• প্রকাশ : বুধবার ২২ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ১১:৫৫ এএম

পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার পাটশিরি সীমান্তে কাঁটাতারের কাছে ছবি তুলতে গিয়ে আটক হওয়া দুই বাংলাদেশি স্কুলছাত্রকে ৮ ঘণ্টা পর ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।


বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ফেরত পাঠানো হয়। এর আগে সকালে পার্শ্ববর্তী বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের আটক করে নিয়ে যায়।


ফেরত পাওয়া দুই কিশোর হলেন আটোয়ারী উপজেলার শিবু চন্দ্র রায়ের ছেলে ইন্দ্রজিত রায় (১৪) এবং সমারু চন্দ্র রায়ের ছেলে উদয় চন্দ্র রায় (১৪)। 


পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ মো. কায়েস জানান, পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে দুই স্কুলছাত্রকে নিরাপদে ফেরত আনা হয়েছে।

  সীমান্তে ছবি তোলার সময় ২ স্কুলছাত্রকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাতে বোনের বাড়িতে ঘুরতে আসে উদয় রায় ও ভাতিজা ইন্দ্রজিত রায়। বুধবার (২২ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার গড়িনাবাড়ি ইউনিয়নের মিস্ত্রিপাড়া পাটশিরি সীমান্ত এলাকায় ঘুরতে যায় তারা। সীমান্তে তারা মোবাইল ফোন দিয়ে নিজেদের ছবি তোলে। একপর্যায়ে তারা সীমান্তের মেইন পিলার ৪১৭-এর ৯ নম্বর সাবপিলার এলাকা দিয়ে ভারতীয় অংশের ১৫০ গজ ভেতরে মীরগঞ্জ এলাকায় গেলে বিএসএফের ১৩২ ব্যাটালিয়নের মরিচা ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা তাদের ধরে নিয়ে যান। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে বিএসএফকে অবগত করে বিজিবি।



সর্বশেষ সব খবর

মাদকবিরোধী অভিযানে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ

  • প্রকাশ : শনিবার ১৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:৪০ পিএম

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার পর পাল্টা গুলিতে জসিম (২৪) নামের এক তরুণ গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আজ শনিবার বেলা সোয়া তিনটার দিকে ফতুল্লার ইসদাইর রেলস্টেশনের পাশে আরবান স্কুলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।


এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ জসিমসহ দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে ম্যাগাজিনসহ একটি বিদেশি পিস্তল জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। 


পুলিশের তিন সদস্য ও গুলিবিদ্ধ জসিমকে শহরের খানপুরের ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিরা হলেন ইসদাইর এলাকার রেজ্জাক বাহিনীর প্রধান রেজ্জাকের ছেলে জসিম এবং একই এলাকার আবদুস সালামের ছেলে মোহন (২৩)। তাঁরা দুজন মাদক ব্যবসায়ী ও অস্ত্রধারী বলে জানিয়েছে পুলিশ।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ইসদাইর রেলস্টেশনের পাশে আরবান স্কুলের সামনে সাত থেকে আটজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালায় ফতুল্লা থানা-পুলিশের একটি দল। এ সময় অভিযানে থাকা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে অস্ত্রধারী ব্যক্তিরা কয়েকটি গুলি ছোড়েন। এ সময় ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিক ও নন্দন চন্দ্র সরকার পাল্টা আটটি গুলি ছোড়েন। একপর্যায়ে জসিমের ঊরুতে গুলি লাগে। পরে তাঁকে আটক করার পাশাপাশি মোহনকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিন জব্দ করা হয়।


অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশকে লক্ষ্য করে কয়েকটি গুলি ছুড়লে আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে এক অস্ত্রধারী ঊরুতে গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত অন্য ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


এর আগে গত ২ এপ্রিল ইসদাইরের ৫২ নম্বর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৫৩টি গুলিসহ রেজ্জাক বাহিনীর প্রধান রেজ্জাক ও তাঁর ছেলে ওয়াসিমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রেজ্জাকের বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণ, মাদক, চাঁদাবাজিসহ ১২টি মামলা আছে। ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মাদক ও অস্ত্র আইনে মামলা করে। বর্তমানে রেজ্জাক জামিনে থাকলেও তাঁর ছেলে ওয়াসিম কারাগারে আছেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ১৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৬:৪৩ পিএম

নীলফামারীর ডিমলা থানায় ছাদের পলেস্তারা ধসে এক এএসআই আহত হয়েছেন। এ সময় একটি কম্পিউটারও ভেঙে গেছে। ডিমলা থানার ওসি শওকত আলী সরকার বলেন, শুক্রবার রাত ১২টার দিকে ডিউটি অফিসারের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।


পুলিশ জানায়, ঘটনার সময় ডিউটি অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন এএসআই মো. মসলিম উদ্দিন। হঠাৎ ছাদের পলেস্তারা ধসে তার শরীর ও টেবিলের ওপর পড়ে। এতে তিনি কাঁধে আঘাত পান।


পরে তাকে ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।


এএসআই মসলিম উদ্দিন বলেন, “ডিউটি অফিসারের দায়িত্ব পালন করছিলাম। হঠাৎ ছাদের পলেস্তারা ধসে পড়ে। এতে আমার কাঁধে আঘাত লাগে। এ সময় থানার কাজে ব্যবহৃত একটি কম্পিউটারও ভেঙে যায়।”


ওসি শওকত আলী সরকার বলেন, “বিষয়টি পুলিশ সুপারকে জানানো হয়েছে। দুই-এক দিনের মধ্যে কক্ষটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ১৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৬:১১ পিএম

অভ্যন্তরীণ বোরো ২০২৬ মৌসুমে গাইবান্ধার ৭ উপজেলার ১১ টি এলএসডিতে ধান ক্রয় করা হয়েছে ১৪ হাজার ৩ শত ৯৬ মে.টন। যেখানে সরাসরি গোডাউনে এসে ধান দিতে পেরে হাসি ফুটেছে গাইবান্ধার প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের মুখে।


জানা যায়, বোরো মৌসুম ২০২৬ এ ধান সংগ্রহের জন্য কৃষকদের Apps এর মাধ্যমে কৃষক নিবন্ধন/আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য গাইবান্ধা জেলা জুড়ে ব্যাপক প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ করে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা। যাতে করে প্রকৃত কৃষকরা নিজের বা পরিবারের মোবাইল দিয়ে অনলাইনে আবেদন বা নিবন্ধন করতে পারেন। যেখানে খাদ্য গোডাউনে ধান কখন, কীভাবে দিতে হবে তার স্পষ্ট সুনির্দিষ্ট ধারণা পান প্রান্তিক কৃষকরা।




গাইবান্ধা সদর, বোনারপাড়া, ফুলছড়ি, সাদুল্লাপুর, নলডাঙ্গা, বামনডাঙ্গা, সুন্দরগঞ্জ, মহিমাগঞ্জ, গোলাপবাগ, কামদিয়া, পলাশবাড়ীসহ মোট ১১ টি এলএসডিতে নির্বাচিত কৃষকদের কাছে থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে কৃষক প্রতি ৩ টন করে ধান ক্রয় সম্পন্ন করেছে। ধান সংগ্রহে কৃষকদের নিজেদের ব্যাংক হিসাবে তাঁদের ন্যায্য মূল পরিশোধ করে খাদ্য বিভাগ। এতে করে হয়রানি ছাড়াই সুষ্ঠু পরিবেশে গুদামে ধান দিয়ে কৃষকরা অনেক আনন্দিত।


ধানের বিষয়ে কথা হয় বোনারপাড়া ইউনিয়নের কৃষক লাজু মিয়ার সাথে তিনি জানান, একজন কৃষক হিসেবে গুদামে ধান দিয়ে ন্যায্য মূল্য পেয়ে অনেক ভালো লাগছে। তবে গুদামে ধান দেয়ার পরিবেশ খুবই ভালো ছিলো। গুদামে কর্তব্যরত সকলের সহযোগিতাও পেয়েছি অনেক।


গাইবান্ধা সদর এলএসডি'র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস.এম শাহিদ হাসান জানান, প্রকৃত কৃষকদের কাছে থেকে ধান নিতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। অনেক কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে তারা ফসল ফলান। তাঁরা আমাদের দেশ ও দশের গর্ব। যতটুকু পেরেছি তাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি।


গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রওশানুল কাওছার জানান, আমার উপজেলায় খাদ্য গোডাউনে সঠিকভাবে ধান সংগ্রহ করার লক্ষ্যে এলএসডি গোডাউনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভালোভাবে নির্দেশনা দেয়া আছে। কৃষকদের ধান কৃষকরা যেন সম্মানের সাথে দিতে পারেন। পাশাপাশি আমিও মাঝে মাঝে পরিদর্শন করেছি।


ধান সংগ্রহ নিয়ে গাইবান্ধা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিত্যানন্দ কুন্ডু জানান, গাইবান্ধায় ১১ টি এলএসডি গোডাউনে নির্বাচিত কৃষকদের মাঝে থেকে মোট ১৪ হাজার ৩ শত ৯৬ মে.টন ধান ক্রয় করা হয়েছে। যেখানে কৃষকরা আনন্দের সাথে গোডাউনে এসে স্ব শরীরে উপস্থিত থেকে ধান দিয়ে নিজেদের ব্যাংক হিসাবে অর্থ নেয়। আমাদের সকল কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া আছে, কৃষকরা আমাদের দেশের সম্পদ তাদের সম্মানের যেন ঘাটতি না হয়।


জেলা জুড়ে ব্যাপক উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন গোডাউনে ধান দিয়েছে গাইবান্ধার কৃষকরা। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের সুন্দর ব্যবস্থাপনার কারণেই কৃষকেরা এমন পরিবেশ পেয়েছেন। ভবিষ্যতে যেন এর ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। পাশাপাশি সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে ধান দিতে পেরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কৃষকসহ স্থানীয় সচেতনমহল।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ১৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:৫৬ পিএম

বানিজ্য, শিল্প বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সিলেট অঞ্চলে অনাবাদি জমিকে কাজে লাগিয়ে কৃষি উন্নয়নে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, কৃষি কর্মকর্তাদের কৃষি কাজে আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে কৃষির  উন্নয়ন করতে হবে। 


তিনি আজ শনিবার সিলেট নগরির একটি বেসরকারি রেষ্টুরেন্টে "আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ণ প্রকল্পের আওতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জেলা পর্যায়ে বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনা প্রনয়ন ও বিগত বছরে বাস্তবায়ন মূল্যায়ন'' বিষয়ক জেলা পর্যায়ের কর্মশালায় প্রধান অতিখির বক্তব্যে এ কথা বলেন।


সিলেটের অতিরিক্ত পরিচালক ডক্টর মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্যে রাখেন প্রকল্প পরিচালক রফিক উদ্দিন। এতে মূল প্রবন্দ পাঠ করেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর শহিদুল ইসলাম। পবিত্র কোরান ও গিতা পাঠের মাধ্যেমে ও মনিটরিং অফিসার আক্রাম হোসেনের পরিচালনায় শুরু হওয়া কর্মশালায় আলোচনায় অংশ নেন গোয়াইনঘাট উপজেলার কৃষক আব্দুল আহাদ, সহকারি কৃষি কর্মকর্তা শামীম আহমদ, শামীমূল হক, রাশেদুজ্জামান, রায়হান পারভেজ রনি। এতে প্রশাসনের উদ্ধর্তন কর্মকর্তা, রাজনীতিক নেতৃবৃন্দ, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, কৃষক নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। 




কর্মশালায় মন্ত্রী আরো বলেন, সিলেটে সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলে কৃষকরা তিন ফসলা জমির পরিমান বাড়াতে পারবে। তাই কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়ে আলোচনা করে তার ব্যবস্থা করবো। আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ণ প্রকল্প এর আয়োজন করে। কর্মশালা শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানান দেশের চলমান গ্যাস সংকট থেকে স্থায়ীভাবে বের হতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলতে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে। 


তিনি আরো বলেছেন, গ্যাসের অভাবে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার বিষয়টি বাস্তবতা। তবে এই সংকটের স্থায়ী সমাধানে অবকাঠামো উন্নয়নের বিকল্প নেই। 


খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরো বলেন, দেশের বিভিন্ন মিল ও কারখানা গ্যাসের সংকটে ভুগছে, এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এই পরিস্থিতি বর্তমান সরকারের তৈরি নয়; এটি ‘উত্তরাধিকার সূত্রে’ পাওয়া সংকট। তবে সংকট কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে।


বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার প্রচলিত চিন্তাভাবনার বাইরে গিয়ে কাজ করছে। স্থায়ীভাবে সংকট থেকে বের হওয়ার জন্য অবকাঠামো তৈরি করতেই হবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সময় দিতে হবে।


তিনি বলেন, ‘অবকাঠামো তৈরি করে এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে যতটুকু সময় প্রয়োজন, সেটা দিতে হবে। এই অবকাঠামো তৈরির কাজ শেষ করতে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে।’  


তবে দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো তৈরির পাশাপাশি আপৎকালীন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার বিষয়েও সরকার কাজ করছে বলে জানান মন্ত্রী। মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আনার সম্ভাবনার বিষয়ে জানতে চাইলে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, মালয়েশিয়ার ছোট আকারের জাহাজগুলো বর্তমানে অন্যত্র কাজে নিয়োজিত। ফলে সেখান থেকে দ্রুত গ্যাস আনার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তারপরও সাময়িকভাবে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি করা যায় কিনা, সে বিষয়ে সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। 


মন্ত্রী বলেন, আপৎকালীন কোনো ব্যবস্থা করা যায় কি না, সেটি নিয়ে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরির কাজও এগিয়ে নিতে হবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ১৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:০৫ পিএম

সরকারি হাসপাতালে আসা রোগীদের প্রতি মানবিক ও সেবামূলক মানসিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালনের জন্য নার্সসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সরকারের পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদ।


আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে পঞ্চগড় সদর হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে অংশীজনদের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।




প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা ও সেবা নিতে আসা রোগীদের ক্ষেত্রে সব ধরনের বাধা ও বৈষম্য দূর করা হবে। এ বিষয়ে প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি অতি দ্রুত পঞ্চগড়ের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নতুন হাসপাতাল চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।


মতবিনিময় সভায় পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভীন, পুলিশ সুপার আবু সাইম, সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহেরুল ইসলাম কাচ্চু, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আদম সুফি, জেলা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজলসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ১৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:২১ পিএম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মারের নেতৃত্বে ‘বাকশাল’ নামে একটি গরু জবাই করে জুলাই জিয়াফতের আয়োজন করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে এ ভোজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।


এর আগে গতকাল শুক্রবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে ভিডিও বার্তায় ভোজের ঘোষণা দিয়ে সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘১৫ আগস্ট আপনাদের সবাইকে নিয়ে আমাদের যে প্রাণপ্রিয় গরুটা আনতে পারছি, তার নাম দেওয়া হয়েছে বাকশাল। এই বাকশালটাকে আমরা কোরবানি করে উদ্‌যাপন করব। এটাকে জুলাই জিয়াফতও বলতে পারেন, জুলাইয়ের আপ্যায়ন। আপনাদের সবাইকে আমন্ত্রণ থাকবে।’


পরে গতকাল গভীর রাতে গরু জবাইয়ের পর একটি পোস্টে সালাউদ্দিন আম্মার লেখেন, ‘১৫ আগস্ট রাতেই বাকশালরে শুয়াইয়া দিলাম। আমি মেজর সালাউদ্দিন আম্মার বলছি। লীগের...।’


‘জুলাই জিয়াফত’ আয়োজনে অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিবন্ধন ফি হিসেবে ১৫ টাকা নিয়ে নেওয়া (গুগল ফরমে আবেদনের ভিত্তিতে) হয়েছে। ৭৫০ জন শিক্ষার্থী এ আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন। ৬৫০ জনের জন্য গরু ভোজ ও বাকিদের জন্য অন্য খাবার রাখা হয়েছে।


শুরুতে ফেসবুকে রাকসুর পক্ষ থেকে এ জিয়াফতের আয়োজন করা হয়েছে বলে প্রচার চালানো হয়। পরে জানা যায়, এটি রাকসুর কোনো আয়োজন নয়। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের অনেকে ফেসবুকে সমালোচনা করেছেন।


নিশা আক্তার নামের এক শিক্ষার্থী লিখেছেন, ‘অথচ হলের খাবারের মান আগের মতোই আছে। ইন্টারনেটের বেহাল দশা। আবাসিক সমস্যার নেই কোনো সমাধান। এই হলো আমাদের ৩৫ বছর পর পাওয়া রাকসুর কর্মকাণ্ড।’


সালাউদ্দিন আম্মারের এমন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে দেলোয়ার হোসাইন নামের এক শিক্ষার্থী মন্তব্য করেছেন, ‘...তোর সমস্ত কাজকর্ম জুলাইয়ের আন্দোলন পর্যন্ত ঠিক ছিল। তার পর থেকে ব্যবহৃত হচ্ছিস।’


বেলা দেড়টার পর রাকসু ভবন ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে অপেক্ষা করছেন। রাকসু ভবনের ভেতরে খাবারের প্যাকেট প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের বসার জন্য কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে ঘাসের ওপর কিছু ত্রিপল বিছানো হচ্ছে। জোহরের নামাজ শেষে বেলা পৌনে দুইটার দিকে শিক্ষার্থীরা আসতে শুরু করেন। ২টা ১০ মিনিটে রাকসু ভবন থেকে ভ্যানে করে খাবার আনতে দেখা যায়।


কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে বসার জায়গার সম্মুখে একটা ব্যানার টাঙানো হয়েছে। সেখানে লেখা আছে, ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও বাকশাল পতনের ঐতিহাসিক দিন উপলক্ষে জুলাইয়ের জিয়াফত।’ ব্যানারের ওপরের এক পাশে লেখা—‘মুজিববাদ, মুর্দাবাদ’, অন্য পাশে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’।


তবে কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে নারী শিক্ষার্থীদের দেখা যায়নি। রাকসু ভবন থেকে তাঁদের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়েছে।


জানতে চাইলে সালাউদ্দিন আম্মার প্রথম আলোকে বলেন, ‘শুরুতে রাকসুর পক্ষ থেকে প্রচারণা চালানো হয়েছিল। তবে রাকসুর সব সদস্য এতে একমত হননি। পরে আমাদের এক ভাই এটি উপহার দিয়েছেন। এখানে রাকসু জড়িত নয়।’


গরুর নাম বাকশাল রাখার কারণ জানিয়ে আম্মার বলেন, ‘আজ বাকশাল পতনের ঐতিহাসিক দিন এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি। সে জন্য গরুর নাম বাকশাল রাখা হয়েছে।’

সর্বশেষ সব খবর