সংগৃহীত ছবি
রাসেল ও সামিয়া
বসুন্ধরা শুভসংঘ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখার নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের রাসেল শেখ সভাপতি, ইতিহাস বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের সামিয়া আক্তার সাধারণ সম্পাদক এবং লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২৩-২৪ বর্ষের তওসিফ আহম্মেদ মাহিন সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন।
আজ রবিবার (১২ অক্টোবর) বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচালক ও কালের কণ্ঠের জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক জাকারিয়া জামান ১২৭ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটির অনুমোদন দেন। আগামী এক বছরের জন্য এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন নির্বাহী সভাপতি: রাকিবুল ইসলাম রিফাত। সিনিয়র সহসভাপতি: বুশরাত আক্তার বর্ষা, রতন হোসেন, মোসলেম উদ্দিন।
সহসভাপতি: মো. আল শাহরিয়ার খান, তানভীর আনজুম বিশ্বাস, মো. ইসমাইল হোসেন, মাহফুজা খানম একা, আবু মুছা। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মো. সাইখুল আলম রিংকু, খাদিজা খাতুন, মালিহা আক্তার, মো. শাহরিয়াজ আহমেদ রাতুল, আতিক দেওয়ান, রিয়াদ হাসান হিরা, মুনিরউদ্দিন শেখ, মিথিলা আহসান।
সাংগঠনিক সম্পাদক: তওসিফ আহমেদ মাহিন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক: জুহার আলমাস লাবিব, ইব্রাহিম শেখ।
দপ্তর সম্পাদক: রোহান, সহদপ্তর সম্পাদক: মো. আমিনুর রহমান, মো. সারোয়ার জাহান।
অর্থ সম্পাদক: আমির হোসেন (০১), মোহন খন্দকার (০২), সহঅর্থ সম্পাদক: মো. হাসান।
প্রচার সম্পাদক: সুহাইল আহমদ, সহপ্রচার সম্পাদক: জাহাঙ্গীর আলম, মো. আকাশ আহমেদ রুপন, সজিব উদ্দিন, মো. রিফকুল ইসলাম, মো. মাহফুজ আলম তৌহিদ।
সহনারী বিষয়ক সম্পাদক: আফিয়া আদিবা এষা, সানজিদা ইসলাম তমা, মুরশিদা আক্তার খতু, শ্রাবণী চৌধুরী, তানিয়া খাতুন। শিশু বিষয়ক সম্পাদক: মেহেরুননেছা প্রীতি। সহশিশু বিষয়ক সম্পাদক: অন্তরা আক্তার নদী, ইকরা জাহান মিম, সাদিয়া আক্তার, আবিদা সুলতানা আখি, লাবনী আক্তার কবিতা, রাইসা সামিহা। ইভেন্ট সম্পাদক: সামছুন নাহার মুক্তা। সহইভেন্ট সম্পাদক: আছিয়া লিমা, মেহেদী হাসান হৃদয়, এ টি এম হাসনাত হাবিব, হাবিবুর রহমান হাসিব, মোছা. ফারজানা আক্তার, রুপা সুলতানা। কর্মপরিকল্পনা সম্পাদক: জুবায়ের। সহকর্মপরিকল্পনা সম্পাদক: সুরাইয়া, মোছা. সোনালি খাতুন, মুহাইমিন আহমেদ, মো. আব্দুল্লাহ।
সাহিত্য ও পাঠচক্র সম্পাদক: মুনজির আলামিন, সহসাহিত্য ও পাঠচক্র সম্পাদক: রায়হান কবির রাজু, আব্দুল্লাহ আল কাওসার, মোছা. সুমাইয়া খাতুন, সাবিনা ইয়াসমিন, মো. জামাল হোসেন।
সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক: মো. জিসান ইসলাম জিহাদ। সহসাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক: কাজী মারুফ। স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক: মোছা. সোনালি খাতুন। সহস্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক: রীতু রায়, সৌরভ ভট্টাচার্য, মো. রমজান আলী, সুরাইয়া আক্তার। ক্রীড়া সম্পাদক: তৌহিদুল ইসলাম। সহক্রীড়া সম্পাদক: শরিফুল ইসলাম, মোছা. রেশমী আক্তার, মোছা. জান্নাতী খাতুন, নাইমুর রহমান, মো. সজিব হোসেন, রবিউল হোসেন।
তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক: মাহমুদুর রহমান, সহতথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক: সত্য কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, মোছা. সুমাইয়া খাতুন। তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক: তানসেন বৈরাগী সরকার। সহতথ্য ও গবেষণা সম্পাদক: এস. এম. এন রাহাত। শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: আশা মনি। সহশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: শারমিলা আক্তার জেরিন, রাফিয়া রাইহান রিশা, তাহেরা খাতুন, মো. রাসেল খন্দকার, রাফিজুল ইসলাম। আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক: এনায়েত উল্লাহ। সহআপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক: মো. মহিবুল্লাহ হোসেন, তানিয়া আক্তার, বিশ্বা রানী কুন্ডু, আছিয়া খাতুন, নাসিফ রাহাত রাজু।
ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক: আমির হামযাহ শহিদ৷ সহত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক: শুভ আহমেদ, শায়লা নাজনিন, মো. মোস্তাকিম মিয়া, তানজীমুল ইসলাম উপল।
সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক: মো. শাহিনুর আলম। সহসমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক: রিয়াদ হাসান হৃদয়, আফসানা আক্তার, পাখি আক্তার, নিশাত আরা লিমা।
কার্যকরী সদস্য: স্বপ্না খাতুন, নওশিন বিনতে আলম, মো. হাবিবুর রহমান, ওসমান গনি, মো. ইলিয়াস আলী ইকরাম, মাহিদ হাসান, তানজীমুল ইসলাম উপল, জান্নাতুল বুসরা মোনালিসা, মোছা. বুশরা আক্তার, অন্তরা আক্তার নদী, মিশকাতুল জান্নাত ইকোন, শারমি আক্তার, রিফাত হোসেন, মো. হাসিবুর কুরাইশী, শরিফা আক্তার সুমা, নাজমুন আক্তার সাফিয়া, মো. শিশির আলম, রাসেল মিয়া, সজয়, মোছা. মায়া আক্তার, নাসিফ রাহাত।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাংস্কৃতিক সংগঠন পদচিহ্নের ২০২৬-২৭ কার্যকরী কমিটি পূর্ণাঙ্গভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি হিসেবে কৃষি রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নাইমুর হোসেন নিরব দায়িত্ব পেয়েছেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) সংগঠনটির ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হয়েছেন ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির অধ্যাপক ড. ফাহমিদা খাতুন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রূখসানা আক্তার রিদিতা, মো. রাকিবুল হাসান ও নাফিস ইকবাল।
এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে উচ্ছ্বাস সরকার প্রিতম, জবা দেবনাথ ববি ও মো. শাকিবুর রহমান ভূঁইয়া; কোষাধ্যক্ষ হিসেবে তাজরী সরকার এবং সহ-কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রামিশা ফারিহা রিয়া ও রাজ শেখর মণ্ডল দায়িত্ব পেয়েছেন। দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন মো. রাফুল হক, সুমাইয়া কামাল দিশা ও মো. সোহানুর রহমান।
সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে আসমা নাওয়ার অন্বেষা, নৃত্য সম্পাদক হিসেবে এশা আহমেদ, সংগীত সম্পাদক হিসেবে পুষ্পিতা দাস এবং নাট্য সম্পাদক হিসেবে নিশাত মনিরা মীম ও মো. জিয়াদ আল নোমান (আলিফ) দায়িত্ব পেয়েছেন। উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন ঈশিকা রায়, মাছুম বিল্লাহ তন্ময় ও রায়হান করিম। সহ-নৃত্য সম্পাদক হিসেবে সজিব দেবনাথ অমিত, নাবিহা মাহমুদ বিধি, ছোঁয়া পাল ও শাহরিয়ার নিহাল রাতুল এবং সহ-সংগীত সম্পাদক হিসেবে অনন্যা গাইন ও মো. মুঈন শাহরিয়ার দায়িত্ব পেয়েছেন।
কমিটির অন্যান্য পদে মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক হয়েছেন আতিয়া ইবনাত লামিয়া, উপ-মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিয়াদ, ফটোগ্রাফি সম্পাদক মো. সিহাব উদ্দীন এবং ক্রীড়া ও বিনোদন সম্পাদক উইলিয়াম ভালো। চারুকলা ও চিত্রাঙ্কন সম্পাদক হিসেবে নাফিসা তাহসিন নুসরাত তাহমিনা ও তাসফিয়া মাহমুদ অদ্রি এবং ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসেবে সাদিয়া ইসলাম সারা, অর্পিতা পাল তন্নী ও রোকেয়া খাতুন সিমি দায়িত্ব পেয়েছেন।
এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন মাসকবা আক্তার মারিশা, যষ্টি রানী সিংহ, শাফিউল আলম মারুফ, বিন্দু মোহন্ত, প্রযুক্তা নাগ, এশা রায়, অর্ণিমা রায়, স্নেহা রায়, সিনথিয়া ইসলাম স্নেহা, জাহিদ হাসান সৈকত, সাইফ আহমেদ সাকিব, আশিকুর রহমান আশিক, শ্রাবণ বিশ্বজিৎ, মানতাশা মোস্তফা, সাব্বির হোসেন, সুধৃতা বণিক, শরিফুল সজীব, মো. সুলতানুর আরেফিন তাসিন, সৌমি প্রামাণিক, মাহমুদ-উন-নাবি তুহিন, অন্তিম ও সাদিয়া ইসলাম শুভা।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মুক্তমঞ্চে কেক কাটা হয়। পরে টিএসসি থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করেন সংগঠনের সদস্যরা।
পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রসঙ্গে সাধারণ সম্পাদক নাইমুর হোসেন নিরব বলেন, নতুন কমিটির সদস্যরা সম্মিলিতভাবে সংগঠনকে এগিয়ে নিতে কাজ করবেন। পদচিহ্নের পূর্বসূরি, বর্তমান কমিটির সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের সহযোগিতায় সংগঠনের লক্ষ্য ও আদর্শ ধরে রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কারদের নিয়োগের আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের
মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সামাজিক অস্থিরতা মোকাবিলা এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনে ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কের কার্যকর প্রয়োগ ও দক্ষ জনবল নিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। আজ রবিবার (১১ অক্টোবর ২০২৬) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের অ্যালামনাই ফ্লোরে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘লিভড এক্সপেরিয়েন্সেস টু মিনিংফুল চেঞ্জ: প্রমোটিং ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্ক প্র্যাকটিস ইন মেন্টাল হেলথ’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (CSWAB) এ সেমিনারের আয়োজন করে।
অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, বর্তমান সমাজে শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে নানা ধরনের সামাজিক ও মানসিক সংকট দেখা যাচ্ছে। এসব সংকট মোকাবিলায় শুধু আইন প্রয়োগ, চিকিৎসা কিংবা তাৎক্ষণিক সহায়তা যথেষ্ট নয়; সমস্যার অন্তর্নিহিত কারণ চিহ্নিত করা, পারিবারিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মনোবিজ্ঞান ও সমাজকর্ম বিষয়ে দক্ষ জনবল তৈরি হচ্ছে। এই জনবলকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো গেলে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, ঝুঁকিপূর্ণ শিশু-কিশোরদের পুনর্বাসন এবং সামাজিক সমস্যার কার্যকর সমাধানে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কারদের কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। নোবিপ্রবি উপাচার্য আরও বলেন, সমাজকর্ম বিষয়ে পেশাগত শিক্ষা ও গবেষণার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি এ বিষয়ে প্রশিক্ষিত গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা জরুরি। ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কের বিকাশে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এ পেশার মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সংকটাপন্ন জনগোষ্ঠীকে সেবা দেওয়ার সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হতে পারে।
এ সময় সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, সমাজসেবা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে সমাজকর্ম বিষয়ে শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত গ্র্যাজুয়েটদের সমাজসেবা কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। পাশাপাশি সমাজসেবা কর্মকর্তাদের পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি এবং পদগুলোকে বিসিএস ক্যাডারভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে বিদ্যমান জনবল ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফুন নাহার। ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (CSWAB)-এর সভাপতি ও রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তাহমিনা আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. এম শাহীন খান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তাহমিনা আখতার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মানসিক ও সামাজিক সংকট মোকাবিলায় সমস্যার গভীরে গিয়ে তার কারণ বিশ্লেষণের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার পর ভুক্তভোগীকে উদ্ধার, চিকিৎসা বা তাৎক্ষণিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি ঘটনাটির পারিবারিক, সামাজিক ও মানসিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। কেন এ ধরনের ঘটনা ঘটছে এবং কীভাবে তা প্রতিরোধ করা যায়, তা চিহ্নিত করে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, সামাজিক সমস্যার সমাধান কেবল আইন প্রয়োগ, হাসপাতাল বা চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়ানোর মাধ্যমে সম্ভব নয়। এ জন্য প্রয়োজন সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ, যার মধ্যে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, পারিবারিক সহায়তা এবং সামাজিক পুনর্বাসন অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এ ক্ষেত্রে ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কের মতো পেশাগত ক্ষেত্রকে কাজে লাগানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কর্তব্যরত সংবাদকর্মীদের সঙ্গে বিএনপি সমর্থিত 'ইবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন'-এর নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস কর্নারে ক্যাম্পাসে দায়িত্বরত তিন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়।
সাক্ষাৎকালে সংগঠনটির সভাপতি মির্জা ওয়ালিদ শিপন ও সাধারণ সম্পাদক ড. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে অর্ধ-শতাধিক অ্যালামনাই প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতি, প্রেস ক্লাব ও রিপোর্টার্স ইউনিটির সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের পাশে থেকে আন্তরিক সহযোগিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন সবসময় পাশে থাকবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন।
অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মির্জা ওয়ালিদ শিপন বলেন, আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন একটাই হবে। আমরা আমাদের সাথে সব দলমতের অ্যালামনাই রেখেছি ও কমিটিতে পদও দিয়েছি। কিন্তু হঠাৎ করে ৫ আগস্টের পরে রাতারাতি শিবিরের লোকজন নিয়ে আরেকটা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গড়ে উঠে। এটা শিবির অ্যাসোসিয়েশন হতে পারে, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন নয়। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে সবার সাথে বসতে এবং আলোচনা করতে রাজি আছি।
এসময় তিনি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনকে পুনর্গঠন ও ফান্ডরেইজিং করে বিশ্বিবদ্যালয়ের সব বিভাগে আর্থিক অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি প্রদানের পরিকল্পনার কথা জানান। এছাড়া একাউন্টিং বিভাগে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থী সালিমার জন্য প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা বৃত্তির ঘোষণা দেন তিনি।
এদিন বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব কর্মকর্তা সমিতি, জিয়া পরিষদের কর্মকর্তা ইউনিট, জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরাম এবং সহায়ক, সাধারণ ও টেকনিক্যাল সমিতির নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক সংগঠন ইউট্যাব, জিয়া পরিষদের শিক্ষক ইউনিট ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।
জবিতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বাতিল হওয়া নিয়োগ পরীক্ষার প্রতিবাদে এবং চাকরিপ্রার্থীদের যৌক্তিক দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।
শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত চত্বরে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।এসময় প্ল্যান প্ল্যান কোন প্ল্যান প্রশ্নফাঁসের মাস্টার প্ল্যান;প্রশ্নফাঁস না মেধা,মেধা মেধা সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় তাদের।
এসময় জকসু শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল বলেন,২৪-এর গণঅভ্যুত্থান ও স্বৈরাচারী শাসন থেকে মুক্তির পর ভেবেছিলাম আর প্রশ্ন ফাঁস বা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়তে হবে না। কিন্তু বর্তমান সরকার সাত মাস পেরোনোর আগেই দেশে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে এবং একের পর এক শিক্ষার্থী-বিরোধী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
তিনি আরো বলেন,২০০১-২০০৫ সালের মতো দলকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করার পুরনো পথে আবারো হাঁটা হচ্ছে; জনআকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতিকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। চরম অব্যবস্থাপনার কারণে পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে তা স্থগিতের ঘোষণা ন্যাক্কারজনক ও লজ্জাজনক।
জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন,ক্যাম্পাসগুলোতে বছরের পর বছর ধরে অবৈধ দখলদারিত্ব ও গুন্ডামি চলছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী শিক্ষককে শাস্তি না দিয়ে উল্টো পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। চাকরির নিয়োগে জালিয়াতি, ভাইবায় পক্ষপাতিত্ব, ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি এবং সম্প্রতি প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে অযোগ্যদের সুযোগ দেওয়ার চক্রান্ত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন,মেধাবীদের মুখ অতীতেও বন্ধ রাখা যায়নি, এখনও যাবে না। যদি সরকার এসব চক্রান্ত বন্ধ না করে এবং সোজা পথে না হাঁটে, তবে জুলাই বিপ্লবের মতো শিক্ষার্থীরা আবারো বিকল্প পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে।"
বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) “পর্যটন পুনর্গঠনে ডিজিটাল এজেন্ডা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা” বিষয়ক বিশেষ সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে।
আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের উদ্যোগে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি মো. শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলি, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুস শহীদ মিয়া, ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (TOAB) পরিচালক মো. মহিউদ্দিন সেলিম, দিশা টাওয়ার কুষ্টিয়ার ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. রবিউল ইসলাম এবং গোয়িং ফ্লাই ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ভিসা কনসালটেন্সি ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সহকারী পরিচালক তারিন তৌহিদা এবং রহিমআফরোজ (বাংলাদেশ) লিমিটেডের গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিয়াজ রহিম।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অরুণিমা রিসোর্ট গলফ ক্লাবের সিইও এবং বাংলাদেশ ইন্টিগ্রেটেড রুরাল বেসড অ্যাসোসিয়েশনের (BIRBA) নির্বাহী পরিচালক ইরফান আহমেদ।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “পর্যটন এখন আর কেবল বিনোদন বা ভ্রমণের মাধ্যম নয়; এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম মূল চালিকাশক্তি।”
তিনি বলেন, “প্রাকৃতিকভাবে বাংলাদেশ বিপুল সম্ভাবনাময় হলেও অবকাঠামোগত ঘাটতি, সঠিক প্রচারের অভাব ও নিম্নমানের সেবার কারণে আমরা এর পূর্ণ সুযোগ নিতে পারছি না।”
পর্যটনে প্রযুক্তির (AI) ব্যবহার নিয়ে তিনি বলেন, “বিশ্ব এখন প্রযুক্তির যুগে। স্মার্ট প্ল্যানিং, ডিজিটাল মার্কেটিং এবং ডেটাভিত্তিক পর্যটন সেবার মাধ্যমে পর্যটন খাতকে আধুনিক, আন্তর্জাতিক ও পর্যটকবান্ধব করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার অপরিহার্য। প্রযুক্তির উন্নতির পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষা, স্থানীয় সংস্কৃতিকে সম্মান জানানো এবং মানবিক সহানুভূতি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।”
এসময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য উপাচার্য অধ্যাপক ড. মতিনুর রহমান বলেন, “শিক্ষার্থীদের শুধু প্রচলিত শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে AI, ডিজিটাল মার্কেটিং, ডেটা বিশ্লেষণ এবং স্মার্ট হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টে প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও জ্ঞান অর্জন করতে হবে। পাশাপাশি নতুন নতুন প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও গবেষণার মাধ্যমে কীভাবে পরিবেশ রক্ষা করে এবং স্থানীয় সম্প্রদায়কে যুক্ত করে টেকসই পর্যটন গড়ে তোলা যায়, সেই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদেরই নিতে হবে।”