও সচেতনতার মাধ্যমে প্রতারণা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নোবিপ্রবির রেজিস্ট্রার দপ্তরের শিক্ষা শাখা থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিটি ৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জারি করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীর প্রতি বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুব
নেকাব পরা এক ছাত্রীকে ‘মৌলবাদী’, ‘জঙ্গি’ ও ‘বোমা মারতে পারে’- এমন মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওই শিক্ষককে সব ধরনের ক্লাস থেকে অব্যাহতি দিয়ে তার কোর্সগুলো অন্য শিক্ষকদের মধ্যে পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিভাগীয় একাডেমিক কমিটি।
গতকাল বুধবার (৭ অক্টোবর) ইংরেজি বিভাগের ১৫তম ব্যাচের (২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ) একটি ক্লাসে ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
পরে কয়েকজন শিক্ষার্থী লিখিতভাবে বিভাগীয় চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি একাডেমিক কমিটির সভা ডেকে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জরুরি একাডেমিক কমিটির সভা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও সাম্প্রতিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সভায় একটি রেজুলেশন নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের কোর্সগুলো পুনর্বণ্টন করে অন্য শিক্ষকদের দেওয়া হয়েছে।
অধ্যাপক তাজিন আজিজ চৌধুরী আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী এ ধরনের বিষয়ে উপাচার্য, একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেট প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে। বিভাগ থেকে ঘটনাটি তাদের অবহিত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে।
শিক্ষার্থীর অভিযোগ
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মল্লিকার ভাষ্য, ঘটনার দিন তাসনিম সিরাজ মাহবুবের একটি কোর্সের ক্লাস চলছিল। ক্লাসের শুরুতে তিনি শিক্ষকের ডেস্কের বাম পাশে বসেছিলেন। এ সময় শিক্ষকের সঙ্গে দুইবার চোখাচোখি হওয়ার পর শিক্ষক তাঁকে ওই জায়গায় বসে থাকলে অস্বস্তি ও অনিরাপদ বোধ করছেন বলে জানান এবং অন্য শিক্ষার্থীদের ভিড়ের মধ্যে গিয়ে বসতে বলেন।
মল্লিকা বলেন, “শিক্ষক আমাকে একপর্যায়ে বলেন, ‘তুমি এখানে বসে থাকলে আমার আনকমফোর্টেবল ফিল হচ্ছে, আমার আনসেফ ফিল হইতেছে। আমি চাচ্ছি যে তুমি ক্রাউডের মধ্যে গিয়ে বসো।’ এরপর তিনি ক্লাস থেকে বের হয়ে যান।’’
মল্লিকার অভিযোগ, নেকাব ও হিজাব নিয়ে এর আগেও ওই শিক্ষকের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়েছে। শিক্ষক তার পোশাক নিয়ে প্রশ্ন করেছেন এবং কেন এভাবে পোশাক পরেছেন, তা জানতে চেয়েছেন। এ সময় শিক্ষক নিজের হজ করার বিষয় উল্লেখ করে সেখানে মুখ খোলা রাখা যায় বলেও মন্তব্য করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
এর আগের একটি ক্লাসে শিক্ষক তাকে মুখ ঢেকে এভাবে চললে নেকাব খুলে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন মল্লিকা।
তিনি বলেন, শিক্ষক তাকে বলেছেন, তিনি জানেন না ওই শিক্ষার্থী কে। তখন তিনি অফিস আওয়ারে দেখা করে নিজের পরিচয় নিশ্চিত করার এবং পরিচয়পত্র দেখানোর প্রস্তাব দেন।
তবে এরপরও প্রতিদিন তাকে শনাক্ত করার বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক আপত্তি জানিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন মল্লিকা। তার দাবি, বুধবারের ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন নয়; বরং নিকাব ও পোশাক নিয়ে শিক্ষকের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
‘জঙ্গি’ ও ‘বোমা মারতে পারে’ মন্তব্যের অভিযোগ
ইংরেজি বিভাগের ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাইসা মণি সুমিও ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্লাসে ইসলামবিরোধী বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ করেন।
তার দাবি, ঘটনার দিন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পোশাক নিয়ে শিক্ষককে তিনি বলেন, ওই শিক্ষার্থী একটি নির্দিষ্ট মাযহাব অনুসরণ করেন বলেই এভাবে পর্দা করেন।
সুমির অভিযোগ, এ সময় শিক্ষক কোনো মাযহাব না মানার বিষয়ে মন্তব্য করেন এবং ইসলাম পালনের ক্ষেত্রে হজ, নামাজ, রোজা ও যাকাতের প্রসঙ্গ তোলেন। পরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে সমর্থন করার কারণে তার প্রতিও শিক্ষক ক্ষুব্ধ হন বলে দাবি করেন সুমি।
সুমির ভাষ্য, একপর্যায়ে শিক্ষক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ‘জঙ্গি’ এবং তিনি ‘বোমা মারতে পারেন’- এমন মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, আফগানিস্তান ও ফিলিস্তিনের মানুষের পোশাকের ভিন্নতার উদাহরণ দিয়ে পর্দার ক্ষেত্রে বৈচিত্র্যের কথা বললেও শিক্ষক তাকে কথা বলার সুযোগ দেননি।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ওই ক্লাসে পোশাকের সীমা নিয়েও শিক্ষক মন্তব্য করেন। এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী ক্লাস থেকে বের হয়ে যান বলে দাবি করেন সুমি।
অভিযুক্ত শিক্ষক শিক্ষার্থীদের হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। সুমির দাবি, শিক্ষক নিজেকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাবান হিসেবে উল্লেখ করে কেউ তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না- এমন কথাও বলেছেন। একই সঙ্গে ক্লাসের বড় একটি অংশে শিক্ষক নিজের পরিবারের বিষয়ে কথা বলেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বক্তব্য
ঘটনার দিন বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, বিভাগের পক্ষ থেকে তাকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং পরদিন জরুরি একাডেমিক কমিটির সভায় বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
এরপর শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আজ বৃহস্পতিবার বিভাগের জরুরি একাডেমিক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের কোর্সগুলো পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।